Category: রাজধানী

৭ মাসে ১২০ শাবকের জন্ম চিড়িয়াখানায়

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : করোনাভাইরাস মানুষের বিনোদনের সুযোগ কিছুটা কেড়ে নিলেও ঢাকায় জাতীয় চিড়িয়াখানার বাসিন্দাদের দিয়েছিলো ৭ মাসের স্বস্তি; সেই অবসরের সুফল এখন মিলছে বিভিন্ন প্রাণি পরিবারে নতুন অতিথির আগমনের খবরে।

জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক আবদুল লতিফ জানান, মহামারির সময়টায় বিভিন্ন প্রাণির ১২০টি শাবকের জন্ম হয়েছে, যারমধ্যে ৪টি জন্মেছে সম্প্রতি।

‘চিড়িয়াখানা বন্ধ থাকার কারণে পশুপাখির উপকার হয়েছে, ইমিউনিটি বেড়েছে। খাবার ভালো দিতে পেরেছি, পরিচর্যা ভালো হয়েছে। ওই সময় প্রাণিরা গর্ভধারণ করায় এখন তারা সন্তান প্রসব করছে।’

চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত ৪ ফেব্রুয়ারি এবং ১১ মার্চ একটি করে ঘোড়া, ২ মার্চ একটি জলহস্তি ও ৫ মার্চ একটি জেব্রা শাবক জন্ম নিয়েছে।
এরআগে গত বছর একটি জিরাফ, দুটি জলহস্তি, ১৮টি চিত্রা হরিণ, একটি মায়া হরিণ, একটি ঘোড়া, দুটি ইম্পালা, দুটি গাধা, একটি কমন ইল্যান্ড, ২৩টি ময়ূর, ১৩টি ইমু, ৩০টি বক, সাতটি ঘুঘু ও ১৫টি কবুতরসহ ১১৬টি শাবক জন্ম নিয়েছে।

মিরপুরে ১৮৬ একরের চিড়িয়াখানায় নতুন-পুরানো মিলিয়ে এখন ২ হাজার ৮২০টি প্রাণি রয়েছে।

অনেক শাবক জন্মালেও করোনাভাইরাসের কারণে বাইরে থেকে নতুন প্রাণি আনা সম্ভব হয় নি বলেই জানান চিড়িয়াখানার পরিচালক।

তিনি বলেন, ‘কোভিডের কারণে ২ কোটি টাকার দরপত্র বাতিল করে দিতে হয়েছে। প্রাণি এখন কেনা যাচ্ছে, কিন্তু আনার ব্যবস্থা নেই।’

দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়া থেকে নতুন প্রাণি আনার পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে আবদুল লতিফ বলেন, ৪টি লটে ১ জোড়া করে কমন ইল্যান্ড, শিম্পাঞ্জি, ক্যাঙ্গারু, কালো ভালুক, চশমা বানর এবং আফ্রিকার সিংহসহ ৮ ধরনের প্রাণি আনার কথা ভাবছেন তাঁরা।

চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখা গেছে, অবকাঠামোর উন্নয়ন কাজ চলছে। ১ মাসের মধ্যে এসব কাজ শেষ হবে জানিয়ে আবদুল লতিফ বলেন, ‘গণ্ডার, ময়ূর আর হাতির জন্য নতুন শেড করছি। বাঘ ও সিংহের খাঁচার সংযোগ পথও নির্মাণ করা হচ্ছে।’

পরিচালক জানালেন, এখন দর্শনার্থি সমাগম হচ্ছে স্বাভাবিক সময়ের মতোই।

সাপ্তাহিক খোলার দিনগুলোতে সাধারণত ৮ থেকে ১০ হাজার এবং ছুটির দিনে ২০ থেকে ৩০ হাজার দর্শনার্থির সমাগম হচ্ছে বলেই জানান তিনি। তবে দর্শনার্থিদের স্বাস্থ্যবিধি মানা ও মাস্ক পড়ার ব্যাপারে চিড়িয়াখানার পক্ষ থেকে নিয়মিত অনুরোধ করা হয়ে থাকে বলেই জানান তিনি।

পুলিশ মাঠে : ঠেকাবে করোনার সংক্রমণ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : চলমান করোনাকালে মানুষকে সচেতন করতে আবারও মাঠে নেমেছেন পুলিশ সদস্যরা।

এক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের মাঝে মাস্ক পড়ার বিষয়ে সচেতন করার পাশাপাশি বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ এবং স্বাস্থ্যবিধির বিষয়গুলোও তুলে ধরা হচ্ছে।

রোববার (২১ মার্চ) দেশজুড়ে এই বিশেষ উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।

‘মাস্ক পরার অভ্যেস, করোনামুক্ত বাংলাদেশ’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই কর্মসূচি শুরু করেছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে নিয়োজিত এ বাহিনি।

বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ বলেন, ২১ মার্চ থেকে করোনাভাইরাস রোধে পুলিশের দেশব্যাপি বিশেষ উদ্বুদ্ধকরণ কর্মসূচি শুরু হবে।

‘এ কর্মসূচির আওতায় মাঠপর্যায়ে জনসাধারণকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনুপ্রেরণা ও উদ্বুদ্ধ করবে পুলিশ।’

‘আপাতত বাধ্য নয়, স্বাস্থ্যবিধি মানতে মাঠপর্যায়ে সবাইকে উদ্বুদ্ধ করতে পুলিশের পক্ষ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

অর্থনৈতিক ও জীবনধারা স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এমন পরিকল্পনা নেওয়া কথা জানান আইজিপি।

