সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতসহ তিনজন র‌্যাব হেফাজতে

অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়েছে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপ-পরিদর্শখ নন্দ দুলাল রক্ষিতকে (টুটুল)।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা হত্যা মামলায় র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়েছে ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও উপ-পরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিতকে (টুটুল)।

র‌্যাবের গণমাধ্যম শাখার প্রধান লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) খবরটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত অনেক দূর এগিয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কারাগারে থাকা রিমান্ডপ্রাপ্ত আসামি ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, পরিদর্শক লিয়াকত আলী ও নন্দ দুলাল রক্ষিতকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

এদিকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত তদন্ত কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগীয় অতিরিক্ত কমিশনার মিজানুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার ওসি প্রদীপকে জিজ্ঞাসাবাদের কথা ছিল। কিন্তু র‌্যাবের একটি দল ওসি প্রদীপসহ তিনজনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়েছে। একইভাবে ওসি প্রদীপকে আমরাও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কারাগারে পৌঁছেছি। যেহেতু ওসি প্রদীপকে আমাদেরও জিজ্ঞাসাবাদেও প্রয়োজন ছিল, সেহেতু পুরো বিষয়টি আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেছি। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে সোমবার প্রেসব্রিফিংয়ে লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, ওসি প্রদীপ কুমারসহ তিনজনকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হবে।

আরও বলেন, ঘটনার মূল সাক্ষী শিপ্রা ও সিফাতের কম্পিউটার ডিভাইসসহ ২৯টি সামগ্রী কক্সবাজারের রামু থানায় পুলিশের হেফাজতে জিডি মূলে রক্ষিত আছে। বিজ্ঞ আদালতে মাধ্যম উক্ত সরঞ্জামাদি র‌্যাব হেফাজতে নেওয়া হবে। কারণ মামলার তদন্তের স্বার্থে উক্ত কম্পিউটার ডিভাইস গুরুত্বপূর্ণ কাজ দেবে।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ জানান, সিনহা নিহতের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) ৩ জন সদস্যকে গ্রেপ্তারের পর আদালতে সোপর্দ করেছে র‌্যাব। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছে র‌্যাব। সোমবার রাতে তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কক্সবাজার ১৪ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের উপপরিদর্শক শাহাজাহান, কনস্টেবল রাজিব ও আব্দুল্লাহ। তারা তিনজনই ৩১ জুলাই রাতে শামলাপুর পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে দায়িত্বরত ছিলেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের মারিশবুনিয়া পাহাড়ে ভিডিওচিত্র ধারণ করে মেরিন ড্রাইভ দিয়ে কক্সবাজারের হিমছড়ি এলাকার নীলিমা রিসোর্টে ফেরার পথে শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে গুলিতে নিহত হন মেজর (অব.) সিনহা মো. রাশেদ। এ সময় পুলিশ সিনহার সঙ্গে থাকা সিফাতকে আটক করে কারাগারে পাঠায়। পরে রিসোর্ট থেকে শিপ্রাকে আটক করা হয়। দুজনই বর্তমানে জামিনে মুক্ত।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share