Category: শিক্ষা ও শিক্ষাঙ্গন

মৃত অবস্থায় ঘরে পড়ে ছিলেন তারেক শামসুর রেহমান

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমান মারা গেছেন।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) উত্তরার রাজউকের অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্টে নিজের ফ্ল্যাট থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশের উত্তরা জোনের সহকারি পুলিশ কমিশনার (এডিসি) কামরুজ্জামান সরদার এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ফ্ল্যাটের দরজা ভেঙে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

উত্তরা অঞ্চলের উপকমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ বলেছেন, তারেক শামসুর রেহমান উত্তরা ১৮ নম্বর সেক্টরের একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।

রাজউকের উত্তরা অ্যাপার্টমেন্ট প্রজেক্টের এক কর্মকর্তা বাংলাকাগজকে বলেন, ‘তারেক শামসুর রেহমান ফ্ল্যাটে একাই ছিলেন। আজ অনেকে বেলা পর্যন্ত ফ্ল্যাটের দরজা বন্ধ থাকায় বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে দরজা ভেঙে তারেক শামসুর রেহমানকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন।’

তারেক শামসুর রেহমান বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক সদস্য। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। রেহমান বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে নিয়মিত কলাম লিখতেন।

সংবর্ধনা : ত্রিশালে পান দোকানদারের ছেলে এমবিবিএস ভর্তি পরিক্ষায় ৩০তম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; এনামুল হক, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) : ত্রিশালের দরিরামপুর বাজারের পান দোকানদার আ. কাদের কাজলের ছেলে মেহেদী হাসান পিয়াল ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস (মেডিসিন অব ব্যাচেলর ব্যাচেলর অব সায়েন্স) ভর্তি পরিক্ষায় জাতীয় মেধা তালিকায় ৩০তম স্থান অর্জন করেছেন।

মেহেদী হাসান পিয়ালের মায়ের নাম মিনারা বেগম। পিয়ালের এমন সাফল্যে শিক্ষক ও এলাকাবাসির পক্ষ থেকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

ত্রিশালের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুকতারা বিদ্যানিকেতন থেকে মাধ্যমিক এবং সরকারি আনন্দ মোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করা পিয়াল আবারও প্রমাণ করলেন ইচ্ছেশক্তি থাকলে দারিদ্র্যতা কিংবা যে কোনও অবস্থান কখনও মেধাকে আটকাতে পারে না।

শুকতারা বিদ্যানিকেতনের প্রধান শিক্ষক কামাল হোসেন আকন্দ মেহেদী হাসান পিয়ালকে সংবর্ধনা দিতে গিয়ে জানান, আমাদের পিয়াল ঢাকা মেডিক্যালে পড়তে পারবে, তাতে গর্বে আমাদের বুকটা ভরে উঠছে।

‘পিয়াল ছোটবেলা থেকেই মেধাবি। সে পিইসি (প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনি পরিক্ষা), জেএসসি (জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট) ও এসএসসি (সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট) পরিক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস পেয়ে সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়েছিলো।’

পিয়ালের বাবা পান দোকানদার আব্দুল কাদের কাজল বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমত ত্রিশালবাসির দোয়া এবং শিক্ষকদের কঠোর পরিশ্রমে আমাদের সন্তান ভালো ফলাফল করতে সমর্থ হয়েছে, এইজন্যে আমরা সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।

শুকতারা বিদ্যানিকেতনের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক ও বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতির ত্রিশাল শাখার সাধারণ সম্পাদক আতিকুল ইসলাম বলেন, পিয়াল খুবই পরিশ্রমি ছেলে। আমি খুবই গর্ববোধ করছি ও দেশবাসির নিকট জন্য দোয়া চাইছি।

সংবর্ধনা প্রদানকালে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শুকতারা বিদ্যানিকেতনের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক শহিদুল রহমান, লুৎফর রহমান রতন, তাজউদ্দিন আহমেদ এবং সিদ্ধিকুর রহমান।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মিষ্টি বিতরণ করা হয়। এ সময় আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন মেহেদী হাসান পিয়ালের সঙ্গে এমবিবিএস ভর্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজে চান্স পাওয়া হামিদুল রহমান শাউন।

মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : এমবিবিএস ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। রবিবার (৪ এপ্রিল) রাতে স্বাস্থ্য অধিপ্তরের পুরাতন ভবন থেকে এ ফল প্রকাশ করেন স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব আলী নূর।

