জুলাই ২৪, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

সিলেটে নাশকতার পরিকল্পনা ছিল নব্য জেএমবির, ষড়যন্ত্র শেষ হয় নি : সিটিটিসি

সিলেট থেকে গ্রেপ্তার হওয়া নব্য জেএমবির ৫ সদস্য- বাংলা কাগজ।

গ্রেপ্তার হওয়া নব্য জেএমবির ৫ সদস্য সিলেটে নাশকতার পরিকল্পনা করেও ব্যর্থ হয় বলেই জানিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১২টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন সিটিটিসি প্রধান ও ডিআইজি (উপ-মহাপরিদর্শক) মর্যাদাসম্পন্ন ডিএমপির (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : গ্রেপ্তার হওয়া নব্য জেএমবির ৫ সদস্য সিলেটে নাশকতার পরিকল্পনা করেও ব্যর্থ হয় বলেই জানিয়েছে পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)। বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা ১২টায় ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য দেন সিটিটিসি প্রধান ও ডিআইজি (উপ-মহাপরিদর্শক) মর্যাদাসম্পন্ন ডিএমপির (ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ) অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম।

ব্রিফিংয়ে জানানো হয়- গত দু’দিনে ধারাবাহিকভাবে অপারেশন ‌‘এলিগ্যান্ট বাইট’ চালিয়ে সিলেটের মিরাবাজার, টুকের বাজার ও দক্ষিণ সুরমার বিভিন্ন স্থান থেকে ৫ জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান (২৬), সানাউল ইসলাম সাদি (২৮), রুবেল আহমেদ (২৮), আব্দুর রহিম জুয়েল (৩০) ও সায়েম মির্জা (২৪)। ওই সময় তাদের হেফাজত থাকা বোমা তৈরির সরঞ্জাম, ল্যাপটপ ও মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মনিরুল ইসলাম আরও বলেন- গ্রেপ্তারকৃতরা নব্য জেএমবির সামরিক শাখার সদস্য। তারা কথিত আইএস এর দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ইদুল আজহার পূর্বে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এরই অংশ হিসেবে তারা ২৪ জুলাই ঢাকার পল্টনে পুলিশ চেকপোস্টের পাশে এবং গত ৩১ জুলাই নওগাঁ জেলার সাপাহার এলাকায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দিরে বোমা হামলা করে।

গত ২৩ জুলাই হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার শরীফে আরেকটি হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করে। এরই মধ্যে তারা পল্টন ও সাপাহারে বোমা বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম হয়। কিন্তু সিলেটে পুলিশের কড়া নজরদারির কারণে সেটি ব্যর্থ হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আরও জানানো হয়- গ্রেপ্তারকৃতরা জানিয়েছে, নব্য জেএমবির শুরা সদস্য শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামানের নেতৃত্বে তারা সিলেটের শাপলাবাগের একটি বাসায় কম্পিউটার প্রশিক্ষণের আড়ালে সামরিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল। এদের মধ্যে শেখ সুলতান মোহাম্মদ নাইমুজ্জামান কফি শপে (বারিস্তা) কপি মেকার হিসেবে কাজ করে। ২০১৯ সালে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্র বিজ্ঞানে অনার্স সম্পন্ন করেন তিনি। তিনি ছাত্রজীবনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। নব্য জেএমবির সামরিক শাখার প্রধান প্রশিক্ষক এবং সামরিক প্রশিক্ষণের উদ্দেশে সিলেটের শাপলাবাগের বাসাটি ভাড়া নেন তিনি। সানাউল ইসলাম শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের ছাত্র। রুবেল আহমেদ ২০১৬ সালে উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন ব্লু বার্ড সিলেট শাখা থেকে এইচএসসি পরীক্ষা দেয়। সে সিলেটে টুকেরবাজারে সার, বীজ ও কীটনাশকের ব্যবসা করে। আব্দুর রহিম জুয়েল রেন্ট-এ-কারের ড্রাইভার হিসেবে কাজ করত। তার গাড়ি ব্যবহার করে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করেছিল। সায়েম মির্জা সিলেটের মদন মোহন কলেজের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র।

বিজ্ঞাপন

ব্রিফিংয়ে মনিরুল ইসলাম আরও জানান- জঙ্গিদের এখন বড় হামলা করার সামর্থ্য নেই।

পুরনো জেএমবির নেতা সালাউদ্দিন সালেহীন ভারতে লুকিয়ে থাকতে পারে বলেও এক প্রশ্নের জবাবে জানান মনিরুল।

Facebook Comments Box

Call Now ButtonContact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share