Category: ব্যাংক, বিমা, পুঁজিবাজার, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি

এস আলমের সঙ্গে চুক্তি বাতিল দাবি ৬৮ বিশিষ্ট নাগরিকের

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : চট্টগ্রামের বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রে বকেয়া বেতন আদায়ের দাবিতে ডাকা সমাবেশে পুলিশের গুলিতে ৫ শ্রমিক নিহত হওয়ার ঘটনাকে আইনের শাসন পরিপন্থি, গর্হিত অপরাধ ও গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য লজ্জাকর বলে উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছেন লেখক, শিক্ষক, আইনজীবী, অধিকারকর্মিসহ ৬৮ জন বিশিষ্ট নাগরিক।

এই ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার-বিভাগীয় তদন্ত দাবি করে দোষী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছেন তাঁরা।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের পক্ষে বাংলাদেশের বৈদেশিক দেনা বিষয়ক কর্মজোটের (বিডাব্লিউজিইডি) সদস্য সচিব হাসান মেহেদীর সই করা বিবৃতিটি গণমাধ্যমের কাছে আসে।

এতে বলা হয়, ‘বকেয়া মজুরির দাবিতে সমাবেশরত নিরীহ শ্রমিকদের ওপর গুলিবর্ষণ একটি গর্হিত অপরাধ ও গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য লজ্জাকর। আমরা এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করছি। বকেয়া মজুরির দাবিরত শ্রমিকদের উপর গুলি চালানোর ঘটনা আইনের শাসনের পরিপন্থি।’

‘এমন নির্মম ও অবিবেচনাপ্রসূত হত্যাকাণ্ড ক্ষমতার অপপ্রয়োগ এবং চরম অনাচারের শামিল।’

বাংলাদেশের সংবিধান ও আইনে পুলিশ কোনও অবস্থাতেই নিরীহ শ্রমিকদের ওপর গুলি চালানোর অনুমতি পেতে পারে না জানিয়ে বিশিষ্ট নাগরিকরা আরও বলেছেন, ‘পুলিশ প্রবিধান ১৯৪৩-এর বিধান অনুসারে নিরাপত্তার জন্য হুমকিমূলক সমাবেশ অন্য কোনোভাবে ছত্রভঙ্গ না করা গেলে সর্বশেষ পন্থা হিসেবে ন্যূনতমভাবে শক্তি প্রয়োগের বিধান রয়েছে এবং সেক্ষেত্রে গুলি চালানোর আগে বার বার সাবধান করতে হবে এবং তা চালাতে হবে কাউকে হত্যা করা না, বরং সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করার উদ্দেশ থেকে।’

এক্ষেত্রে আইনের বিধান প্রতিপালন করা হয় নি জানিয়ে তাঁরা দাবি করেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর আইন অমান্য করার দায় সাধারণ নাগরিকদের চেয়ে কোনও অংশেই কম নয়। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের ও গুলিবর্ষণের ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার-বিভাগীয় তদন্ত দাবি করছি এবং দোষি পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।’

করোনাভাইরাস মহামারির এই দুর্যোগে শ্রমজীবী মানুষের মজুরি না দেওয়া শ্রম আইন ও মানবাধিকারের লঙ্ঘন জানিয়ে তাঁরা বলেছেন, ‘এস আলম কেনো শ্রমিকদের বকেয়া বেতন পরিশোধ করে নি, তার যথাযথ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন।’

সকল শ্রমিকের বকেয়া মজুরি দ্রুত পরিশোধের দাবি জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়, ‘শ্রমিকদের মজুরি প্রদানে অবহেলা করার কারণে এস আলম গ্রুপের সঙ্গে কয়লা-বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণে সরকারের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে, তা বাতিলের দাবি জানাই।’

বাঁশখালি বিদ্যুৎকেন্দ্রকে ঘিরে এর আগে ২০১৬ ও ২০১৭ সালেও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে এবং সেসব ঘটনায় কমপক্ষে মোট ৬ জন নিহত ও শতাধিক আহত হলেও হত্যাকাণ্ডের কোনো সুষ্ঠু বিচার হয় নি বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিবৃতিতে।

বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে আছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, মানবাধিকার কর্মি হামিদা হোসেন, অধ্যাপক আকমল হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ, নিজেরা করির সমন্বয়কারী খুশি কবীর, ব্র্যাকের নির্বাহী চেয়ারম্যান হোসেন জিল্লুর রহমান, টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান, মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম এবং আলোকচিত্রী শহিদুল আলমসহ ৬৮ জন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপন : পর্যাপ্ত নোটসহ খোলা থাকবে এটিএম

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : লকডাউনে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এক্ষেত্রে পর্যাপ্ত নোটসহ এটিএম বুথগুলো খোলা রাখার ব্যাপারে নির্দেশনা এসেছে। পাশাপাশি দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর স্থল, নৌ ও বিমান বন্দর এবং এডি (বৈদেশিক লেনদেনে নিয়োজিত অথরাইজড ডিলার) ও এডি কার্যালয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ প্রধান কার্যালয়ের শাখা সীমিত পরিসরে স্বল্প জনবল দিয়ে খোলা রাখা এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিং চালু রাখার ব্যাপারেও নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর আগে এমন নির্দেশনা আসছে বলে প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলাকাগজ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে লকডাউনে ব্যাংকিং কার্যক্রম নিয়ে এমন নির্দেশনাসহ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। যাতে বলা হয়েছে, এটিএম বুথ ও অন্যান্য (উল্লেখিত) ব্যাংকিং চালু থাকলেও সাধারণ ব্যাংকিং বন্ধ থাকবে।