সংবাদ সম্মেলনে আইজিপি বলেন, ‘ঘর থেকে বের হলেই মাস্ক পরবেন। কখনোই মাস্ক নিয়ে আসতে ভুলবেন না। আমরা যেহেতু গ্লোবাল ভিলেজে বসবাস করি। তাই সংক্রমণমুক্ত হলেও সংক্রমণের হুমকি থেকে যায়। যতোদিন পর্যন্ত সারাবিশ্ব করোনা ঝুঁকি মুক্ত না হয়, ততোদিন আমাদের স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।

‘নিজের, নিজের সন্তানের, পরিবারের জন্য এবং বয়স্ক নাগরিকদের চিন্তা করে সবাইকে মাস্ক পরতে হবে।’

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) জানায়, আইজিপির নির্দেশনা অনুযায়ি ইতোমধ্যে বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ শুরু করেছে ডিএমপি।

রাজধানিতে পুলিশ সদস্যরা জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি বিনামূল্যে মাস্কও বিতরণ করবেন।

করোনা মোকাবিলায় ডিএমপি কমিশনার শফিকুল ইসলামের নির্দেশে সম্প্রতি রাজারবাগ এলাকায় জনসাধারণের মধ্যে ৪ হাজার মাস্ক বিতরণ করেন উপ-কমিশনার (ওয়েলফেয়ার অ্যান্ড ফোর্স) মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন ভূঁঞা।

করোনার দ্বিতীয় ধাপ মোকাবিলায় দেশব্যাপি পুলিশের উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে- করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বাংলাদেশ পুলিশের নির্দেশিকা (এসওপি) বিতরণ; পুলিশের লোগো সম্বলিত ফ্রি মাস্ক বিতরণ; করোনা ভ্যাকসিন গ্রহণে উদ্বুদ্ধকরণ; সচেতনতামূলক মাইকিং, লিফলেট ও পোস্টার বিতরণ; সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিতকরণে ভূমিকা রাখা; করোনায় মৃত্যুবরণকারীদের দাফন; পুলিশের অব্যবহৃত স্থাপনা আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিন সেন্টারে রূপান্তর।

এ ছাড়া বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তিদের ইমিগ্রেশন পুলিশের মাধ্যমে শনাক্তকরণ ও কোয়ারেন্টাইনে প্রেরণ; জাতীয় জরুরি সেবা ‘৯৯৯’র মাধ্যমে করোনা সংক্রান্ত আগত কলের সাড়াদান; পুলিশ হাসপাতালে পিসিআর ল্যাব স্থাপন করে কোভিড পরীক্ষা ও চিকিৎসা প্রদান; পুলিশ হাসপাতালে পুলিশ ব্যতীত অন্যান্য সরকারি প্রতিষ্ঠান ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান।

নির্দেশনা মানছে না বিকাশ, অবহেলা কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও! : কঠোরতার ‘হুঁশিয়ারি’

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আইন-কানুন রীতিনীতি যেনো ‘কেতাবে আছে গোয়ালে নেই’। এমনই অবস্থা হয়েছে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) বিকাশের ক্ষেত্রে।

প্রতিষ্ঠানটি গ্রাহকদের তো ‘বৃদ্ধাঙুলি দেখাচ্ছেই’, ‘বৃদ্ধাঙুলি দেখাচ্ছে’ খোদ বাংলাদেশ ব্যাংককেও। এতে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়িই, যেমন গ্রাহকেরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন; তেমনি সৃষ্টি ‘করা হচ্ছে’ সন্দেহজনক লেনদেনের সুযোগও (শঙ্কা)।

আর্থিক খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ‘দিস ইজ ঠু মাচ।’

এমন অবস্থায় বাংলাদেশ ব্যাংকও অবশ্য বলছে, নির্দেশনা অমান্য করা হলো কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নথি বলছে, ২০১৩ সালে পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ (পিএসডি) থেকে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বাংলাদেশ ব্যাংক।

পিএসডি সার্কুলার লেটার নম্বর : ০১/২০১৩ এর ৩ নম্বর নির্দেশনায় বলা হয়েছিলো : ‘গ্রাহকের মোবাইল হিসাব থাকার বিষয়টি এজেন্ট কর্তৃক নিশ্চিত হয়ে প্রয়োজনীয় লেনদেন করতে হবে। এক্ষেত্রে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট এজেন্ট/এজেন্টদের এজেন্সিশিপ তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল করতে হবে। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকেরও নজরদারিতে থাকবে।’

এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বাংলা কাগজকে বলেন, ‘মোবাইল ব্যাংকিংয়ের যে কোনও হিসাব খোলার ক্ষেত্রে কেওয়াইসি (আপনার গ্রাহককে জানুন) সংক্রান্ত কিছু তথ্যের প্রয়োজন পড়ে। তাই এজেন্ট লেনদেন করার সময় যদি নিশ্চিত হয়ে নেয় ওই ব্যক্তির হিসাব আছে কি-না, তাহলে কোনও অনিয়মের সম্ভাবনা থাকে না।’

‘কিন্তু এজেন্ট যদি গ্রাহকের নম্বর লিখে না রাখে এবং নিশ্চিত না হয়, তাহলে অন্য ধরনের লেনদেন (সন্দেহজনক লেনদেন) হলেও ধরার উপায় থাকবে না।’

‘এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের অবশ্যই তদারকি জোরদার করতে হবে। কিন্তু এটি আরও আগে থেকেই করা উচিত ছিলো।’

একই প্রজ্ঞাপনের ৪ নম্বর নির্দেশনায় বলা হয়েছে ‘এক এজেন্ট এর মোবাইল হিসাব থেকে অন্য এজেন্ট এর মোবাইল হিসাব-এ অর্থ জমা (Cash In) বা অর্থ স্থানান্তর (P2P) করা যাবে না।’

