মে ১৩, ২০২১

Bangla Kagoj । News from Bangladesh, World and Universe at any Language

বাংলা ভাষাসহ পৃথিবির সব ভাষায় সর্বশেষ ও প্রধান খবর, বিশেষ প্রতিবেদন, সম্পাদকীয়, পাঠকমত, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সব প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ সকল খবর।

জঙ্গিদের খুঁজছে পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ (সূত্র : জনকণ্ঠ ও আমাদের সময় ডটকম) : দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত পাঁচটি জঙ্গি সংগঠনের কয়েকজনকে খুঁজছে পুলিশ। যাদের মধ্যে অধিকাংশই গোয়েন্দাজালে আটকা পড়েছেন বলে জানা গেছে। এদের আবার কয়েকজন জামিন নিয়ে মেয়াদ শেষ হবার পরও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ এবং জনকণ্ঠ ও আমাদের সময় ডটকম : দেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত পাঁচটি জঙ্গি সংগঠনের কয়েকজনকে খুঁজছে পুলিশ। যাদের মধ্যে অধিকাংশই গোয়েন্দাজালে আটকা পড়েছেন বলে জানা গেছে। এদের আবার কয়েকজন জামিন নিয়ে মেয়াদ শেষ হবার পরও পালিয়ে বেড়াচ্ছেন।

আরও পড়ুন : রাজনীতিক ও নাস্তিক খুনের মিশনে নামা দুই জঙ্গি ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার, রিমান্ডে

কাশ্মীরে বোমা হামলা : ৭ পাকিস্তানি জঙ্গিসহ ১৯ জন অভিযুক্ত

সোমালিয়ায় হোটেলে জঙ্গি হামলা, নিহত ১৭

জানা গেছে- দেশের নিষিদ্ধ ঘোষিত সকল জঙ্গি সংগঠনের ব্যাপারেই সব সময় তৎপর রয়েছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। পাশাপাশি গোয়েন্দা সংস্থাগুলোরও রয়েছে কঠোর নজরদারি।

এক্ষেত্রে নব্য জেএমবি, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম (এবিটি), আনসার আল ইসলাম, হিযবুত তাহরীর ও হরকাতুল জিহাদ বাংলাদেশ (হুজি)-সহ নিষিদ্ধ ঘোষিত সকল জঙ্গি সংগঠনই রয়েছে কঠোর নজরদারিতে। এরই অংশ হিসেবে দেশের যে কোনও স্থানে নাশকতা ঘটনোর পূর্বেই গ্রেপ্তার হচ্ছে জঙ্গিরা।

সূত্রমতে- জঙ্গিরা নিজেকে আড়াল করার জন্য বেশভুষার সঙ্গে কোনোকিছু পরিবর্তন করেও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর চোখের আড়াল হতে পারছে না। কারণ এক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে শুরু করে গোয়েন্দাদের আরও কিছু গোপনীয় টেকনিক যথেষ্ট কাজে লাগছে। এক্ষেত্রে ফিঙ্গারপ্রিন্ট মিলিয়ে জাতীয় পরিচয়পত্র থেকে মূল নাম-পরিচয় পেয়ে যাচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। কিছুক্ষেত্রে পরিচয় নিশ্চিত হতে ডিএনএ টেস্টের মতো ঘটনাও ঘটছে। ফলে নাম ও স্থায়ী ঠিকানা পরিবর্তন করে জাতীয় পরিচয়পত্র করলেও সেটির আর গ্রহণযোগ্যতা থাকছে না। ধরা পড়ে যাচ্ছে জঙ্গিদের সংগঠনে নিয়ে আসা ব্যক্তিরাও। কারণ তারা অধিকাংশক্ষেত্রেই জঙ্গিদের স্থায়ী ঠিকানার আশেপাশেরই হয়ে থাকেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে- প্রাথমিক পর্যায় থেকেই মেধাবী শিক্ষার্থীদের টার্গেট করে থাকে শিবির। এক্ষেত্রে মেধাবী অথচ অস্বচ্ছল এমন শিক্ষার্থীদের প্রাধান্য দিয়ে থাকে ‘সংগঠনটি’। যেখানে অন্য ধর্মের শিক্ষার্থীদেরকেও উপবৃত্তি বা এ ধরনের ‘সুযোগ-সুবিধা’ প্রদানের মাধ্যমে নিজেদের সমর্থক বানায় শিবির। আবার শিবিরের এমনসব শাখাও রয়েছে; যেখানে প্রগতিশীল লেবাসধারী ব্যক্তিরাও শিবিরের নানা পদবিধারী। এক্ষেত্রে অধিকাংশকেই সাথী (দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদ) পদের দেখা গেছে। তারা এক সময় শিবির করে সংগঠনের কিছু শর্ত পূরণসাপেক্ষে লেবাসধারী হয়ে উঠে। অধিকাংশক্ষেত্রে অবশ্য সংগঠনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ীই নীলনকশা বাস্তবায়নে তাদের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশা, দলমতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে পাকিস্তানের মতপন্থী ওইসব লেবাসধারীদের বেশকিছু ব্যক্তিকে গণমাধ্যমে দেখা গেছে।

