অক্টোবর ২৮, ২০২১

The Bangla Kagoj

বিশ্বের সব দেশে, সব ভাষায়, সব সময় । বাংলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net (আমাদের কোনও জাতীয় পত্রিকা নেই)।

সদ্য পড়াশোনা শেষ হওয়াদের প্রধানমন্ত্রী : আমি চাকরির পেছনে না ছুটে বস হবো

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সদ্য পড়াশোনা শেষ হওয়াদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন- একটা ডিগ্রি নিয়েই চাকরির পেছনে না ছুটে নিজে কিভাবে কিছু করা যায়, নিজে কাজ করবো আরও দশজনকে চাকরি দেবো, নিজে উদ্যোক্তা হবো, নিজেই বস হবো- এই কথাটা মাথায় রাখতে হবে। আমার মধ্যে সেই শক্তিটা আছে। সেই শক্তিটা আমি কাজে লাগাবো- এই চিন্তাটা আমাদের যুবকদের মাথায় যেন থাকে।

রোববার (পহেলা নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব দিবস-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রোববার (পহেলা নভেম্বর) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু জাতীয় যুব দিবস-২০২০ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে গণভবন থেকে যোগ দেন- পিআইডি’র সৌজন্যে বাংলা কাগজ।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন- আমরা তো বৃদ্ধ হয়ে গেছি, আমাদের তো সময় শেষ। কিন্তু যুবকরাই তো আসলে দেশের প্রাণ সঞ্চার করবে। কাজেই সেইভাবে আমাদের তরুণ প্রজন্ম এগিয়ে যাক এবং দেশকে এগিয়ে নেবে সেটাই চাই। এই বয়সটাই হচ্ছে কাজের বয়স, চিন্তার বয়স, মেধা বিকাশের বয়স।

আওয়ামী লীগ সরকার কর্মসংস্থানের দিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি দিয়ে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, আজকে যারা যুবক আগামী দিনে তারাই দেশের কর্ণধার হবে। আজকে যে শিশুটা জন্ম নিল, তাঁর ভবিষ্যতটা যেন উন্নত হয়, সেই বিষয়টা চিন্তা করেই আমাদের এই সমস্ত পদক্ষেপ আমরা নিচ্ছি। এক্ষেত্রে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

বিজ্ঞাপন

ফ্রিল্যান্সারদের স্বীকৃতি দিতে সরকার উদ্যোগ নিয়েছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেটা নিয়েও আমরা সজীব ওয়াজেদ জয়ের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে আমাদের আইসিটি মন্ত্রণালয় উদ্যোগ নিয়েছে, আমাদের যুব মন্ত্রণালয়ও। যেন যাঁরা এ ধরনের ফ্রিল্যান্সিংয়ের কাজ করবে, তাঁরাও যেনো একটা স্বীকৃতি পায়। তাঁরা সনদ পায় বা একটা সার্টিফিকেট তাঁদের হাতে থাকে। তাঁরা যে একটা কাজ করছে এবং কাজ করে তাঁরা যে অর্থ উপার্জন করছে, এইটাও একটা কাজ।

শেখ হাসিনা বলেন- ফ্রিল্যান্সারদের একটা অসুবিধা আছে সেটা আমি জানি। যেহেতু এখানে কোনও রেজিস্ট্রেশন করতে হচ্ছে না, সার্টিফিকেট নাই। স্বীকৃতি নাই। অনেক সময় অনেকে জিজ্ঞেস করে আপনি কি করেন, যদি বলে ফ্রিল্যান্সার অনেকেই বুঝতেই পারে না ব্যাপারটা কী। কেউ হয়তো এটার স্বীকৃতি দেয় না।

‘আমার কাছে এমন অভিযোগও এসেছে যে বিয়ের বাজারেও যদি বাবা বিয়ে ঠিক করতে গিয়ে বলে ছেলে কি করে? ফ্রিল্যান্সার শুনে বলে সেটা আবার কি? এখানে আমি মেয়ে দেবো কেন? সেটাও একটা সমস্যায় পড়তে হয়। কারও হয়তো নিজেরা ফ্রিল্যান্সিং করেছে, ছেলেমেয়ে আছে। স্কুলে ভর্তি করতে নিয়ে গেছে, ভর্তি করবে না স্কুল। ভালো স্কুল।’

‘কেন? আপনি কি ইনকাম করেন, তার তো কোনও নিশ্চয়তা নাই। হয়তো দুই লাখ-তিন লাখ টাকা আয় করছে। কিন্তু তাঁর এমন কোনো স্বীকৃতি নাই, তাঁর ছেলে-মেয়েকে ভর্তি করতে চায় না। সে ধরনের অভিযোগও এসেছে।’

এ সময় গণভবন প্রান্তে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব তোফাজ্জল হোসেন মিয়া ও প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম।

ভিডিও কনফারেন্সে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তন প্রান্ত হতে গণভবনে সংযুক্ত ছিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব আখতার হোসেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আখতারুজ জামান খান কবির প্রমুখ। অনুষ্ঠানে ২৬ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

এ বিষয়ক : প্রধানমন্ত্রী : বিত্তবানেরা নিজের এলাকার দরিদ্রদের পাশে দাঁড়ান

Facebook Comments Box
Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share