এ সময় বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) সভাপতি মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৭৯২ জন প্রার্থি অংশ নেন। তাঁদেরমধ্য থেকে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির ‍সুযোগ পেয়েছেন ৪ হাজার ৩৫০ জন। যারমধ্যে ছেলে ২ হাজার ৯ জন এবং মেয়ে ২ হাজার ৩৪১ জন। এ সুযোগ পাওয়াদেরমধ্যে চলতি শিক্ষাবর্ষ থেকে সুযোগ পেয়েছেন ৩ হাজার ৯৩৭ জন। ফলে আগের শিক্ষাবর্ষ থেকে সুযোগ পাওয়ার সংখ্যা ৪১৩ জন।

এবার মোট পাস করা পরীক্ষার্থির সংখ্যা ৩৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। অর্থাৎ ৪৮ হাজার ৯৭৫ জন।

মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষার ফল https://result.dghs.gov.bd/mbbs/ এ ওয়েবসাইট থেকে পাবেন পরিক্ষার্থিরা।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে সারাদেশের ১৯টি কেন্দ্রের ৫৫টি ভেন্যুতে একযোগে মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে ১ লাখ ১৬ হাজার ৮৫৬ জন ভর্তিচ্ছু অংশ নেন।

তবে পরিক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছিলেন ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন।

মেডিক্যালে ভর্তি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দেশের সরকারি ও বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস কোর্সের ভর্তি পরিক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২ এপ্রিল) সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে ১১টা পর্যন্ত ওই পরিক্ষা হয়।

পরিক্ষা শেষে প্রশ্নপত্রের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে অধিকাংশ শিক্ষার্থিই জানান, প্রশ্নপত্র কঠিন হয়েছে।

মেডিক্যালে এবার ভর্তি পরীক্ষার্থির সংখ্যা ১ লাখ ২২ হাজার ৮৭৪ জন। পাশাপাশি এ বছর করোনার কারণে সবার স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে কেন্দ্র সংখ্যা ১৯টি এবং ভেন্যু সংখ্যা ৫৫টি করা হয়েছে।

দেশের ৪৭টি সরকারি মেডিক্যাল কলেজের আসন সংখ্যা ৪ হাজার ৩৫০টি।

এ ছাড়া আরও ৭০টি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে আরও ৮ হাজার ৩৪০ জন ভর্তি হতে পারবেন।

গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরিক্ষার আবেদনের ওয়েবসাইট উদ্বোধন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ওয়েবসাইট উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরিক্ষার প্রাথমিক আবেদন।

বৃহস্পতিবার (পহেলা এপ্রিল) দুপুরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির নগর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা বিষয়ে সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি (জিএসটি) বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর টেকনিক্যাল সাব কমিটির পঞ্চম সভায় এই ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করা হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরিক্ষা বিষয়ক টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূর।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য ও গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরিক্ষা বিষয়ক টেকনিক্যাল সাব-কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মুনাজ আহমেদ নূরের সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ।

সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. কামাল উদ্দিন আহম্মেদ, মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড.সাজ্জাদ ওয়াজিদ প্রমুখ।

এছাড়াও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আহসান-উল-আম্বিয়া, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামসহ কারিগরি ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হওয়া ওয়েবসাইটে (www.gstadmission.ac.bd) ভর্তিচ্ছুরা ১৫ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত প্রাথমিক আবেদন করতে পারবেন।

প্রথমদিন মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ২০ হাজারেরও অধিক ভর্তিচ্ছু তাঁদের প্রাথমিক আবেদন সম্পন্ন করেছেন বলে জানা গেছে।

৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরিক্ষা ১৫ অক্টোবর

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দেশের ৮টি বিভাগীয় শহরে আগামি ১৫ অক্টোবর ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরিক্ষা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। সেইসঙ্গে এ বিসিএসের জন্য অনলাইনে আবেদন করার সময় আগামি ৩০ জুন সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

আগে অনলাইনে আবেদন করার শেষ সময় ছিল ৩১ মার্চ। আর প্রিলিমিনারি পরিক্ষার জন্য সম্ভাব্য তারিখ দেওয়া হয়েছিল ৬ আগস্ট।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরিক্ষা আগামি ১৫ অক্টোবর শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ কেন্দ্রে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে।

পরিক্ষার হল, আসন ব্যবস্থা এবং পরিক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশনা যথাসময়ে সংবাদ মাধ্যমে এবং পিএসসির ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে।

