আগস্ট ১, ২০২১

The Bangla Kagoj

আপনার কাগজ । banglakagoj.net

দেশে করোনা থাকতে পারে দুই-তিন বছর : কালাম

১৮ জুন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে বক্তব্য দেন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ।

দেশে করোনাভাইরাস আরও দুই-তিন বছর থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দেশে করোনাভাইরাস আরও দুই-তিন বছর থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল কালাম আজাদ।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা বিষয়ক নিয়মিত স্বাস্থ্য বুলেটিনে উপস্থিত থেকে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

আবুল কালাম আজাদ বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, এই অজানা ভাইরাস দুই-তিন মাসে শেষ হবে না। যা আগামী দুই থেকে তিন বছর পর্যন্ত থাকতে পারে। তবে এখনকার মতো এতো বেশি সংক্রমণ হবে না।

তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে করোনা পরীক্ষা আরও বাড়ানো হবে। ইতোমধ্যে জেলা পর্যায়ে ভেন্টিলেটর স্থাপন করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।

আবুল কালাম আজাদ জানান, তিনি নিজেও করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। হাসপাতালে চিকিৎসা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সুস্থ হয়েছেন।

কালাম বলেন, বাংলাদেশ জনবহুল ও ঘনবসতিপূর্ণ দেশ। আর করোনা ছোঁয়াচে রোগ। যার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সঠিকভাবে না চললে এই দেশে সংক্রমণের হার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে।

এ সময় তিনি করোনা শুধু স্বাস্থ্যগত বিষয় নয়, এটি সামাজিক-অর্থনৈতিক-যোগাযোগ-ধর্ম-বাণিজ্য ও জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আরও বলেন, ‘যেহেতু বয়স্ক, ডায়াবেটিস বা বিভিন্ন রোগে যারা আক্রান্ত তাদের করোনার ঝুঁকি বেশি তাই আপনারা বাইরে বের হবেন না।’

এ সময় দেশে করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ও পরিস্থিতি সামাল দিতে কী কী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে সরকার এবং এখন পর্যন্ত কী কী করা হয়েছে তার একটা তালিকাও তুলে ধরেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তালিকাটি নিচে তুলে ধরা হল-

১. দুই হাজার চিকিৎসক ও পাঁচ হাজার নার্স নিয়োগ হয়েছে।

২. স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগ এবং মেডিকেল টেকনোলোজিস্ট নিয়োগ করা হবে।

বিজ্ঞাপন

৩. দীর্ঘস্থায়ী কোভিড-১৯ চিকিৎসা পরিকল্পনা।

৪. কোভিড পরীক্ষা হবে সরকারি বেসরকারি উদ্যোগ।

৫. জেলা পর্যায়ে আরো বেশি পরীক্ষার সুবিধা বাড়ানো হবে।

৬. নতুন এবং সহজ কোভিড-১৯ পরীক্ষার পদ্ধতি নিয়ে আসা হবে।

৭. জেলা হাসপাতালে আইসিইউ সুবিধা নেয়া হবে।

৮. সকল সরকারি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন লাইন নেয়া হবে।

৯. হাসপাতালে ‘হাই ফ্লো ন্যাসাল ক্যানোলা’, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর দ্রুত সরবরাহ করা হবে এবং পরীক্ষার কিট ও পিপিই সংগ্রহ করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box

Call Now ButtonContact us

বাংলা কাগজ এ আপনাকে স্বাগতম।

X
Social media & sharing icons powered by UltimatelySocial
Facebook91m
Twitter38m
LinkedIn4m
LinkedIn
Share