জেকেজির চেয়ারম্যান সাবরিনা গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ (আপলোড ১২ জুলাই, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ; আপডেটেড ৫ আগস্ট, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ) : করোনাভাইরাসের নমুনা ফেলে দিয়ে মনগড়া রিপোর্ট দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছেন জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এর আগে জেকেজির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ডা. আরিফ চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার (১২ জুলাই) দুপুরে ডিএমপির তেজগাঁও উপ-কমিশনারের (ডিসি) কার্যালয়ে সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাঁকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বাংলা কাগজকে নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের ডিসি হারুন অর রশিদ।

এর আগে তিনি জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডা. সাবরিনাকে ডেকেছেন। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

সূত্র জানায়- জেকেজি হেলথ কেয়ারের সিইও আরিফ চৌধুরীর প্রতারণার নেপথ্যে ছিলেন তাঁরই স্ত্রী ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে সব যোগাযোগ রক্ষা করতেন সাবরিনাই।

বিজ্ঞাপন

গত ২৩ জুন করোনার ভুয়া সনদ দেওয়া, জালিয়াতি ও প্রতারণার অভিযোগে আরিফুলসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করে তেজগাঁও থানা পুলিশ। গ্রেপ্তারের পর থানা হাজতে থাকা অবস্থায় আরিফুলের ক্যাডার বাহিনী ভাঙচুর ও হামলা করে থানায়। মারধর করে পুলিশকে।

এছাড়া রাজধানীর মহাখালীর তিতুমীর কলেজে নমুনা সংগ্রহের বুথ বসিয়ে সেখানে প্রশিক্ষণের নামে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও পাওয়া যায়। কলেজের কক্ষে নারী-পুরুষের আপত্তিকর অবস্থানসহ নানা অনৈতিক কাজে বাধা দিলে তিতুমীর কলেজের শিক্ষক, কর্মচারী ও ছাত্রদের ওপরও হামলা করে আরিফুলের লোকজন।

জানা গেছে, জেকেজির কর্ণধার স্বামী-স্ত্রী মিলে করোনা টেস্টের ভুয়া সনদ বিক্রি করেছেন। প্রতিটি টেস্টের জন্য জনপ্রতি নিয়েছেন সর্বনিম্ন পাঁচ হাজার টাকা। আর বিদেশি নাগরিকদের কাছ থেকে জনপ্রতি তাঁরা নিতেন ১০০ ডলার।

গণমাধ্যমে সাবরিনা বলেছেন- আগেই তাঁদের সকল অপকর্ম জানানো হয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদকে।

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.