কুয়েতের শ্রমবাজার বন্ধ হওয়ায় বিকল্প ভাবনার পরামর্শ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বাংলাদেশে রেমিট্যান্স প্রেরণকারী শীর্ষ দশটি দেশ হলো- সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র, মালয়েশিয়া, কুয়েত, ওমান, কাতার, যুক্তরাজ্য, ইতালি ও সিঙ্গাপুর। এক্ষেত্রে কুয়েত সব সময়ই পাঁচ বা ছয় নম্বরে থাকে। দেশটিতে বর্তমানে প্রায় তিন লাখ প্রবাসী বাংলাদেশি রয়েছেন। এমন অবস্থায় ঘোষণা এলো কুয়েতে ৭ দেশের নাগরিক আপাতত প্রবেশ করতে পারবেন না। ‌‘অজুহাত’ করোনা। এ অবস্থায় নিষেধাজ্ঞা এসেছে বাংলাদেশের নামেও। সংশ্লিষ্টরা বলছেন- কুয়েতের শ্রম বাজার দীর্ঘদিন বন্ধ থাকলে তা বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। এক্ষেত্রে এখনই আমাদেরকে বিকল্প ভাবতে হবে। প্রয়োজনে রপ্তানি বাড়িয়ে হলেও বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ঠিক রাখতে হবে।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বলেন, অবশ্যই কোনও গুরুত্বপূর্ণ দেশের শ্রমবাজার বন্ধ থাকলে সেটি রেমিট্যান্সের ওপর প্রভাব ফেলতে। এতে রিজার্ভেও ধনাত্মক ঊর্ধ্বমুখিতা ব্যাহত হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

জানা গেছে- বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ফিলিপাইন ও ইরান- এ সাতটি দেশের নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে কুয়েত। করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেশি হওয়ায় এসব দেশ থেকে কুয়েতে যাওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্তণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়- উল্লেখিত দেশে যাঁরা কুয়েতে প্রবেশের আগে ১৪ দিন অবস্থান করেছেন, তাঁরাও দেশটিতে প্রবেশ করতে পারবেন না।

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.