Category: স্বাস্থ্য

দোরাইস্বামী : চুক্তির বাকি টিকা দ্রুত পেয়ে যাবে বাংলাদেশ

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; ব্রাহ্মণবাড়িয়া: বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার ভিক্রম কুমার (ভি কে) দোরাইস্বামী বলেছেন, চুক্তির বাকি টিকা দ্রুত পেয়ে যাবে বাংলাদেশ।

৪ দিনের ভারত সফর শেষে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকালে আখাউড়া চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন হয়ে সড়কপথে ঢাকায় ফেরার সময় সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক অনেক উন্নত। কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের জন্য দুই দেশের সম্পর্কে বাধা পড়বে না। এ মুহূর্তে ভারতে নিজেদেরই টিকার সংকট রয়েছে। উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে। শিগগিরই বাংলাদেশেও টিকা সরবরাহ করা হবে।

‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। এ কারণেই অন্যান্য দেশের চেয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে বেশি ভ্যাকসিন সরবরাহ চুক্তি করা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, বাকি ভ্যাকসিনগুলো ক্রমান্বয়ে সরবরাহ করা হবে।’

সফরশেষে দোরাইস্বামী সস্ত্রীক চেকপোস্টে পৌঁছালে তাঁদের স্বাগত জানান আখাউড়া উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) নূর এ আলম ও আখাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান।

আত্রাই প্রেসক্লাবের উদ্যোগে হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; এ কে এম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ : নওগাঁর আত্রাই উপজেলা প্রেসক্লাবের উদ্যোগে মঙ্গলবার (২০ এপ্রিল) সকালে উপজেলা, সাহেবগঞ্জ কাঁচাবাজার, স্টেশনবাজার, আত্রাই সাবরেজিস্ট্রি বাজার (নতুনবাজার), শেখ গার্ডেন শপিংমল, আত্রাই টোলমুক্ত মাছ বাজারসহ বিভিন্ন স্থানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার এবং মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।

হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও মাস্ক বিতরণের ক্ষেত্রে ভ্যানচালক এবং ব্যাটারি চালিত অটো রিকশা চালকদের প্রাধান্য দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি এ কে এম কামাল উদ্দিন টগর বলেন, উপজেলা প্রসাশনের প্রদানকৃত ও আমাদের নিজস্ব অনুদানে হ্যান্ড স্যানিটাইজার কিনে বিতরণ করলাম।

‘এটা আমাদের উপজেলা প্রেসক্লাবের চলমান কার্যক্রম। আমরা করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মানুষের পাশে আছি এবং থাকবো।

মাস্ক বিতরণে বিশেষভাবে সহযোগিতা করেছেন উপজলা নির্বাহি কর্মকর্তা ইকতেখারুল ইসলাম।

বিতরণকালেও উপস্থিত ছিলেন তিনি।

এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ এবাদুর রহমান এবাদ, আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ, তদন্ত ওসি মোজাম্মেল হক কাজী, আত্রাই প্রেসক্লাবের উপদেষ্টা ও উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শেখ হাফিজুর রহমান, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মমতাজ বেগম, উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরদার উত্তাল মাহমুদ, সহ-সিনিয়র সভাপতি অধ্যাপক আজাহার আলী, সিনিয়র সহ-সভাপতি রওশন আরা পারভীন শিলা, সামসুজ্জামান সেন্টু এবং জছিমুদ্দিন জনিসহ উপজেলা প্রেসক্লাবের সকল সদস্যরা।

টাঙ্গাইলে মেডিনোভার ভুল রিপোর্টে রোগির ভোগান্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; রবিন তালুকদার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল শহরের প্রানকেন্দ্রে অবস্থিত মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেডের ভুল রিপোর্টে এক রোগিকে চরম ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে।

এ ঘটনায় তিনি চরম বিপাকে পড়েছিলেন।

ওই ভুলের বিপরিতে সঠিক রিপোর্টের জন্য একই রোগিকে আরও ৩টি হাসপাতালে পরীক্ষা করতে হয়েছে। এতে অতিরিক্ত খরচ ও ভোগান্তির শিকার হতে হয়েছে তাঁকে।

