জানুয়ারি ২৭, ২০২২

বাঙলা কাগজ

The Bangla Kagoj । সবচেয়ে বেশি দেশে, সবচেয়ে বেশি ভাষায়। বাঙলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net (আমাদের কোনও জাতীয় পত্রিকা নেই)।

প্রসূতির দুধ বাড়াতে ৩০ খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : শিশুর জন্মের পর অনেক শিশুই ঠিকমতো বুকের দুধ পান না। তাই বুকের দুধ বাড়ানো নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন অনেকেই।

ওই সময় ডাক্তার কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার সুপারিশ করেন। যা প্রসূতি মায়ের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ভালো রাখতে সাহায্য করে রক্ত সঞ্চালনও।

সাধারণত ডাক্তারেরা সুপারিশ করেন, আপনি মেডিটেশন করুন এবং শান্ত থাকার ক্রিয়াকলাপগুলো খুঁজে বের করুন।

মানসিক চাপ বুকের দুধ কম উৎপাদনের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি হতে পারে।

আপনার সঙ্গী, সেবা–প্রদানকারী এবং ডাক্তারদের মধ্যে যোগাযোগ থাকলে আপনার জীবন আরও সহজ হয়ে উঠবে।

বুকের দুধ বাড়াতে ৩০টি খাবার খেতে পারেন। খাবারগুলো হলো :

১. মেথির বীজ : সারা পৃথিবীতে স্তন্যদুগ্ধ বৃদ্ধির জন্য বহু প্রজন্ম ধরে মেথি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ওমেগা-৩ ফ্যাট সমৃদ্ধ যা আপনার শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিটা–ক্যারোটিন, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম এবং লৌহ সমৃদ্ধ খাদ্য হিসাবে আপনি মেথি পাতাও ব্যবহার করতে পারেন। চা বানানোর সময়ও মেথি বীজ ব্যবহার করা যেতে পারে বা সবজির তরকারিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

এ ছাড়াও মেথি দেওয়া হয় রুটি এবং পুরি বা কচুরিতে।

২. মৌরির বীজ বা মৌরি : বুকের দুধের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি, গ্যাস এবং পেটের ব্যাথা কমাতে মৌরি ব্যবহার করা হয়। ধারণা করা হয়, এইসকল বীজের গুণাগুণ বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুর দেহে পৌঁছায়। আপনি রাতে এক গ্লাস জলে এক চা চামচ মৌরি ভিজিয়ে রাখতে পারেন এবং সকালে তা পান করতে পারেন অথবা চা–এর মধ্যে দিয়েও পান করতে পারেন।

৩. রসুন : রসুন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি, হৃদরোগ প্রতিরোধ, এবং প্রতিষেধক বৈশিষ্ট্য থাকার জন্য সুপরিচিত। রসুন বুকের দুধের স্বাদ এবং গন্ধকে প্রভাবিত করতে পারে তাই এটি সীমিত ও সতর্কভাবে ব্যবহার করতে হবে।

৪. সবুজ পাতাওয়ালা শাকসবজি : পালংশাক, পাতাকপি, মেথিপাতা, সরষে শাক জাতীয় সবুজ শাক–সবজি লৌহ, ক্যালসিয়াম এবং ফোলেটের মত খনিজগুলির বড় উৎস। এগুলিতে প্রচুর ভিটামিন থাকে এবং স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করে বলে মনে করা হয়। দৈনিকভিত্তিতে আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তত এক প্রস্থ সবুজ শাক সবজি থাকা উচিত।

৫. জিরা : জিরা স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করার সঙ্গেসঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটফাঁপা, অম্বলের উপশমকারি হিসেবেও পরিচিত। এটি ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ। উপকার পেতে এটি সালাদে ব্যবহার করুন অথবা রাতভর জলে ভিজিয়ে রাখুন এবং ওই জল পান করুন।

