Category: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ

এস আলমের বিদ্যুৎকেন্দ্রে বেতন-ভাতা নিয়ে বিক্ষোভ : শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে নিহত ৫ : আহত অন্তত ৪০

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের নির্মাণাধিন বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে অন্তত ৫ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৪০ জন।

নিহতরা হলেন : আহমদ রেজা (১৮), রনি হোসেন (২২), শুভ (২৪) , মো. রাহাত (২৪) ও রায়হান (১৮)।

আহতদেরকে বাঁশখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আনোয়ার হোসেন বাংলাকাগজকে বলেন, ‘বাঁশখালী বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। ৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।’

জানা গেছে, শনিবার (১৭ এপ্রিল) সকালে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বেতন-ভাতা সংক্রান্ত বিক্ষোভ থেকে বাঁশখালীর গণ্ডামারা ইউনিয়নের পশ্চিম বড়ঘোনায় এস আলমের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হন। তাঁদের মধ্যে আনোয়ার হোসেনের দেওয়া তথ্যের পর পঞ্চম ব্যক্তি মারা যান।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আজিজুল ইসলাম বাংলাকাগজকে বলেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্রে সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হওয়ার খবর পেয়েছি। এ সময় অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।’

৫টি মরদেহ বাঁশখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছে বলে জানান উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শফিউর রহমান মজুমদার।

হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেই জানিয়েছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলব্রত বড়ুয়া বাংলাকাগজকে জানান, বাঁশখালীর বিদ্যুৎকেন্দ্রে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ আরও ৫ জনকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাঁদের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে।

আহতদের ১ জন পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মারা যান বলে জানিয়েছেন শীলব্রত বড়ুয়া। পরে মারা যাওয়া ওই ব্যক্তির নাম রায়হান।

রাঙামাটিতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে মুক্তিযোদ্ধা পরিবার

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; শহিদুল ইসলাম হৃদয়, রাঙামাটি : রাঙামাটি শহরের কাঠালতলীতে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৬টি পরিবারের পাশে গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা বিতরণ করেছে মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখা মহসিন পরিবারের কনিষ্ঠ সন্তান ও সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শহীদুজ্জামান মহসিন রোমান।

সোমবার (১৫ মার্চ) বিকেলে রোমানের ব্যাক্তিগত তহবিল থেকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা বিতরণ করা হয়।

এ সময় সদর উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান দুর্গ্বেশর চাকমা ও নাসরিন আক্তার, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জামাল উদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক ও রেড ক্রিসেন্টের কার্যকরি কমিটির সদস্য সুলতান মাহমুদ বাপ্পা, সদর থানা ছাত্রলীগের সভাপতি নজরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতাকর্মিরা উপস্থিত ছিলেন।

গ্যাস সিলিন্ডার ও চুলা পেয়ে ক্ষতিগ্রস্তরা শহীদুজ্জামান মহসিন রোমানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

দাউদকান্দিতে গ্যাস রাইজার অরক্ষিত : বড় দুর্ঘটনার শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; কামরুল হক চৌধুরী, দাউদকান্দি (কুমিল্লা) : কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এখনও অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে গ্যাস রাইজার। আর গ্যাস রাইজার অরক্ষিত থাকার কারণে অল্পের জন্য একটি বড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন উপজেলার চাঁদগাঁও গ্রামের বাসিন্দারা।

জানা গেছে, রোববার (১৪ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার শহীদনগর এম এ জলিল হাইস্কুলের উত্তর পাশের সড়কে আলু বোঝাই একটি মিনি ট্রাক ঘুরানোর সময় খন্দকার সানাউল্লাহ মিয়ার গ্যাস রাইজারে আঘাত করে।

এতে বিকট শব্দ করে গ্যাস বের হতে থাকে। আতঙ্কিত এলাকাবাসি ঘটনাস্থলে ছুটে গেলেও দাঁড়িয়ে থাকা ছাড়া কিছুই করতে পারছিলেন না।

পরে স্থানীয় যুবক আলামিন রেঞ্জ নিয়ে গিয়ে সাহস করে গ্যাস বের হওয়া বন্ধ করতে সমর্থ হন।

অথচ পাশেই বিদ্যুতের খুঁটি এবং অনেক ঘরবাড়ি রয়েছে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারতো।

ঘটনাস্থলের পাশের দোকানদার ব্যবসায়ি আবদুল মতিন বাংলা কাগজকে বলেন, ‘আজকে আমরা বাঁচতে পেরেছি। কিন্তু এখন আমরা ভয়ের মধ্যে থাকবো।’

এদিকে ওই ঘটনায় স্থানীয় লোকজন ট্রাক চালককে আটকালেও তিনি ক্ষমা চান এবং ক্ষতিপূরণ প্রদান করে চলে যেতে সমর্থ হন।

স্থানীয় শিক্ষক বদিউল আলম বাবুল বাংলা কাগজকে বলেন, ‘আসলে আমাদের সকলকেই আরও সচেতন হতে হবে। এভাবে একটা রাইজার খোলা রাখাটাও যেমন ঠিক নয়; আবার গাড়ি চালানোর সময়ও এতোটা তাড়াহুড়ো করে চালানো ঠিক নয়। তবে ড্রাইভাররা গাড়ি ঘোরানোর সময় রাইজারে আঘাত করতেই পারেন। তাই গ্যাস রাইজার কোনোভাবেই অরক্ষিত রাখা ঠিক নয়।

প্রাত্যহিক জীবনে সৌরবিদ্যুৎ (ভিডিও)

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সোলারের (সৌরবিদ্যুৎ) ব্যবহার বাড়াতে পারেন। ব্যবহার করতে পারেন আপনার বাসার সামনের স্থানে, আপনার বাসার ছাদে এবং সরকার ব্যবহার করতে পারে পার্কেও।