অফসাইট সুপারভিশন বিভাগের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) আনোয়ারুল ইসলাম স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপন আসছে : ব্যাংকের স্থল ও নৌ বন্দর, এডি শাখা এবং প্রধান কার্যালয় সীমিত পরিসরে খোলা রাখার সিদ্ধান্ত

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দেশের তফসিলি ব্যাংকগুলোর স্থল ও নৌ বন্দর, এডি (বৈদেশিক লেনদেনে নিয়োজিত অথরাইজড ডিলার) এবং এডি কার্যালয়ের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ শাখা সীমিত পরিসরে স্বল্প জনবল দিয়ে খোলা রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকে সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ ব্যাপারে সোমবার (১২ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। যেখানে এসব সিন্ধান্ত নেওয়া হয়। বৈঠকটি সন্ধ্যায় শেষ হয়।

এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বাংলা কাগজকে বলেন, লকডাউন চলাকালীন ব্যাংকের লেনদেনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গভর্নর ফজলে কবিরের নেতৃত্বে (সোমবার : ১২ এপ্রিল) বিকেলে বাংলাদেশ ব্যাংকে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‘লকডাউন চলাকালীন দেশের সকল তফসিলি ব্যাংক বন্ধ থাকবে। তবে স্থল ও নৌ বন্দরে ব্যাংকের শাখা খোলা রাখা যাবে। একইসঙ্গে কোনও ব্যাংক যদি মনে করে নির্দিষ্ট কোনও এডি শাখা খোলা রাখা দরকার, তাহলে স্ব বিবেচনায় সে শাখাটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য খোলা রাখা যাবে। আর এডি শাখার সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রধান কার্যালয়ের বিভাগগুলো সীমিত জনবল দিয়ে সচল রাখা যাবে।’

‘কঠোর লকডাউনের’ আগে দু’দিন ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়লো

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : মহামারির মধ্যে ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন’ শুরুর আগের দুইদিন ব্যাংকগুলোতে আধা ঘণ্টা বাড়তি সময় লেনদেন হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক রবিবার (১১ এপ্রিল) এক প্রজ্ঞাপনে জানিয়েছে, ১২ এপ্রিল সোমবার এবং ১৩ এপ্রিল মঙ্গলবার ব্যাংকে লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত।

আর লেনদেনের পরের আনুষঙ্গিক কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনে বিকাল ৩টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।

এমনিতে ব্যাংকে লেনদেন হয় সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত। কিন্তু লকডাউনের কড়াকড়ির কারণে গত ৫ এপ্রিল থেকে ব্যাংকে লেনদেন হচ্ছিলো সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

লেনদেনের পরের আনুষঙ্গিক কাজের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাংক শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ বেলা ২টা পর্যন্ত খোলা রাখা হচ্ছিলো।

এরপর ১৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে সার্বাত্মক লকডাউনে জরুরি সেবা ছাড়া (সঙ্গত কারণে শিল্প কারখানা খোলা থাকবে) সবকিছু বন্ধ করে দেওয়ার কথা।

সে কারণে তার আগের দুদিন লেনদেনের সময় আধা ঘণ্টা বাড়ানো হলো বলেই বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

লকডাউনে শিল্প কারখানা খোলা থাকবে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : করোনাভাইরাস সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে ১৪ এপ্রিল থেকে কঠোর লকডাউনে শিল্প কারখানা খোলা থাকবে।

ভার্চুয়াল মাধ্যমে রবিবার (১১ এপ্রিল) বেলা ৩টায় মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সভাপতিত্বে একটি বৈঠক হয়। এতে এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম, তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোহাম্মদ আবদুস সালাম ও নবনির্বাচিত সভাপতি ফারুক হাসান, নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বস্ত্রকল মালিকদের সংগঠন বিটিএমএর সভাপতি মোহাম্মদ আলী অংশ নেন।

বৈঠক শেষে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বাংলা কাগজকে বলেন, ‘১৪ এপ্রিল থেকে সম্পূর্ণ লকডাউন হলেও শিল্প কারখানা চলবে। মন্ত্রী পরিষদ সচিব আমাদের নিশ্চিত করেছেন।’

‘লকডাউনে শিল্প কারখানা ছাড়া সব বন্ধ থাকবে। মানুষের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এ ছাড়া ব্যাংক বন্ধ থাকতে পারে। তাতে আমদানি রপ্তানিতে সমস্যা হবে। এ বিষয়েও পরিস্থিতি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মন্ত্রী পরিষদ সচিব।’

অবশ্য সরকার এ বিষয়ে এখনো প্রজ্ঞাপন জারি করে নি। আজ বা কাল সোমবার প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম।

এর আগে দুপুরে লকডাউনে পোশাক ও বস্ত্র কারখানা খোলা রাখার দাবি জানায় পোশাক খাতের চার সংগঠন বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, বিটিএমইএ ও ইএবি।

