জুলাই ৩১, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

অবৈধ ব্যাংকিং ও এমএলএম করছে ই-ভ্যালি! আটক ৩

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : অবৈধ ব্যাংকিং ও এমএলএম (মাল্টি লেভেল মার্কেটিং) করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ই-কমার্স সাইট ই-ভ্যালির বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে এমন প্রতিষ্ঠানটির তিনজনকে আটক করা হয়েছে। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৯ লাখ টাকা।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : অবৈধ ব্যাংকিং ও এমএলএম (মাল্টি লেভেল মার্কেটিং) করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ই-কমার্স সাইট ই-ভ্যালির বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠানটির তিনজনকে আটক করা হয়েছে। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে ৩৯ লাখ টাকা।

জানা গেছে- টাকা নিয়ে গ্রাহককে সময় মতো পণ্য না দেওয়াসহ নানা অভিযোগ উঠেছে দেশের অন্যতম অনলাইন কেনা-বেচার প্রতিষ্ঠান ই-ভ্যালির বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় প্রতিষ্ঠানটির একটি শাখা থেকে ৩৯ লাখ নগদ টাকাসহ স্থানীয় ম্যানেজার ও দুই কর্মীকে আটক করা হয়েছে। যাদের আটক করা হয়েছে, তারা হলেন- শাখার ব্যবস্থাপক বিপ্লব মিয়া (২৫), সহকারী ব্যবস্থাপক ববিদুল ইসলাম (২৫) এবং জামাল (৩৮)।

সোমবার (২৪ আগস্ট) এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে পারিল বাজারে অবস্থিত ই-ভ্যালির কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। এর নেতৃত্ব দেন সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুনা লায়লা।

তিনি বলেন- ই-ভ্যালি নামের ওই প্রতিষ্ঠান বলধরা এলাকার পারিল বাজারে একটি অফিস বসিয়ে গ্রাহককে বেশি মুনাফার প্রলোভন ও বিভিন্ন পণ্যের আকষর্ণীয় অফার দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল। কিন্তু তারা গ্রাহকদের চাহিদাকৃত পণ্য সময়মতো দিচ্ছে না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

অভিযান চলাকালে এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে জানান- কোনও ব্যাংক একাউন্ট না থাকলেও প্রতিষ্ঠানটি প্রতিদিন বিকাশ ও নগদে প্রায় এক থেকে দেড় কোটি টাকা গ্রহণ করে। প্রতিদিন টাকা সংগ্রহ করে পরে সেগুলো ব্যাগ ভর্তি করে নিয়ে যান ব্যবস্থাপক।

আটকরা জানান- তারা মোবাইলে কিংবা অনলাইনের মাধ্যমে নানা ধরনের প্রোডাক্ট অর্ডার নেন। পরে সেগুলো গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে দিয়ে আসেন। এক্ষেত্রে গ্রাহকদের অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখানো হয়। এভাবে প্রতিদিন বলধরা শাখায় এক থেকে দেড় কোটি টাকা বিকাশ ও নগদে গ্রহণ করতেন।

বিজ্ঞাপন

স্থানীয় এক সরকারি কর্মকর্তা অভিযোগ করে জানান- ৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করলে মাত্র পনেরো দিনে ৬ লাখ টাকা দেয়া হবে বলে সম্প্রতি তাঁকে প্রলোভন দেখায় প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু তাঁদের প্রলোভনের মাত্রা এতটাই বেশি ছিল যে তা নিয়ে সন্দেহ হয়। পরে এ অফার তিনি আর গ্রহণ করেন নি।

এদিকে প্রতিষ্ঠানটির শাখা প্রধান হেনা আক্তার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে এভাবে প্রতারণা করছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিষয়টি জানতেন। কিন্তু তাদেরও ম্যানেজ করে এই অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছিলো ই-ভ্যালি।

ঘটনার পর থেকেই ওই শাখার প্রধান হেনা আক্তার পলাতক আছেন জানিয়ে রুনা লায়লা বলেন- তাকে আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত আছে। পাশাপাশি আটকদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

Facebook Comments Box

Call Now ButtonContact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share