মোমেনের সঙ্গে দোরাইস্বামীর বৈঠকের দিনে সীমান্তে বাংলাদেশি হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বাংলাদেশ-ভারতের যখন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক চূড়ায়, ঠিক সে সেময়ে ফের ভারতীয় সীমান্তরক্ষী- বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনাটি এমন দিনে ঘটলো, যেদিন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের বৈঠক হলো। পাশাপাশি একইদিন পূঁজোর জন্য মমতাকে উপহার পাঠালেন প্রধানমন্ত্রী। অথচ সম্প্রতি সীমান্ত সম্মেলনে এ ব্যাপারে ভারত-বাংলাদেশ সতর্ক থাকবে বলে অঙ্গিকার করেছিলো।

জানা গেছে- চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ঠাকুরপুর সীমান্তে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক বাংলাদেশি যুবক নিহত হয়েছেন। ওই যুবকের নাম ওমিদুল ইসলাম (২৭)। তিনি চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার ঠাকুরপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে।

রোববার (১৮ অক্টোবর) ভোর ৪টা ১৫ মিনিটে ওমিদুলকে চুয়াডাঙ্গার ঠাকুরপুর সীমান্তের বিপরীতে ভারতীয় অংশে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চুয়াডাঙ্গা-৬ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান বাংলা কাগজকে জানান- ওমিদুলকে সীমান্তের ৮৯ নম্বর পিলারের বিপরীতে ভারতীয় অংশে বিএসএফ গুলি করে হত্যা করে। বিএসএফ দাবি করেছিল- সে গরু আনতে ভারতে গিয়েছিল।

‌‘বিজিবি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছে।’

‘গরু আনতে যাওয়ার কথা সঠিক নয়। চুয়াডাঙ্গার কোনও সীমান্তপথে গরু আসছে না। অন্যায়ভাবে হত্যার প্রতিবাদ জানিয়েছি আমরা।’

বিজ্ঞাপন

প্রসঙ্গত- গত ২৯ সেপ্টেম্বর ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে যৌথ পরামর্শক কমিশনের (জেসিসি) বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নে সীমান্ত হত্যা প্রসঙ্গে মোমেন বলেন, ‘এটা আমাদের জন্য লজ্জার, ভারতের জন্যও লজ্জার। কেউ যখন মারা যায়, এটা আমাদের যে সলিড রিলেশনশিপ, আমাদের যে সোনালী অধ্যায়, একজন মারা গেলে এটা একদম ধপাস করে পড়ে যায়। আমরা এগুলো তুলে ধরেছি।’

এ বিষয়ক : সীমান্তে হত্যা ভারতের জন্যও লজ্জার : মোমেন

সীমান্তে হত্যা শূন্যের কোঠায় নামাতে সম্মত বিজিবি-বিএসএফ

২৬ মার্চ মোদিকে ঢাকা সফরের আমন্ত্রণ

উপলক্ষ দুর্গাপূজা : মমতাকে উপহার পাঠালেন শেখ হাসিনা

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.