Category: সংস্কৃতি

প্রধানমন্ত্রী : পরিবারের সঙ্গে ঘরে নববর্ষ উদ্‌যাপন করুন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : পরিবারের সঙ্গে ঘরে সিমিত পরিসরে নববর্ষ উদ্‌যাপন করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

বাংলা নববর্ষ শুরুর আগেরদিন মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে করোনাভাইরাসের কথাও উঠে আসে।

বক্তব্যের বিভিন্ন পর্যায়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ২টি এবং কাজী নজরুল ইসলামের ১টি কবিতার চরণ উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা নববর্ষের নানানদিক তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে হালখাতার কথাও।

পাশাপাশি এ করোনাকালে এবং পবিত্র রমজান মাস শুরুর প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসিকে বলেন, ‘আগে নিজে বাঁচুন, তারপর আয়রোজগারের চিন্তা। কারণ নিজে বাঁচার পর আয়রোজগার করা যাবে।’

এক্ষেত্রে তিনি মাস্কসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং ১৮ দফা নির্দেশনা প্রতিপালনের সঙ্গে বাইরে থেকে এলে গরম পানির ভাপ নেওয়ার কথাও বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর আগে তাঁর সরকারের নেওয়া অর্থনীতি সচল রাখতে ৪টি পদক্ষেপ এবারের লকডাউন বা করোনাকালেও বহাল থাকবে।

এক্ষেত্রে ৩ নম্বরে তিনি সামাজিক সুরক্ষার আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন।

এ সময় তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক হলেই লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তুলে নেওয়া হবে।

ফরিদপুরে জমিদার বাড়ি সংস্কার ও সংরক্ষণ দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; কাজলা দিদি, ফরিদপুর : ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার বাইশরশি জমিদার বাড়ি সংস্কার ও সংরক্ষণের ২ দফা দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে ২৪টি সংগঠন।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) দুপুরে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে এ স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

এর আগে একই দাবিতে একইদিন সকাল ও দুপুরে যথাক্রমে জমিদারবাড়ি ও প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন করেন ২৪টি সংগঠনের নেতাকর্মিরা। মানববন্ধন শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে বাইশরশি জমিদার বাড়ি সংস্কার ও সংরক্ষণ করে পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়। এ সময় দাবি জানানো হয়, বাড়িটি প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের অধীনে নিয়ে রক্ষণাবেক্ষণের।

বক্তারা আরও বলেন, বাইশরশি জমিদার বাড়ি একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা।

‘এটিকে সংস্কার করা হলে ফরিদপুরবাসি ইতিহাস-ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে। সারাদেশের মানুষ এখানে আসতে পারবে।’

‘ফরিদপুর সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ প্রতিষ্ঠার অগ্রণি ভূমিকা পালনকারি রাজেন্দ্র চরন মজুমদারের স্মৃতি বিজড়িত জমিদার বাড়ি এটি। এটিকে সংরক্ষণ না করলে ফরিদপুরের অনেক ইতিহাস মুছে যাবে।’

কর্মসূচিতে অন্যান্য সংগঠনের সঙ্গে বাংলা থিয়েটার, সেপটোস ফোর, সদরপুর, আমরা করবো জয়, ফরিদপুর ফটোগ্রাফিক সোসাইটি ও ফরিদপুর সিটি মিলে মোট ২৪টি সংগঠনের নেতাকর্মিরা জমিদার বাড়ি, উপজেলা পরিষদ ও প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধনে অংশ নেন।

এর আগে সোমবার (পহেলা মার্চ) রাতে জমিদার বাড়িতে অবস্থান ও মশাল প্রজ্জ্বালন কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।

মানবন্ধন শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন ২৪টি সংগঠনের নেতাকর্মিরা।

বাঁশিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয় করা যায় কি-না যাচাইয়ের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বাঙালি সংস্কৃতির ঐতিহ্যবাহী বাঁশিকে সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে পড়ানো যায় কি-না, তা যাচাইবাছাই করে দেখার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে (ইউজিসি) চিঠি দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। বাঁশি প্রেমিক উত্তর কুমার চক্রবর্তীর করা আবেদনের প্রেক্ষিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গত ১০ ফেব্রুয়ারি ইউজিসির চেয়ারম্যানকে এ চিঠি পাঠান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব নুর-ই-আলম।

চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে ললিতকলা অনুষদের সঙ্গীত বিভাগে বাঁশিকে বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছেন উত্তর কুমার চক্রবর্তী নামের একজন বাঁশি প্রেমিক ব্যক্তি। তাঁর আবেদনটি আমলে নিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। তাই বাঁশিকে বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা যায় কি-না তা যাচাইবাছাই করার জন্য অনুরোধ করা হলো।

এর আগে ডিসেম্বরে শিক্ষামন্ত্রীর কাছে বাঁশিকে বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন করেন উত্তর কুমার চক্রবর্তী।

