নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন জাল-জালিয়াতি ও অনিয়ম উদঘাটনের ঘটনায় সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, অধিদপ্তরটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানাও কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না।
সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সিন্ডিকেটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছিলেন বেশ কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তা। এসব কর্মকর্তার মদদেই মূলত অনিয়ম সংগঠিত হয়েছে। সেখানে নাসিমা সুলতানাও জড়িত ছিলেন বলেই দাবি করেছে একাধিক সূত্র।
সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করে আরও বলছে, অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্বপ্রাপ্ত অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা যদি কোনও অনিয়মের সঙ্গে জড়িত না থাকতেন, তবে তিনি অবশ্যই এ বিষয়ে প্রতিবাদ করতেন। কিন্তু তিনি সেটি করেন নি। বিপরীতে ভুলে ভরা ভুয়া তথ্য নিয়েই তিনি প্রতিদিন ব্রিফিং করে গিয়েছেন এবং যাচ্ছেন।
সূত্র আরও জানায়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন জালিয়াতির ধারাবাহিকতায় আন্ডার ও ওভার ইনভয়েসিংয়ের মধ্যেমে বেশ বড় অংকের অর্থ ইতোমধ্যে পাচার হয়েছে। একইসঙ্গে দেশেও ভাগ-ভাটোয়ারা হয়েছে বিপুল পরিমাণে অর্থ। যাতে সিন্ডিকেটের সঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তারাও যুক্ত ছিলেন। এরই অংশ হিসেবে রিজেন্ট ও জেকেজিসহ বেশকিছু লাইসেন্সহীন হাসপাতালকেও করোনা ডেডিকেটেড হিসেবে ঘোষণা করে সাস্থ্য অধিদপ্তর। পাশাপাশি কালো তালিকাভুক্ত বেশকিছু ঠিকাদারকেও কাজ দেয় সংস্থাটি।
সূত্রমতে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে বর্তমানে মহাপরিচালক হওয়ার দিক থেকে কিছুটা এগিয়ে রয়েছেন অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। কিন্তু তাঁর বিরুদ্ধেও ইতোমধ্যে বেশকিছু গণমাধ্যমে অনিয়মের খবর প্রচার ও প্রকাশিত হয়েছে।
প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের পদত্যাগের বিষয়টি নানা গণমাধ্যমে প্রকাশ ও প্রচারিত হয়েছে।