গাউছিয়া খোলার দাবিতে মানববন্ধন

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; বিশ্বজিৎ দাস রনি, রুপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) : রুপগঞ্জের ভূলতা ইউনিয়নের গাউছিয়া এলাকায় দেশের বৃহৎ পাইকারি কাপড়ের মোকাম গাউছিয়া মার্কেট খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ব্যবসায়ীরা।

সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের গাউছিয়া এলাকায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধন শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে ব্যবসায়িরা বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মেনে মার্কেট খুলে দেওয়ার দাবি করছি আমরা।’

‘এমনিতেই করোনার সময়ে আমাদের ব্যবসা মন্দা, তার ওপর লকডাউনের সময় শপিংমল বন্ধ রাখার ঘোষণায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছি।’

‘এমনভাবে চলতে থাকলে আমাদের পরিবার নিয়ে জীবনযাপন করা দুর্বিষহ হয়ে দাঁড়াবে। আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মাসিক ভাড়া ও বিদ্যুৎ-বিল দেওয়াও কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়াবে। তার ওপর কর্মচারিদের বেতন দিতে হিমশিম খেতে হবে।’

এ সময় গাউছিয়া মার্কেটের প্রায় ১০ হাজার ব্যবসায়ির পক্ষ থেকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারিরা দোকান খুলে দিতে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

আত্রাইয়ে সপ্তাহেই টাকা দ্বিগুণের ফাঁদে সাধারণ মানুষ : এনআরবি গ্লোবাল লাইফ হাতিয়ে নিয়েছে কয়েক কোটি টাকা! : অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ; এ কে এম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ : ‘যা জমা দেবেন, ১ সপ্তাহের মধ্যে তার দ্বিগুণ ফেরত পাবেন’ এমন প্রলোভন দেখিয়ে এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড নামক একটি প্রতিষ্ঠান আত্রাইয়ের জনগণের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছিলো কোটি কোটি টাকা।

এ ঘটনায় আত্রাই উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকতেখারুল ইসলাম আত্রাই থানা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালিয়ে ওই অফিস থেকে ৩ জনকে আটক করেছেন।

এ ব্যাপারো ভূক্তভোগিরা আত্রাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

প্রাপ্ত অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার খোলাপাড়া নামক স্থানে ‘এনআরবি গ্লোবাল লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেড’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রায় ৩ মাস আগে তাদের কার্যক্রম শুরু করে। কিন্তু ইন্স্যুরেন্সের আড়ালে প্রতিষ্ঠানটি এলাকার তরুণিদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বি করার প্রলোভন দেখিয়ে সঞ্চয়ি হিসাব খুলতে উদ্বুদ্ধ করেন। প্রতিষ্ঠানটির প্রতারণার শিকার হয়ে এলাকার বিভিন্ন গ্রামের ৬ শতাধিক মহিলা সেখানে সঞ্চয় হিসাব খুলেন। এসব সঞ্চয়ি হিসাব খোলার পর মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেবার কথা বলে ‘বড় অংকের টাকা’ জমা রাখতে বলা হয়। তখন প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়, আপনারা এখন যা রাখবেন, এর দ্বিগুণ ফেরত পাবেন। এবং সেটি পাবেন ১ সপ্তাহের মধ্যেই। এমন কথা শুনে সঞ্চয়ি হিসাব খোলা ওই ৬ শতাধিক নারির প্রায় সকলে ৫০ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা বা এর কমবেশি করে জমা দেন। কিন্তু ১ সপ্তাহ যাবার পরও প্রতিষ্ঠানটি ভুক্তভোগি নারিদের দ্বিগুণ অর্থ ফেরত না দেওয়ার পাশাপাশি আসল অর্থও ফেরত দিচ্ছিলো না। একইসঙ্গে প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তারিখের পর তারিখ দেওয়া হচ্ছিলো। আর এমন কালক্ষেপণ হওয়ার পর ভুক্তভোগিরা অভিযোগ করলে রবিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় আত্রাই উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ইকতেখারুল ইসলাম অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানকালে অফিসে কর্মরত ম্যানেজার নূরুন্নবী ইসলাম (৪৮); কর্মচারি বকতিয়ার হোসেন ডায়মন্ড (৩৩) ও রবিউল ইসলাম (ছানা) কে (৩৫) আটক করেন।

ভুক্তভোগি নারিদের মধ্যে মহাদিঘী গ্রামের লিপি, শাহেরা শারমিন, মাহবুবা খানম, সুমাইয়া সনি; কাশিয়াবাড়ি গ্রামের বৃষ্টি আক্তার; জাতপাড়া গ্রামের হিরা; শাহাগোলা গ্রামের সুমাইয়া সুলতানা এবং শিমুলিয়া গ্রামের সাবিনা বাংলা কাগজকে জানান, তাঁরা (৬ শতাধিক নারি) প্রত্যেকে ৫০ হাজার টাকা থেকে সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত এনআরবি গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সে জমা দিয়েছেন। কিন্তু তাঁরা এখন দ্বিগুণ ফেরত পাওয়া তো দূরের কথা, আসলও পাচ্ছেন না।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি : তদন্ত) মোজাম্মেল হক কাজী বাংলা কাগজকে বলেন, ইন্স্যুরেন্সের আড়ালে প্রতিষ্ঠানটি ভয়াবহ প্রতারণা বাণিজ্য করছিলো।