সেখানে তিনি লিখেছিলেন, বাঙালির নিজস্ব ছয়শ রকমের বাদ্যযন্ত্রের মধ্যে বাঁশি অন্যতম। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ অব্দ থেকে বাঁশি শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে একটি অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ বিশেষ হিসেবে এখনও প্রচলিত আছে। আমি বাঁশি শিল্পের একজন সেবক হিসেবে উপলব্ধি করলাম এ শিল্পের উন্নয়নে রাষ্ট্রীয়ভাবে কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয় নি। নতুন প্রজন্মের শিক্ষার জন্য কোনও প্রতিষ্ঠানও নেই।

তাই প্রাণের সুর বাঁশির প্রতি আগ্রহি মানুষের কথা ভেবেই এর উন্নয়ন রাষ্ট্রীয়ভাবে কিছু করা প্রয়োজন। বাংলাদেশের মানুষের বাঁশির প্রতি দুর্বলতা রয়েছে। আমরা যদি জনপ্রিয় বাঁশির ঐতিহ্যের বিকাশ ঘটাতে পারি তবে এ কর্মকাণ্ড জাতি মনে রাখবে ও জাতির স্ববৈশিষ্ট্য উদ্দীপ্ত করবে।

আবেদনে তিনি আরও লিখেন, বাঁশি জাতির অন্তরে ও বাইরে এক প্রবাহ অনুরণন সৃষ্টি করে। নাগরিকরা আত্মমর্যাদা ও মানবিক ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন হয়ে উঠবে। বাঁশি মানুষকে জাগ্রত করে এবং উপলব্ধি ও জীবনবোধের আনন্দ সঞ্চয় করে।

শিক্ষামন্ত্রীকে তিনি লিখেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সঙ্গীত বিভাগে গান ও অন্যান্য যন্ত্রের ক্লাস নেওয়া হলেও বাঁশির কোনও বিষয় নেই। তাই বাঁশি শিল্পের সৌন্দর্য, আনন্দ ও অন্তর্নিহিত শক্তিকে তুলে ধরতে আপনার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। যাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দিক নির্দেশনায় ইউজিসির মাধ্যমে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে সঙ্গীত বিষয় আছে সেখানে বাঁশিকে বিষয় হিসেৰে চালু করার হয়। যাতে নতুন প্রজন্মের ছেলেমেয়েরা বাঁশির সম্পর্কে জানতে পারে এবং এর ওপর পড়াশোনা করে বাঙালি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে ধারণ করে বাংলাদেশের বাঁশিকে বিশ্ব দরবারে সম্মানজনকভাবে তুলে ধরতে পারে।

বসন্ত উৎসব হলো শিল্পকলায়ও

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : শিমুল আর পলাশের রঙে সেজেছে বসন্তের প্রকৃতি। প্রকৃতির সেই রূপের সঙ্গে নিজেদের রাঙিয়ে নিতে আনন্দ আয়োজনে শামিল হলো বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন নানা বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদ্‌যাপন করেছে বসন্ত আর ভালোবাসার দিন।

বিকেলে একাডেমির খোলা প্রাঙ্গণের নন্দন মঞ্চে অনুষ্ঠিত ওই বসন্ত উৎসবে নৃত্য, সঙ্গীত, আবৃত্তি ও আলোচনায় বরণ করা হয় ঋতুরাজ বসন্তকে।

এ আয়োজনে প্রধান অতিথি ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখ দলমত নির্বিশেষে বাঙালির সবচেয়ে বড় অসাম্প্রদায়িক উৎসব।

শহর-নগর-বন্দর থেকে শুরু করে গ্রামের পাড়া-মহল্লা সর্বত্র ধনি-গরিব সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে প্রাণের এ উৎসবে মেতে ওঠে।

সে ধরনের প্রাণের উৎসবে রূপ নিয়েছে বসন্ত উৎসব।

আয়োজনে সভাপতিত্ব করেন একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী।

স্বাগত বক্তব্য দেন একাডেমির সচিব নওসাদ হোসেন।

আলোচনা শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড পারফরমিং আর্টস ও স্পন্দন নৃত্যদলের শিশুশিল্পীরা।

বড়দের বিভাগে দলীয় নৃত্য পরিবেশন করে নাচের দল নৃত্যালোক, বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস, নৃত্যম, নন্দন কলা কেন্দ্র, মারমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়, ধৃতি নৃত্যালয়ের শিল্পীরা।

দলীয়সঙ্গীত পরিবেশন করে শিল্পকলা একাডেমি সঙ্গীতদল, শিল্পকলা একাডেমি ভাওয়াইয়া সঙ্গীতদল, সরকারি সঙ্গীত কলেজ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিল্পীরা। দ্বৈতসঙ্গীত পরিবেশন করেন সাজেদ আকবর ও সালমা আকবর, ইবরার টিপু-বিন্দু কনা এবং খায়রুল আনাম শাকিল-কল্পনা আনাম।

এর আগে সকালে সদ্যপ্রয়াত অভিনেতা আলী যাকেরের স্মৃতির প্রতি উৎসর্গ করে দিনব্যাপী নানা অনুষ্ঠানমালার মধ্য দিয়ে এবারের ঋতুরাজ বসন্তকে বরণ করে নেয় জাতীয় বসন্ত উদ্‌যাপন পরিষদ। গান, কবিতা, দলীয় নৃত্য আর বসন্ত কথন দিয়ে সাজানো ছিল পরিষদের আয়োজন।

