মে ১৩, ২০২১

Bangla Kagoj । News from Bangladesh, World and Universe at any Language

বাংলা ভাষাসহ পৃথিবির সব ভাষায় সর্বশেষ ও প্রধান খবর, বিশেষ প্রতিবেদন, সম্পাদকীয়, পাঠকমত, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সব প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ সকল খবর।

সি আর দত্তের মরদেহ দেশে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আনা হয় বীর উত্তম সি আর দত্তের মরদেহ। তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে মঙ্গলবার (পহেলা সেপ্টেম্বর) সবুজবাগের বড়দেশ্বরী শশ্মানে।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আনা হয় বীর উত্তম সি আর (চিত্ত রঞ্জন) দত্তের মরদেহ। তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে মঙ্গলবার (পহেলা সেপ্টেম্বর) সবুজবাগের বড়দেশ্বরী শশ্মানে।

বীর উত্তর সি আর দত্তের সঙ্গে তাঁর ৩ মেয়ে এবং এক ছেলেও দেশে এসেছেন।

বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাশগুপ্ত।

রানা দাশগুপ্ত জানান- বিমানবন্দর থেকে সি আর দত্তের মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয়েছে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ)। সেখান থেকে মঙ্গলবার সকাল ৭টায় তার মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে বনানী ডিওএইচএস বাসভবনে। কিছু সময় সেখানে রেখে নিয়ে যাওয়া হবে ঢাকেশ্বরী মন্দির প্রাঙ্গণে।

সেখানে সর্বসাধারণের পক্ষ থেকে সম্মান জানানোর পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় গার্ড অব অনার দেওয়া হবে মুক্তিযুদ্ধের এই বীর সেনাকে। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে তাঁর মরদেহ শহীদ মিনারে নেওয়া হবে না।

ঢাকেশ্বরী থেকে সবুজবাগের বড়দেশ্বরী শশ্মানে নিয়ে গিয়ে তার শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। শেষকৃত্যের আগে তাকে গান স্যালুট জানাবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।

প্রসঙ্গত, গত ২৫ আগস্ট বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টায় যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় স্বাধীনতা যুদ্ধের এই সেক্টর কমান্ডার শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৩ বছর। তিনি বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি ছিলেন।

১৯২৭ সালের পহেলা জানুয়ারি তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের রাজ্য আসামের রাজধানী শিলংয়ে জন্মগ্রহণ করেন সি আর দত্ত। তার পৈতৃক ভিটা হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায়।

বিজ্ঞাপন

শিলংয়ের লাবান সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষাজীবন শুরু করেন সি আর দত্ত। দ্বিতীয় শ্রেণিতে ওঠার পর পরিবারের সঙ্গে হবিগঞ্জে চলে আসেন তিনি।

১৯৪৭ সালে ইন্ডিয়ান মিলিটারি একাডেমি থেকে উত্তীর্ণ হয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। পরে তাকে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট পদে নিযুক্ত করা হয়।

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ৪ নম্বর সেক্টরের কমান্ডার হিসেবে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন। সিলেট বিভাগ ও এর আশেপাশের অঞ্চল ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে ছিল।

স্বাধীনতার পর তিনি রংপুরে আর্মড ফোর্সেস কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

১৯৭৩ সালে তিনি বাংলাদেশ রাইফেলসের প্রথম মহাপরিচালক হিসেবে নিযুক্ত হন।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share