‘আটক ৩ জনকে নওগাঁ জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।’

উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) ইকতেখারুল ইসলাম বাংলা কাগজকে বলেন, ‘গোপন সংবাদেরভিত্তিতে এনআরবি গ্লোবাল ইন্স্যুরেন্সে অভিযান পরিচালনা করে, যাদেরকে পেয়েছি তাদেরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছি। তবে মূল ব্যক্তিদের পাওয়া যায় নি।’

৫ এপ্রিল : সুভাষচন্দ্র বসু রেঙ্গুনে আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্ক স্থাপন করেন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আজ সোমবার; ৫ এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ; ২২ চৈত্র, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)।

আজকের দিনটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের ৯৫তম দিন।

এ হিসাবে, বছর শেষ হতে আরও ২৭০ দিন বাকি রয়েছে।

এইদিনে সুভাষচন্দ্র বসু রেঙ্গুনে আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্ক স্থাপন করেন।

ঘটনাবলি :
১০৪৬ : নাসের খসরু তাঁর ৭ বছরের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ভ্রমণ শুরু করেন, যার বিবরণ পরে তার ‘সাফামামা’ বইটিতে দিয়েছিলেন।
১৬১৬ : ক্যাথলিক চার্চ কর্তৃপক্ষ নিকোলাস কোপার্নিকাসের বই বাতিল করা হয়।
১৭৫৩ : বৃটিশ যাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৭৯৪ : ফরাসি বিপ্লবের অন্যতম নায়ক হিসেবে পরিচিত জর্জ ডাটনকে গিলোটিনের মাধ্যমে প্রাণদণ্ড কার্যকর করা হয়।
১৮৮০ : শিবপুর বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৮৯৯ : দক্ষিণ আফ্রিকা ৩৫ রানে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে অল আউট হয়।
১৯১৮ : জার্মান বাহিনি তাঁদের আনুষ্ঠানিকভাবে অপারেশন মাইকেলের সমাপ্তি ঘোষণা করে।
১৯৩১ : ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেলও মহাত্মা গান্ধীর মধ্যে চুক্তি সই হয়। যা ছিলো রাজনৈতিক বন্দিদের মুক্তি এবং গরিবের জন্য লবণের অধিকার সংরক্ষণক বিষয়ক।
১৯৪৪ : সুভাষচন্দ্র বসু রেঙ্গুনে আজাদ হিন্দ ব্যাঙ্ক স্থাপন করেন।
১৯৪৫ : যুগোশ্লাভিয়ায় সোভিয়েত সৈন্যদের প্রবশের অনুমতি দিয়ে দেশটির নেতা টিটো ক্রেমলিনের সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেন।
১৯৪৭ : গ্লোরিয়া মাকাপাগাল আরোইয়ো ফিলিপাইনের ১৪তম রাষ্ট্রপতি হন।
১৯৫১ : তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে পরমাণু বিষয়ক গোপন তথ্য পাচারের দায়ে যুক্তরাষ্ট্রের বিজ্ঞানি দম্পতি জুলিয়াস এবং ইথেল রোজেনবার্গকে প্রাণদণ্ড প্রদান করা হয়।
১৯৬০ : কিউবান ফটোগ্রাফার আলবার্তো কোবা মার্কসিস্ট বিপ্লবি চে গুয়েভারার বিখ্যাত ছবিটি তুলেন।
১৯৬৪ : লন্ডনে চালকবিহীন স্বয়ংক্রিয় পাতালরেল চালু হয়।
১৯৭১ : সিসিলিতে এটসা আগ্নেয়গিরি অগ্নুৎপাতে প্রচুর লাভা উদ্‌গিরণ হয়।
১৯৯৫ : বার্লিনে জলবায়ু সংক্রান্ত জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু।