সেই হতভাগ্য রোগি হলেন, ঢাকা ট্রিবিউনের টাঙ্গাইল প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল নোমান।

সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান বাংলাকাগজকে জানান, গত ৬ এপ্রিল একটু শারীরিক সমস্যা অনুভব করায় তিনি মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখায় বুকের এক্সরে করান।

‘ওই এক্সরেতে তার লাঞ্চে পানি জমেছে বলে রিপোর্টে দেখানো হয়।’

পরদিন বুধবার (৭ এপ্রিল) বিকেলে নোমান রিপোর্টটি সোনিয়া ক্লিনিকে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নুরুল আমিন মিঞাকে দেখান।

ডা. নুরুল আমিন মিঞা ওই রিপোর্ট দেখে লাঞ্চে পানি জমার বিষয়টি সাংবাদিক নোমানকে জানান।

তিনি নোমানের লাঞ্চ থেকে পানি বের করার সিদ্ধান্ত নেন।

পরদিন বৃহস্পতিবার (৮ এপ্রিল) নোমান সোনিয়া ক্লিনিকে (নুতন ভবন) ৫ম তলায় ৫০৩ নম্বর কেবিনে ভর্তি হন। সেখানে অ্যানেসথেশিয়া, পেইন এবং ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও সোনিয়া নার্সিং হোমের কনসালটেন্ট ডা. এন কে আলম তাঁর লাঞ্চ থেকে ইনজেকশনের মাধ্যমে পানি বের করার চেষ্টা করেন।

কিন্তু একাধিকবার সুঁচ পুশ করেও তার লাঞ্চ থেকে পানি বের হয় নি।

পরে চিকিৎসক এন কে আলম সাংবাদিক নোমানের লাঞ্চে পানি না পেয়ে হতবাক হয়ে যান।

চিকিৎসক এন কে আলম আরও নিশ্চিত হবার জন্য সোনিয়া ক্লিনিকে নোমানের আল্ট্রা করান।

আল্ট্রা রিপোটেও লাঞ্চে পানি ধরা পড়ে নি।

পরে বিষয়টি চিকিৎসক এন কে আলম ডা. নুরুল আমিনকে জানালে তিনি সোনিয়া ক্লিনিকে শুধু ডানকাত করে এক্সরে করতে বলেন।

পরে সেই এক্সরে রিপোর্টেও তার লাঞ্চে কোনও পানি ধরা পড়ে নি।

এতে করে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান নুরুল আমিন মিঞা ও চিকিৎসক এন কে আলম রীতিমতো হতবাক হয়ে পড়েন।

এরপর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য গত ১০ এপ্রিল আবার জাতীয় যক্ষ্মা হাসপাতালে এক্সরে করালে সে রিপোর্টেও পানি ধরা পড়ে নি।

কিন্ত মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখা থেকে তাঁর লাঞ্চে পানি থাকার বিষয়টি নিশ্চিতভাবেই জানানো হয়েছিলো।

বিষয়টি আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য ১৩ এপ্রিল আরও একটি ক্লিনিকে এক্সরে করান। সেই রিপোর্টেও লাঞ্চে কোনও পানি পাওয়া যায় নি।

মেডিনোভার হাসপাতালে কর্মরত রিপোর্টদাতার ভুলের কারণে সাংবাদিক নোমান বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছিলেন। এই রিপোর্টের কারণে তিনি ও তার পরিবার চরম ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হন বলেই বাংলাকাগজকে জানান।

এ ব্যাপারে আব্দুল্লাহ আল নোমান আরও বলেন, মেডিনোভা হাসপাতালের ভুল রিপোর্টের কারণে আমি চরম দুশ্চিন্তায় ছিলাম। ভুল রিপোর্টের কারণে আমার শারীরিক, মানসিক এবং আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

‘এমন ভুলের কারণে আমার বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারতো।’

