সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

ইলিশ ধরা ও বিক্রিতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে ইলিশ মাছ ধরা, বিক্রি ও পরিবহনের ওপর ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা।

এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত ইলিশ মাছ ধরা, বিক্রি, বাজারজাত, মজুত ও পরিবহন বন্ধ থাকবে।

মা ইলিশ সংরক্ষণে প্রতিবছরের মতো এই বছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের কর্মসূচির আওতায় নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন সমুদ্র উপকূলসহ সারাদেশে কঠোর নজরদারি চলবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

এই ২২ দিন গভীর সমুদ্রে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, সমুদ্র মোহনায় কোস্ট গার্ডের টহল জোরদার থাকবে।

মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে- উপকূলীয় জেলা ও দক্ষিণাঞ্চল মিলিয়ে ৩৬টি জেলায় এই নিষেধাজ্ঞা থাকবে।

বিজ্ঞাপন

নিষেধাজ্ঞার আওতায় প্রথমবারের মতো বরিশাল বিভাগের ছয়টিসহ মোট ১৭টি জেলায় বরফ উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

বিশ্বের মোট উৎপাদিত ইলিশের ৮০ শতাংশের বেশি বাংলাদেশের নদ-নদী মোহনা ও সাগর থেকে আহরিত হয়।

এই ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার সময়ে বরিশাল বিভাগের দুই লাখ ৮২ হাজার ৫০০ জেলে পরিবারের জন্য পাঁচ হাজার ৬৫০ মেট্রিক টন চাল ও সারাদেশে পাঁচ লাখ ২৮ হাজার ৩৪২ জেলে পরিবারের জন্য মোটি ১০ হাজার ৫৬৭ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে বলে মৎস্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

উৎপাদন বাড়াতে ইলিশ ধরা ও বিক্রির ওপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপের ব্যবস্থা শুরু হয়েছে ২০১০ সাল থেকে।

দশ বছর আগে, ২০০৮-০৯ অর্থবছরে যেখানে ইলিশের উৎপাদন ছিল দুই লাখ ৯৮ হাজার মেট্রিক টন, নানা পদক্ষেপের ফলে যা বেড়ে এখন পাঁচ লাখ ৩৩ হাজার মেট্রিক টন হয়েছে বলে মৎস্য কর্মকর্তারাদের ভাষ্য।

মৎস্য বিজ্ঞানীরা বলছেন- এ বছর মা ইলিশের প্রজনন হার ৫০ শতাংশের বেশি হবে। গত বছর প্রায় ৪৮ দশমিক ৯২ শতাংশ ডিম নিষিক্ত হতে পেরেছিল। বর্ষার শুরুতে ভারি বৃষ্টি নদীতে ইলিশের আগমনের পক্ষে উপযুক্ত। অনুকূল পরিবেশ ও নদীর পানিতে দূষণ কম হওয়ায় এবার ইলিশ প্রজনন বাড়তে পারে।

এ বিষয়ক : রেজাউল : ইলিশ আহরণের অবৈধ প্রচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না

Facebook Comments Box
Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share