বাংলা কাগজ অন্তত দেড় বছর অনুসন্ধান চালিয়ে দেখেছে এর দুটোই করছে এজেন্টরা। এক্ষেত্রে রাজধানি ঢাকা এবং কুমিল্লার শতকরা ৯৪ শতাংশ বিকাশ এজেন্টের কাছে বাড়তি অন্তত একটি করে ব্যক্তিগত বিকাশ অ্যাকাউন্ট রয়েছে মর্মে নিশ্চিত হয়েছে বাংলা কাগজ। যা ব্যবহৃত হচ্ছে এজেন্টের নম্বরে অর্থ প্রেরণেও। কিন্তু যা একজন এজেন্ট কোনোভাবেই করতে পারেন না। এতে কোনও ব্যক্তির বিকাশ হিসাব না থাকলেও তিনি অনায়াসেই এজেন্টের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন করতে পারছেন। এক্ষেত্রে সন্দেহজনক কোনও লেনদেন চললেও, সেটি ধরার উপায় থাকছে না।

এমনক্ষেত্রে ৮৭ শতাংশ বিকাশ এজেন্টের কাছে রয়েছে অন্তত ২টি করে বিকাশের বাড়তি ব্যক্তিগত হিসাব।

আর ৮৪ শতাংশের কম তবে ৭৬ শতাংশের বেশি এমন বিকাশ এজেন্টদের কাছে অন্তত ৩টি করে বিকাশের ব্যক্তিগত হিসাব।

অনুসন্ধানে বাংলা কাগজ আরও দেখেছে, কোনও এজেন্টই গ্রাহকের সঙ্গে লেনদেন করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের হিসাব রয়েছে কি-না, তা যাচাই করছে না।

যা বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ব্যাপারে ড. সালেহ উদ্দিন বলেন, ‘তাহলে তো সন্দেহজনক লেনদেন ঠেকানো যাবে না।’

বাংলা কাগজ অনুসন্ধান করে জানতে পেরেছে, আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক গত দেড় বছরে ঢাকা বা কুমিল্লায় (এ প্রতিবেদনের জন্য বাংলা কাগজের অনুসন্ধান এলাকা হিসেবে ব্যবহৃত) মোবাইল ব্যাংকিং সংক্রান্ত কোনও অভিযান পরিচালনা করে নি।

বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক এ গভর্নর বলেন, ‘এমনটি হওয়া উচিত নয়।’

গ্রাহক সেবায় গুড়েবালি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা লঙ্ঘন এখানেও : ২০২০ সালের ১৫ অক্টোবর জারি করা পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের ‘মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) এর পরিষেবাসমূহের ধরণ ও সার্ভিস চার্জ/মাসুল সম্পর্কে গ্রাহকগণকে যথাযথভাবে অবহিতকরণ প্রসঙ্গে’ শিরোনামের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ‘(১) যে কোনও পরিষেবা প্রদানের পূর্বে পরিষেবার ধরণ, পরিষেবার জন্য প্রযোজ্য সার্ভিস চার্জ/মাসুল এর পরিমাণ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে সার্ভিস চার্জের তালিকা (Schedule of Charges) এবং Frequently Asked Question (FAQ) প্রস্তুতকরতঃ সে সম্পর্কে গ্রাহকগণকে যথাযথভাবে অবহিত করার উদ্দেশে সংশ্লিষ্ট তথ্যাদি নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং অ্যাপ্লিকেশনে প্রদর্শন করতে হবে;

(২) পরিষেবার ধরণ বা সার্ভিস চার্জ/মাসুল হার পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গ্রাহকগণকে অগ্রিম নোটিফিকেশন প্রেরণের মাধ্যমে অবহিত করতে হবে;

(৩) সার্ভিস চার্জ/মাসুল হার সংক্রান্ত বিভ্রান্তি পরিহারকল্পে বিভিন্ন গণযোগাযোগ (সংবাদপত্র, পত্রিকা, রেডিও, টেলিভিশন, ইউটিউব চ্যানেল ইত্যাদি) এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, লিংকডইন ইত্যাদি) প্রচার প্রচারণাসহ সকল ক্ষেত্রে ভ্যাটসহ সার্ভিস চার্জ/মাসুল হার উল্লেখ করতে হবে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত অন্তত এক সপ্তাহ ধরে গ্রাহক থেকে গ্রাহকে অ্যাপস বাদে ম্যানুয়ালি অর্থ লেনদেনের ক্ষেত্রে (সেন্ড মানি) বিকাশ প্রতিবার চার্জ কাটছে ১০ টাকা করে। অথচ এ চার্জ ছিলো ৫ টাকা। আর বিকাশ অ্যাপের ক্ষেত্রে এমন মাধ্যমে অর্থাৎ সেন্ড মানিতে কোনও চার্জই কাটা হয় না। অথচ যেসব মানুষ স্মার্ট ফোন ব্যবহার করেন না কিংবা পাসওয়ার্ড চুরিসহ নানা ঝক্কি এড়াতে যাঁরা ম্যানুয়াল পদ্ধতিকেই বাছাই করে নেন; তাঁরা পড়েছেন বিপাকে। কারণ তাঁদের জন্য সেন্ড মানি খরচ হয়ে গেছে দ্বিগুণ (৫ টাকা থেকে ১০ টাকা)। এমনক্ষেত্রে গ্রামিণ জনগোষ্ঠির ওপর বিরূপ প্রভাব পড়ছে বলেই মনে করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে চার্জ বাড়ালেও কোনও নোটিফিকেশন দেয় নি বিকাশ। যেখানে বাংলা কাগজ পরিবারের অন্তত ৪টি বিকাশ হিসাব রয়েছে; অথচ সেগুলোর কোনোটিতেই চার্জ বাড়ানো বা পরিবর্তনের ব্যাপারে আগাম কোনও বার্তা বা নোটিফিকেশনই আসে নি।

