মে ১২, ২০২১

Bangla Kagoj । News from Bangladesh, World and Universe at any Language

বাংলা ভাষাসহ পৃথিবির সব ভাষায় সর্বশেষ ও প্রধান খবর, বিশেষ প্রতিবেদন, সম্পাদকীয়, পাঠকমত, খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সব প্রান্তের গুরুত্বপূর্ণ সকল খবর।

রিজার্ভ চুরি ডিপ ফ্রিজে

বাংলাদেশ ব্যাংক লোগো।

বহুল আলোচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে রিজার্ভের অর্থ চুরির চার বছরেরও অধিক সময় পার হলেও অধিকাংশ অর্থ এখনও আদায় সম্ভব হয় নি। আর পুরো অর্থ আদায় কবে হবে, কিংবা আদৌ হবে কি-না, তা নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট সন্দেহ-সংশয়।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দেশে একটি নতুন ঘটনার জন্ম হয়, হারিয়ে যায় পুরোনো ঘটনা। পরে সেটি আর তেমনভাবে দেখাও হয় না। এমনই একটি ঘটনা রিজার্ভ চুরি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- বহুল আলোচিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ ব্যাংকের বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব থেকে রিজার্ভের অর্থ চুরির চার বছরেরও অধিক সময় পার হলেও অধিকাংশ অর্থ এখনও আদায় সম্ভব হয় নি। আর পুরো অর্থ আদায় কবে হবে, কিংবা আদৌ হবে কি-না, তা নিয়েও রয়েছে যথেষ্ট সন্দেহ-সংশয়।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর ড. খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ বলেন, দেরি করে মামলা করলেও এখন রিজার্ভের চুরি হওয়া অর্থ আদায় সম্ভব।

অন্যদিকে এই মামলা থেকে অর্থ উদ্ধার হবে না- এমন মত গবেষণা সংস্থা পিআরআইয়ের নির্বাহী পরিচালকের।

জানা গেছে- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ থেকে ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১০ কোটি ১০ লাখ ডলার চুরি করে হ্যাকাররা। পরে শ্রীলংকা থেকে ২ কোটি ও ফিলিপাইন থেকে দেড় কোটির কিছু বেশি ডলার ফেরত পায় বাংলাদেশ। বাকি অর্থ আদায়ে ফিলিপাইনের রিজাল ব্যাংকসহ আরো কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিউইয়র্কের আদালতে গত বছরের জানুয়ারিতে মামলা করে বাংলাদেশ।

অর্থনীতির গবেষক ড. আহসান এইচ মনসুর মনে করেন মামলা স্রেফ আনুষ্ঠানিকতা। এ থেকে অর্থ উদ্ধার হবে না।

পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের এ নির্বাহী পরিচালকের মতে- নিউইয়র্কে আমরা যেটা করেছি, সেটা হচ্ছে একটি কৌশলগত মামলা। এটা থেকে কিছু আসবে না। আপাত দৃষ্টিতে এবং সচারচার যেটা হয়ে থাকে তার আলোকে আমি বলবো যে, টাকা পাবার সম্ভবনা খুবই ক্ষীণ।

বিজ্ঞাপন

অপরদিকে মামলা থেকে অর্থ ফেরত আসবে বলেই আশা করছেন ড. খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ। আইনজীবিরাও বলছেন- মামলার বেশিরভাগ তথ্যপ্রমাণ বাংলাদেশের পক্ষে।

এ বিষয়ে খালেদ বলেন, টাকা ফেরত না পাওয়ার আমি কোন কারণ দেখি না। এখন থেকে কিছু ভুয়া তথ্য গেছিল সেটাও ঠিক। সেটা ধরাও পড়েছে। এরকম পরিস্থিতিতে এই টাকাটা রিজাল ব্যাংক যদি দিয়ে দেয় তো ভালো, তবে তারা দেয় নি, দেবেও না। মামলা করে নিতে হবে।

এ প্রসঙ্গে দ্য লইয়ারস অ্যান্ড জুরিস্টসের হেড অব চেম্বার এ এম মাসুম বলছেন, এটাও প্রমাণিত ফরেন রিজার্ভ সিস্টেম থেকে তাদেরকে স্টপ পেমেন্ট রিকোয়েস্ট পাঠানো হয়েছে। এরপর তারা এই টাকাটা রিলিজ করেছে। এতে দেখা যায় যে, সকল প্রমাণাদি আমাদের পক্ষে।

তবে মামলায় যেতে অনেক দেরি করেছে বাংলাদেশ। সাবেক ডেপুটি গভর্নরের এমন অভিযোগের ব্যাখা দিলেন আইনজীবী।

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share