সিনহা হত্যায় পুলিশের মামলার ৩ সাক্ষীর রিমান্ড শুনানি বুধবার

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশের দায়ের করা মামলার তিন সাক্ষীর রিমান্ড শুনানি হবে বুধবার (১২ আগস্ট)। এর আগে মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) ওই আসামিদেরকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। একইদিন কক্সবাজারের মারিশবুনিয়া এলাকা থেকে র‍্যাব তাঁদেরকে গ্রেপ্তারের পর বিকেলে আদালতে তোলা হয় তাঁদের।

সাক্ষী তিনজন হলেন- টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের মারিশবুনিয়া এলাকার বাসিন্দা নুরুল আমিন, মোহামমদ আয়াজ ও নেজাম উদ্দীন। তাঁরা স্থানীয় কমিউনিটি পুলিশের সদস্য বলে জানা গেছে।

৩১ জুলাই মেজর (অব.) সিনহা মেরিন ড্রাইভের একটি চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার পর, সিনহা ও তাঁর সঙ্গে থাকা সিফাতের বিরুদ্ধে মাদক ও পুলিশকে দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে টেকনাফ থানায় মামলা করে পুলিশ। উপপরিদর্শক নন্দ দুলাল রক্ষিতের দায়ের করা ওই মামলায় এই তিন জনকে সাক্ষী দেখানো হয়েছিল।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিকেল ৩টার দিকে কক্সবাজারের মারিশবুনিয়া এলাকা থেকে র‍্যাব তাঁদের গ্রেপ্তার করে বলে বাহিনীটির পরিচালক (মিডিয়া উইং) লে. কর্নেল আশিক বিল্লাহ দ্য বাংলা কাগজকে জানান।

বিজ্ঞাপন

র‌্যাব পরিচালক জানান, মঙ্গলবার বিকেল সোয়া চারটার দিকে কক্সবাজারে টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাঁদের হাজির করে প্রত্যেকের ১০ দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাবের এএসপি জামিল উল হক।

আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন আদালতের বিচারক মো. হেলাল উদ্দিন বুধবার রিমান্ড আবেদনের শুনানির তারিখ ধার্য করে তাঁদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মেজর (অব.) সিনহা নিহত হওয়ার ঘটনায় তাঁর বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস গত ৫ আগস্ট পুলিশের পরিদর্শক লিয়াকত আলী, টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাসসহ নয়জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে সাতজনকে বরখাস্ত করা হয়। বাদবাকি দু’জনের নাম নেই টেকনাফ থানায় ও বাহারছড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে।

ওসি প্রদীপ কুমার ও পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ সাত পুলিশ সদস্যকে এর আগে এই হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার করা হয়। মঙ্গলবার আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.