অক্টোবর ২০, ২০২১

The Bangla Kagoj

বাংলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু রোববার

ফাইল ফটো।

করোনাভাইরাসের কারণে বিলম্বিত একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম অবশেষে শুরু হচ্ছে রোববার (৯ আগস্ট)। সকাল সাতটায় শুরু হয়ে ওই কার্যক্রম চলবে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : করোনাভাইরাসের কারণে বিলম্বিত একাদশ শ্রেণিতে অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম অবশেষে শুরু হচ্ছে রোববার (৯ আগস্ট)। সকাল সাতটায় শুরু হয়ে ওই কার্যক্রম চলবে ২০ আগস্ট পর্যন্ত। সব প্রক্রিয়া শেষে আগামী ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে বলে জানিয়েছে আন্তঃশিক্ষা সমন্বয়ক বোর্ড।

উল্লেখ করা যেতে পারে- জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে ১৫ আগস্ট কল সেন্টার ও অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

জানা গেছে- ভর্তি আবেদন ফি পরিশোধ করার সময় এবং প্রথমবার আবেদনের সময় শিক্ষার্থীকে একটি মোবাইল নম্বর (নিজের/অভিভাবকের) দিতে হবে, যেটি শিক্ষার্থীর যোগাযোগ নম্বর হিসেবে বিবেচিত হবে। যোগাযোগ নম্বরটি শিক্ষার্থীর জন্য অতীব গুরুত্বপূর্ণ, কেননা পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীর সকল যোগাযোগ ও আবেদনের জন্য এটির প্রয়োজন হবে। আবেদন করার সময় কলেজের পছন্দক্রম বিশেষ বিবেচনাপূর্বক সাবধানে পূরণ করতে বলা হয়েছে।

বোর্ড থেকে আরও বলা হয়েছে, এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত জিপিএ-র ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। সমান জিপিএপ্রাপ্তদের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক মূল্যায়ন (Continuous Assessment) ব্যতীত মোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। একাদশে ভর্তি নীতিমালায় বলা হয়েছে, ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালে মাধ্যমিক উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবেন। আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় উত্তীর্ণদের ভর্তির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়স হবে ২২ বছর।

এবার ৯৫ শতাংশ আসন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে, যা মেধার ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে। মেধার ভর্তির পর পাঁচ শতাংশ আসন মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। তবে কোটায় উপযুক্ত প্রার্থী পাওয়া না গেলে তা কার্যকর থাকবে না।

ভর্তির সময়সূচি :
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে, ৯ আগস্ট সকাল ৭টা থেকে ২০ আগস্ট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন নেয়া হবে। ২৫ আগস্ট রাত ৮টায় প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে।

প্রথম তালিকায় থাকা শিক্ষার্থীদের ২৬ থেকে ৩০ আগস্টের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন (যে কলেজের তালিকায় নাম আসবে ওই কলেজেই যে শিক্ষার্থী ভর্তি হবেন তা এসএমএসে নিশ্চিত করা) করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে।

৩১ আগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদন নেওয়া হবে। পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল এবং দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়।

৫ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে।

৭ থেকে ৮ সেপ্টেম্বর তৃতীয় পর্যায়ের আবেদন নিয়ে পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল এবং তৃতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ১০ সেপ্টেম্বর।

বিজ্ঞাপন

১১ ও ১২ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত তৃতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের সিলেকশন নিশ্চয়ন করতে হবে। এই সময়ের মধ্যে সিলেকশন নিশ্চয়ন না করলে আবেদন বাতিল হবে।

১৩ সেপ্টেম্বর রাত কলেজভিত্তিক চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। আর ১৩ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শিক্ষার্থীদের কলেজে ভর্তি হতে হবে।

আবেদনের নিয়ম :
চলতি বছর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির শিক্ষার্থীরা শুধু অনলাইনে আবেদনের সুযোগ পাচ্ছেন।

শিক্ষার্থীদের অগোচরে আবেদন করিয়ে নেয়া বন্ধ করতে চলতি বছর এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন প্রক্রিয়া বন্ধ করা হয়েছে। www.xiclassadmission.gov.bd -এ ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। একজন সর্বোচ্চ ১০টি প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে পারবেন। শিক্ষার্থীকে তার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ড, পাসের সাল উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে।

টাকা জমা দেয়ার নিয়ম :
একদশ শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে অনলাইনে একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি কলেজে এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করতে পারবে। তবে একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক শিফট/ভার্সন/গ্রুপে আবেদন করা যাবে। আবেদনের জন্য ১৫০ টাকা টাকা ফি পরিশোধ করতে হবে। এ অর্থ নগদ/সোনালী ব্যাংক/টেলিটক/বিকাশ/শিওর ক্যাশ/রকেট এর মাধ্যমে সার্ভিস চার্জসহ প্রদান করতে হবে।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সাল থেকে ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। এবার সাত হাজার ৪৭৪টি সরকারি-বেসরকারি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে আসন রয়েছে ২৫ লাখ। আর মাধ্যমিকে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬ লাখ ৯০ হাজার ৫২৩ জন শিক্ষার্থী।

এবার একজন শিক্ষার্থীকে কমপক্ষে পাঁচটি কলেজ পছন্দক্রম অনুসারে আবেদন করতে হবে। তাঁরা আবেদন করতে পারবেন সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে। শিক্ষার্থীর মেধা ও পছন্দ্ক্রম অনুসারে তাঁকে নির্দিষ্ট কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত করা হবে।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share