আগস্ট ৪, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

মুক্তিযুদ্ধে স্মারক ডাকটিকিট অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে : মোস্তাফা জব্বার

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার- মন্ত্রণালয়ের সৌজন্যে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, মুজিবনগর সরকার প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকিট স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব প্রকাশে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে। একাত্তরের ২৯ জুলাই মুজিবনগর সরকার এবং যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স থেকে প্রকাশিত ৮টি স্মারক ডাকটিকিট বিশ্বে আমাদের জাতিস্বত্ত্বা, রাষ্ট্রস্বত্ত্বা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এই দিবসটি কেবল ডাক অধিদপ্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দিবসটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের যৌক্তিকতা আছে।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, মুজিবনগর সরকার প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকিট স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় অস্তিত্ব প্রকাশে অবিস্মরণীয় ভূমিকা রেখেছে। একাত্তরের ২৯ জুলাই মুজিবনগর সরকার এবং যুক্তরাজ্যের হাউজ অব কমন্স থেকে প্রকাশিত ৮টি স্মারক ডাকটিকিট বিশ্বে আমাদের জাতিস্বত্ত্বা, রাষ্ট্রস্বত্ত্বা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। এই দিবসটি কেবল ডাক অধিদপ্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে দিবসটিকে জাতীয় দিবস হিসেবে পালনের যৌক্তিকতা আছে।

তিনি বলেন, স্মারক এই ডাকাটিকিটসমূহ কেবলই ইতিহাসের ধারক ও স্মারক নয়। এর মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব তুলে ধরা হয়েছে যা সারা দুনিয়ায় আলোড়ণ সৃষ্টি করেছে।

মন্ত্রী আজ বুধবার (২৯ জুলাই) ঢাকায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে স্মারক ডাকটিকিট দিবস উপলক্ষে ডাক অধিদপ্তর আয়োজিত আলোচনা সভা ও এ উপলক্ষে প্রকাশিত স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব নূর-উর-রহমানের সভাপতিত্বে, ডাক অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এস এস ভদ্রের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আজিজুল ইসলাম বক্তব্য দেন।

অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের অধীন সংস্থা সমূহের প্রধানেরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

একাত্তরের সম্মুখ রণাঙ্গনের তরুণ যোদ্ধা মোস্তাফা জব্বার বলেন, আমরা কেবল অস্ত্র দিয়েই যুদ্ধ করি নি। সংস্কৃতি কর্মী, খেলোয়াড়, সাধারণ জনগণ ও স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের মাধ্যমেও আমাদের যুদ্ধটা হয়েছে। ডাক টিকিটও সেই লড়াইয়ের অংশীদার। নয় মাসের যুদ্ধে দেশের জনগণ আমাদের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যুদ্ধ না করলে, খাবার এবং আশ্রয় না দিলে টিকে থাকা আমাদের জন্য কষ্ট হতো। একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমাদের সময়টি ছিলো পাক বাহিনীর সঙ্গে যুদ্ধের।

Facebook Comments Box

Call Now ButtonContact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share