জন্ম :
১৫৮৮ : টমাস হব্‌স, ইংরেজ দার্শনিক জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৬৭৯ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮২৭ : জোসেফ লিস্টার, ব্রিটিশ শল্যচিকিৎসক এবং আধুনিক শল্যচিকিৎসার জনক জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯১২ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৮২ : অবিনাশচন্দ্র ভট্টাচার্য, ব্রিটিশ বিরোধি স্বাধীনতা আন্দোলনের একজন ব্যক্তিত্ব ও অগ্নিযুগের বিপ্লবি জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৯৫ : ইংল্যান্ডের ব্যাটসম্যান চার্লি হ্যালোস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯০০ : স্পেন্সার ট্রেসি, মার্কিন অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯০১ : মেলভিন ডগলাস, মার্কিন অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯০৫ : শিল্পপতি এ কে খান জন্মগ্রহণ করেন।
১৯০৮ : বেটি ডেভিস, মার্কিন অভিনেত্রী জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯১৬ : গ্রেগরি পেক, মার্কিন অভিনেতা জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ২০০৩ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯২৯ : গোলাম সামদানী কোরায়শী, বাংলাদেশের বিশিষ্ট সহিত্যিক, গবেষক ও অনুবাদক (মৃত্যু : ১৯৯১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৩৮ : কলিন ব্ল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ২০১৮ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৪৭ : গ্লোরিয়া মাকাপাগাল আরোইয়ো, ফিলিপাইনের ১৪তম রাষ্ট্রপতি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৫ : আকিরা তোরিয়ামা, জাপানি মাঙ্গা চিত্রশিল্পী ও ভিডিও গেম শিল্পী জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু :
১৯৩২ : প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়, বাঙালি সাহিত্যিক (জন্ম : ০৩/০২/১৮৭৩ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৩৮ : ওয়েস্ট ইন্ডিজের উইকেটকিপার কিরিল ক্রিশ্চিয়ানি।
১৯৩৯ : উইলিয়াম কুপার, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার (জন্ম : ১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৪০ : দীনবন্ধু চার্লস ফ্রিয়ার এন্ড্রুজ, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একনিষ্ঠ সেবক (জন্ম : ১২/০২/১৮৭১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৭৫ : চীনা রাজনৈতিক ও সামরিক নেতা চিয়াং কাই শেকের মৃত্যু হয়।
২০০০ : কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়, ভারতীয় বাঙালি রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী (জন্ম :১২/১০/১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ)।
২০০৭ : লীলা মজুমদার, ভারতীয় বাঙালি লেখিকা (জন্ম : ২৬/০২/১৯০৮ খ্রিস্টাব্দ)।
২০০৮ : চার্লটন হেস্টন, মার্কিন অভিনেতা ও রাজনৈতিক কর্মি (জন্ম : ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ)।
২০০৯ : জর্জ ট্রাইব, অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার (জন্ম : ১৯২০ খ্রিস্টাব্দ)।

দিবস :
জাতীয় সামুদ্রিক দিবস, ভারত।

বাংলা কাগজে প্রতিবেদন : বিকাশসহ সব মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন বিনা মাশুলে, সীমা ২ লাখ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ব্যক্তিগত নম্বর থেকে ব্যক্তিগত নম্বরে (পি-টু-পি) লেনদেনের ক্ষেত্রে বিকাশে ১০ টাকা মাশুল নেওয়াসহ প্রতিষ্ঠানটির আরও নানান গুরুতর অসঙ্গতি নিয়ে ‘নির্দেশনা মানছে না বিকাশ, অবহেলা কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও! : কঠোরতার ‘হুঁশিয়ারি’’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বাংলা কাগজ।

গত ৯ মার্চ ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর ৪ এপ্রিল পর্যন্ত অধিকাংশ সময়ই নিউজটিকে লিড হিসেবে রেখে দিয়েছিলো বাংলা কাগজ। কারণ তাতে বলা হয়েছিলো, বিকাশ এজেন্টদের কিছু লেনদেনের কারণে সন্ত্রাসে অর্থায়নের কথা।

সবমিলে ওই প্রতিবেদন প্রকাশের পর অবশেষে ৪ এপ্রিল ব্যক্তিগত হিসাবে লেনদেনের সীমা বাড়ানোর সঙ্গে বিকাশসহ সকল মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেন বিনা মাশুলেই করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগের প্রজ্ঞাপন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের প্রজ্ঞাপন।

আর্থিক খাতের এ নিয়ন্ত্রক সংস্থা রবিবার (৪ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেমস বিভাগ থেকে জারি করা ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি (পি-টু-পি) প্রতি মাসে ২ লাখ টাকা লেনদেন করা যাবে, আগে যা ছিলো ৭৫ হাজার টাকা। এরমধ্যে পি-টু-পিতে প্রতি মাসে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত লেনদেনে কোনও মাশুল আদায় করা যাবে না। তবে প্রতিবার লেনদেনে সর্বোচ্চ সীমা হবে ১০ হাজার টাকা।

বর্তমানে যেসব অপারেটর বিভিন্ন অফার দিয়েছে, তাও এর আওতায় পড়বে। তবে চাইলে যে কেউ গ্রাহকদের আরও সুবিধা দিতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনে বাংলাদেশ ব্যাংক আরও বলেছে, ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে।

এ ছাড়া এটিএম বুথে পর্যাপ্ত টাকা রাখতে হবে ও নিয়মিত জীবাণুনাশক ব্যবহার করতে হবে।

পাশাপাশি ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের তারিখ সরকার চলাচলে ঘোষিত বিধিনিষেধ আরোপকালিন সময়সীমার মধ্যে হলে বিল পরিশোধের তারিখ নিষেধাজ্ঞা স্থগিত হওয়ার পর ৫ কর্মদিবস পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। বিল পরিশোধের সময়সীমা পর্যন্ত বিলম্বে পরিশোধের জন্য কোনও অতিরিক্ত মাশুল ও সুদ আরোপ করা যাবে। এ ক্ষেত্রে পরবর্তী মাসের বিলে, পূর্ববর্তী মাসের বিলের সুদের ওপর কোনও প্রকার নতুন সুদ আরোপ করা যাবে না বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এদিকে বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগ থেকে একইদিন জারি করা অপর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, লকডাউন সময়কালে ব্যাংকিং সময় হবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ২টা।

রোববার বিজিএমইএ নির্বাচন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : নতুন নেতৃত্ব বেছে নিতে রোববার (৪ এপ্রিল) ভোট দেবেন তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ’র দুই হাজারেরও বেশি সদস্য।