এ ব্যাপারে অধিকতর অনুসন্ধানের জন্য আরও অন্তত ৪ জন গ্রাহকের কাছে বিষয়টি নিয়ে জানতে চায় বাংলা কাগজ। তাঁদের প্রত্যেকেই জানিয়েছেন, কেউই বিকাশের চার্জ বাড়ানোর বিষয়টি সম্পর্কে আগাম বার্তা পান নি। একই বিষয় গণমাধ্যমে প্রচার বা প্রকাশের কথা থাকলেও এটি কোথাও প্রচার বা প্রকাশ করা হয় নি বলেই বাংলা কাগজকে নিশ্চিত করেছেন অন্তত ৪৭ জন বিকাশের গ্রাহক।

পাশাপাশি এটি বিকাশের অ্যাপে বা ওয়েবসাইটে প্রকাশের কথা থাকলেও ৯ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ রাত ৭টা ৪৮ মিনিট পর্যন্ত সেটি কোনও মাধ্যমেই করে প্রকাশ করে নি বিকাশ।

নোটিফিকেশন না জানিয়ে চার্জ বাড়ানোর বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদ বাংলা কাগজকে বলেন, ‘এটা তো হতে পারে না। গ্রাহককে অবশ্যই আগে জানানো উচিত ছিলো। আর ক্যাশ আউট চার্জ হাজারে প্রায় ২০ টাকা (১৮ টাকা ৫০ পয়সা) দিস ইজ ঠু মাচ।’

বাংলাদেশ ব্যাংকের বক্তব্য : সার্বিক বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহি পরিচালক সিরাজুল ইসলাম মুঠোফোনে বাংলা কাগজকে বলেন, ‘আমার কথা হলো গিয়ে যে, বাংলাদেশ ব্যাংক যে সমস্ত সার্কুলার দিয়ে নির্দেশনা দেওয়া আছে, এ নির্দেশনা যদি কেউ পরিপালন না করে বা এ নির্দেশনার যদি কেউ ব্যত্যয় ঘটায় এবং সেটা বাংলাদেশ ব্যাংকের নোটিশে আসলে অবশ্যই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

বিকাশের বক্তব্য : বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা না মানার ব্যাপারে মুঠোফোন থেকে কল করা হলেও সেটি রিসিভ করেন নি বিকাশের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা কামাল এইচ কাদির। পরে তাঁকে খুদে বার্তা পাঠানো হয়। তাতেও নিরুত্তর থাকেন কামাল।

মানিকনগরে পুড়লো কুমিল্লা পট্টি

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : রাজধানীর মানিকনগরের কুমিল্লা পট্টিতে আগুন লেগে পুড়ে গেছে শ খানেক ঘর।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা লিমা খানম বাংলা কাগজকে বলেন, রোববার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকাল ৩টা ৩০মিনিটে সেখানে আগুন লাগে।

‘অগ্নি নির্বাপক বাহিনির ৯টি ইউনিট প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় বিকেল পৌনে ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।’

‘ততক্ষণে সেখানকার প্রায় একশ টিনশেড ঘরের অধিকাংশই পুড়ে যায় বলে মুগদা থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহা জানান।’

বাংলা কাগজকে তিনি বলেন, ‘কুমিল্লা পট্টির কবরস্থানের পাশে প্রায় একশ ঘর কয়েকজন মালিক মিলে তৈরি করেছেন। অধিকাংশ ঘর পুড়ে গেছে। তবে হতাহতের কোনও খবর এখনও আমরা পাই নি।’

আগুন লাগার কারণ বা ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে পারেন নি ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা।

কেরানীগঞ্জে তিনতলা ভবন উল্টে ডোবায় : আহত ৭

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ঢাকার কেরানীগঞ্জের চরাইল এলাকায় একটি তিনতলা ভবন উল্টে পড়েছে পাশের ডোবায়।

শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনার পর ৭ জনকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মিরা।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা লিমা খানম বাংলা কাগজকে জানান, সকাল সাড়ে ৮টা দিকে ভবনটি একদিকে কাত হয়ে যায় এবং পাশের ডোবায় উল্টো পড়ে।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে উদ্ধার কাজ শুরু করে। উদ্ধারকর্মীরা যে ৭ জনকে আহত অবস্থায় বের করে এনেছেন, তাদের মধ্যে দুজন নারীকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

লিমা খানম জানান, পূর্বচরাইল খেলার মাঠের কাছে ওই বাড়িতে দুই তলার ওপরে টিনের ছাউনি দিয়ে আরেকতলা তোলা হয়েছিল।

ভবনটি নির্মাণের ক্ষেত্রে নিয়ম মানা হয়েছিলো কি না, যথাযথ অনুমোদন ছিলো কি না- সেসব তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় নি।

লিমা খানম বলেন, ‘ভবনে আর কেউ নেই বলে জানাচ্ছেন বাড়ির মালিক। এখনও কারও মৃত্যুর তথ্য আমরা পাই নি। ভেতরে আর কেউ আটকা পড়েছেন কি না, আমাদের কর্মিরা তা সার্চ করে দেখছেন।’

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী : খাল ও লেকে পয়ঃবর্জ্য ফেলা বন্ধ করুন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : পয়ঃবর্জ্য খাল ও লেকে ফেলা বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম। পাশাপাশি শুধু মানুষের প্রতি ভালোবাসা নয়, নিজের শহরকে ভালোবাসারও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

রোববার (১৪ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ভালোবাসা দিবস একদিন, শহরকে ভালোবাসি প্রতিদিন’ প্রতিপাদ্যে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