অনুসন্ধানমতে- বাংলাদেশে ওইসব ব্যক্তি মূলত মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির মধ্যে ফাটল ধরাতেই কাজ করে থাকে। একইসঙ্গে তাদের মূল প্রাধান্য দেওয়া বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে- জামায়াত-শিবিরকে ক্ষমতায় আনাসহ গণমাধ্যমে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে- লেবাসধারীদের মাধ্যমেই মূলত শিবির প্রশাসন থেকে শুরু করে বিভিন্নক্ষেত্রে তাদের লোকবলের অনুপ্রবেশ ঘটিয়ে থাকে। আবার শিবির করা ব্যক্তিরাই মূলত হিজবুত তাহরীর বা অন্য জঙ্গি সংগঠনে যোগ দিয়ে হয়ে উঠে আত্মঘাতি।

একইসঙ্গে অধিকাংশ জঙ্গির অতীত ইতিহাস বিশ্লেষণে দেখা গেছে- তারা জীবনের কোনও না কোনও পর্যায়ে শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।

অনুসন্ধানে আরও বেরিয়ে এসেছে- শিবিরের এয়ানত (চাঁদা) দেওয়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে প্রগতিশীল নামধারীরাও রয়েছেন। যদিও এক্ষেত্রে ওইসব ব্যক্তিদের অধিকাংশই কোনও না কোনও সময় জামায়াত-শিবিরকে প্রকাশ্যে সমর্থন প্রদান করেছিলেন।

এদিকে বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের সংশ্লিষ্টতার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে পাকিস্তান দূতাবাসের কিছু কর্মকর্তার সংশ্লিষ্টতা ছাড়াও পাকিস্তান জঙ্গিদের অর্থায়ন তথা সন্ত্রাসে অর্থায়ন করে থাকে বলে জানা গেছে। যার মূল সমন্বয়ক জামায়াত। আর জামায়তই জঙ্গিদের জামিনে মুক্ত করে আনার ব্যাপারে মূল ভূমিকা পালন করে থাকে। কারণ জামায়াতের ছাত্র সংগঠন- শিবির। আর বিভিন্ন কর্মে থাকা ব্যক্তিরা মূলত জামায়াত করে থাকেন।

আরও উল্লেখ করা যেতে পারে- আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তদন্তে বেরিয়ে এসেছে বলে দৈনিক জনকণ্ঠ ও আমাদের সময় ডটকমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে- জেএমবির প্রতিষ্ঠাকালীন শূরা সদস্য ছিল সালেহীন। সে তার নাম পরিবর্তন করেছে বেশ কয়েকবার। যার মধ্যে রয়েছে সালাহ উদ্দিন, হাফিজুর রহমান শেখ, মাহিন, সজীব ও তাওহীদ।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share