মে ১৩, ২০২১

Bangla Kagoj । News from Bangladesh, World and Universe at any Language

বাংলা ভাষাসহ পৃথিবির সব ভাষায় সর্বশেষ ও প্রধান খবর, বিশেষ প্রতিবেদন, সম্পাদকীয়, পাঠকমত, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সব প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ সকল খবর।

সাবরীনার দ্বিতীয় এনআইডি : জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে মিজানকে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীর দ্বিতীয় পরিচয়পত্র ইস্যুতে গ্রেপ্তার হতে পারেন মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমান। কারণ তার তদবিরেই নাকি মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বিতীয়বার জাতীয় পরিচয়পত্র করিয়ে নেন জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। সাবরিনার সঙ্গে ড. মিজান নিজেই গিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে। এ কথা জানিয়েছেন খোদ নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ড. মিজান।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর দ্বিতীয় পরিচয়পত্র ইস্যুতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানকে। কারণ তাঁর তদবিরেই নাকি মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বিতীয়বার জাতীয় পরিচয়পত্র করিয়ে নেন জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরী। সাবরীনার সঙ্গে ড. মিজান নিজেই গিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে। এ কথা জানিয়েছেন খোদ নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ড. মিজান।

আরও পড়ুন : সাবরীনার দুটো এনআইডি কেন, ইসির কাছে জানতে চায় দুদক

সাবরীনা-আরিফসহ ৮ জনের জামিন নামঞ্জুর

সাবরীনা গেলেন তিনদিনের রিমান্ডে

ইসির তথ্যভাণ্ডার বলছে- দ্বিতীয়বার ভোটার হওয়ার সময় সাবরীনার আবেদনপত্রে ছিল ড. মিজানুর রহমানের রেফারেন্স। এমনকি ড. মিজান নিজেই উপস্থিত হয়ে সাবরীনার জন্য তদবির করেন বলে জানান এনআইডির টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মো. শাহাবুদ্দিন।

তিনি বলেন, ফাইলটাতে দেখলাম মিজানুর রহমান স্যারের কার্ড আছে। মিজান স্যার ওনাকে নিয়ে এসেছিলেন।

এনআইডির টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মিজানকে সাবরীনার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দেখেছেন জানিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়, কেন তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ড. মিজান। তার দাবি, তিনি নাকি কখনো নির্বাচন কমিশনেই যান নি। এমনকি চেনেনও না সাবরীনাকেও।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, যে মানুষকে আমি চিনি না কোনদিন, সে কেন আমার নাম ব্যবহার করেছে।

এনআইডি মহাপরিচালক বলছেন, শুধু ইসি কর্মকর্তাই নয়, তদন্তের আওতায় নিয়ে আসা হবে তদবিরকারীকেও।

বিজ্ঞাপন

এনআইডি মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম বলেন, যারা রেফারেন্স করেছিল, তারা কতটুকু দোষী, এগুলো দেখা হবে।

এনআইডি সার্ভারের সিকিউরিটি ফিচার অনুযায়ী, দ্বিতীয় ভোটার হতে আসলেই আঙুলের ছাপে ধরা পড়ে যায়।

সেক্ষেত্রে প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে, কমিশনের কোনো কর্মকর্তার যোগসাজশ ছাড়া আদৌ দ্বৈত ভোটার হওয়া সম্ভব কিনা। তবে ইসির দুই দফা তদন্তে উঠে আসে নি কোনও কর্মকর্তার নাম।

প্রসঙ্গত- জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ অনুযায়ী, মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং একাধিকবার ভোটার হওয়া, এ দুটি অপরাধের যে কোনও একটির জন্য এক বছর কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। একইসঙ্গে একই শাস্তির কথা বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের ব্যাপারেও।

আরও উল্লেখ করা যেতে পারে- ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর দুটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিষয়ে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজনে বুয়েট এবং কম্পিউটার কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ৬ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share