ডিসেম্বর ৫, ২০২১

The Bangla Kagoj

বিশ্বের সব দেশে, সব ভাষায়, সব সময় । বাংলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net (আমাদের কোনও জাতীয় পত্রিকা নেই)।

বন্ধ হলো মাইন্ড এইড হাসপাতাল, এক মালিক গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে হত্যার ঘটনায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মাইন্ড এইড হাসপাতাল।

মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) বিকেলে হাসপাতালটি বন্ধ করে দেয় পুলিশ।

পাশাপাশি হাসপাতালটির অন্যতম পরিচালক (মালিক) নিয়াজ মোর্শেদকে মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বর্তমানে তিনি অসুস্থতার কারণে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার হারুন অর রশিদ।

এর আগে একই ঘটনায় আরও ১০ জনকে গ্রেপ্তার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারীর বাহিনীর সদস্যরা। তাদের প্রত্যেককে মঙ্গলবার (১০ নভেম্বর) ৭ দিন করে রিমান্ড দেন আদালত।

সবমিলে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমের বাবা ফাইজ্জুদ্দিন আহমেদের করা হত্যা মামলায় ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো। জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমের বাবার করা মামলায় ১৫ জনকে আসামি করা হয়েছিলো। যেখানে নাম ছিলো নিয়াজ মোর্শেদেরও।

জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমের ৩ বছরের একটি সন্তান রয়েছে। তাঁর বাড়ি গাজীপুরের কাপাসিয়ায়। তিনি বরিশাল পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে সোমবার (৯ নভেম্বর) মাইন্ড এইড হাসপাতালে তাঁর ভাই ও বোনের নিয়ে আসার আগে একইদিন (৯ নভেম্বর- সোমবার) তিনি বরিশাল থেকে তাঁর গ্রামের বাড়ি এসেছিলেন।

বিজ্ঞাপন

পরে হাসপাতালে এনে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে তাঁর ভাই ও বোন পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে বলেই অভিযোগ উঠেছে।

হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে মাইন্ড এইড হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার ফুটেজের মাধ্যমে।

তাতে দেখা গেছে- মাইন্ড এইড হাসপাতালের কর্মচারীরা টেনে-হিচড়ে একটি শব্দ নিরোধক কক্ষে নিয়ে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে মারধর করে হত্যা করে।

অভিযোগের ব্যাপারে জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমের ভাই রেজাউল করিম অবশ্য দাবি করেছেন, ‘তার ভাইকে (জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিম) মাইন্ড এইড হাসপাতালে ভর্তি করতে নিয়ে এসে তিনি যখন ফরম পূরণ করছিলেন, তখন জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে হাসপাতালের কর্মচারীরা দ্বিতীয় তলায় নিয়ে যান। এর কিছুক্ষণ পর তাঁদের জানানো হয়- আনিসুল করিম অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন।’

অভিযোগ রয়েছে- মাইন্ড এইড হাসপাতালের কর্মচারীরা জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে হত্যা করলেও এ পুলিশ কর্মকর্তার মারা যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হন (করেন) তাঁর বোন ও ভাই।

জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে হত্যার দিনই (সোমবার- ৯ নভেম্বর) মাইন্ড এইড হাসপাতালের সিসি ক্যামেরার সংশ্লিষ্ট ১৫ মিনিট ৩৭ সেকেন্ডের ফুটেজ চলে আসে পুলিশ ও গণমাধ্যমের কাছে। একইসঙ্গে তা ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও।

জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আনিসুল করিম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়ো ক্যামেস্ট্রির ৩৩তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন।

তিনি ৩১তম বিসিএসে ক্যাডার শাখায় পুলিশে যোগ দেন।

এ বিষয়ক : মাইন্ড এইড হাসপাতালের কর্মচারীরা মেরে ফেললেন জ্যেষ্ঠ সহকারি পুলিশ সুপার আনিসুল করিমকে!

Facebook Comments Box
Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share