সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

প্রাথমিকের শিক্ষকেরা এলেন ত্রয়োদশ গ্রেডে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সব সহকারী শিক্ষককে জাতীয় বেতন স্কেলের ত্রয়োদশ গ্রেডে বেতন দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়ে বলা হয়- সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা ২০১৯ এর আগে এবং পরে নিয়োগ পাওয়া সবার ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।

সারাদেশে ৬৫ হাজার ৬২০টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সাড়ে ৩ লাখেরও বেশি শিক্ষক রয়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়- কোমলমতি শিশুদের শিক্ষাদানে নিয়োজিত শিক্ষকদের বিরাজমান সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ২০১৯ সালের নিয়োগবিধি জারি হওয়ার পূর্বের নিয়োগবিধি অনুযায়ী যারা সহকারী শিক্ষক হিসেবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ পেয়েছেন তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্বিশেষে বেতন গ্রেড-১৩ এর সুবিধা পাওয়ার বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে নির্দেশনা প্রদান করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হলো।

মন্ত্রণালয় বলছে- আগের নির্দেশনা অনুযায়ী ২০১৯ সালের নিয়োগবিধি অনুযায়ী যারা নব নিয়োগপ্রাপ্ত হবেন তাদের ক্ষেত্রে শিক্ষাগত যোগ্যতার এ শর্ত প্রযোজ্য হবে। বাদবাকি শিক্ষক যারা কর্মরত আছেন অর্থাৎ সহকারী শিক্ষক হিসেবে যাদের অভিজ্ঞতা আছে, তারাও বেতন স্কেল উন্নীতকরণের এ সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।

বিজ্ঞাপন

‘কিন্তু যে সকল অভিজ্ঞ সহকারী শিক্ষক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ২০১৯ এর আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত হননি এবং স্নাতক ডিগ্রিবিহীন, তারা বেতন গ্রেড-১৩ তে বেতন নির্ধারণ করতে পারছেন না বলে জানা গেছে । এতে মাঠ পর্যায়ে শিক্ষকদের মাঝে হতাশা বা ক্ষোভ বিরাজ করছে।’

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৯ অনুযায়ী সহকারী শিক্ষকের নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক। কিন্তু ইতোপূর্বে প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা, ১৯৮৩ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি।

এরপর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-১৯৯১ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এসএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষক নিয়োগ বিধিমালা-২০১৩ তে শিক্ষাগত যোগ্যতা ছিল নারী প্রার্থীদের ক্ষেত্রে এইচএসসি এবং পুরুষ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে স্নাতক।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০১৯ এর পূর্বের নিয়োগবিধির আওতায় যারা নিয়োগ পেয়েছেন, তারা ওই নিয়োগ বিধিতে যে শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারিত ছিল, সে অনুযায়ী নিয়োগ পেয়েছেন।

‘ওই সব শিক্ষকের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কাজেই ওই সকল বিধিমালার আওতায় নিয়োগপ্রাপ্ত সকল সহকারী শিক্ষক অর্থ বিভাগের সম্মতিপত্রের ১ নং শর্তে উল্লেখিত যোগ্যতা/অভিজ্ঞতা অনুযায়ী বেতন গ্রেড-১৩ পেতে পারেন বলে এ মন্ত্রণালয় মনে করে।’

এ বিষয়ক : প্রাথমিকের অর্ধেক শিক্ষার্থী একদিন, বাকিরা অন্যদিন স্কুলে যাবে

Facebook Comments Box
Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share