গত বছরের ৩০ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। এ পরিক্ষার মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডারে এক হাজার ৮১৪ জনকে নিয়োগ দেওয়ার কথা জানানো হয় সেই বিজ্ঞপ্তিতে।

এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশে ১০০ জন, পররাষ্ট্রে ২৫ জন এবং শিক্ষায় ৮৪৩ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

এছাড়া অডিটে ৩৫ জন, ট্যাক্সে ১৯ জন, কাস্টমসে ১৪ জন, সমবায়ে ২০ জন, ডেন্টাল সার্জন পদে ৭৫ জনসহ অন্যান্য ক্যাডারে আরও ৩৮৩ জন নিয়োগ পাবে ৪৩তম বিসিএসে।

ডেন্টালে আবেদন শুরু ২৭ মার্চ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সরকারি ও বেসরকারি ডেন্টাল কলেজে ব্যাচেলর অব ডেন্টাল সার্জন (বিডিএস) কোর্সে প্রথমবর্ষে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে ডেন্টাল কলেজ/ইউনিট/ইনস্টিটিউটে বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থি ভর্তির জন্য এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করছে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর।

শনিবার (২৭ মার্চ) দুপুর ১২টায় অনলাইনে আবেদন শুরু হয়ে চলবে ১৪ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, টেলিটক মোবাইলে পরীক্ষা ফি বাবদ ১ হাজার টাকা জমা দিয়ে অনলাইনে আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিতে হবে। ইংরেজি ২০১৭ ও ২০১৮ সালের এসএসসি ও সমমান এবং ২০১৯ ও ২০২০ সালের এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় পদার্থ, রসায়ন এবং জীববিদ্যাসহ উভয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থিরা ভর্তির আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারি প্রার্থিরা ২৪ থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত প্রবেশপত্র ডাউনলোড করতে পারবেন।

আগামি ৩০ এপ্রিল ডেন্টালে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ১০০ নম্বরের ১০০টি এমসিকিউ প্রশ্নের ১ ঘণ্টার ভর্তি পরীক্ষা হবে। পদার্থবিজ্ঞান ২০, রসায়ন ২৫, জীববিজ্ঞান ৩০, ইংরেজি ১৫ এবং সাধারণ জ্ঞান, বাংলাদেশের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে ১০ নম্বরে এমসিকিউ পরীক্ষা হবে।

সব দেশি ও বিদেশি শিক্ষা কার্যক্রমে এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান দুটি পরীক্ষা মিলে মোট জিপিএ থাকতে হবে ৯। সব উপজাতীয় (সমতল ও পার্বত্য জেলা) এসএসসি/সমমান ও এইচএসসি/সমমান দুটি পরীক্ষায় মোট জিপিএ-৮ থাকতে হবে।

কোনও একক পরীক্ষায় জিপিএ-৩.৫-এর কম থাকলে আবেদন করা যাবে না। সবার জন্য এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষায় জীববিজ্ঞানে জিপিএ-৩.৫ থাকতে হবে।

বিডিএস ভর্তির জন্য অনলাইনে ফরম পূরণের নিয়মাবলি ও ভর্তিসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (www.dghs.gov.bd) ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী : কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২ এপ্রিলই মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে ২ এপ্রিলই মেডিক্যালের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে বলেই জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে বুধবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা শেষে এ কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

জাহিদ মালেক বলেন, মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে সবাই একমত হয়েছেন, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে, সুন্দরভাবে পরীক্ষা নেবো।

এদিকে বুধবার (২৪ মার্চ) মেডিক্যাল ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা নিয়ে একটি রিট আবেদন আদালত খারিজ করে দিয়েছেন।

হাতের শাঁখা খুলেই বিসিএস পরীক্ষা দিতে বাধ্য করলো শিক্ষক!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; চট্টগ্রাম : শাঁখা ও সিঁদুর হলো একজন বিবাহিত হিন্দু নারীর প্রতীক। হিন্দু বিশ্বাসমতে, স্বামীর মঙ্গলের জন্য বিবাহিত নারিরা স্বামী বেঁচে থাকা পর্যন্ত এগুলো পরমযত্নে আগলে রাখেন।

কিন্তু শুক্রবার (১৯ মার্চ) অনুষ্ঠিত বিসিএস পরীক্ষায় চট্টগ্রামের একটি কেন্দ্রে এক নারি পরীক্ষার্থিকে শাঁখা খুলে রাখতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। অনুসন্ধান শেষে তদন্ত কমিটি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও করেছে।

