বিবস্ত্র করে নির্যাতন : রিমান্ডে দেলোয়ার, সোহাগ ও বাদল

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : নোয়াখালীতে নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতনের মামলায় দেলোয়ার হোসেনের দুইদিন, ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মোজাম্মেল হোসেন সোহাগের তিনদিন ও আসামি বাদলের ৭ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ইউপি সদস্য সোহাগসহ দুইজনকে নোয়াখালীর আদালত আর দেলোয়ারকে নারায়ণগঞ্জের আদালত রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন বাংলা কাগজকে জানান- দেলোয়ারকে নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ফাহমিদা খাতুনের আদালতে হাজির করে তিন দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করা হয়। শুনানি শেষে দুই দিন মঞ্জুর করেন বিচারক।

আর ইউপি সদস্য সোহাগ ও বাদল নামে এক আসামির রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করে নোয়াখালীর আদালত।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ থানার ওসি হারুনুর রশিদ চৌধুরী জানান, সোহাগ ও বাদলকে মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেলে নোয়াখালীর মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে হাজির করা হয়। বাদলকে দুই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২০ দিনের এবং সোহাগকে সাত দিনের রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। বিকেলে শুনানি শেষে বিচারক মাসফিকুল হক দুই মামলায় বাদলকে সাত দিন আর সোহাগকে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এদিকে দেলোয়ারের বিরুদ্ধে সোমবার রাতে র‌্যাব ১১-এর ডিএডি আব্দুল বাশেদ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় মামলা করেছেন বলে থানার ওসি কামরুল ফারুক জানিয়েছেন।

বিজ্ঞাপন

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় এক নারীকে বিবস্ত্র করে নির্যাতন চালানোর এক মাস পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে পুলিশ রোববার (৪ অক্টোবর) গ্রেপ্তার অভিযানে নামে।

নির্যাতনের শিকার ওই নারী বাদী হয়ে বেগমগঞ্জ থানায় রোববার রাতে নারী ও শিশুনির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে দুটি মামলা করেন।

দুই মামলাতেই নয়জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও সাত-আটজনকে আসামি করা হয়।

আসামিরা হলেন- বাদল, মো. রহিম, আবুল কালাম, ইস্রাফিল হোসেন, সাজু, সামছুদ্দিন সুমন, আবদুর রব, আরিফ ও রহমত উল্যা। তাদের সবার বাড়ি বেগমগঞ্জে।

এ ঘটনায় মোট ছয়জন গ্রেপ্তার হয়েছেন বলে জানিয়েছেন বেগমগঞ্জ থানার ওসি কামরুল ফারুক।

এ বিষয়ক : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : নোয়াখালীর ঘটনা বর্বরতার চরমসীমা

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.