মন্ত্রী বলেন, রাজধানীর অধিকাংশ পয়ঃবর্জ্য খালে ও লেকে ফেলা হয়। এটি দ্রুত বন্ধ করতে হবে। এই পয়ঃবর্জ্যের লাইন কিভাবে বন্ধ করা যায় সে বিষয়ে পরিকল্পনা করার পাশাাপাশি একটা টাইমলাইন নির্ধারণ এবং একটি কমিটি গঠন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি। ‘শুধু মানুষকে ভালোবাসলে হবে না, আমরা যে শহরে বসবাস করি সে শহরকে ভালোবাসার পাশাপাশি প্রকৃতি ও পরিবেশকে ভালোবাসতে হবে। নিজের আবাসস্থল, চারপাশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে, যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা না ফেলে শহরের প্রতি ভালোবাসার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

‘আমরা পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ঘুরতে গিয়ে অনেক সুন্দর নগরী দেখি তখন স্বাভাবিকভাবে মনে হয় যদি আমাদের শহরটিও এমন হতো। তিনি বলেন, তাদের শহর সুন্দর শুধু সরকার বা সিটি কর্পোরেশন করেনি। সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ছিলো বলেই সম্ভব হয়েছে। সবার স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ থাকলেই কেবল ঢাকা নগরীকে নির্দিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছানো সম্ভব।’

হাতিরঝিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ড্রিম প্রজেক্ট ছিল উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেখানে স্টেডিয়াম করার প্রস্তাব থাকলেও প্রধানমন্ত্রীর ইচ্ছা অনুযায়ী মানুষের জন্য হাতিরঝিল নির্মাণ করা হয়েছে। তিনি বলেন রাজধানীতে এরকম আরো অনেক হাতিরঝিল করা সম্ভব।

ঢাকা ওয়াসার নিকট থেকে ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা ও খালের দায়িত্ব দুই সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এখন রাজধানীতে যেসকল লেক আছে সেগুলো সিটি কর্পোরেশনের নিকট হস্তান্তরের দাবি আসছে উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে শুধু শহর নয় সারাদেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য কাজ করতে হবে। জনপ্রতিনিধি, সরকারি কর্মকর্তা, সাধারণ মানুষসহ সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সমন্বিতভাবে কাজ করলে পরিবর্তন অবধারিত।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

এ ছাড়া কর্মশালায় রাজউক, ঢাকা ওয়াসা, গৃহায়ন কর্তৃপক্ষসহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানগণ, নগর পরিকল্পনাবিদ, স্থপতি এবং এনজিও প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন।

গুলশানের ভবন বিস্ফোরণে মারা গেলেন একজন, আহত ৬

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ঢাকার গুলশানের একটি ভবনে হঠাৎ বিস্ফোরণে একজনের মৃত্যু এবং অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন বলে খবর দিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।

গুলশান-২ এর ৯৩ নম্বর রোডে এমপোরি ফাইন্যান্সিয়াল সেন্টার নামের ওই বহুতল ভবনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা প্রসেসিং কার্যালয় এবং এনসিসি ব্যাংকের বারিধারা শাখা রয়েছে।

বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও ধারণা দিতে পারে নি পুলিশ বা ফায়ার সার্ভিস।

ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী বাংলা কাগজকে বলেন, বুধবার (১৩ জানুয়ারি) বেলা দেড়টার দিকে ওই ভবনে হঠাৎ বিস্ফোরণ ঘটে।

‘প্রাথমিকভাবে ধরণা করা হচ্ছে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কম্প্রেসর বিস্ফোরিত হয়ে থাকতে পারে। তবে পুলিশের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটকেও ডাকা হয়েছে। তদন্তে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।’

বারিধারা ফায়ার স্টেশনের ডিউটি অফিসার আবুল কালাম আজাদ বাংলা কাগজকে বলেন, ‘বিস্ফোরণে একজন মারা গেছেন। আরও ছয়জন আহত আছেন। তাঁদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের নাম আজিজুল হক, বয়স ত্রিশের বেশি। পরিচয়পত্রের তথ্য অনুযায়ী, আজিজ ট্রেড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সিনিয়র টেকনিশিয়ান ছিলেন তিনি।

বিস্ফোরণে ভবনের নিচতলার সামনের অংশ ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা জানিয়েছেন। ফেইসবুকে আসা একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, ভবনের নিচতলার কাচ ভেঙে গেছে এবং লোহার গ্রিল দুমড়ে মুচড়ে ছিঁড়ে গেছে।

বিস্ফোরণের পর ওই ভবনের সামনে কৌতুহলী জনতার ভিড় জমে। পুলিশ সাময়িকভাবে সেখান দিয়ে চলাচল বন্ধ করে দেয়।

ফায়ার সার্ভিস নিয়ন্ত্রণ কক্ষের দায়িত্বরত কর্মকর্তা রাসেল শিকদার বলেন, বিস্ফোরণের খবর পেয়ে তাদের দুটি গাড়ি সেখানে গেছে। বিস্ফোরণে কারণ তারা এখনও জানতে পারেন নি।

এ বিষয়ক : ইন্দিরা রোডে বিস্ফোরণ : উড়ে গেছে ৫ ম্যানহোলের স্ল্যাব

তাপস : বর্ষার আগেই খাল উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্ষা মৌসুমের আগেই অবৈধ দখল উচ্ছেদের মাধ্যমে খালগুলো পুনরুদ্ধারের ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস।

মঙ্গলবার (পহেলা ডিসেম্বর) দুপুরে শ্যামপুরের বড়ইতলী এলাকায় শ্যামপুর খালের চলমান বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

মেয়র বলেন, ‘আমরা ঢাকাবাসীকে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কার্যক্রম হাতে নিচ্ছি। স্বল্পমেয়াদের কার্যক্রমগুলো আমরা নিজ অর্থায়নেই আরম্ভ করে দিচ্ছি। মূলতো প্রথম কাজটি হলো- যে দখলগুলো আছে, সেগুলো দখলমুক্ত করা। বর্ষা মৌসুমের আগেই দক্ষিণ সিটির খাল দখলমুক্ত করা হবে।’

