রিফাত হত্যা : মিন্নি ও টিকটক হৃদয়সহ ৬ জনের মৃত্যুদণ্ড

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ, পটুয়াখালী : বরগুনার রিফাত শরীফ হত্যায় তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি ও রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়সহ ছয়জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ৫০ মিনিটে বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ মো. আছাদুজ্জামান এই রায় ঘোষণা করেন।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে বাবার মোটরবাইক চেপে আদালত প্রাঙ্গণে আসেন আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি- বাংলা কাগজ।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন- রাকিবুল হাসান রিফাত ফরাজী, আল কাইউম ওরফে রাব্বি আকন, মোহাইমিনুল ইসলাম সিফাত, মো. হাসান, রেজওয়ান আলী খান হৃদয় ওরফে টিকটক হৃদয়। একইসঙ্গে তাদের ৫০ হাজার টাকা করে জারিমানারও আদেশ দেওয়া হয়েছে।

অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় রাফিউল ইসলাম রাব্বি, মো. সাগর, কামরুল ইসলাম সাইমুন এবং মো. মুসাকে খালাস দিয়েছেন আদালত। বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ভূবন চন্দ্র হালদার বাংলা কাগজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সকাল ৯টায় বাবা মোজা‌ম্মেল হক কি‌শোরের সঙ্গে মিন্নি আদালত প্রাঙ্গণে আসেন। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে প্রিজন ভ্যানে করে বরগুনা জেলা কারাগার থেকে মামলার আট আসামিকে আদালত প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়। চার্জশিটভুক্ত আসামি মো. মুসা মামলার শুরু থেকেই পলাতক।

বিজ্ঞাপন

অপ্রাপ্ত বয়স্ক ১৪ আসামির বিচার বরগুনার শিশু আদালতে চলমান রয়েছে।

গত বছরের ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে রিফাত হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। ওই বছরের পহেলা সেপ্টেম্বর ২৪ জনকে অভিযুক্ত করে প্রাপ্ত ও অপ্রাপ্তবয়স্ক দুই ভাগে ভাগ করে আদালতে প্রতিবেদন দেয় পুলিশ।

চলতি বছরের পহেলা জানুয়ারি রিফাত হত্যা মামলার প্রাপ্তবয়স্ক ১০ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। গত ৮ জানুয়ারি থেকে ১০ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। মোট ৭৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয় এ মামলায়।

এ বিষয়ক : রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার রায় বুধবার : মিন্নিসহ সব আসামির মৃত্যুদণ্ড দাবি

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.