মৌপিয়া রায় নামের ওই পরীক্ষার্থি জানান, ‘শুক্রবার (১৯ মার্চ) বিসিএস পরীক্ষা দিতে চট্টগ্রাম সরকারি পলিটেকনিক কলেজে যাই। হলে প্রবেশের আগে নিয়মানুসারে সকলকে তল্লাশি করা হচ্ছিলো। তখন আমাকে তল্লাশির পর শাঁখা খুলে রাখার জন্য বলা হয়। কিন্তু আমি বলি শাঁখা তো বাড়তি কোনও অলংকার নয়। কারণ হিন্দু বিবাহিত মেয়েরা স্বামি বেঁচে থাকা পর্যন্ত এটি খুলতে পারে না। কিন্তু এরপরও কোনও কথা শুনেন নি শিক্ষক।’

তিনি বলেন, ‘এক পর্যায়ে আমাকে শাঁখা না খুললে কেন্দ্রেই প্রবেশ করার অনুমতি দেওয়া হবে না বলেই হুমকি দেন শিক্ষক। সে সময় আমি বারবার অনুরোধ করার পরও শিক্ষক আমাকে ‘বেশি কথা বলবেন না’ বলে ধমক দেন।’

সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করলেও বিয়ের পর চট্টগ্রামেই স্থায়ীভাবে থাকেন মৌপিয়া।

লেখাপড়ায় ভালো বলে শশুরবাড়ির লোকজনের অনুপ্রেরণায় বিসিএস পরীক্ষা দিতে গিয়ে এমন ব্রিবতকর পরিস্থিতে পড়েন তিনি।

এ সম্পর্কে জানতে চাইলে সরকারি পলিটেকনিক কলেজের অধ্যক্ষ স্বপন নাথ বলেন, ‘এ রকম একটা ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ করে নি। তবে বিষয়টি আমরা জেনেছি। আমরা শিক্ষার্থির পরিবারের কাছে ক্ষমাপ্রার্থনা করেছি এবং ৪ সদস্যর একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করে দিয়েছি।’

‘রোববার (২১ মার্চ) সেই তদন্ত কমিটি তদন্ত রির্পোট দেয়। তাতে শিক্ষক ইলিয়াস, এমএলএসএস সবিতা রানী ও সাজেদা বেগম এর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতার প্রমাণ পাওয়া যায়। তদন্ত রিপোর্টে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণেরও সুপারিশ করা হয়।’

বিসিএস এর পরীক্ষায় শাঁখা না পড়ে যাওয়ার কোনও নির্দেশনা ছিলো কিনা জানার জন্য অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ ইলিয়াসের সঙ্গে সঙ্গে ৩ বার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে প্রত্যেকবারই তাঁর নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে সরকারি পলিটেকনিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও তদন্ত কমিটির সদস্য শিক্ষক তাপস দেব বলেন, ‘আমাদের কাছে অলংকার পড়ে পরীক্ষার হলে প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা ছিলো, কিন্তু শাঁখার বিষয়ে কোনও নিষেধাজ্ঞা ছিলো না।’

জানা গেছে, তদন্ত কমিটির সুপারিশক্রমে অভিযুক্ত শিক্ষক ও দ ‘জন এমএলএসএসকে বার্ষিক নিরাপত্তা কমিটির পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

জানতে চাইলে মৌপিয়ার ভাসুর চট্টগ্রাম সরকারি মহসিন কলেজের গণিত বিভাগের সহকারি অধ্যাপক সুবীর দাশ বাংলা কাগজকে বলেন, ‘আমি নিজেও একজন বিসিএস ক্যাডার, আমরাও বিসিএস এর পরীক্ষাগুলোর হলে দায়িত্বে থাকি। কিন্তু আমরা কখনোই কোনও পরীক্ষার্থির সঙ্গে খারাপ আচরণ করি না। আর মৌপিয়ার সঙ্গে ঘটা ঘটনারতো প্রশ্নই আসে না।’

‘বিসিএসের কোনও নিয়মেই পরিক্ষার হলে শাঁখা খুলে যাওয়ার কোনও নিয়ম নেই।’

বিচার দেওয়ায় মাদরাসা ছাত্রকে বেধড়ক পেটালেন শিক্ষক!