‘ক্যাডেস্ট্রাল সার্ভে (সিএস খতিয়ান) দেখে আমরা সীমানা নির্ধারণ করবো, আমরা খালগুলো দখলমুক্ত করবো এবং খালের মধ্যে যেসব বর্জ্য রয়েছে, তা আমরা অপসারণ করবো। এর মাধ্যমে আমরা জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার করবো এবং জলপ্রবাহ পুনরুদ্ধার হলে ঢাকার যেসব এলাকায় জলাবদ্ধতা হয়ে থাকে, সেসব জায়গায় আর জলাবদ্ধতা হবে না বলে আমরা আশাবাদী। এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে আগামী দুই বছরের মধ্যে ঢাকাবাসীকে আমরা জলাবদ্ধতা থেকে অনেকাংশেই মুক্ত করতে পারবো।’

এ সময় বক্স কালভার্ট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে ঢাকা দক্ষিণের মেয়র বলেন, ‘বক্স কালভার্টগুলো বিশেষ করে পান্থপথ ও ধোলাইখালের বক্স কালভার্টগুলো দীর্ঘদিন ধরে সঠিকভাবে পরিষ্কার করা হয় নি। আমরা অচিরেই সেগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ আরম্ভ করবো এবং পরে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার আওতায় কী করা যায়, বিচার-বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেই কার্যক্রম হাতে নেবো।’

খাল ও ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনায় ওয়াসার জনবল সিটি করপোরেশনের কাছে হস্তান্তর প্রসঙ্গে তাপস বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা সভাতে আলাপ-আলোচনা করেছি। যতটুকু জনবল এবং যন্ত্রপাতি আমাদের যা প্রয়োজন হবে, সেগুলো বিচার-বিশ্লেষণ করেই আমরা নেবো। গৎবাঁধা সকল জনবল আমরা নেবো না, আমাদের যেটা প্রয়োজন নাই; সেটা আমরা নেবো না।’

‘এ ব্যাপারে গঠিত কমিটি সকল বিষয় পর্যালোচনা করে এক মাসের মধ্যে সুনির্দিষ্ট রূপরেখা প্রণয়ন করবে। সেই রূপরেখার আলোকে আমরা পরের পদক্ষেপ নেবো।’

এর আগে সকালে জিরানি খালের ত্রিমোহনী এলাকা পরিদর্শন করেন শেখ মেয়র ফজলে নূর তাপস। এ সময় সিএস খতিয়ান অনুযায়ী সীমানা নির্ধারণ করে খাল দখল করে নির্মাণ করা বাড়ি-ঘরগুলো ভেঙে ফেলারও নির্দেশ দেন তিনি।

জিরানি খাল পরিদর্শন শেষে শ্যামপুর খালের চলমান বর্জ্য অপসারণ ও সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রম পরিদর্শনে যাওয়ার পথে নন্দীপাড়া অংশে জিরানি খালের অবস্থা দেখে হতাশা প্রকাশ করেন মেয়র।

তিনি বলেন, ‘পানি আসার সুযোগ নাই! পানি আসবে কীভাবে?’

সিএস খতিয়ান অনুযায়ী খালের মধ্যে গড়ে ওঠা সব অবৈধ স্থাপনা চিহ্নিত করে সেগুলো দ্রুত ভেঙে ফেলে খালের মধ্যকার বর্জ্য-আবর্জনা পরিষ্কার করার নির্দেশ দেন তিনি।

পরে মেয়র শ্যামপুর খালের আরেক প্রান্ত, মতিঝিলের সিটি টাওয়ার, প্রধান বিচারপতির বাসভবনের সামনের রাস্তা ও ফুটপাত এবং হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সম্মুখস্থল ও ওসমান গনি রোড পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।

পরিদর্শনকালে অন্যদের মধ্যে ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এ বি এম আমিন উল্লাহ নুরী, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর বদরুল আমিন, প্রধান প্রকৌশলী রেজাউর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, স্থানীয় কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের মহিলা কাউন্সিলর, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা রাসেল সাবরিন, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আরিফুল হকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এ বিষয়ক : শেখ তাপস : রাত আটটার মধ্যে দোকান-পাট বন্ধ করুন

উত্তরায় হাতবোমা উদ্ধার : মোট গ্রেপ্তার ৬

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : রাজধানীর উত্তরার পশ্চিম থানা এলাকা থেকে হাতবোমা উদ্ধারের ঘটনায় মোট ৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি ডিএমপি- উত্তর) একটি দল।

শনিবার (২১ নভেম্বর) ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

তারা হলো- মো. সোহরাব হোসেন (২১), মো. তৌহিদুল ইসলাম (২২), মো. সেলিম মিয়া (৩২) ও মো. উজ্জ্বল মিয়া (২৪)।

এর আগে ঘটনার দিন মামুন পারভেজ ও সুমন শেখকে নামে দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছিলো পুলিশ।

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উত্তরা পশ্চিম থানায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলার আসামি।

এ ব্যাপারে ডিবি ডিএমপির উপকমিশনার ওয়ালিদ হোসেন জানান- শনিবার (২১ নভেম্বর) উত্তরা পশ্চিম ও তুরাগ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই ৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনের দিন রাজধানীজুড়ে নাশকতা চালায় একটি মহল। ওইদিন ১০টি বাসে আগুন দেওয়া হয়।

ওই নাশকতার ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়া সকলেই বিএনপির কর্মী বলে জানা গেছে।

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা বলছেন- ঢাকা-১৮ আসনে নির্বাচনের দিন নাশকতার উদ্দেশেই মূলত ওই নির্বাচনি এলাকা উত্তরায় হাতবোমাগুলো একটি ভবনে রাখা হয়েছিলো।