‘এ ঘটনায় মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখার কর্তৃপক্ষ ও ভুল রিপোর্টদাতার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সোনিয়া ক্লিনিকের চিকিৎসক এন কে আলম বলেন, যথারীতি নিয়মে ওইদিন নোমানের লাঞ্চ থেকে পানি বের করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু লাঞ্চ থেকে তার কোনও পানি বের হয় নি।

‘কিন্তু মেডিনোভার রিপোর্টে পানি রয়েছে বলে দেখানো হয়। পরে আমরা তার আল্ট্রা করাই। আল্ট্রাটেও তার কোনও পানি পাওয়া যায় নি।’

এ বিষয়ে টাঙ্গাইল শেখ হাসিনা মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ ও মেডিসিন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ডা. নুরুল আমিন মিঞা বলেন, আমার কাছে আসা রোগির মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড থেকে করানো এক্সরেতে সুস্পষ্টভাবেই পানি দেখানো হয়েছিলো। কিন্তু এই রিপোর্টের বিষয়ে মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসেস লিমিটেডের উপযুক্ত জবাবদিহিতা থাকলেও থাকতে পারে।

এ ব্যাপারে মেডিনোভা মেডিক্যাল সার্ভিসেস লিমিটেড টাঙ্গাইল শাখার ম্যানেজার হায়দার বাংলাকাগজকে বলেন, বিষয়টি নিয়ে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

‘তাঁর রিপোর্টটি কয়েকজন প্রফেসরকে দেখানো হয়েছে। তাঁরা রিপোর্টে কোনও ভুল পান নি।

রিপোর্টটি সঠিক বলেই দাবি করেন তিনি।

পুলিশ-যুবকের ধস্তাধস্তির ভিডিও ভাইরাল : পুলিশের সঙ্গে ডাক্তারের বাক্‌-বিতণ্ডায় অ্যাসোসিয়েশনের বিবৃতি

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ফেনীতে পুলিশের সঙ্গে এক যুবকের বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে। রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে শহরের ট্রাংক রোডের মডেল হাইস্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

তাঁদের বাগবিতণ্ডা ও ধস্তাধস্তির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

ফেনী মডেল স্কুলের সামনে চেকপোস্টে রবিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে কর্তব্যরত অবস্থায় ছিলেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) যশোমন্ত মজুমদার। এ সময় মাস্কবিহীন এক যুবক রিকশায় শহরের উকিলপাড়া থেকে ট্রাংক রোডের দিকে যাচ্ছিলেন।

যশোমন্ত মজুমদারের নির্দেশে পুলিশ সদস্যরা তাঁর রিকশার গতি রোধ করেন। কেন তার রিকশা গতি রোধ করা হলো জানতে চেয়ে ওই যুবক চিৎকার করতে থাকেন।

ওই যুবক বলতে থাকেন, ‘অন্য রিকশা ছেড়ে দিছস। আমার রিকশা কেনো ধরা হয়েছে?’ এ সময় পুলিশ সদস্যরা তাকে রিকশা থেকে জোরপূর্বক নামান। পুলিশ তাঁর হাতে হাতকড়া লাগানোর চেষ্টা করলে তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়।

ধস্তাধস্তির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

এলাকাবাসি জানিয়েছেন, ওই যুবকের নাম শহীদ (৩২)। সদর উপজেলার ভূঞারহাট এলাকার বাসিন্দা তিনি।

এদিকে এর আগে এলিফ্যান্ট রোডে পুলিশের সঙ্গে ডাক্তারের বাক্‌-বিতণ্ডার ঘটনায় বিবৃতি দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

‌‘লকডাউন’ আরও ১ সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে চলমান সর্বাত্মক ‘লকডাউন’ আরও ১ সপ্তাহ বাড়ানোর সুপারিশ করেছে করোনাভাইরাস মোকাবিলা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

রবিবার (১৮ এপ্রিল) রাতে কমিটির এক ভার্চুয়াল সভায় এই সুপারিশ করা হয়।

এরপর সপ্তাহ শেষে আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণের হার বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাও বলেছে কমিটি।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১৪ এপ্রিল থেকে লকডাউন চলছে। ২১ এপ্রিল তা শেষ হওয়ার কথা।