বেশ কয়েক দিনের সরব প্রচার শেষে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারি ২ প্যানেলের প্রার্থিরা এখন সর্বশেষ প্রস্তুতিতে রয়েছেন।

সম্মিলত পরিষদ ও ফোরাম প্যানেল থেকে ৩৫ পরিচালক পদে জয়ি হতে দ্বিবার্ষিক এ নির্বাচনে প্রার্থি হয়েছেন ৭০ জন।

উভয় প্যানেলে এবার বেশ কয়েকজন তরুণ প্রার্থি রয়েছেন। তাঁদের বাবা-মা বর্তমানে এবং আগে বিভিন্ন মেয়াদে বিজিএমইএকে নেতৃত্ব দিয়েছেন।

ঢাকায় হোটেল র‍্যাডিসন ব্লু এবং চট্টগ্রামে বিজিএমইএ এর নিজস্ব আঞ্চলিক কার্যালয়ে ভোট নেওয়া হবে। এ নির্বাচনে বিজয়ী পরিচালকরা এরপর সভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচন করবেন।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ভোটের সময়েও কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। নতুন সূচি অনুযায়ী তিন ঘণ্টা সময় বাড়িয়ে রোববার সকাল ৯টা থেকে ৭টা পর্যন্ত ভোট হবে। আগের সময় ছিল সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত।

তফসিল অনুযায়ি, ঢাকা অঞ্চলে ১ হাজার ৮৫৩ এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলে ৪৬১ পোশাক কারখানা মালিক ভোট দেবেন।

দেশে গত কয়েকদিন ধরে রেকর্ড কোভিড-১৯ সংক্রমণের মধ্যে রোববার বিজিএমইএর এই নির্বাচন হতে যাচ্ছে। যদিও নির্বাচন কমিশন ১১ এপ্রিল অনুষ্ঠিতব্য বেশ কিছু নির্বাচন স্থগিত করেছে। অন্যদিকে সোমবার থেকে এক সপ্তাহের জন্য ‘লকডাউন’ আসার কথা শনিবার সকালে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

বিজিএমইএ এর নির্বাচন পরিচালনা বোর্ড সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকি এড়াতে বেশ কিছু সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে। তবে ভোটারদের কেন্দ্রে উপস্থিত করা এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি কমিয়ে আনার নিয়ে সংশয়ে আছেন প্রার্থিরা।

নির্বাচনি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ ফরহাত আনোয়ার বলেন, ‘আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন করতে বাধ্য। নির্বাচন আয়োজনও সরকারের পরিকল্পনা; আর স্বাস্থ্যবিধি পালন করাও সরকারের নির্দেশ। যে ১৮ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে পালন করা হবে।’

ভোট কেন্দ্রে স্বাস্থ্যবিধি বজায় রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন নির্বাচন পরিচালনায় যুক্ত কর্মকর্তারা। নির্বাচন বোর্ডের সচিব অবসরপ্রাপ্ত মেজর রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘মহামারি বিবেচনায় রেখে ভোট নেওয়ার সময় বাড়িয়ে সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত করা হয়েছে। যাতে গাদাগাদি না হয়, ভোটাররা তাঁদের নির্ধারিত সময়ে এসে ভোট দিয়ে যেতে পারেন।’

তিনি জানান, ভোটারদের বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে, তাদের ভোট দেওয়ার সময় নির্দিষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে। মোবাইল ফোনে এসএমএস পাঠিয়ে নির্ধারিত সময় জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজারসহ অন্যান্য স্বাস্থ্য সুরাক্ষা সমগ্রীও থাকবে।

নির্বাচনি বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফরহাত জানান, নির্বাচনে শৃঙ্খলা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাহায্য চাওয়া হয়েছে। এছাড়া ফলাফল যাতে তাড়াতাড়ি প্রকাশ করা যায় সেই ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

এর আগে ২০১৩ সালে ফোরাম ও সম্মিলিত পরিষদ প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিজিএমইএ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল। সেবার ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র আতিকুল ইসলাম সম্মিলিত পরিষদ থেকে সভাপতি হয়েছিলেন।

২ বছর পর সমঝোতার ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচনে যায় উভয় প্যানেল। সম্মিলিত পরিষদের সিদ্দিকুর রহমানকে সভাপতি করে নতুন পর্ষদ গঠন করা হয়। এরপর নানা কারণে কমিটির মেয়াদ দুই বছর থেকে তিন দফায় বাড়িয়ে চার বছর (৪৩ মাস) করা হয়েছিল। ২০১৯ সালে আবারও সমঝোতার নেতৃত্ব আনার চেষ্টা করা হলেও শেষ মুহূর্তে স্বাধীনতা পরিষদের উত্থানে ভোটগ্রহণের বাধ্যবাধকতা তৈরি হয়। ওই বছর ফোরাম ও সম্মিলিত পরিষদ জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচন করে ৩৫টি পদের সবগুলোতে বিজয়ি হয়।

চূড়ান্ত প্রার্থি যাঁরা : ফোরাম এর প্রার্থিরা হলেন: হান্নান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবিএম শামসুদ্দিন মিয়া; প্যানেল লিডার।

