অক্টোবর ২০, ২০২১

The Bangla Kagoj

বাংলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net

প্রদীপ ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যার আসামি কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে গুলি করে হত্যার আসামি কক্সবাজারের টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (২৩ আগস্ট) কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয় চট্টগ্রাম-১ এ মামলাটি দায়ের করা হয় বলে দুদকের পরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য্য জানান।

মামলায় প্রদীপ কুমার দাশের সঙ্গে তার স্ত্রী চুমকি করণকেও আসামি করা হয়েছে জানিয়ে প্রণব বলেন, “তাদের বিরুদ্ধে তিন কোটি ৯৫ লাখ পাঁচ হাজার ৬৩৫ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।”

কমিশনের সমন্বিত জেলা কার্যালয়, চট্টগ্রাম-২ এর সহকারী পরিচালক মো. রিয়াজ উদ্দিন ওসি প্রদীপের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধান করেন। তিনিই বাদি হয়ে মামলাটি করেছেন।

দুদক কর্মকর্তারা বলছেন, প্রদীপ কুমার দাশ ও তার স্ত্রী চুমকির নামে যেসব ‘অবৈধ সম্পদের’ তথ্য পাওয়া গেছে, তা প্রদীপ ‘ঘুষ ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জন করেছেন’ বলে প্রাথমিক তদন্তে ‘প্রমাণ মিলেছে’।

মামলায় তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন-২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭ (১) ধারা, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন- ২০১২ এর ৪(২) ধারা, ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

দুদক কর্মকর্তারা জানান, টেনকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তাদের অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল ২০১৮ সালে। দুই বছর অনুসন্ধান শেষে অভিযোগের ‘প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায়’ এই মামলা করা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

কক্সবাজারের টেকনাফের কাছে বাহারছড়া চেকপোস্টে গত ৩১ জুলাই রাতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।

ওই ঘটনার পর সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস গত ৫ অগাস্ট কক্সবাজারের হাকিম আদালতে ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। সেখানে বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলিকে ১ নম্বর এবং টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে ২ নম্বর আসামি করা হয়।

মামলা হওয়ার পর ওসি প্রদীপসহ সাত পুলিশ সদস্য ৬ অগাস্ট আদালতে আত্মসমর্পণ করেন। এরপর প্রদীপকে সরকারি চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

প্রদীপ এবং কক্সবাজারের এসপি এবিএম মাসুদ হোসেনসহ আটজনের ব্যাংক হিসাবও স্থগিত করা হয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের নির্দেশে।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share