জানুয়ারি ১৮, ২০২২

বাঙলা কাগজ

The Bangla Kagoj । সবচেয়ে বেশি দেশে, সবচেয়ে বেশি ভাষায়। বাঙলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net (আমাদের কোনও জাতীয় পত্রিকা নেই)।

চান্দিনার সড়ক মানেই খানাখন্দকে ভরা!

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দেশের অন্যতম জেলা কুমিল্লা। আর এ কুমিল্লা জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান চান্দিনা। অথচ চান্দিনা থানার আনাচে-কানাচের প্রায় সবগুলো সড়কই খানাখন্দকে ভরা। খোদ চান্দিনা বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়বে বিপুল পরিমাণে খানাখন্দক। যেখানে রয়েছে ভাঙাচোরা রাস্তা ও কাদায় ভরে থাকা ফুটপাথ।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দেশের অন্যতম জেলা কুমিল্লা। আর এ কুমিল্লা জেলার গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান চান্দিনা। অথচ চান্দিনা থানার আনাচে-কানাচের প্রায় সবগুলো সড়কই খানাখন্দকে ভরা। খোদ চান্দিনা বাজারে ঢুকলেই চোখে পড়বে বিপুল পরিমাণে খানাখন্দক। যেখানে রয়েছে ভাঙাচোরা রাস্তা ও কাদায় ভরে থাকা ফুটপাথ।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক লাগোয়া সুরপুর স্টেশন থেকে তুলাতলী পর্যন্ত সড়কটি এখনও মান্দাতার আমলের রয়ে গেছে। অর্থাৎ সড়কটি এখনও কাঁচা- বাংলা কাগজ।

এ ব্যাপারে ২৯ আগস্ট বাংলা কাগজকে কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফ চান্দিনার এতবারপুর এলাকায় বলেন- এখনই এ ব্যাপারে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বলছি।

রামমোহন বাজারের রোববারের (৩০ আগস্ট) অবস্থা- বাংলা কাগজ।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে- ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক থেকে চান্দিনা বাজারে ঢুকলেই রাস্তাঘাটের খানাখন্দক চোখে পড়ে। পরে চান্দিনা-রামমোহন সড়ক ধরে এগিয়ে গেলে বাজার পেরোতেই একটি বড় ভাঙাচোরা স্থান দেখা যায়। এরপর সড়ক ভালো হলেও এতবারপুর এলাকার দুটি জায়গায় বেশ বড় জায়গা নিয়ে খানাখন্দক চোখে পড়ে। এতে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পরে চান্দিনা থেকে রামমোহন বাজারে যাবার পর রামমোহন থেকে বড়ুরা যাবার পথে বাজারের বেশকিছু অংশে দেখা যায় খানাখন্দক।

এইতো গেল একটি সড়কের কথা। মূল কথা, চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার সড়কগুলোই যেন খানাখন্দকের ভাগাড়। এরই অংশ হিসেবে চান্দিনা থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক হয়ে পশ্চিম দিকে এগুলে হাড়িখোলা ও ছয়ঘরিয়ার পরেই পরে সুরপুর বাসস্ট্যান্ড। আর সুরপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে হাতের বামে বা দক্ষিণ দিকে গেলেই যে সড়কটি চোখে পড়ে সেটি তুলাতলী হয়ে চলে গিয়েছে বাড়েরা পর্যন্ত। অথচ সুরপুর স্টেশন থেকে তুলাতলী পর্যন্ত সড়কটি এখনও মান্দাতার আমলের রয়ে গেছে। অর্থাৎ সড়কটি এখনও কাঁচা। বেশ কয়েকবার সড়কটি পাকা করার জন্য সংসদ সদস্য অধ্যাপক মো. আলী আশরাফের পক্ষ থেকে তাগাদা দেওয়া হলেও অজানা কারণে এখনও সেটি পাকা করা হয় নি।

বিজ্ঞাপন

এ ব্যাপারে রোববার (৩০ আগস্ট) রাতে কথা হয় ওই এলাকার (৫ নম্বর কেরণখাল) ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. হারুনুর রশিদের সঙ্গে। তিনি বাংলা কাগজকে বলেন- ‘ইতিমধ্যে তুলাতলীর সড়কটির জন্য এমপি সাহেব ডিও লেটার দিয়েছেন। আশা করি, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই সড়কটি পাকা করা সম্ভব হবে।’

Facebook Comments Box

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share
Contact us