ঢাকা অঞ্চল : এমজি শার্টেক্সের রুবানা হক, হান্নান ফ্যাশনসের এ বি এম সামসুদ্দিন, এজে ফ্যাশনসের আনোয়ার হোসেন চৌধুরী, আমিতি ডিজাইনের শিহাবুদৌজা চৌধুরী, অনন্ত গার্মেন্টের এনামুল হক খান বাবু, দেশ গার্মেন্টের ভিদিয়া অমৃত খান, দিগন্ত সোয়েটারের কামাল উদ্দিন, ড্রেসম্যান গার্মেন্ট মাশিদ রুম্মান আবদুল্লাহ, দুলাল ব্রাদার্সের এম এ রহিম ফিরোজ, এভিটেক্স ড্রেস শার্ট শাহ রিয়াদ চৌধুরী, ফেব্রিকা নিট কমপোজিটের মিজানুর রহমান, ফ্যাশন ডটকমের খান মনিরুল আলম, ফ্যান্ডস স্ট্যাইলওয়্যারের এ এম মাহমুদুর রহমান, ইমপ্রেস নিউটেক্স কমপোজিট টেক্সটাইলের নাফিস উদ দৌলা, কেইলক নিউএজ বাংলাদেশের আসিফ ইব্রাহিম, ম্যাগপাই নিটওয়্যারের মজুমদার আরিফুর রহমান, মানামি ফ্যাশন্সের তাহসিন উদ্দিন খান, এমজি নিট ফ্লেয়ারের নাভিদুল হক, নেক্সাস সোয়েটারের রশীদ আহমেদ হোসাইনি, ওডিশা ফ্যাশন্সের ইকবাল হামিদ কোরাইশী আদনান, রাইজিট অ্যাপারেলসের মাহমুদ হাসান খান বাবু, সফটটেক্স সোয়েটারের রেজওয়ান সেলিম, সুরমা গার্মেন্টের ফয়সাল সামাদ, ট্রাউজার লাইনের রানা লায়লা হাফিজ, ওয়েগা ফ্যাশন সুয়েটারের মেজবাহ উদ্দিন আলী ও জিসাস ফ্যাশন্সের নজরুল ইসলাম।

চট্টগ্রাম অঞ্চল : অ্যারিয়ন ড্রেসের মোহাম্মদ আতিক, চিটাগং এশিয়ান অ্যাপারেলসের মোহাম্মদ আবদুস সালাম, ক্লিপটন অ্যাপারেলসের এম মহিউদ্দিন চৌধুরী, ম্যাগি অ্যান্ড লিজ অ্যাপারেলসের এনামুল আজিজ চৌধুরী, মেলো ফ্যাশনসের শরীফ উল্লাহ, রিজি অ্যাপারেলসের মির্জা মো. আকবর আলী চৌধুরী, রেন্সকো সোয়েটারের মোহাম্মদ দিদারুল আলম, দ্য নিড অ্যাপারেলসের রিয়াজ ওয়েজ ও উল ওয়ার্ল্ডের খন্দকার বেলায়েত হোসেন।

সম্মিলিত পরিষদ এর প্রার্থিরা হলেন : জায়ান্ট টেক্সটাইলের ফারুক হাসান প্যানেল লিডার।

ঢাকা অঞ্চল : অ্যাডামস অ্যাপারেলসের শহিদুল হক মুকুল, ব্রাদার্স ফ্যাশন্সের আবদুল্লাহ হিল রাকিব, ক্লাসিক ফ্যাশনসের শহীদউল্লাহ আজিম, ক্রনি ফ্যাশনসের নীরা হোসনে আরা, ডেনিম এক্সপার্টের মহিউদ্দিন রুবেল, ডিজাইন অ্যান্ড সোর্সের জাহাঙ্গীর আলম, ডিজাইন টেক্সট

নিটওয়্য্যারের খন্দকার রফিকুল ইসলাম, এনভয় ডিজাইনের শিরিন সালাম ঐশী, এনভয় ফ্যাশন্সের

তানভীর আহমেদ, হামিদ সোয়েটারের ইন্তেখাবুল হামিদ অপু, জে. এফ. কে ফ্যাশন্সের কফিল উদ্দিন আহমেদ, লায়লা স্টাইলের ইমরানুর রহমান, মেইকস গার্মেন্টের আশিকুর রহমান তুহিন, মিসামি গার্মেন্টের মিরান আলী, নিপা ফ্যাশন্সের খসরু চৌধুরী, পশমী সোয়েটারের মশিউল আজম সজল, সাদমা ফ্যাশন্স ওয়্যারের নাছির উদ্দিন, সেহা ডিজাইনের এস এম মান্নান কচি, স্পারো অ্যাপারেলসের শোভন ইসলাম, তরকা ফ্যাশন্সের মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন, টিআরজেড গার্মেন্টের হারুন অর রশীদ, তুসুকা ফ্যাশন্সের আরশাদ জামাল দিপু, উর্মি গার্মেন্টের আসিফ আশরাফ, ভিনটেজ ডেনিমের সাজ্জাদুর রহমান মৃধা শিপন ও ইয়াং ফরেভারের রাজীব চৌধুরী।

চট্টগ্রাম অঞ্চল : এএসআর অ্যাপারেলের এ. এম শফিউল করিম খোকন, অ্যামেকো ফেব্রিক্সের এম আহসানুল হক, ফোর এইচ অ্যাপারেলের মো. হাসান জেকি, এইচকেসি অ্যাপারেলের রকিবুল আলম চৌধুরী, লেগেসি ফ্যাশন্সের তানভীর হাবিব, এনএলজেড ফ্যাশনসের মোহাম্মদ মেরাজ-ই-মোস্তফা, আরএসবি ইন্ড্রাস্ট্রিয়ালের অঞ্জন শেখর দাশ, টপ স্টার ফ্যাশনসের আবসার হোসেন ও ওয়েল ডিজাইনার্সের সৈয়দ নজরুল ইসলাম।

তুহিন রেজাকে এমডি করতে মরিয়া ফার্স্ট ফাইন্যান্স!

