মে ১৩, ২০২১

Bangla Kagoj । News from Bangladesh, World and Universe at any Language

বাংলা ভাষাসহ পৃথিবির সব ভাষায় সর্বশেষ ও প্রধান খবর, বিশেষ প্রতিবেদন, সম্পাদকীয়, পাঠকমত, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সব প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ সকল খবর।

র‌্যাবের অভিযান : ‘করোনাভাইরাসের পরীক্ষা হয় না’ বিজ্ঞাপন দিয়েও অনুমোদনহীন পরীক্ষা শাহাবুদ্দিন মেডিক্যালে

সাহাবুদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে র‌্যাবের অভিযান- বাংলা কাগজ।

করোনাভাইরাসের পরীক্ষা হয় না- এমন বিজ্ঞাপন প্রচার করছে বেশকিছু মেডিক্যাল কলেজ। আর্ত মানবতার সেবায় যেখানে এগিয়ে এসে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করানো একটি ব্রত হতে পারে, সেখানে এমন বিজ্ঞাপন ভাবিয়ে তুলছে অনেককেই। ভাবিয়েছে র‌্যাবকেও। তাইতো সংস্থাটির পক্ষ থেকে বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। আর তাতেই ফেঁসে যায় শাহবুদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : করোনাভাইরাসের পরীক্ষা হয় না- এমন বিজ্ঞাপন প্রচার করছে বেশকিছু মেডিক্যাল কলেজ। আর্ত মানবতার সেবায় যেখানে এগিয়ে এসে করোনাভাইরাস পরীক্ষা করানো একটি ব্রত হতে পারে, সেখানে এমন বিজ্ঞাপন ভাবিয়ে তুলছে অনেককেই। ভাবিয়েছে র‌্যাবকেও। তাইতো সংস্থাটির পক্ষ থেকে বাড়ানো হয় গোয়েন্দা নজরদারি। আর তাতেই ফেঁসে যায় শাহবুদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল।

জানা গেছে- হাসপাতালটি কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হচ্ছে না বলে গণমাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করা হলেও বাস্তবে গোপনে পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল। এটি হাসপাতালের বড় একটি প্রতারণা বলে সেখানে অভিযান চালিয়েছে র‌্যাব। তাছাড়া করোনাভাইরাস পরীক্ষা মানুষের একটি জীবন মরণের প্রশ্ন। তার ওপর রিজেন্ট ও জেকেজি নিয়ে দেশজুড়ে চলছে তোলপাড়। তবুও শিক্ষা নেয় নি শাহাবুদ্দিন!

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- প্রতারণা ও মানুষের ‘জীবনকে নিয়ে পাশা খেলার’ মতো অপরাধে রোববার (১৯ জুলাই) বিকেলে হাসপাতালটিতে অভিযান চালায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের নেতৃত্বাধীন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

আর সেখানে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হাসপাতালের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর ডা. মো. আবুল হাসনাত ও হাসপাতালের ইনভেন্টরি অফিসার শাহরিজ কবির সাদিকে র‌্যাবের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

অভিযান চলাকালে সারোয়ার আলম বলেন- হাসপাতালটি অনুমোদন ছাড়াই র‌্যাপিড কিট দিয়ে কোভিড-১৯ আক্রান্ত রোগীদের অ্যান্টিবডি টেস্টের কাজ করছিল। এছাড়াও তাঁরা অ্যান্টিবডি পরীক্ষার নামে রোগীদের কাছ থেকে ৩ থেকে ১০ হাজার টাকা করেও নেয় বলে অভিযোগ পেয়েছি।

তিনি বলেন, হাসপাতালটির বিরুদ্ধে আমরা তিনটি অভিযোগ পেয়েছি। এর মধ্যে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর তাঁদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার অনুমোদন দিয়েছিল। কিন্তু তাঁদের কোভিড-১৯ পরীক্ষার স্বয়ংক্রিয় মেশিন না থাকায় ওই অনুমোদন বাতিল করা হয়। এরপরও তাঁরা গোপনে কোভিড-১৯ পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছিল। তাঁরা বাইরের রোগীদেরও টেস্ট করেছে। এই টেস্টগুলো তাঁরা ডিভাইসের মাধ্যমে করেছে। কিন্তু বাংলাদেশে সেই ডিভাইস ব্যবহারের অনুমোদন নাই। আর যেসব রিপোর্ট দিয়েছে তার সবই ভুয়া।

বিজ্ঞাপন

দ্বিতীয় অভিযোগ হলো- হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু পরীক্ষা বাইরের অন্যান্য হাসপাতাল থেকে করে তা নিজেদের হাসপাতালের (শাহাবুদ্দিন মেডিক্যাল কলেজ) প্যাডে লিখে রোগীদের দিয়েছে।

তৃতীয় অভিযোগ হলো- তাঁরা কিছু প্রোডাক্ট যেমন মাস্ক, গ্লোভস, এগুলো তাঁরা একের অধিকবার ব্যবহার করছে। এগুলো মূলত ওয়ানটাইম ইউজেবল। কিন্তু তাঁরা এগুলো বারবার ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, আমরা পুরো হাসপাতালটিতে অভিযান পরিচালনা করছি। হাসপাতালের ওষুধাগারেও অভিযান চালানো হয়েছে।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share