৬. তিল বীজ : বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য বহু লোক তিলের বীজ বা তিল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এই বীজ ক্যালসিয়ামের একটি অসাধারণ দুগ্ধ বর্জিত উৎস যা আপনার শিশুর বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি প্রসবের পরে, মায়ের কর্মক্ষমতা ফিরে পেতে এবং স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য ক্যালসিয়াম বিশেষ প্রয়োজনীয়। আপনি আপনার দৈনন্দিন রান্নার মধ্যে তিল ব্যবহার করতে পারেন বা এটি দিয়ে মিষ্টি খাবার তৈরি করতে পারেন যেমন লাড্ডু এবং প্রতিদিন একটি করে খেতে পারেন।

৭. পবিত্র তুলসী : পবিত্র বেসিল বা তুলসি মায়ের দুধ বৃদ্ধি করার জন্য বহু প্রজন্ম ধরে ব্যবহার করা হয়েছে। স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করার সঙ্গেসঙ্গে এটি মন শান্ত রাখার গুণের জন্যও পরিচিত এছাড়া এটি পাচনতন্ত্রের গতি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা বাড়ায়। তুলসি চা–এর মাধ্যমে গ্রহণ করলে এটি আপনাকে আরাম এবং স্বস্তি দেবে।

৮. ওটমিল : এটি দেহে শক্তি যোগায় ও প্রসব পরের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য দুর্দান্ত। এটি আঁশযুক্ত বা তন্তু সমৃদ্ধ যা আপনার পাচনতন্ত্রের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আপনি ব্রেকফাস্টে ওটস্ খেতে পারেন বা ওটস্ কুকিজ তৈরি করতে পারেন। নিউট্রিশনিস্টরা বা পুষ্টিবিদরা স্তন্যদুগ্ধ বৃদ্ধি করতে যে কোনও খাদ্যতালিকাতেই ওটস্ যোগ করার সুপারিশ করে থাকেন।

৯. কাঁচা পেঁপে : বুকের দুধের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কাঁচা পেঁপে মনে প্রশান্তি আনে এবং ভালো ঘুম আনে। আপনি সালাদের মধ্যে গ্রেট করে বা ঘষে নিয়ে কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। কাঁচা পেঁপে বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য অন্যতম সেরা ফল বলে মনে করা হয়।

১০. গাজর : গাজর স্তন্যদুগ্ধ বৃদ্ধিতে একটি বড় ভূমিকা পালন করে এবং এটি ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ; যা বুকের দুধের মান উন্নত করে। সালাদের আকারে কাঁচা গাজর খান অথবা সকালে এক কাপ রস করে প্রাতরাশের সঙ্গে পান করুন। গাজর বিশ্বের সর্বত্রই পাওয়া যায় এবং এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করার জন্য সেরা খাবারগুলির মধ্যে একটি।

১১. বার্লি : বার্লি স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে এবং আপনাকে হাইড্রেটেড রাখে বা শরীরের জলস্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে। আপনি এটা সালাদের সঙ্গে নিতে পারেন অথবা রাতভর জলে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে পান করতে পারেন।

বিজ্ঞাপন

১২. শতমূলী : শতমূলী একটি উচ্চ তন্তুময় বা আঁশযুক্ত ভিটামিন-এ এবং কে সমৃদ্ধ খাদ্য। এটি স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সাহায্যকারী হরমোনকে উদ্দীপিত করে। একটি সুস্বাদু খাবার বা জলখাবার বানাতে এটি অন্য সবজির সঙ্গে মিলিতভাবে একটি প্যানে সিদ্ধ করে বা হালকা সাঁতলে নিন।

১৩. বাদামী চাল : কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বাদামী চাল উপকারী। এটি স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোনকে উদ্দীপিত করে বলে জানা যায়। এটা মায়ের জন্য শক্তিদায়ক এবং সুস্বাস্থ্যের পথনির্দেশকারী। একটি প্রেসারকুকার বা রাইসকুকারে এটি রান্না করুন এবং সবজি সহ খেতে থাকুন।

১৪. এপ্রিকট বা খুবানি : এপ্রিকট বা খুবানি হরমোন জনিত ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে থাকে এবং এটি প্রসবের আগে ও পরে উভয় সময়েই খাওয়া উচিত। এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ও তন্তুবহুল বা আঁশযুক্ত খাদ্য আপনার সকালের ওটমিল খাদ্যতালিকায় এটি যোগ করুন।

