আগস্ট ১, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

জনতার ১৬ হাজার, সোনালীর খেলাপি ঋণ ৮ হাজার কোটি টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : গত ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংকের একারই খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। আর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : গত ২০১৯-২০ অর্থবছর শেষে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মধ্যে জনতা ব্যাংকের একারই খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। আর দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সোনালী ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

আরও পড়ুন : ব্যাংক জালিয়াত-১ : অর্থ পাচার ও লুটপাট নিয়েই ছিলেন রূপালী ব্যাংকের সাবেক এমডি!

অবৈধ ব্যাংকিং ও এমএলএম করছে ই-ভ্যালি!

শুরু হলো ব্যাংকের স্বাভাবিক কার্যক্রম

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সংসদে টেবিলে উত্থাপিত এক প্রশ্নের জবাবে এমন তথ্য দেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

জাতীয় পার্টির মসিউর রহমান রাঙ্গার প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী আরও জানান- ২০২০ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলোর মোট এক লাখ ৮২ হাজার ৪০৫ কোটি টাকা ঋণের বিপরীতে খেলাপির পরিমাণ ৪১ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকা।

এর মধ্যে জনতা ব্যাংকের ১৫ হাজার ৯৭৪ কোটি টাকা, সোনালী ব্যাংকের আট হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা, বেসিক ব্যাংকের সাত হাজার ১৫৬ কোটি টাকা, অগ্রণী ব্যাংকের পাঁচ হাজার ৩৩৮ কোটি টাকা, রূপালী ব্যাংকের চার হাজার ৯০ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের (বিডিবিএল) ৫৫৮ কোটি টাকার খেলাপি ঋণ রয়েছে।

বিজ্ঞাপন

আ হ ম মুস্তফা কামাল প্রদত্ত তথ্যানুযায়ী- গত ৫ বছরে (২০১৫-২০১৯) সোনালী ব্যাংক পাঁচ হাজার ৩০৫ কোটি ২৯ লাখ, জনতা ব্যাংক দুই হাজার ৮৬১ কোটি ৬৩ লাখ, অগ্রণী ব্যাংক দুই হাজার ৯৫৫ কোটি ৩৪ লাখ, রূপালী ব্যাংক এক হাজার ৮৫ কোটি ৩০ লাখ, বেসিক ব্যাংক ৮৮০ কোটি ৮৬ লাখ এবং বিডিবিএল একহাজার ৭১ কোটি ৮ লাখ টাকা খেলাপি ঋণ আদায় করেছে।

ফেনী-২ আসনের নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান- রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংকগুলো ২০০৯ সালের পহেলা জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মওকুফ করেছে মোট ১৪ হাজার ৫৬০ কোটি ৭৬ লাখ টাকার ঋণ।

বগুড়া-৫ আসনের হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে আ হ ম মুস্তফা কামাল জানান- বর্তমানে আমদানি পর্যায়ে ১৬ হাজার ১টি শুল্ক মামলার বিপরীতে অনাদায়ি রাজস্বের পরিমাণ সাত হাজার ৫৮৯ কোটি ১৮ লাখ টাকা।

বিএনপির হারুনুর রশীদের প্রশ্নের জবাবে মুস্তফা কামাল বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে এ পর্যন্ত সাত হাজার ৫৫৫ দশমিক ৭৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ সহায়তার প্রদানে ভারত ও বাংলাদেশ ঋণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ৩০ জুন ২০২০ পর্যন্ত ৯০৪ দশমিক ৭৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থ ছাড় হয়েছে। তবে এই অর্থনৈতিক গতি মূলত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বর্তমান সরকারের মেয়াদেই গতি লাভ করেছে। বর্তমান সরকারের সময়ে তিনটি এলওসি চুক্তির আওতায় সাত দশমিক ৫৪৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এ সকল ঋণের আওতায় অবকাঠামো উন্নয়ন খাতে একাধিক প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। যা আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও ব্যক্তিখাতের দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের জন্য সহায়ক পরিবেশ তৈরি করেছে।

Facebook Comments Box
Call Now ButtonContact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share