জানুয়ারি ২৭, ২০২২

বাঙলা কাগজ

The Bangla Kagoj । সবচেয়ে বেশি দেশে, সবচেয়ে বেশি ভাষায়। বাঙলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net (আমাদের কোনও জাতীয় পত্রিকা নেই)।

চাল-ডিমের দাম বেড়েছে। কমেছে মুরগি-পেঁয়াজের।

Kolkata: Sacks of potatoes at a wholesale vegetable market in Kolkata on Sep 3, 2020. Kolkata Police Enforcement Branch (EB) officials on Thursday carried out extensive drives in various city markets to control the skyrocketing price of daily essential items amid the Covid-19 pandemic. he officials visited busy marketplaces like Burrabazar and Maniktala in north Kolkata to enquire about the price of potato and other vegetables. (Photo: Kuntal Chakrabarty/IANS)

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাঙলা কাগজ : সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে চাল ও ডিমের দাম বেড়েছে। কমেছে মুরগি ও পেঁয়াজে দাম।

এ ছাড়া অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম।

শুক্রবার (১৪ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।

বাজারে গত সপ্তাহের দামে বিক্রি হচ্ছে সবজি। এসব বাজারে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৮০ টাকা, শিম বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকা, গোল বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৪০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, করলা ৮০ টাকা, গাঁজর প্রতি কেজি ৪০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৫০-৮০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা ও পেঁপের কেজি ৪০ টাকা।

এসব বাজারে পুরান ও নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫ থেকে ২০ টাকা। দাম কমেছে পেঁয়াজের। দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা কেজি। ইন্ডিয়ান পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি। গতসপ্তাহে পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হয়েছিল ৪৫ থেকে ৫০ টাকা।

বাজারে দাম কমেছে চায়না রসুনের। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা। গত সপ্তাহে চায়না রসুন বিক্রি হয়েছে ১৫০ টাকা। দেশি রসুন বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। দেশি আদার কেজি ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। চায়না আদা বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা।

পিয়াজ-রসুন বিক্রেতা কবির হোসেন বলেন, বাজারে বিধি-নিষেধের প্রভাব পড়েনি। আমদানি বেশি থাকায় কমেছে রসুন ও পেঁয়াজের দাম।

এইসব বাজারে কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৮০ টাকা। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা।

আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে মুসুর ডাল। দেশি ডালের কেজি ১১৫ থেকে ১২০ টাকা। ইন্ডিয়ান ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৯০ থেকে ৯৫ টাকা।

এসব বাজারে ভোজ্যতেলের প্রতি লিটার খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের তেলের লিটারও বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়।

বিজ্ঞাপন

বাজারে প্রতি কেজি চিনি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়। এছাড়া প্যাকেট চিনি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়। আটা প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ টাকায়।

বাজারে বেড়েছে ডিমের দাম। লাল ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ থেকে ১১৫ টাকায়। হাঁসের ডিমের ডজন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা। সোনালী (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬৫ টাকায়।

বাজারে কমেছে মুরগির দাম। ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা। গতসপ্তাহে ব্রয়লার মুরগির কেজি ছিল ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা। ১০ টাকা দাম কমে সোনালি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। গত সপ্তাহে সোনালি মুরগির কেজি ছিল ২৭০ টাকা। লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা।

১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো. রুবেল বাঙলা কাগজ ও ডনকে বলেন, এখনো বাজারে বিধি-নিষেধের প্রভাব পড়েনি। তবে সম্ভাবনা আছে। শীত বাড়ায় কমেছে মুরগির দাম।

আবারও বাজারে বেড়েছে চালের দাম। এসব বাজারে নাজিরশাইল চালে কেজিতে বেড়েছে ১ টাকা। নাজিরশাইল চাল কেজি ৭১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মিনিকেট চালে প্রতি কেজিতে ১ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা, আটাশ চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ১ টাকা। আটাশ চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৩ টাকা।

মিরপুর ১১ নম্বর বাজারে চাল বিক্রেতা কালাম সরকার বাঙলা কাগজ ও ডনকে বলেন, বাজারের সব ধরনের চালে কেজিতে ১ টাকা করে বেড়েছে। পাইকাররা বলছে বাজারে ধানের দাম বাড়ায় বেড়েছে চালের দাম। চালের দাম বাড়ার মূল কারণ সিন্ডিকেট, এ ছাড়া আর কিছুই নয়।

Facebook Comments Box

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share
Contact us