অক্টোবর ২৮, ২০২১

The Bangla Kagoj

বিশ্বের সব দেশে, সব ভাষায়, সব সময় । বাংলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net (আমাদের কোনও জাতীয় পত্রিকা নেই)।

পুলিশ হেফাজতে কক্সবাজার আদালতের পথে টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ

আদালতের পথে পুলিশ হেফাজতে সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ- বাংলা কাগজ।

সাবেক মেজর সিনহা রাশেদ হত্যার ঘটনায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) প্রদীপ কুমার দাসকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি নিজ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে পুলিশ পাহারায় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আদালতের উদ্দেশে রওয়া দিয়েছেন। আর প্রদীপ যাতে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্যই পুলিশ পাহারায় রয়েছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সাবেক মেজর সিনহা রাশেদ হত্যার ঘটনায় টেকনাফ থানার সাবেক ওসি (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) প্রদীপ কুমার দাসকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তিনি নিজ উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বিকেলে পুলিশ পাহারায় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার আদালতের উদ্দেশে রওয়া দিয়েছেন। আর প্রদীপ যাতে পালিয়ে যেতে না পারেন, সেজন্যই পুলিশ পাহারায় রয়েছে বলে সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকালে চট্টগ্রামের পুলিশ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওসি প্রদীপকে পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়। আইনগত প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে পুলিশ প্রদীপকে র‌্যাবের কাছে হস্তান্তর করবে। তবে এই হস্তান্তরের আগেই প্রদীপ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে সাবেক মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশকে প্রত্যাহার করা হয়।

গত ৩১ জুলাই ইদের আগের রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর পুলিশ চেকপোস্টে গুলিতে নিহত হন সাবেক মেজর সিনহা রাশেদ খান।

তাঁর গাড়িতে থাকা তাঁর সঙ্গী সিফাতের ভাষ্যমতে, ‘সিনহাকে কোনোরূপ জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই চেকপোস্টে গাড়ি থেকে নামতে বলে চার রাউন্ড গুলি ছুঁড়ে হত্যা করেন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই লিয়াকত আলী।’

এ ঘটনার বিচার চেয়ে টেকনাফ উপজেলা জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারহার আদালতে ৯ পুলিশ সদস্যকে আসামি করে বুধবার (৫ আগস্ট) মামলা করেন তাঁর বড় বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস।

বিজ্ঞাপন

আদালতের বিচারক তামান্না ফারাহ মামলাটি গ্রহণ করেন। তিনি এজাহারটি মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করে সাত দিনের মধ্যে আদালতকে অবহিত করতে টেকনাফ থানার ওসিকে নির্দেশ দেন। পাশাপাশি মামলাটি তদন্ত করে আদালতকে জানানোর জন্য র‌্যাব-১৫ কক্সবাজার ক্যাম্পের অধিনায়ককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, ওসি প্রদীপের বাড়ি চট্টগ্রামে। কক্সবাজারের আগে তিনি চট্টগ্রামে কর্মরত ছিলেন। ওই সময় জায়গা দখলসহ নানা অভিযোগ উঠায় তাঁকে সাময়িক বরখাস্তও করা হয়েছিল।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share