লকডাউন পরিস্থিতি পর্যালোচনা করতে সোমবার (১৯ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উদ্যোগে একটি সভা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পরিস্থিতি বিবেচনা করে লকডাউন আরও ১ সপ্তাহ বাড়ানো হবে কি না, সেটা ঠিক হবে।

সরকারি ‘লকডাউনেও’ ইউএনওর ‘অনুমতিতে’ মহাদেবপুরে গরু-ছাগলের ‘জমজমাট’ হাট!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; আমিনুর রহমান খোকন, মহাদেবপুর (নওগাঁ) : নওগাঁর মহাদেবপুরে মরণব্যাধি করোনাভাইরাসকে উপেক্ষা করে এই ‘লকডাউনের’ সময়েই গরু ও ছাগলের হাট বসেছে।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এই লকডাউনের মধ্যেই কীভাবে হাট চলছে, তা নিয়ে সর্বত্র আলোচনা শুরু হয়েছে।

১৭ এপ্রিল শনিবার বিকেলে সরেজমিনে উপজেলা সদরের গরু ও ছাগলের হাটে গিয়ে দেখা গেছে, হাটটিতে স্বাস্থ্যবিধির কোনও বালাই-ই নেই।

গাদাগাদি করে কেনাবেচা করা হচ্ছে গরু-ছাগল।

এক্ষেত্রে লকডাউনে সংশ্লিষ্টদের ‘ম্যানেজ করতে’ অতিরিক্ত খাজনা আদায়েরও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানতে চাইলে মহাদেবপুর হাট-বাজারের ইজারাদার এমদাদুল হক বাংলাকাগজকে বলেন, ‘উপজেলা নির্বাহি অফিসার আমাকে মাইকিং করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট পরিচালনা করার অনুমতি দিয়েছেন।’

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজানুর রহমান মিলন বাংলাকাগজকে বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে হাট-বাজারে গরু-ছাগল কেনাবেচা করতে বলা হয়েছে। সেটি সঠিকভাবে হচ্ছে কিনা দেখার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানীকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি করে দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু সরকার ঘোষিত লকডাউনে কী করে আপনি গরুর হাটের অনুমতি দিলেন, এমন প্রশ্নের জবাবে কোনও কথা বলতে রাজি হন নি ইউএনও মিজানুর রহমান মিলন।

নওগাঁয় সর্বাত্মক ‘লকডাউন’ : ৪ দিনে ৩৯ মামলা : ৪২ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; এ কে এম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ : নওগাঁয় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সর্বাত্মক ‘লকডাউনের’ চতুর্থ দিন শনিবার (১৭ এপ্রিল) পর্যন্ত জেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত ৩৯টি মামলায় ২০৯ ব্যক্তির বিরুদ্ধে ৪১ হাজার ৭৯০ টাকা জরিমানা আদায় করেছে।

নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রাজিয়া সুলতানা বাংলাকাগজকে বলেন, করোনা প্রতিরোধে কঠোরভাবে লকডাউন মানতে সাধারণ মানুষকে বাধ্য করতে জেলা প্রশাসক হারুন-অর-রশিদের নির্দেশে এসব ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।

‘মাস্ক না পড়া, সামাজিক দুরত্ব না মানা, সরকার ঘোষিত যেসব দোকানপাট বন্ধ রাখার কথা, সেগুলো খুলে রাখাসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ না মানার কারণেই এসব মামলা এবং জরিমানা করা হয়েছে।’

তিনি জানান, ‘লকডাউনের’ প্রথমদিন ১৪ এপ্রিল জেলায় ১টি মামলায় ২ জনের কাছ থেকে ৪০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

‘দ্বিতীয় দিন ১৩টি মামলায় ৭১ জন ব্যক্তির কাছ থেকে ১৬ হাজার ৭শ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।’

‘তৃতীয় দিন ১৬টি মামলায় ৮৭ ব্যক্তির কাছ থেকে ১৭ হাজার ৯৪০ টাকা আদায় করা হয়।’

‘সর্বশেষ চতুর্থদিন ১৭ এপ্রিল (শনিবার) ৯ মামলায় ৪৯ জন ব্যক্তির কাছ থেকে ৬ হাজার ৭৫০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।’

