মে ১৩, ২০২১

Bangla Kagoj । News from Bangladesh, World and Universe at any Language

বাংলা ভাষাসহ পৃথিবির সব ভাষায় সর্বশেষ ও প্রধান খবর, বিশেষ প্রতিবেদন, সম্পাদকীয়, পাঠকমত, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সব প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ সকল খবর।

সিএনএন : অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট নিয়ে রাশিয়ার একটি জাহাজ বৈরুত বন্দরে বহু বছর ধরে পড়েছিল

সিএনএনের রিপোর্টের স্ক্রিনশট।

বৈরুত বন্দরের বিস্ফোরণ ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম- সিএনএন।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বৈরুত বন্দরের বিস্ফোরণ ও বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গণমাধ্যম- সিএনএন।

অ্যা রাশিয়ান শিপ’স কার্গো অব ডেন্জারাস অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ওয়াজ স্ট্র্যান্ডেড ইন বৈরুত পোর্ট ফর ইয়ার্স- শিরোনামের ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে- ২০১৩ সালে রাশিয়ার মালিকানাধীন এমভি রোসাস নামে একটি জাহাজ বৈরুতে পৌঁছেছিল। যা বহন করছিল দুই হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট (বিস্ফোরক দ্রব্য)।

বিষয়টি নিয়ে বৈরুতের কাস্টমস কর্মকর্তা বদ্রি দাহের সিএনএনকে বলেন- তাঁর এবং তাঁর সহকর্মীদের বারবার বলার পরও এমভি রোসাস বন্দর ছেড়ে যায় নি। ফলে এটি একটি ভাসমান ‘কার্গো বোমায়’ রূপান্তরিত হয়েছিল।

বদ্রি দাহের আরও জানান- এ ব্যাপারে তিনি কর্তৃপক্ষকে একটি নোটও পাঠিয়েছিলেন। ২০১৬ সালে দেওয়া ওই নোটে তিনি উল্লেখ করেছিলেন- ‘ওই বিস্ফোরক দ্রব্যের ব্যাপারে শিগগিরই যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।’

সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে- লেবানন কর্তৃপক্ষ বিস্ফোরক দ্রব্য থাকা এমভি রোসাসের নাম উল্লেখ না করলেও দুই হাজার ৭৫০ মেট্রিক টন অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটের কারণে ওই বিস্ফোরণ ঘটেছে বলেই জানিয়েছে। একইসঙ্গে সরকারের পক্ষ থেকে এটিও স্বীকার করা হয়েছে, ছয় বছর ধরে ওই বিস্ফোরক দ্রব্য বন্দরে পড়েছিল।

বিজ্ঞাপন

পাশাপাশি সিএনএনের প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে- এমভি রোসাসের গন্তব্যস্থল ছিল মোজাম্বিক। তবে সমস্যার কারণে এটি বৈরুত বন্দরে থামানো হয়েছিল।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share