কিন্তু এসব হাতবোমার মাস্টারমাইন্ড নির্বাচনের দিন গ্রেপ্তার হওয়ার কারণে নাশকতা সম্ভব হয় নি বলে জানিয়েছে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

পাশাপাশি ওই মাস্টারমাইন্ডের দেওয়া তথ্যমতেই উত্তরা পশ্চিম থানা এলাকার একটি ভবনে অভিযান চালিয়ে শুক্রবার (২০ নভেম্বর) ৩১টি বোমা উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় করা হয়।

ওই ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা হয়।

এ বিষয়ক : উত্তরা থেকে অন্তত ৩১টি হাতবোমা উদ্ধার করেছে পুলিশ ও ডিবি

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। বুধবার (১৮ নভেম্বর) রাতে ওই কমিটি ঘোষিত হয়।

সম্মেলনের প্রায় এক বছর পর এ পূর্ণাঙ্গ কমিটি হলো।

এর আগে ২০১৯ সালের ৮ ডিসেম্বর সম্মেলনের মাধ্যমে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগে শেখ বজলুর রহমানকে সভাপতি ও এস এম মান্নান কচিকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার নির্দেশক্রমে অনুমোদিত ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ বজলুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক এস এম মান্নান কচি স্বাক্ষরিত ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের কমিটিতে সহ-সভাপতি করা হয়েছে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল এমপি এবং সাদেক খান এমপি, আসলামুল হক এমপি, আবদুল কাদের খান, নাজিম উদ্দিন, জাহানারা বেগম, ওয়াকিল উদ্দিন, মফিজ উদ্দিন আহম্মেদ, আনোয়ার হোসেন মজুমদার, হাজী বশির আহম্মেদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল কাশেম খানকে।

যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন ঢাকা-১৮ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য হাবিব হাসান এবং মতিউর রহমান মতি ও জহিরুল হক।

সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন আজিজুল হক রানা, মিজানুর রহমান মিজান ও এ বি এম মজহার আনাম।

এ ছাড়া কমিটিতে আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম মিজু, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক এস এম মাহবুব আলম, দপ্তর সম্পাদক উইলিয়াম প্রলয় সমদ্দার বাপ্পি, সহ-দপ্তর সম্পাদক আব্দুল আওয়াল শেখ, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক সুফী সুলতান আহমেদ, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন, সহপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম এ হামিদ, বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মতিন হাওলাদার, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক নাজমুল হাসান ভূঁইয়া জুয়েল, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক মেহেরুন্নেসা মেরী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক এস এম তোফাজ্জল হোসেন, যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল গাফ্ফার, শিল্প ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক অধ্যক্ষ এম এ সাত্তার, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক খসরু চৌধুরী, শ্রমবিষয়ক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মজনু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রোকেয়া সুলতানা পলি, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক কর্নেল (অবসর) কানিজ ফাতেমা ও কোষাধ্যক্ষ করা হয়েছে ইঞ্জিনিয়ার সালাম চৌধুরীকে।

আর নির্বাহী সদস্য হয়েছেন- আমির হোসেন মোল্লা, কেরামত আলী দেওয়ান, এম এম রাজু আহমেদ, এ কে এম দেলোয়ার হোসেন, ইসমাইল হোসেন, ডা. মামুন আল মাহতাব স্বপ্নীল, এম সাইফুল্লাহ সাইফুল, রফিকুল ইসলাম বেপারী, আব্দুল ওয়াসেক, মো. আবুল কাশেম, ইজাজ উদ্দিন আহমেদ, শাহরুখ মিরাজ, রবিউল ইসলাম রবি, আবুল হাসনাত, আব্দুল গফুর মিয়া, এম এ মান্নান, এ এস এম সরোয়ার আলম, ইকবাল হোসেন তিতু, জাহাঙ্গীর আলম, ওবায়দুর রহমান, হিমাংশু কিশোর দত্ত, আদম তমিজি হক, ফরিদ আহমেদ, সাইফুদ্দিন আহমেদ টিপু, ফয়েজ আহমেদ, নাসিমুল হক কুসুম, আফরোজা খন্দকার, আতাউর রহমান খান বোরহান, জয় সেন বড়ুয়া, মহিবুল হাসান, আবু ইলিয়াস রাব্বানী লিখন, মিজানুর রহমান চান, ফারুক মিলন, আব্দুল্লাহ আল মুনির (মুকুল), কাজী সালাউদ্দিন পিন্টু ও দেওয়ান আরিফুল ইসলাম।

ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের গঠিত কমিটিতে উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হয়েছে- সাংসদ কামাল আহমেদ মজুমদার, সাংসদ সাদেক খান (সাদেক খানের নাম সহ-সভাপতি হিসেবেও রয়েছে), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম আতিক, ঢাকা-১৭ আসনের সাংসদ আকবর হোসেন পাঠান ফারুক (নায়ক ফারুক), মুকুল চৌধুরী, শহীদুল্লাহ ভূঁইয়া, আবুল হাশেম চেয়ারম্যান, শফিউল্ল্যাহ শফি, লিয়াকত আলী, হায়দার আলী খান, আলাউদ্দিন আল আজাদ, সুলতান হোসেন, আবুল কাশেম, অ্যাডভোকেট আবু হানিফ ও নুরুন্নাহার খানসহ ১৬ জনকে।

এ বিষয়ক : যুবলীগের ২০১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

টিকাটুলির সুইপার কলোনিতে আগুন, পুড়ে গেছে ১০টি ঘর

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : রাজধানীর টিকাটুলির সুইপার কলোনিতে অগ্নিকাণ্ডে ১০টি ঘর পুড়েছে।

সোমবার (১৬ নভেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে আগুন লাগার পর আধা ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের আটটি ইউনিট তা নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা রোজিনা আক্তার বলেন- টিনশেড ও সেমি-পাকা ঘরে আগুন লাগে। আগুনে দশটি ঘর পুড়ে গেছে।

