ডিসেম্বর ৫, ২০২১

The Bangla Kagoj

বিশ্বের সব দেশে, সব ভাষায়, সব সময় । বাংলা কাগজ । আপনার কাগজ । banglakagoj.net (আমাদের কোনও জাতীয় পত্রিকা নেই)।

সুফিয়া কামালের জন্মদিন শনিবার : স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রধানমন্ত্রীর

নারী জাগরণের অন্যতম অগ্রদূত সুফিয়া কামালের জন্মদিন শনিবার (২০ জুন)। এ উপলক্ষে কবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার সরকারের তথ্যবিবরণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণীর বিষয়ে জানানো হয়।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : নারী জাগরণের অন্যতম অগ্রদূত সুফিয়া কামালের জন্মদিন শনিবার (২০ জুন)। এ উপলক্ষে কবির স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। শুক্রবার সরকারের তথ্যবিবরণীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাণীর বিষয়ে জানানো হয়।

তথ্য বিবরণীতে উল্লেক করা হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামীকাল (শুক্রবার) কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১০৯তম জন্মদিন উপলক্ষে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন:

“গণতান্ত্রিক এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ কবি বেগম সুফিয়া কামালের ১০৯তম জন্মদিন উপলক্ষে আমি তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। কবি বেগম সুফিয়া কামাল ১৯১১ সালের ২০শে জুন বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৯৯ সালের ২০শে নভেম্বর ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। একদিকে তিনি ছিলেন আবহমান বাঙালি নারীর প্রতিকৃতি, অন্যদিকে বাংলার প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে ছিল তাঁর আপসহীন এবং দৃপ্ত পদচারণা। নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার চিন্তাধারা কবি সুফিয়া কামালের জীবনে সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তাঁর দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রীনিবাসের নাম ‘রোকেয়া হল’ রাখা হয়। ১৯৬১ সালে পাকিস্তান সরকার বেতারে রবীন্দ্রসংগীত প্রচার নিষিদ্ধ করলে এর প্রতিবাদে আন্দোলন গড়ে তোলেন। শিশু সংগঠন কচিকাঁচার মেলা’র তিনি প্রতিষ্ঠাতা। ৫২’র ভাষা আন্দোলন, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭১’র অসহযোগ আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীন বাংলাদেশে বিভিন্ন গণতান্ত্রিক সংগ্রামসহ শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে তাঁর প্রত্যক্ষ উপস্থিতি তাঁকে জনগণের ‘জননী সাহসিকা’ উপাধিতে অভিষিক্ত করেছে। তাঁর স্মরণে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের জন্য ‘বেগম সুফিয়া কামাল হল’ নির্মাণ করে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে ৭৫’র ১৫ই আগস্টে নির্মমভাবে হত্যা করে যখন এদেশের ইতিহাস বিকৃতির পালা শুরু হয়, তখনও তাঁর সোচ্চার ভূমিকা বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের গণতান্ত্রিক শক্তিকে নতুন প্রেরণা যুগিয়েছিল। কবি বেগম সুফিয়া কামালের সৃজনশীলতা ছিল অবিস্মরণীয়। দেশ, প্রকৃতি, গণতন্ত্র, সমাজ-সংস্কার, নারীমুক্তি এবং শিশুতোষ রচনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তাঁর লেখনী আজও পাঠককে আলোড়িত ও অনুপ্রাণিত করে।
বহুদিন পরে মনে পড়ে আজি, পল্লী-মায়ের কোল
ঝাউশাখে যেথা বনলতা বাঁধি, হরষে খেয়েছি দোল
কুলের কাঁটার আঘাত সহিয়া, কাঁচা-পাকা কুল খেয়ে
অমৃতের স্বাদ যেন লভিয়াছে, গাঁয়ের দুলালী মেয়ে।

আমি কবি বেগম সুফিয়া কামালের আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি।

বিজ্ঞাপন

জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু
বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”

Facebook Comments Box

Contact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share