রাজিয়া সুলতানা বাংলাকাগজকে আরও বলেন, লকডাউনের জনসমাগম নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রশাসন সর্বাত্মক চেষ্টা করছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকের নির্দেশে জেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের ১৬টি দল কাজ করছে।’

‘মানুষ যদি সচেতন না হয়, তাহলে শতভাগ স্বাস্থ্যবিধির সাফল্য আসবে না। একজনকে অর্থদণ্ড দেওয়ার মানে তাঁর আশপাশের মানুষ যেনো আরও সচেতন হোন।’

করোনার মেয়াদোত্তীর্ণ কিটসহ গ্রেপ্তার ৯ জন ৩ দিন করে রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : অননুমোদিত মেডিক্যাল ডিভাইস আমদানি, করোনার মেয়াদোত্তীর্ণ টেস্টিং কিট ও রি-এজেন্ট জালিয়াতির মাধ্যমে নতুন করে মেয়াদ বসিয়ে বাজারজাতকরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ৯ জনের ৩ দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসীম রিমান্ডের এ আদেশ দেন।

রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- বায়োল্যাব ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারি মো. শামীম মোল্লা, ম্যানেজার মো. শহীদুল আলম, মো. মাহমুদুল হাসান, এক্সন টেকনোলজিস অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এস এম মোস্তফা কামাল, হাইটেক হেলথকেয়ার লিমিটেডের এমডি আবদুল্লাহ আল বাকী ছাব্বির, বায়োল্যাব ইন্টারন্যাশনালের ইঞ্জিনিয়ার মো. জিয়াউর রহমান, অফিস সহকারি মো. সুমন, হিসাবরক্ষক জাহিদুল আমিন পুলক, অফিস ক্লার্ক ও মার্কেটিং অফিসার মো. সোহেল রানা।

এদিন দুপুরে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ আসামিদের আদালতে হাজির করে প্রত্যেকের ৭ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিলপূর্বক জামিন আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে রিমান্ডের আদেশ দেন।

সিএমএম আদালতের স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর আজাদ রহমান এ তথ্য জানান।

গত ১৬ এপ্রিল সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত রাজধানিতে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

র‌্যাব জানায়, গোয়েন্দা নজরদারিরভিত্তিতে ১৫ এপ্রিল বিকেলে র‌্যাব-২ এর একটি দল মোহাম্মদপুর থানার লালমাটিয়ায় বায়োল্যাব ইন্টারন্যাশনাল, বনানী এলাকায় এক্সন টেকনোলজি অ্যান্ড সার্ভিস লিমিটেড, হাইটেক হেলথকেয়ার লিমিটেডের ওয়্যারহাউজে র‌্যাবের নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট ও ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তরের সহযোগিতায় অভিযান চালায়।

এ সময় দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিশেষ ধরনের প্রিন্টিং মেশিনের সাহায্যে ছাপিয়ে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং মেয়াদোত্তীর্ণ হতে যাওয়া করোনার টেস্টিং কিট ও রি-এজেন্টের মেয়াদ বাড়ানোর কাজ চলছে। ওয়্যারহাউজে মজুদ করা বেশির ভাগ মেডিক্যাল ডিভাইস অননুমোদিত এবং প্রায় সব ধরনের টেস্ট কিট ও রি-এজেন্ট মেয়াদোত্তীর্ণ।

এ সময় মেয়াদোত্তীর্ণ কিট ও টেস্টিং ডিভাইসসহ আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় পরে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়।

করোনাভাইরাস : টিকা উৎপাদন ব্যাপক হারে বাড়াবে ভারত

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : করোনাভাইরাস প্রতিরোধে নিজেদের উদ্ভাবিত কোভ্যাক্সিন টিকার উৎপাদন ১০ গুণ বাড়ানোর কথা জানিয়েছে ভারত।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) দেশটির বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় সেপ্টেম্বর নাগাদ ১০ কোটি ডোজ টিকা উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনের পরিকল্পনা করেছে।