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; পঞ্চগড় : পঞ্চগড়ে নাজমুল হক (১০) নামে এক মাদরাসা ছাত্রকে বেধড়ক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে হাফেজ রিপন (২১) নামে এক মাদরাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শনিবার (২০ মার্চ) রাতে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা করেন ওই ছাত্রের বাবা।

আহত মাদরাসা ছাত্র নাজমুল হক পঞ্চগড় সদর উপজেলার অমরখানা ইউনিয়নের ভিতরগড় বড়কামাত গ্রামের জামাল উদ্দীনের ছেলে। সে মডেল বাজার ফোরকানিয়া নূরানী ও হাফেজিয়া মাদ্রাসার ছাত্র। অভিযুক্ত শিক্ষক হাফেজ মো. রিপন উপজেলার জামাদারপাড়া গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে।

মামলা এজাহার সূত্রে জানা গেছে, নাজমুল হককে মডেল বাজার ফোরকানিয়া নূরানী ও হাফেজিয়া মাদরাসায় ৩ মাস আগে ভর্তি করে দেন তার বাবা-মা। সেখানে সে মেসে থাকতো। ১৫-২০ দিন আগে একই মাদরাসার এক বন্ধু ছাত্র নাজমুলের সঙ্গে ‘মারামারি ও দুষ্টুমি’ করে। বিষয়টি দেখার জন্য এবং আর মারামারি যেনো না করে নাজমুলের বাবা জামাল উদ্দীন মাদ্রাসার হুজুর শিক্ষক হাফেজ রিপনকে অবহিত করেন।

বিচার দেওয়ার কারণে গত ১৪ মার্চ রাতে ক্ষিপ্ত হয়ে নাজমুলকে শ্রেণীকক্ষে আটক করে বাঁশের বেত দিয়ে বেধড়ক মারপিট করেন হাফেজ মো. রিপন।

বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য বিভিন্ন ভয়ভীতি দেখান।

পরে গত শুক্রবার (১৯ মার্চ) শিশুটির বাবা-মা শিশুটিকে মাদরাসায় দেখতে গেলে শিশু ছাত্র নাজমুল আর মাদরাসায় থাকবে না বলে কান্নাকাটি করে। বিষয়টি জানার চেষ্টা করলে নাজমুল আঘাতের চিহ্নগুলো বাবা-মাকে দেখায়। পরে নাজমুলকে আহত অবস্খায় উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও অবস্খায় উন্নতি না হওয়ায় শনিবার (২০ মার্চ) সন্ধ্যায় পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে যান পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ ইউসুফ আলী।

নাজমুলের বাবা জামাল উদ্দীন বলেন, ‘আমার ছেলেকে শিক্ষক হাফেজ মো. রিপন কোনও কারণ ছাড়াই বেধড়ক মারধর করে মাদরাসায় ৬ দিন ধরে আটকে রাখে। আহত হলেও তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয় নি। পরে ছেলে কোনোমতে আমার সঙ্গে দেখা করে সব বললে আমি তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। আমার ছেলেকে এমনভাবে বেধড়ক মারধর করায় আমি তার বিচার চাই।’

এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু আককাস আহমদ জানান, এ ঘটনায় ওই শিশুর বাবা থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত আসামিকে ধরতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।

তাহলে কি আপনাকে নিয়ে উঠা গুজব সঠিক, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী?

সম্পাদকীয় মত, বাংলা কাগজ : তাহলে কি আপনাকে নিয়ে উঠা গুজব সঠিক, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী? আপনাকে নিয়ে কি গুজব উঠেছে জানেন? আপনাকে নিয়ে গুজব উঠেছে, আপনি নাকি ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেদিন খোলা হবে, সেদিন প্রত্যেক শিক্ষার্থিকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। আর এখন সেটি সম্ভব হচ্ছে না বলেই আপনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে চাইছেন না।

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, আমরা কি আপনাকে নিয়ে এমন অপবাদ মেনে নিতে পারি? বলেন, মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী?

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, আপনি কি জানেন, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোতে গুজব রটানো হচ্ছে, ৩০ মার্চ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা হবে না বিষয়টি মানুষ আগে থেকেই আঁচ করতে পেরেছিলো। কারণ তাঁরা দেখেছে, বিশ্ববিদ্যালয় খোলার তারিখ দেওয়া হয়েছে ২৪ মে।

মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, শিক্ষার্থিদের প্রতি দরদ বা শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে ভাবনার ব্যাপারে আপনার তো কপালে কোনও প্রকার ভাজ করোনাকালে এ পর্যন্ত চোখে পড়লো না!

তাহলে যে গুজব রটেছে, সেটা কি সঠিক?