১৫. স্যালমন মাছ : আপনি যদি তাজা স্যালমন পান তবে আপনার ডায়েটে এটি যোগ করা উচিত। এটি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড বা ইএফএ সমৃদ্ধ যা একটি মহাখাদ্য বলে মনে করা হয় এবং বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটা দুধকে আরও পুষ্টিকর করে তোলে। আপনি বিভিন্ন উপায়ে সালমন মাছ খেতে পারেন- সিদ্ধ করা, গ্রিল করা, বা প্যানে ভেজে।

১৬. করলা : এই সবজির উচ্চ মানের পুষ্টিগুণ আছে। এটিতে প্রচুর জল থাকে। যা মাকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি সহজপাচ্য এবং স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম। যদিও অনেকেই করলার স্বাদ পছন্দ করেন না তথাপি আপনি এর জন্য কোনো সুস্বাদু উপায় খুঁজে বের করতেই পারেন।

১৭. মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলু কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ যা মাকে শক্তি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভিটামিন–সি, বি–কমপ্লেক্স, এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ। আপনি মিষ্টি আলু বিভিন্ন উপায়ে রান্না করতে পারেন যেমন মশলাদার এবং মিষ্টি খাবার।

১৮. কাজুবাদাম : এই মহাখাদ্য ভিটামিন ই এবং ওমেগা-৩-তে সমৃদ্ধ। তারসঙ্গে কাজুবাদামের পুষ্টিগুণ; যাতে পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট উপস্থিত থাকে, এই বাদামগুলোকে মহাখাদ্যে পরিণত করে। দুধের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য আপনি কাজুবাদাম কাঁচা খেতে পারেন বা এর পরিপূরকও খেতে পারেন। বিশ্বের অনেক অংশে, বাদামগুলোকে প্রচুর স্বাস্থ্যকর সুবিধার কারণে সবচেয়ে ভাল খাবার বলে মনে করা হয়, তাই মায়েদের পরিচর্যার জন্য ডাক্তারেরা কাজুবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন।

১৯. শুলফা বীজ : আপনি যদি স্বাভাবিকভাবে বাড়িতেই দ্রুত বুকের দুধ বাড়ানোর কথা ভাবেন, তবে উত্তরটি হলো শুলফা বীজ। এই উপাদানটি ম্যাগনেসিয়াম, লোহা এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হয়, এটি যে কোনও খাবারের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আদর্শ যেখানে বুকের দুধ উৎপাদনকে লক্ষ্য করা হয়।

২০. পানি : বুকের দুধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কী খাওয়া উচিত তা বিবেচনা করার সময়, লোকেরা প্রায়ই পানিকে উপেক্ষা করে। দুধ উৎপাদন উন্নত করার জন্য সঠিকভাবে হাইড্রেটিং অপরিহার্য, তাই সারাদিনজুড়ে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়ার কথা মনে রাখবেন।

২১. সজনে ডাটা : লৌহ এবং ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ উচ্চমানের সবজি, সজনে ডাটা গর্ভাবস্থায় দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পরিচিত, দুপুরের খাবারের সময় বা প্রাতরাশের সময় এই উদ্ভিজ্জ যথেষ্ট পরিমাণে খেলে যথেষ্ট দুধ উৎপাদন নিশ্চিত করতে আপনাকে সহায়তা করতে পারে।

২২. দুধ : দুধ, বিশেষ করে গরুর দুধ ফোলিক এসিড, ক্যালসিয়াম এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট দিয়ে ভর্তি থাকে, এটি কেবল দুধের উৎপাদনেই সহায়তা করে তা নয়, এরসঙ্গে দুধকে আপনার শিশুর জন্য সুষমভাবে পুষ্টিকর করে তোলে। বুকের দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে দিনের মধ্যে দু’বার এক গ্লাস করে দুধ পান করা নিশ্চিত করতে হবে।

২৩. ছোলা : ছোলা প্রোটিন ও ফাইবারসমৃদ্ধ এবং নিজেই একটি দারুণ খাদ্য এবং এটি যেকারোর জন্যই স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। তবে ছোলাতে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম থাকায় আপনার বুকের দুধের উৎপাদনকে বাড়িয়ে তোলে।