‘তবে কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটে নি।’

এ বিষয়ক : কাদের : বাসে আগুন সন্ত্রাসের পুনরাবৃত্তি

৬ দিন ঢাকা দক্ষিণের যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : শনিবার- ৭ নভেম্বর থেকে ১৮ নভেম্বরের মধ্যে ছয়দিন ঢাকা দক্ষিণের বিভিন্ন অঞ্চলে দিনে আট ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঢাকার আগামসি লেন, বংশাল, ফরিদাবাদ, জুরাইন ও শ্যামপুরসহ বিভিন্ন অঞ্চলের ছয়টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র মেরামত করবে ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি)।

৭ নভেম্বর থেকে শুরু হয়ে ৬ দিনের সূচিতে ৬টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র মেরামতের কাজ শেষ হবে ১৮ নভেম্বর।

এ সময় যে এলাকাতে উপকেন্দ্রের মেরামতের কাজ হবে, সেখানে সকাল ৯টা থেকে বিকেল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

অবশ্য ইতোমধ্যে নিজেদের ওয়েবসাইটে বিদ্যুৎ বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে রাজধানীর একাংশের বিদ্যুৎ সরবরাহ সংস্থা- ডিপিডিসি।

এ বিষয়ে ডিপিডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বিকাশ দেওয়ান বলেন- গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বেশি থাকে, সেজন্য নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের কাজ এ সময় করা যায় না। শীতকালে চাহিদা অপেক্ষাকৃত কম থাকায় প্রতি বছর এ সময়ে বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়। এবারও ছয়টি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্রের মেরামতের কাজ হাতে নিয়েছে ডিপিডিসি। এ সময়ে গ্রাহকের কষ্ট হবে, সেজন্য ডিপিডিসির পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

৭ নভেম্বর যেসব এলাকা বন্ধ থাকবে : শনিবার (৭ নভেম্বর) বংশাল উপকেন্দ্র মেরামত হবে। এজন্য পুরান মোগলটুলী (আংশিক), বংশাল (আংশিক), লুৎফর রহমান লেন (আংশিক), মালিটোলা রোড, হাজি মঈনউদ্দিন রোড (আংশিক), মাজেদ সরকার রোড, আগা সাদেক রোড (আংশিক), আবদুল হাজি লেন, আগামসি লেন, গাজী ওসমান গনি রোড, সিদ্দিক বাজার, কাজী আলাউদ্দিন রোড (আংশিক), হাজি আবদুর রশীদ লেন (আংশিক), বংশাল রোড (আংশিক), সিক্কাটুলি, নর্থ সাউথ রোড এবং সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

৯ নভেম্বর যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে : পোস্তগোলা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র মেরামত করা হবে ৯ নভেম্বর সোমবার। এদিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে আলমবাগ ও রাজবাড়ী এলাকায়।

১২ নভেম্বর যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে : আইজিগেট বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র মেরামত করা হবে ১২ নভেম্বর। এদিন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে আলমগঞ্জ, ফরিদাবাদ, লোহারপুল, এনসিজি রোড, কালীচরণ সাহা রোড, এস কে দাস রোড, কে বি রোড, মনির হোসেন রোড, শাহ সাহেব লেন, শরৎ গুপ্ত রোড, নারিন্দা পুলিশ ফাঁড়ি, সাদেক হোসেন খোকা মার্কেট, বানিয়া নগর মোড়, বেগমগঞ্জ, রাজধানী সুপার মার্কেট, মীর হাজিরবাগ পাইপ রাস্তা, বাগিচা মসজিদ, তামিরুল মিল্লাত মাদ্রাসা, দয়াগঞ্জ (আংশিক), গেন্ডারিয়া এবং সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

১৪ নভেম্বর যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে : ১৪ নভেম্বর মতিঝিল বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। এদিন ফকিরাপুল, উত্তর কমলাপুর, দক্ষিণ কমলাপুর, কমলাপুর বাজার রোড, কবি জসিমউদ্‌দীন রোড (আংশিক), আরামবাগ বক্স কালভার্ট রোড, ফকিরাপুল প্রথম গলি, গরম পানির গলি, বাগানবাড়ি, মালেক মার্কেট, কেওয়াই প্লাজা, জনতা ব্যাংকের পেছন থেকে বিসিক ভবন এবং সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

১৬ নভেম্বর যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে : ১৬ নভেম্বর পোস্তগোলা বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র মেরামত করা হবে। এদিন আলমবাগ, পোস্তগোলা ডিআইটি জুরাইন বাজার, পোস্তগোলা রেলওয়ে মার্কেট, পূর্ব জুরাইন, হাজি খোরশেদ আলী সরদার রোড, ঋষি পাড়া, বউবাজার, মেডিকেল রোড, মুরাদপুর হাইস্কুল রোড, জুরাইন কবরস্থান, জুরাইন চেয়ারম্যানবাড়ি, ধালকানগর লেন, আল আমিন এক্সপ্রেস ও সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না।

১৮ নভেম্বর যেসব এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবে না : ১৮ নভেম্বর শ্যামপুর বিসিক উপকেন্দ্রের মেরামতের কাজ শুরু হবে। এদিন বিদ্যুৎ থাকবে না রাজবাড়ী, শ্যামপুর, বিক্রমপুর হাউজিং, আলবহর, নতুন আলীবহর, নতুন শ্যামপুর, শ্যামপুর শিল্প এলাকা, পালপাড়া, গুলবাগ, শ্যামপুর রোড ১১ নম্বর রোড, হানিফ স্টিল, হোসেন স্টিল, এইচ আর রোলিং ও সংলগ্ন এলাকায়।

এ বিষয়ক : এবার ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিলে হতবাক জয়া