মে ১২, ২০২১

Bangla Kagoj । News from Bangladesh, World and Universe at any Language

বাংলা ভাষাসহ পৃথিবির সব ভাষায় সর্বশেষ ও প্রধান খবর, বিশেষ প্রতিবেদন, সম্পাদকীয়, পাঠকমত, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সব প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ সকল খবর।

কাঁচা মরিচের ফলন বাম্পার : দাম পাচ্ছেন না কৃষক

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; রাসেল কবির মুরাদ, কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ায় এবার কাঁচা মরিচের ফলন হয়েছে বাম্পার। এলাকার বিভিন্ন গ্রামে কাঁচা মারিচ তোলার ধুম পড়ে গেছে। কেউ ক্ষেত থেকে মরিচ তুলছে। কেউবা আবার তুলে মরিচ বাড়ির উঠানে নিয়ে রাখছেন।

এ ছাড়া অনেক কৃষক তাঁদের ক্ষেত থেকেই পাইকারদের কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন। আর ট্রাক ভরে কৃষকদের উৎপাদিত কাঁচা মরিচ চলে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। তবে মিলছে না আশানুরূপ দাম।

স্থানীয় সূত্র ও কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত কয়েক বছর ধরে কলাপাড়া উপজেলার নীলগঞ্জ, মহিপুর, আলীপুর, লতাচাপলীসহ বিভিন্ন গ্রামে কাঁচা মরিচের বাম্পার ফলন হচ্ছে।

আর কৃষকেরা দামও পেয়ে আসছিলেন ভালো।

তাই লাভের আশায় কৃষকরা মরিচ চাষে ঝুঁকে পড়ছেন। ভাগ্য ফেরানোর যুদ্ধে দিনরাত পরিশ্রম করছেন এখানকার কৃষকেরা।

যদিও খালগুলো মরে যাওয়া ও পুকুরের পানি শুকিয়ে যাওয়ায় জমিতে ঠিকমতো পানি দিতে পারেন নি কৃষকেরা।

স্থানীয় ৩ জন আড়তদার মালিক বাংলাকাগজকে বলেন, ‘প্রচুর পরিমাণে মরিচ উৎপাদিত হওয়ায় এখানকার কৃষকদের কাছ থেকে ক্রয় করে তা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছি।’

‘এ ছাড়া হাটে স্থানীয় কৃষক ছাড়াও পাশের ইউনিয়নের লোকজন কাঁচা মরিচ নিয়ে আসছে।’

থঞ্জুপাড়া গ্রামের কৃষক সাদেক মুন্সী বাংলাকাগজকে জানান, এ এলাকার জমিগুলো হলো বেলে মাটি। যার কারণে বিন্দু মরিচের ফলন ভালো হয়েছে। তবে এখানকার কৃষকরা জিরা ও বাঁশগাড়াসহ নানা জাতের মরিচের আবাদ করছেন। এবারও তিনিও ২ একর জমিতে মরিচের চাষ করেছেন।

বিজ্ঞাপন

কৃষক দবির খান বাংলাকাগজকে জানান, এবার তিনি প্রায় ৪ একর জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। সার, ওষুধ ও পানিসেচ বাবদ এ পর্যন্ত ৩ লাখ টাকা খরচ করেছেন। তবে এবার টাকা উঠে কিনা সন্দেহ।

আরেক কৃষক মৃনাল হাওলাদার বাংলাকাগজকে বলেন, নিয়মিত সার ও নিড়ানি দিয়ে জমি পরিষ্কার করার পাশাপাশি কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছি।

‘এখন পুরো ক্ষেতের মরিচ সঠিক দামে বিক্রি করতে পারলে ৪ লাখ টাকার মতো বিক্রি করতে পারবো। তাতে কিছুটা লাভ হবে।’

কলাপাড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল মন্নান বাংলাকাগজকে বলেন, কলাপাড়ায় এবার ৫শ হেক্টরেরও বেশি জমিতে মরিচের আবাদ হয়েছে।

‘প্রতি হেক্টরে গড়ে ৪ টন উৎপাদন হয়েছে। তাবে পানি সমস্যা সমাধানের জন্য ইতিমধ্যে বিভিন্ন খাল খনন শুরু হয়েছে। আর কৃষকেরা যাতে ভালো দাম পান, সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।’

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share