বাংলা কাগজ সম্পাদককে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দিলেন বিল্লাল নামের এক ব্যক্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বাংলা কাগজ সম্পাদক ও প্রকাশক কালাম আঝাদকে ‘দেখে নেওয়ার’ হুমকি দিয়েছেন বিল্লাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি।

ওই ব্যক্তির বাড়ি কুমিল্লায়, তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেছেন বলে তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ডে উল্লেখ করা আছে। একইসঙ্গে তিনি ফেসবুকে উল্লেখ করেছেন, তিনি সাস্ট ক্লাবের ফাউন্ডার মেম্বার।

পরে বাংলা কাগজের পক্ষ থেকে খোঁজ নেওয়া হলে এ প্রতিবেদক জানতে পারেন, বিল্লাল হোসেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০০৩-০৪ ব্যাচের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও পরে ছাত্রলীগে অনুপ্রবেশ করেন।

আর বাংলা কাগজ সম্পাদক ও প্রকাশক শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালে বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক হিসেবে কাজ করাকালীন শিবির ও জঙ্গিবিরোধি অনেক প্রতিবেদন করেছেন।

ঘটনাক্রম হিসেবে ২০১১ সালের ১১ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে প্রথমবারের মতো হলছাড়া হয়ে পড়ে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির।

ওইদিন ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে শিবির হলছাড়া হওয়ার পর অনেক গোপন নথি চলে আসে গণমাধ্যমের হাতে।

এ ধরনের নথি পান কালাম আঝাদও।

বিজ্ঞাপন

সেসব নথিতে দেখা গেছে- কয়েকটি স্বনামধন্য পত্রিকার শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদকসহ মোট ১৪ জন সাংবাদিক শিবিরের সাথী পদে রয়েছেন। যার মধ্যে ছিলেন ওই সময়ের শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা যুগান্তর প্রতিনিধি নাঈমুল করিম নাঈম।

সোমবার (২৩ নভেম্বর) রাতে ফেসবুকের ম্যাসেঞ্জারে দেওয়া হুমকিতে ওই নাঈমুল করিম নাঈমের কথাও উল্লেখ করেছেন বিল্লাল হোসেন।

যার (শিবিরের সাথী নাঈমুল করিম নাঈম) হাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিগৃহীত হয়েছিলেন বাংলা কাগজ সম্পাদক ও প্রকাশক কালাম আঝাদ।

অভিযোগের ব্যাপারে জানার জন্য বিল্লাল হোসেনের মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

এ ব্যাপারে বাংলা কাগজ সম্পাদক ও প্রকাশক কালাম আঝাদ বলেন- বিল্লাল হোসেন নামের ওই ব্যক্তির ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ বিষয়ক : বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে হুমকি! প্রতিবাদে মানববন্ধন, বিক্ষোভ

Facebook Comments Box

One comment

  1. মিথ্যা – বানোয়াট খবর প্রকাশ করা সাংবাদিকেরই হীনতা প্রকাশ করে। বিল্লালকে ক্যাম্পাসের সকলেই চিনে। সে শিবির করতো কিনা আমরা সবাই জানি। তাই ব্যক্তিগত শত্রুতাকে পত্রিকার মধ্যে জড়াবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published.