আগস্ট ১, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজির গাড়িচালকেরই এতো সম্পদ! আদালতে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক (ডিজি) আবুল কালাম আজাদের গাড়িচালক আব্দুল মালেককে আদালতে নিয়েছে তুরাগ থানা পুলিশ। অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের করা দুটি মামলায় সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১১টার দিকে তাকে ঢাকা মহানগর হাকিম দেবদাস চন্দ্র অধিকারীর আদালতে তোলা হয়। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাতে তুরাগ থানায় আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে দুটি মামলার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে ১৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে।

এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে আব্দুল মালেককে আটক করে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়।

জানতে চাইলে র‍্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আশিক বিল্লাহ বাংলা কাগজকে বলেন- ঢাকায় আব্দুল মালেকের ২৪টি ফ্ল্যাট রয়েছে। ধানমন্ডি ও উত্তরাসহ বেশ কয়েকটি জায়গায় বিলাসবহুল ৭ তলা তিনটি বাড়ি আছে। ছেলের নামে তুরাগে ডেইরী ফার্ম করেছেন কোটি টাকা দিয়ে। এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২৭ জন আত্মীয়কে বিভিন্ন পদে চাকরিও দিয়েছেন তিনি। সঙ্গে নিয়ন্ত্রণ করতেন স্বাস্থ্যের গাড়ির বাণিজ্যও।

র‌্যাব-১ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল শাফি উল্লাহ বুলবুল বাংলা কাগজকে বলেন- সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আব্দুল মালেককে আটক করা কয়। তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।

আটকের সময় আব্দুল মালেকের কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, দেড় লাখ বাংলাদেশি জাল টাকা, একটি ল্যাপটপ ও মোবাইল উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাব-১- এর অধিনায়ক আরও বলেন- আব্দুল মালেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের একজন চালক। তার শিক্ষাগত যোগ্যতা অষ্টম শ্রেণি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা, জাল নোট ব্যবসাসহ অস্ত্রের মাধ্যমে ভীতি প্রদর্শনপূর্বক সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে র‌্যাবকে জানিয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মচারী হলেও মালেক ছিলেন প্রভাবশালী। তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে অধিদপ্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের অভিযোগ রয়েছে।

র‌্যাব জানিয়েছে- তুরাগ এলাকায় আব্দুল মালেকের বিরুদ্ধে জাল টাকাসহ, চাঁদাবাজি, বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

পরে র‌্যাব তদন্ত করে জানতে পারে- আব্দুল মালেক তুরাগ থানার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। তার ভয়ে এলাকায় কেউ মুখ খুলতে পারে নি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় চাঁদাবাজি, অবৈধ অস্ত্র ব্যবসা এবং জাল টাকার ব্যবসা করে আসছেন।

এ বিষয়ক : তিতাসের ৮ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি

এক উগ্রবাদী ও এক আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য গ্রেপ্তার, মামলা

Facebook Comments Box
Call Now ButtonContact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share