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : অনিয়ম, জালিয়াতিতে অভিযুক্ত তুহিন রেজাকেই নিয়মিত এমডি করতে চায় ফার্স্ট ফাইন্যান্স লিমিটেড। তৃতীয় দফায় ১৫ মার্চ প্রতিষ্ঠানটির আবেদন নামঞ্জুর করে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এমডি নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আমানতকারিদের টাকা ফেরত দিতে না পারাসহ বিভিন্ন কারণে আলোচিত ফার্স্ট ফাইন্যান্স। বিভিন্ন অনিয়ম-জালিয়াতিতে অভিযুক্ত প্রতিষ্ঠানটির ভারপ্রাপ্ত এমডি তুহিন রেজার বিরুদ্ধে দুদকে তদন্ত চলছে।

জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংক ও ফার্স্ট ফাইন্যান্সের নিজস্ব তদন্তে তুহিন রেজার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে তাকে কয়েক দফা জ্ঞিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুদক। এ রকম ব্যক্তি ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে এমডির চলতি দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাকে নিয়মিত এমডি হিসেবে নিয়োগের জন্য প্রথম দফায় গত বছরের ১২ মার্চ আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। তা নাকচ করে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি দেয়। সেখানে বলা হয়, তুহিন রেজাকে এমডি নিয়োগের আবেদন নাকচ করা হলো। একই সঙ্গে একজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ এমডি নিয়োগের জন্য পরামর্শ দেওয়া হলো। এরপরও দ্বিতীয় দফায় আবার আবেদন করলে চলতি বছরের ২০ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠানটির আবেদন নামঞ্জুর করে চিঠি দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। চিঠিতে অনতিবিলম্বে একজন নিয়মিত এমডি নিয়োগ দিতে বলা হয়। এর পরও তৃতীয় দফা ৪ মার্চ আবার তুহিন রেজাকেই এমডি নিয়োগের আবেদন করে প্রতিষ্ঠানটি। এ দফায়ও প্রতিষ্ঠানটির আবেদন নাকচ করে নিয়মিত এমডি নিয়োগ দিতে বলা হয়েছে।

তুহিন রেজা ২০১৬ সালে ফার্স্ট ফাইন্যান্সে উপব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়ে মানবসম্পদ বিভাগের দায়িত্ব পান।

যোগদানের পরপরই ক্ষমতার অপব্যবহার করে কোনও ধরনের পরীক্ষা ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ছাড়াই বিভিন্ন পদে গোপনে ২২ জনকে নিয়োগ দেন।

পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের অগোচরে এককভাবে এই নিয়োগের বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্তে ধরা পড়ে।

এ রকম প্রেক্ষাপটে ২০১৭ সালের ৬ মার্চ তুহিন রেজার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

তখন পরিচালনা পর্ষদের দু’জন সদস্য ও তৎকালীন ব্যবস্থাপনা পরিচালক নজরুল হোসেনের নেতৃত্বে একটি তদন্ত কমিটি করে প্রতিষ্ঠানটি। ওই কমিটির তদন্তে তুহিন রেজার বিরুদ্ধে অনিয়মের মাধ্যমে নিয়োগ ও নিজের খেলাপি থাকার তথ্য গোপনের বিষয়টি উঠে আসে। এরপর তুহিন রেজাকে চাকরিচ্যুত করার সিদ্ধান্ত হয়। তবে চাকরিচ্যুতির আগেই ২০১৭ সালের ২ মে তিনি পদত্যাগ করেন। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় পরিবর্তন এসেছে। তখন আবার অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পান তুহিন রেজা। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বিষয়টি জানার পর ২০১৯ সালে এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির ব্যাখ্যা তলব করে। তবে কোনও কিছুর তোয়াক্কা না করে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর তাকে ভারপ্রাপ্ত এমডির দায়িত্ব দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানটির একজন পরিচালক বাংলা কাগজকে বলেন, তুহিন রেজা পরিচালকদের একটি অংশকে নানা অনৈতিক সুবিধা দিয়ে হাত করেছেন।

বর্তমানেও বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া অব্যাহত আছে। ফলে যে কোনও উপায়ে তাকেই এমডি করার জন্য মরিয়া একটি পক্ষ। বাংলাদেশ ব্যাংক বারবার নাকচের পরও কাউকে এমডি নিয়োগে এতো মরিয়া হওয়ার নজির নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহি পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বাংলা কাগজকে বলেন, তুহিন রেজার বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ থাকায় এমডি হিসেবে নিয়োগ দিতে অনাপত্তি দেওয়া হচ্ছে না।