করোনার কারণে একটু বিরূপভাবে হলেও প্রকৃতি খুলেছে তার দখিনা দুয়ার। ফাগুন হাওয়ায় ফুটেছে অশোক-পলাশ, দল মেলেছে নানা রঙের নানা ফুল। ফুলে-ফুলে, ঢলে-ঢলে প্রকৃতিতে ঋতুরাজ বসন্তের আগমনী বার্তা। করোনা ভাইরাস মহামারিতে গেলো বছর প্রায় উৎসবের রং ফিকে হয়। প্রিয়জন হারানোর আর্তনাদ শুনেছে আকাশ। জরা-ব্যাধি, শোক-তাপে জর্জরিত মন্দ সময়কে পেছনে ফেলে নগরবাসীর কামনা- ঋতুরাজের হাত ধরে এবার আসুক নতুন দিন, এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

ব্যঙ্গচিত্রে ধর্মীয় গোঁড়ামির প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : হাতে মশাল, কণ্ঠে কবিতা-গান, নির্বাক অভিনয় ও ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতা ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে শৈল্পিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) একদল শিক্ষার্থী।

শনিবার (৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসির সামনে আয়োজিত ‘ধর্ম ব্যবসায়ী ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী সন্ধ্যা’ শিরোনামের কর্মসূচিতে চলমান ভাস্কর্যবিরোধী আন্দোলন, ধর্মের নামে মানুষ হত্যা ও সহিংসতার প্রতিবাদ জানান তাঁরা।

ডাকসুর সদ্য সাবেক সদস্য তানভীর হাসান সৈকতের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে টিএসসির বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন অংশ নেয়।

এতে সংগীত পরিবেশ করেন কৃষ্ণপক্ষ, দুর্গ ও অর্জন ব্যান্ডসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যান্ড সোসাইটির শিল্পীরা।

শিল্পমাধ্যম ভাস্কর্যের বিরোধিতার প্রতিবাদ ও সমসাময়িক ধর্মীয় সহিংসতার নানা দিক তুলে ধরে কবিতা আবৃত্তি করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কালচারাল সোসাইটির আবৃত্তি শিল্পী রাগীব রহমান ও কামরুন নাহার মুন্নী।

এ ছাড়া বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণকে কেন্দ্র করে ‘ভয়েস ব ইন্সপাইরেশন’ নামে মুকাভিনয় করেন ঢাকা ইউনিভার্সিটি মাইম অ্যাকশনের সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান।

মুজিববর্ষে রাজধানীর ধোলাইড়পাড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি ভাস্কর্যবিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন

খেলাফতে মজলিসের মহাসচিব ও হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক।

প্রতিবাদী এই কর্মসূচিতে তাদের ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শনীর মাধ্যমে ধর্মীয় গোড়ামির প্রতি ঘৃণা প্রকাশ করা হয়।

অনুষ্ঠানে তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘মৌলবাদের বিরুদ্ধে এই বিপ্লবে আমরা মনে করি সবচেয়ে কার্যকর হাতিয়ার হলো সাংস্কৃতিক জাগরণ। সাংস্কৃতিক চর্চার নিরবচ্ছিন্ন প্রবাহ যেদিন বাংলাদেশের প্রতিটি গ্রামে পৌঁছাবে সেদিন মৌলবাদের শেকড়ে পানি দেওয়ার মতো একটি লোকও থাকবে না। এই চর্চার প্রসারে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা টিএসসির চত্বরে আয়োজন করেছি প্রতিবাদী সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা।’

সৈকত বলেন, ‘আমরা কোনও ধর্মের বিরোধী নই। পৃথিবীর সব ধর্মই শান্তির কথা বলে। ধর্ম চর্চা ভালো, কিন্তু উগ্রবাদ নয়। সম্প্রতি সারা বাংলাদেশে ধর্মীয় উগ্রবাদী চর্চা শুরু হয়েছে। ধর্মকে হাতিয়ার হিসেবে নিয়ে এক শ্রেণির ধর্ম ব্যবসায়ী ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা দিয়ে রাষ্ট্রে বিশৃঙ্খলা ও উসকানিমূলক আচরণ করছে।’

‘তারা শিল্পমাধ্যম ভাস্কর্যের বিরোধিতা করছে। কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ভাঙচুর করা হয়েছে। ধর্মের নামে বিভিন্ন জায়গায় মানুষ হত্যা করা হচ্ছে। এই সময়টাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বসে থাকতে পারে না। আমরা চাই, আমাদের হাজার বছরের সংস্কৃতি নিয়ে অসাম্প্রদায়িক এক বাংলাদেশ।’

এ বিষয়ক : মামুনুল-ফয়জুলের বিরুদ্ধে কাল রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা করবে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ

সিরাজগঞ্জে মামুনুলকে বয়কট, বাতিল হলো মাহফিল

সিরাজগঞ্জে মামুনুলকে বয়কট, বাতিল হলো মাহফিল