২৪. বীট : অন্যতম সেরা একটি পুষ্টিকর সবজি, বীট একটি রক্ত পরিশোধক, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর খনিজে সমৃদ্ধ যেগুলির মধ্যে সেইসব বৈশিষ্ট্য রয়েছে; যা দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, এছাড়াও বীট আপনার বুকের দুধে শিশুর রক্ত পরিশোধন বৈশিষ্ট্য থাকাও নিশ্চিত করে।

২৫. ডাল : প্রচুর পরিমাণে খনিজ, ভিটামিন এবং প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে ডাল বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত একটি সাধারণ উপাদান, কিছু ডালে থাকা ডায়েটারি ফাইবার আপনার খাদ্যে যোগ করলে আপনি এমন একটি উপাদান পাবেন যা কেবলমাত্র স্বাস্থ্যকরই নয় সেটি বুকের দুধের উৎপাদন বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

২৬. টোফু : টোফু খনিজ, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম এবং প্রচুর প্রোটিনযুক্ত একটি অসাধারণ খাদ্য। এটি সাধারণত বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে পূর্ব এশিয়ায় ব্যবহৃত হয়। টফু, ডাল এবং সবুজ পাতাযুক্ত সবজির সঙ্গে নাড়াচাড়া করে আপনি একটি সুষম এবং স্তন্যদুধ বৃদ্ধিকারী খাদ্য পাবেন যা আপনাকে সুস্থ রাখে এবং অত্যন্ত স্বাস্থবান করে তোলে।

২৭. তরমুজ : তরমুজ ফ্রুকটোজ, ফাইবার, এবং অবশ্যই জল দিয়ে সমৃদ্ধ হয়। এটি আপনাকে হাইড্রেটেড রাখে, অপরিহার্য খনিজগুলি দিয়ে আপনার শরীরকে ভর্তি করে এবং স্তন্যদুধের সরবরাহ বজায় রাখতে বা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। জলপান করে সঠিকভাবে হাইড্রেটেড থেকে এবং তরমুজের মতো খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ খাবার খেয়ে মায়েরা বুকের দুধ উৎপাদনের সমস্যাগুলির সঙ্গে লড়াই করতে পারবেন।

২৮. সবুজ চা : সবুজ চা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজগুলি দ্বারা পূর্ণ যা শরীরকে শিথিল করতে সাহায্য করে, প্রতিদিন এক গ্লাস সবুজ চা পান করলে আপনার সিস্টেমকে পরিশুদ্ধ করবে, এটি রক্ত সঞ্চালন এবং কোলেস্টেরল ঠিক রাখতেও সাহায্য করবে এবং কিছুদেশে মনে করা হয় যে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

২৯. আঙুর : পৃথিবীর কিছু অংশে আঙুরকে একটি মেগা ফল হিসাবে বিবেচনা করা হয়, এটি ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ, সিট্রিক এসিড, ফ্রুকটোজ এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য ফাইবার সমৃদ্ধ। বুকের দুধ পান করাচ্ছেন, বিশেষত স্তন্যদুগ্ধ বৃদ্ধি করার প্রয়োজন আছে এমন মায়েদের খাদ্যতালিকায় এই ফলটি অন্তর্ভুক্ত করা খুবই স্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়।

৩০. কারি পাতা : ভারতীয় উপমহাদেশে কারি পাতা একটি খুব রুচিকর বলে মনে করা হয়, কারণ এই সুস্বাদু পাতাটি মেলানিনকে বাড়িয়ে তুলতে, রক্ত সঞ্চালনের উন্নতি ঘটাতে সহায়তা করে এবং আপনার শরীরে পুষ্টি আত্তীকরণের ক্ষমতা বাড়ায়, সেগুলিতে এমন খনিজও রয়েছে যেগুলি মায়েদের পরিচর্যায় তাঁদেরকে বুকের দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

এ বিষয়ক : সকালেই উঠুন ঘুম থেকে

নগর-বন্দরে বাইকে নারী

ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন আর সুন্দর থাকুন

Facebook Comments Box

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share
Contact us