সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

নৌ কর্মকর্তাকে মারধরের কথা স্বীকার করলেন ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খানকে মারধরের ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন ইরফান সেলিমের দেহরক্ষী জাহিদ মোল্লা।

বুধবার (৪ নভেম্বর) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে তিনি এ স্বীকারোক্তি দেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।

এদিকে, মারধরের অভিযোগে করা এ মামলায় গ্রেপ্তার সাংসদ হাজী মোহাম্মদ সেলিমের ছেলে ইরফান সেলিমকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

দুইদিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে বুধবার (৪ নভেম্বর) আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

বাংলা কাগজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অপরাধ ও তথ্য বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) আশরাফ আলী।

একই মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন ইরফান সেলিমের সহযোগী এ বি সিদ্দিক দীপু এবং গাড়িচালক মিজানুর রহমান।

বিজ্ঞাপন

গত ২৫ অক্টোবর রাতে নৌবাহিনীর কর্মকর্তা ওয়াসিফ আহমেদ খান স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেলে যাচ্ছিলেন। ধানমণ্ডির ল্যাবএইড হাসপাতালের সামনে পেছন থেকে তাঁর মোটরসাইকেলকে ধাক্কা দেয় সংসদ সদস্যের স্টিকারযুক্ত একটি গাড়ি। ওয়াসিফ নিজের পরিচয় দিলেও গাড়ি থেকে নেমে একজন গালিগালাজ করে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যান।

এরপর গাড়িটি কলাবাগান বাসস্ট্যান্ড সিগন্যালে দাঁড়ালে ওয়াসিফ মোটরসাইকেল নিয়ে সেখানে গিয়ে গাড়িটির জানালায় নক করেন। তখন গাড়ি থেকে লোকজন নেমে ওয়াসিফকে মারধর করে রক্তাক্ত করেন। তাঁর একটি দাঁত পড়ে যায়।

ওই গাড়িতে বরখাস্ত হওয়া কাউন্সিলর ইরফান সেলিম ও তাঁর লোকজন ছিলেন। তাঁদের বিরুদ্ধে পরদিন সকালে ধানমণ্ডি থানায় মামলা করেন ওয়াসিফ।

সেদিন (২৬ অক্টোবর) পুরান ঢাকার বড় কাটরায় ইরফান সেলিমদের বাড়িতে দিনভর অভিযান চালায় র‍্যাব। অভিযানে ওই বাড়ি থেকে অস্ত্র, ইয়াবা, ৩৮টি ওয়াকিটকি ও অন্যান্য সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

এ সময় র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত মাদক রাখার দায়ে ইরফানকে এক বছর কারাদণ্ড ও অবৈধ ওয়াকিটকি রাখার কারণে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। আর ইরফানের দেহরক্ষী জাহিদকে ওয়াকিটকি বহন করার দায়ে ছয় মাস সাজা দেওয়া হয়। পরে ২৭ অক্টোবর রাতে এ ঘটনায় ইরফান ও জাহিদের বিরুদ্ধে চকবাজার থানায় অস্ত্র ও মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি করে আলাদা মামলা করা হয়।

পরে ইরফানকে নৈতিক স্খলনজনিত অপরাধ এবং অসদাচরণের অভিযোগে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৩০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলরের পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এ বিষয়ক : কাউন্সিলর ইরফান ও বডিগার্ড জাহিদ ৩ দিনের রিমান্ডে

Facebook Comments Box
Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share