মন্ত্রণালয়ের বরাতে বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, বর্তমানে কোভ্যাক্সিন-এর উৎপাদক প্রতিষ্ঠান ভারত বায়োটেকের মাসিক উৎপাদন ক্ষমতা এক কোটি ডোজ। সেপ্টেম্বর নাগাদ এর উৎপাদন সক্ষমতা ১০ গুণ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

কোভিড-১৯ মহামারীর দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল দেশটিকে। গত কয়েক সপ্তাহে রেকর্ড পরিমাণ সংক্রমণের মধ্যেই করোনাভাইরাসের টিকার ঘাটতিতে পড়েছে ভারত। এ কারণে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে টিকাদান কার্যক্রমের গতি কমে গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এখন টিকা আমদানিরও উদ্যোগ নিতে যাচ্ছে নয়াদিল্লি।

ভারতের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘নিজস্ব প্রযুক্তিতে উদ্ভাবিত কোভ্যাক্সিন-এর বর্তমান উৎপাদন সক্ষমতা এ বছরের মে-জুন নাগাদ দ্বিগুণ করা হবে এবং জুলাই-আগস্টের মধ্যে তা ৬-৭ গুণ বাড়ানো হবে।’

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, কোভ্যাক্সিনের উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে সরকার ১ কোটি ৭০ লাখ ডলারের তহবিলের যোগান দেবে।

ভারত বায়োটেক ছাড়াও রাষ্ট্রীয় আরও দুটি প্রতিষ্ঠান হাফকিন বায়োফার্মাসিউটিক্যাল এবং ইন্ডিয়ান ইমিউনোলজিক্যালস লিমিটেড যাতে সামনের মাসগুলোতে সমন্বিতভাবে টিকার মাসিক উৎপাদন সক্ষমতা সাড়ে ৩ কোটি ডোজ পর্যন্ত উন্নীত করতে পারে সে পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই ৫ এপ্রিল ভারতে দৈনিক টিকাদানের পরিমাণ ৪৫ লাখে পৌঁছোয়। কিন্তু এরপর থেকে সেটা কমে গড়ে ৩০ লাখে নেমে এসেছে বলে জানা গেছে টিকাদান কার্যক্রমের সমন্বয়কারি সরকারি প্রতিষ্ঠান কো-উইনের ওয়েবসাইট থেকে।

অক্সফোর্ড-অ্যাট্রাজেনেকা উদ্ভাবিত কোভিশিল্ড টিকার ভারতীয় উৎপাদক সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়ার (এসআইআই) এর উৎপাদিত টিকাই মূলত এ পর্যন্ত ভারতের সিংহভাগ জনগোষ্ঠীকে দেওয়া হয়েছে। সে দেশে যে ১১ কোটি ৫৫ লাখ ডোজ টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে, তার ৯১ শতাংশই সেরাম ইনস্টিটিউটের টিকা।

কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের সরবরাহ-নিষেধাজ্ঞার কারণে কাঁচামালের ঘাটতি হওয়ায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় টিকা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটির উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

মজুদ টিকায় ৯ দিন চলবে : এদিকে সেরাম ইনস্টিটিউটের প্রধান নির্বাহি আদার পুনাওয়ালা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের কাছে আবেদন জানিয়েছেন টিকার কাঁচামালের ওপর থেকে সরবরাহ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য, যে সিদ্ধান্ত মূলত যুক্তরাষ্ট্রের টিকা উৎপাদনকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

এক টুইটে পুনাওয়ালা লিখেছেন, ‘… এই ভাইরাসটি মোকাবিলায় আমাদের যদি সত্যিই একতাবদ্ধ থাকতে হয়, যুক্তরাষ্ট্রের বাইরের টিকা উৎপাদন খাতের পক্ষ থেকে, আমি আপনার (প্রেসিডেন্ট বাইডেন) কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি কাঁচামাল রপ্তানিতে আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের জন্য, যাতে টিকার উৎপাদন ত্বরান্বিত করা যায়।’