গুজবকারিরা বলছেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী মোবাইল ফোন অপারেটরগুলোর কাছ থেকে একটি বড় অংকের টাকা নিচ্ছেন। যা আসছে অনলাইনে ক্লাস করানোতে যে পরিমাণ ইন্টারনেট খরচ হয়, তার একটা পারসেন্টেজ হিসেবে।’

আমরা কি তবে এমন কথা শোনার অপেক্ষায়ই ছিলাম মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী?

সরকারের উদ্দেশে বাংলা কাগজ বলতে চায়, করোনাভাইরাস রোধে ভারতের সেরাম থেকে আনা টিকা গ্রহণ করার পরও দেশে সংক্রমণের হার বাড়ছে। এ খবর সাধারণ মানুষের মাঝে বড় ভীতি তৈরি করছে। এতে মানুষ টিকা গ্রহণে ‘চরম’ নিরুৎসাহিত হচ্ছেন।

এ নিরুৎসাহিত হওয়া আবার বাড়তে পারে, যখন কেউ শুনেন, করোনাভাইরাসের টিকা গ্রহণের পরও কোনও এক বিশিষ্ট ব্যক্তি আবার করোনায় আক্রান্ত হয়েই মারা গেলেন। আর এমনটি হলে তো মানুষ টিকা নেবে না।

তাই বাংলা কাগজ বলতে চায়, এখনই সময় করোনাভাইরাসের পরিক্ষা বা এর ফল নিয়ে কেউ কারসাজি করছে কি-না, তা খুঁজে বের করুন অবিলম্বে। কারণ শাহেদ-সাবরীনাদের মতো মানুষ এখনও থাকতে পারে দুই-একজন।

সবমিলে বাংলা কাগজ’র কাছে মনে হচ্ছে, বাংলাদেশের মানুষকে ভারতের টিকা প্রদানের ফলে দেশে মূলত সংক্রমণের হার কমতির দিকেই। এক্ষেত্রে আমরা জনাব জো বাইডেনের মতো কিছুদিন পরই বলতে পারার কথা, কবে নাগাদ দেশ থেকে করোনা নির্মূল হচ্ছে।

তবে এরপরও আমাদের মনে রাখতে হবে, করোনা সম্পূর্ণ নির্মূল হলেও কিন্তু আমাদের সকলকে টিকা নিতেই হবে। কারণ এটি একটি রোগ প্রতিরোধি টিকা।

এ অবস্থায় আবারও বলি মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী, যখন স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের সকল কার্যক্রম চালানো ছাড়া গতি নেই; ঠিক তখন আবারও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার ব্যাপারে আপনার ভিন্ন রকম মন্তব্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না খোলার ব্যাপারেই ইঙ্গিত বহন করে।

এখন আপনিই প্রমাণ করুন, সেটি অসত্য।

শিশু শিক্ষার্থিকে বেধড়ক মারধর : মাদরাসার ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা জানতে চান আদালত

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : চট্টগ্রামের হাটহাজারীর মারকাজুল কোরআন ইসলামি অ্যাকাডেমি মাদ্রাসায় ইয়াসিন ফরহাদকে (৭) একই মাদরাসার হিফজ বিভাগের শিক্ষক হাফেজ ইয়াহিয়ার মারধরের ঘটনায় প্রশাসন কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

১৪ মার্চের মধ্যে এ বিষয়ে আদালতকে জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি শাহেদ নূর উদ্দিনের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বপ্রণোদিত হয়ে এই আদেশ দেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার।

তিনি জানান, চট্টগ্রামের মাদরাসার শিশু নির্যাতনের ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা আগামি রবিবারের (১৪ মার্চ) মধ্যে জানাতে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত খবর ও ভিডিও রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আদালতের নজরে আনলে স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন আদালত।

আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ বাশার জানান, আদালত জানতে চেয়েছেন, অভিযুক্ত শিক্ষক ইয়াহহিয়া খানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে কিনা, তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হয়েছে কিনা।

‘শিশুটির পরিবারকে কোনও চাপ দেওয়া হয়েছে কিনা।’

‘মাদরাসাটি যে অধিদপ্তরের অধীনে তার কর্তৃপক্ষকে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে প্রতিবেদন দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।’

‘পাশাপাশি ওই শিক্ষককে বরখাস্ত করা হয়েছে কি-না, সে ব্যাপারেও জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট।’

যমুনা টিভির সৌজন্যে ভিডিও :