বিল পাস : ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে মাদক মামলার বিচার শেষ করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বিচারক স্বল্পতার কারণে মাদক মামলার বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের বিধান বাদ দিয়ে সংসদে পাস হয়েছে ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল-২০২০’।

১৯ নভেম্বর তা জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সুপারিশকৃত আকারে বিলটি পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।

বিলটি পাসের আগে বিরোধি দলের কয়েকজন সদস্য জনমত যাছাইয়ের প্রস্তাব ও কিছু সংশোধনী আনার কথা বললেও সেগুলো কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

পাসকৃত বিলে বলা হয়েছে- এখতিয়ার সম্পন্ন আদালতকে মামলা প্রাপ্তির তারিখ থেকে ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে।

‘কেউ আপিল করতে চাইলে রায় দেওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে তা করতে হবে।’

বিলটিতে সংশোধনী আনার উদ্দেশ ব্যাখ্যা করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পক্ষে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বলেন- বিচারক স্বল্পতার কারণে ট্রাইব্যুনালে মাদক মামলার বিচার করা সম্ভব হয় নি। সেজন্য আদালত কর্তৃক বিশেষ আদালত গঠন প্রয়োজন। জজের স্থলে ম্যাজিস্ট্রেটরাই আদালত নির্দিষ্ট করতে পারবেন।

এর আগে গত ৮ নভেম্বর সংসদে বিলটি উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

বিজ্ঞাপন

ওইদিন তিনি এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা তুলে ধরে বলেছিলেন- প্রস্তাবিত আইনের অধীন অপরাধগুলো গুরুত্ব অনুযায়ী ‘এখতিয়ারসম্পন্ন’ আদালতে বিচার্য হবে।

সংশ্লিষ্ট দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তাঁর এখতিয়ারাধীন এলাকায় মাদক সংক্রান্ত অপরাধের বিচারের জন্য প্রয়োজনে এক বা একাধিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত নির্দিষ্ট করবেন। ফলে মাদক আইনের মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করা যাবে।

বিদ্যমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে বলা হয়েছে- সরকার গেজেট প্রজ্ঞাপন দিয়ে প্রয়োজনীয়সংখ্যক ট্রাইব্যুনাল স্থাপন করবে এবং প্রত্যেক ট্রাইব্যুনালে অতিরিক্ত জেলা জজ পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে বিচারক নিয়োগ করা হবে।

কোনও জেলায় অতিরিক্ত জেলা জজ না থাকলে ওই জেলায় দায়রা জজ নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে দায়িত্ব পালন করবেন।

আর ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ নিজ দায়িত্বের অতিরিক্ত হিসেবে এ ধরনের মামলা নিষ্পত্তি করবেন।

তবে প্রশাসনিক কারণে এখনও মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল স্থাপন বা জেলা বা দায়রা জজকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে এই ট্রাইব্যুনালে দায়িত্ব দেওয়া হয় নি। ফলে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অসংখ্য মামলা হলেও তা বিচারের মাধ্যমে নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে জটিলতার সৃষ্টি হচ্ছে, মামলার সংখ্যাও বাড়ছে।

এ বিষয়ক : সংসদে মাদরাসা বিল পাস

এক ব্যক্তির কোম্পানি সুনামগঞ্জ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও বছরে একাধিকবার বিদ্যুৎ বিল পরিবর্তনে বিল পাস করলো সংসদ

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.