এ মাসে সর্বোচ্চ সংখ্যক মানুষ কোভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ভারতে। সবমিলিয়ে দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ কোটি ৪৩ লাখ, যা যুক্তরাষ্ট্রের পরে বিশ্বে সর্বোচ্চ। ভারতে এই রোগে এ পর্যন্ত মারা গেছেন ১ লাখ ৭৪ হাজার ৩০৮ জন।

টিকার উৎপাদনে টান পড়ায় ভারতের অনেক টিকাদান কেন্দ্রে রেশনিং করতে হচ্ছে, যদিও তারা শুধু ৪৫ বছরের বেশি বয়স্কদেরই টিকার আওতায় এনেছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের পর জনগণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি টিকার ডোজ প্রয়োগ করেছে ভারত, তবে মাথাপিছু হারের বিচারে তারা অনেকটাই পিছিয়ে।

শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) ভারতের সরকার জানিয়েছে, তাদের কাছে বর্তমানে দুই কোটি ৬৭ লাখ ডোজ টিকার মজুদ আছে। গত সপ্তাহে যে হারে টিকা প্রয়োগ করা হয়েছে, তা বিবেচনায় নিলে এই মজুদ দিয়ে নয়দিন পর্যন্ত চলতে পারে।

জরুরি ব্যবহারের জন্য এই সপ্তাহে রাশিয়ার উদ্ভাবিত ‘স্পুৎনিক ফাইভ’ টিকার অনুমোদন দিয়েছে নয়াদিল্লি এবং তা আমদানিরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই মাসে আমদানি শুরু হলে সোয়া এক কোটি ভারতীয়কে টিকাদানের আওতায় আনা যাবে বলে জানিয়েছে সরকার। টিকা কিনতে ফাইজার, মডার্না এবং জনসন অ্যান্ড জনসনের কাছেও আবেদন জানিয়েছে ভারত।

৩ ছবিতে নবাবগঞ্জে সর্বাত্মক লকডাউনের তৃতীয় দিন : জরিমানা ২০ হাজার ৭০০

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; নবাবগঞ্জ : ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলায় সর্বাত্মক লকডাউনের তৃতীয় দিনেও কঠোর ছিলো উপজেলা প্রশাসন। এরইঅংশ হিসেবে শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) সরকারি নির্দেশ অমান্য করায় উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) এইচ এম সালাউদ্দীন মনজু’র নেতৃত্বে পরিচালিত মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ২০ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

মোবাইল কোর্টের ৩টি ছবি বাংলা কাগজ’র পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো :

আত্রাইয়ে তৃতীয় দিনের সর্বাত্মক লকডাউন

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; এ কে এম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ : নওগাঁর আত্রাইয়ে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সরকার ঘোষিত সর্বাত্মক লকডাউন পালিত হচ্ছে। এরইঅংশ হিসেবে ১৭ এপ্রিল উপজেলার বিভিন্ন রোডে লকডাউনের আওতায় থাকা কোনও বাহন চলে নি।

আর উপজেলার বিভিন্ন সড়কে দু’একটি ভ্যান ও মোটরসাইকেল ছাড়া অন্য কোনও প্রকার যানবাহন চলাচল করতে দেখা যায় নি।

উপজেলার প্রধান সড়কের গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে কড়া পুলিশি প্রহরা দেখা গেছে।

যে দু-একটি যানবাহন অপ্রয়োজনীয়ভাবে চলাফেরা করার চেষ্টা করেছে, তাদের কঠোরভাবে প্রতিহত করেছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনির সদস্যরা।

এ ব্যাপারে আত্রাই উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকতেখারুল ইসলাম বাংলাকাগজকে বলেন, সম্প্রতি করোনার প্রাদুর্ভাব হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে।

‘সরকার তা প্রতিরোধে যথাযথ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এ কারণেই লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।’

তিনি সকলকে নিজের সুরক্ষার স্বার্থে সরকারি বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানান।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বাংলাকাগজকে বলেন, দেশকে করোনার হাত থেকে রক্ষার স্বার্থে সরকারের নির্দেশে সারাদেশে লকডাউন চলছে।

‘সরকার ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নে পুলিশ বাহিনি সদা সচেষ্ট রয়েছে।’