ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্রাথমিক আন্তঃলেনদেন শুরু ২৭ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ২৭ অক্টোবর (মঙ্গলবার) থেকে শুরু হচ্ছে মোবাইল ব্যাংকিং ও ব্যাংকগুলোর প্রাথমিক আন্তঃলেনদেন।

এ ব্যাপারে দেশের সকল তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা প্রদান করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস্ বিভাগের বৃহস্পতিবারের (২২ অক্টোবর) ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে- যেসব ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এখনও এ ধরনের সেবার প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারে নি, তাঁদের আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে এ সেবা চালু করতে হবে।

দেশের সকল তফসিলি ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিংয়ের সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর পাঠানো ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে- দেশে নগদ অর্থ লেনদেন হ্রাসের লক্ষ্যে এনপিএসবি (ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ বাংলাদেশ) অবকাঠামো ব্যবহার করে সকল ব্যাংক এবং এমএফএস প্রোভাইডারদের মধ্যে ইন্টার-অপারেবিলিটি লেনদেন বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

‘এনপিএসবি’র মাধ্যমে ব্যাংক এবং এমএফএস প্রোভাইডারদের মধ্যে আন্তঃব্যবহারযোগ্য লেনদেন সেবা ২৭ অক্টোবর থেকে চালু হবে। যেসব ব্যাংক ও এমএফএস প্রোভাইডার অদ্যাবধি ইন্টার-অপারেবিলিটি সিস্টেম চালুর প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে পারে নি, তাঁদের আগামী বছরের ৩১ মার্চের মধ্যে এ সিস্টেমে লেনদেন শুরু করতে হবে।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে-

ক. এক এমএফএস প্রোভাইডারের হিসাব হতে অন্য এমএফএস প্রোভাইডারের (পি-টু-পি) হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে প্রাপক এমএফএস প্রোভাইডার প্রেরক এমএফএস প্রোভাইডারকে সাকুল্যে লেনদেনকৃত অর্থের শূন্য দশমিক ৮০ শতাংশ হারে ফি প্রদান করবে।

বিজ্ঞাপন

খ. ব্যাংক হিসাব হতে এমএফএস হিসাবে এবং এমএফএস হিসাব হতে ব্যাংক হিসাবে অর্থ স্থানান্তরের উভয় ক্ষেত্রেই সংশ্লিষ্ট এমএফএস প্রোভাইডার সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে সাকুল্যে লেনদেনকৃত অর্থের শূন্য দশমিক ৪৫ শতাংশ ফি প্রদান করবে।

গ. ইন্টার-অপারেবল লেনদেনের জন্য অংশগ্রহণকারী ব্যাংক ও এমএফএস গ্রাহক পর্যায়ে বিদ্যমান লেনদেন ফি-এর অতিরিক্ত কোনও চার্জ ধার্য করতে পারবে না।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে- ইন্টার-অপারেবল ব্যবস্থায় লেনদেনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক/এমএফএস হিসাবের প্রকরণ অনুসারে নির্ধারিত লেনদেন সীমা প্রযোজ্য হবে।

প্রসঙ্গত- বর্তমানে দেশে ১৫টি ব্যাংক মোবাইল ব্যাংকিং সেবা পরিচালনা করছে।

গেল আগস্ট শেষে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে নিবন্ধিত গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ কোটি ২৯ লাখ ৩৭ হাজারে।

এ বিষয়ক : ব্যাংক জালিয়াত-১ : অর্থ পাচার ও লুটপাট নিয়েই ছিলেন রূপালী ব্যাংকের সাবেক এমডি!

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.