ডিসেম্বর ৫, ২০২১

The Bangla Kagoj

বিশ্বের সব দেশে, সব ভাষায়, সব সময় । বাংলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net (আমাদের কোনও জাতীয় পত্রিকা নেই)।

অবৈধ সম্পদ : কারা কর্মকর্তা বজলুর রশীদের বিচার শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় কারা অধিদপ্তরের বরখাস্ত উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) বজলুর রশীদের বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

ঢাকার পাঁচ নম্বর বিশেষ জজ ইকবাল হোসেন বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) দুদকের এই মামলায় বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আগামী ২২ নভেম্বর সাক্ষ্য গ্রহণের তারিখ ঠিক করেছেন বলে দুদকের আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানিয়েছেন।

অভিযোগ গঠনের আগে বজলুর রশীদকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। অভিযোগ গঠনের সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি।

মামলায় বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।

গত ২৬ অগাস্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক নাসির উদ্দীন ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়- অভিযোপত্রে বলা হয়েছে, ঢাকার সিদ্বেশ্বরী রোডে রূপায়ন হাউজিংয়ের স্বপ্ন নিলয় প্রকল্পের ২ হাজার ৯৮১ বর্গফুট আয়তনের একটি অ্যাপার্টমেন্ট কেনেন বজলুর রশীদ। এর দাম হিসেবে পরিশোধ করা ৩ কোটি ৮ লাখ টাকার কোনও বৈধ উৎস তিনি প্রদর্শন করতে পারেন নি।

বিজ্ঞাপন

মামলার তথ্যানুযায়ী- ২০১৮ সালের ২৪ এপ্রিল অ্যাপার্টমেন্ট কেনার জন্য রূপায়ন হাউজিং এস্টেটের সঙ্গে বজলুর চুক্তি করেন। এরপর ২০১৮ সালের ৭ জুন পর্যন্ত ৫৪ হাজার টাকা ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মাধ্যমে চেকে পরিশোধ করেন। আর বাকি তিন কোটি ৭ লাখ ৪৬ হাজার টাকা নগদে পরিশোধ করেন।

বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে সব মিলিয়ে ৩ কোটি ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ৯০২ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে অভিযোগপত্রে।

১৯৯৩ সালে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পাওয়া বজলুর রশীদ ঢাকায় কারা সদর দপ্তরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। ডিআইজি হিসেবে এর আগে সর্বশেষ ছিলেন রাজশাহীতে।

গত বছরের ৬ অক্টোবর দৈনিক যুগান্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়- বিপুল পরিমাণ ঘুষের টাকা স্থানান্তর করতে ডিআইজি প্রিজনস (হেডকোয়ার্টার্স) বজলুর রশীদ অভিনব এক পন্থা বেছে নিয়েছেন। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে শতাধিক ধাপে তিনি পাঠিয়েছেন কয়েক কোটি টাকা। টাকা তুলেছেন তার স্ত্রী রাজ্জাকুন নাহার।

এজন্য প্রকৃত ঠিকানা গোপন করে স্ত্রীর নামে সিম তোলা হয়েছে এবং সরাসরি নিজে টাকা না পাঠিয়ে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তির মাধ্যমে ওই টাকা পাঠানো হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয় ওই প্রতিবেদনে।

এরপর এই কারা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে দুদকের তলবে হাজির হলে ২০ অগাস্ট তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ওইদিনই দুদকের উপপরিচালক সালাউদ্দিন বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেন বজলুর রশীদের বিরুদ্ধে। পরে তাকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এ বিষয়ক : দুদকের মামলায় বদির বিচার শুরু

Facebook Comments Box
Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share