Category: স্থলভাগ

খালিদ চৌধুরী : তামাবিলকে আধুনিক স্থলবন্দর হিসেবে গড়ে তোলা হবে

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; সিলেট : নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, তামাবিল স্থলবন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও ব্যবসায়িদের সমন্বয়ে তামাবিলকে আধুনিক স্থলবন্দর হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

‘বন্দরের আধুনিক সুযোগ সুবিধা দিতে সরকার প্রস্তুত।’

প্রতিমন্ত্রী রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তামাবিল স্থলবন্দরে বন্দরের স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তারিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জৈন্তাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কামাল আহমদ, তামাবিল স্থলবন্দর গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা তাহমিলুর রহমান, গোয়াইনঘাট সার্কেল এএসপি প্রভাস কুমার সিংহ, তামাবিল কাস্টমসের সহকারি পরিচালক রুহুল আমিন, ৪৮ বিজিবির তামাবিল কোম্পানি কামান্ডার নায়েক সুবেদার জয়নাল আবেদীন, ৩ নম্বর পূর্ব জাফলং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফুর রহমান লেবু, তামাবিল কয়লা পাথর আমদানিকারক গ্রুপের সভাপতি লিয়াকত আলী।

বক্তারা তামাবিল স্থলবন্দরের কয়েকটি বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এসব বিষয়ের সমাধান হলে তামাবিল বন্দর বাংলাদেশের মধ্যে অত্যাধুনিক স্থলবন্দর হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে।

এর আগে তামাবিল এলাকা ঘুরে দেখেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

ওপারে ধর্মঘট : বেনাপোল বন্দর দিয়ে বন্ধ রয়েছে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; মহসিন মিলন, বেনাপোল : ৫ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে রোববার (৩১ জানুয়ারি) সকাল থেকে বন্ধ রয়েছে দুই দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য।

ওপারে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে ‘জীবন-জীবিকা বাঁচাও’ কমিটি নামে একটি সংগঠন এ ধর্মঘটের ডাক দেয়।

তবে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও পাসপোর্টধারি যাত্রীদের যাতায়াত স্বাভাবিক রয়েছে এবং বেনাপোল বন্দরে মালামাল ওঠানামাসহ পণ্য ডেলিভারি চালু রয়েছে।

আর ধর্মঘটের কারণে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকায় দুই দেশের বন্দরে প্রবেশের অপেক্ষায় আটকা পড়েছে শতশত পণ্য বোঝাই ট্রাক।

ফলে ব্যবসায়িরা বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়ছেন।

আটকেপড়া পণ্যের মধ্যে রয়েছে রপ্তানিমুখী পাট ও পাটজাত দ্রব্য, মাছ ও শিল্প কলকারখানার কাঁচামাল, তৈরি পোশাক এবং মেশিনারিজসহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্যদ্রব্য।

বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ভারত থেকে প্রায় ৫ শতাধিক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি হয়। এবং ২৫০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হয় ভারতে।

ভারতীয় পেট্রাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্থিক চন্দ্র বাংলা কাগজকে জানান, আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যিক কার্যক্রম সম্পাদনে ভারতীয় সিঅ্যান্ডএফ স্টাফ সদস্যরা বেনাপোল বন্দরে আসা-যাওয়া করছেন দীর্ঘদিন ধরে।

‘কিন্তু সীমান্তরক্ষী বিএসএফ সম্প্রতি নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে তাঁদের যাতায়াত বন্ধ করে দেয়।’

‘তা ছাড়া বিএসএফ সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া ট্রাক তল্লাশি করছে বলেও অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।’

‘এতে সময়ক্ষেপণ হচ্ছে।’

‘এসব সমস্যা সমাধানে আন্তরিক হতে বিএসএফকে বারবার জানানো সত্ত্বেও সমাধান না হওয়ায় বন্দর জীবন-জীবিকা বাঁচাও সংগঠন ধর্মঘট ডেকেছে বলে আমরা জেনেছি।’

প্রধানমন্ত্রী : হেলিকপ্টার বিজিবির কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে

বাসস : প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, হেলিকপ্টার সংযোজন কেবল শুরু মাত্র, এই যাত্রা বিজিবি’র (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) সার্বিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

প্রধানমন্ত্রী রোববার (৮ নভেম্বর) বিজিবি এয়ার উইং-এর জন্য রাশিয়া থেকে কেনা দুটো (বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ এবং বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ) এমআই-১৭১ই হেলিকপ্টার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পিলখানার বিজিবি সদর দপ্তরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশ নেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন- আমরা আধুনিক হেলিকপ্টার ক্রয় করেছি, প্রকৃতপক্ষে হেলিকপ্টারের কথা আমি নিজেই উদ্যোগ নিয়ে বলেছিলাম। কারণ এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দুর্গম পার্বত্য এলাকার নিরাপত্তা দেওয়া একান্তভাবে দরকার। সে কারণেই এই হেলিকপ্টার ক্রয় করে দিয়েছি।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা বলেন- আপনারা সবসময় দেশপ্রেম ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে এই বাহিনীর সুনাম ও মর্যাদা সমুন্নত রাখবেন। একদিন এ বাহিনী বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মর্যাদা লাভ করবে- এ আমার আশা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন- সবচেয়ে বড় কথা আমরা মুজিববর্ষ উদযাপন করছি, এই মুজিববর্ষেই বিজিবি হেলিকপ্টার পেলো, এটা অত্যন্ত গৌরবের এবং আনন্দের বলে আমি মনে করি।

প্রধানমন্ত্রী বিজিবির উন্নয়নে তাঁর সরকারের পক্ষে যা যা করণীয়, তা করারও আশ্বাস দেন।

এ সময় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল ও জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল সাফিনুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বিজিবির কর্মকাণ্ড সম্পর্কে একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

এ সময় বিজিবির একটি সুসজ্জিত চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে রাষ্ট্রীয় সালাম প্রদান করে।

(সংক্ষেপিত।)