বাঁচতে চায় ইছামতি

মতামত ও বাংলা কাগজ প্রতিবেদন : দোহার গ্র্যাজুয়েট সোসাইটির সাবেক সভাপতি আইয়ুব আলীর ফেসবুক টাইমলাইনে ফুঁটে উঠল ইছামতির বেঁচে থাকার আকুতি। তিনি তুলে ধরলেন- ওগো তোমরা কে কোথায় আছো? সবাই কি ঘুমিয়ে আছো? নাকি জেগে জেগে ঘুমের ভান করছো? তোমরা কেউ কি আমার ডাক শুনছো না? তোমরা কি সকলেই বধির? বোবা হয়ে গেছো? আমি বড়ই তৃষ্ণার্ত, বড়ই ক্লান্ত, আমাকে একটু পানি দেবে? তিন যুগ পরে ঘুম থেকে জেগে তোমাদের ডাকছি।

ইছামতি নদীর প্রতীকী এ কান্না শুধু আইয়ুব আলীর ফেসবুক পেজে নয়, উঠে এসেছে আরও অনেকের পেজেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে- এক সময় পদ্মার সঙ্গে সংযোগ ছিলো কার্তিকপুরের ইছামতি নদীর। লঞ্চ, স্টিমার, বড় নৌকা যাতায়াত করতো। যাতায়াত করত বড় গয়নার নৌকা, পাল তোলা নৌকা। একইসঙ্গে পদ্মা নদী দিয়ে সহজেই কার্তিকপুরের ইছামতি নদী হয়ে ঢাকায় যাতায়াত করা যসড়ক পথের চেয়ে নৌ-বানিজ্যের আধিপত্য ছিল বেশি।

পদ্মা নদীর সঙ্গে সংযুক্ত ছিল গালিমপুর, শ্রীনগর, লৌহজং, বোয়ালী ও চেগারকোনা।

বিজ্ঞাপন

পরে এক রকম মরা খালে পরিণত হয় ইছামতি নদী।

এ অবস্থা অবশ্য পরিবর্তিত হয় আশির দশকে। নদীটি আবার পূর্বের রূপে ফিরে আসে ক্যাপ্টেন নূরুল হকের উদ্যোগে।

৬৮ কিলোমিটার দীর্ঘ এ নদীকে বাঁচাতে এখন আবার শুরু হচ্ছে আন্দোলন। এ আন্দোলনের সঙ্গে আছে বাংলা কাগজ।

Facebook Comments Box

Leave a Reply

Your email address will not be published.