দেখুন ভিডিও। ইউটিউবের সৌজন্যে :

এখনও নিবন্ধনহীন ব্যাটারিচালিত যান, জ্বালানি উপদেষ্টার ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : উদ্যোগ নেওয়ার ৩ বছর পরও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা (ইজিবাইক) ও অন্যান্য গণপরিবহন নীতিমালার আওতায় না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী।

আগামি ৩ মাসের মধ্যে একটি প্রাথমিক নীতিমালা চূড়ান্ত করে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনে ব্যাটারিচালিত এসব যানবাহনের নিবন্ধন শুরু করতে সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করেছেন তিনি।

খনিজ জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির বিপরীতে বিদ্যুৎ সহজলভ্য হওয়ায় ইজিবাইকের ব্যবহার বাড়তে থাকলেও এটি সড়কে দুর্ঘটনার কারণও হয়ে দাঁড়ায়।

দেশে ১৫ থেকে ২০ লাখ ইজিবাইক, ব্যাটারিচালিত রিক্সা, ভ্যান রয়েছে বলে ধারণা করা হলেও সঠিক কোনও পরিসংখ্যান নেই।

যদিও প্রতিবেশি দেশে দুই দশক আগেই এ ধরনের যানবাহন নিয়ে একটি নীতিমালা চালু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের উদ্যোগে অংশীজন ও সংশ্লিষ্ট নিয়ন্ত্রকদের সমন্বয়ে একটি উদ্যোগ নেওয়া হলেও তা বেশিদূর এগোয় নি। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ-বিআরটিএ একটি নীতিমালা প্রণয়ন ও লাইসেন্স দেওয়ার উদ্যোগ নেবে বললেও তা আর হয় নি।

এখন নতুন আরেকটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ জ্বালানি ও বিদ্যুৎ গবেষণা কাউন্সিল- বিইপিআরসি।

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) এরঅংশ হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অংশীজন ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি ভার্চুয়াল সেমিনারের আয়োজন করেন কাউন্সিলের চেয়ারম্যান জাকিয়া সুলতানা।

অনুষ্ঠানে তৌফিক-ই-এলাহী চৌধুরী বলেন, ‘২/৩ মাসের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের মাধ্যমে প্রাথমিক নিবন্ধনটা শুরু করা যায়। বিআরটিএ কাজটি করবে বলেও করেনি। তারা বড় বড় যানবাহন নিয়ে কাজ করে। তাই এটা স্থানীয় সরকার বিভাগও চাইলে করতে পারবে।’

‘ব্যাটারিচালিত ৩ চাকার গাড়ির ডিজাইন কেমন হবে, আসন কতটি হবে এসব নিয়ে গবেষণা চলতে পারে। কিন্তু এখন যে ১৫/২০ লাখ গাড়ি রাস্তায় চলছে সেগুলোর সাময়িক নীতিমালা করে নিবন্ধনটা করে ফেলা উচিত। তাহলে চাঁদাবাজিটা বন্ধ হবে, কত গাড়ি আছে তা জানা যাবে। কারণ এর সঙ্গে লাখ লাখ মানুষের জীবনজীবিকা জড়িত।’

ইজিবাইকের নিবন্ধন প্রক্রিয়ার অগ্রগতি না হওয়ায় বিআরটিএর সমালোচনা করে তিনি বলেন, “২০১৮ সালে একবার লম্বা আলোচনা হল, তিন বছর পার হয়ে গেল, কোনো সিদ্ধান্ত আসল না। দেশে এখন ইজিবাইক নিয়ে স্থানীয় মাস্তানরা টোকেন বাণিজ্য করছে।

‘সুলভ মূল্যের এই বাহনে মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থায় স্বস্তি আসলেও চাঁদাবাজির কারণে ভোগান্তি কমছে না। টোকেনের কথা বলে সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে। সরকার তো আর বসে থাকতে পারেনা। আমি দুঃখের সাথে বলছি- এ নিয়ে কেউ কোনো উদ্যোগ নিল না। এটা লজ্জার ব্যাপার।’

বিইপিআরসির চেয়ারম্যান জাকিয়া সুলতানা বলেন, ‘সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে সঙ্গে নিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যেই আমরা নীতিমালা ও সংজ্ঞায়ন করে ফেলব। আগামী তিন মাসের মধ্যেই ইজিবাইকের নিবন্ধন শুরু হবে। এই কাজটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীনেই করার চেষ্টা করা হবে।’

বিআরটিএর পরিচালক শীতাংশু শেখর বিশ্বাস বলেন, ‘৩ বছর আগে এই ইজিবাইক নিয়ে আলোচনা উঠলেও শেষ পর্যন্ত আমরা এগুলোকে রেজিস্ট্রেশন দেইনি। পরিবেশ, ব্যাটারির নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্বেগ এখানে রয়েছে। ইজিবাইককে বৈজ্ঞানিক, নিরাপদ ও পরিবেশ বান্ধব করতে হবে।’

হাইওয়ে পুলিশের ডিআইজি আতিকা ইসলাম বলেন, ‘২০২০ সালে মহাসড়কে ৬৪০টি ইজিবাইক সংক্রান্ত দুর্ঘটনায় প্রায় ৯০০ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত দুই মাসে ৬২টি দুর্ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। ইজিবাইকে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করলে হয়তো এর ভালো ফলাফল পাওয়ায় যাবে। মহাসড়কে ইজিবাইক চলাচল নিষিদ্ধ। আমরা আইন অনুযায়ী মহাসড়কে ইজিবাইক দেখলেই জব্দ করছি।’

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মুস্তাকিম বিল্লাহ ফারুকী বলেন, ইজিবাইকের মান ঠিক করা প্রয়োজন। তাহলে নিবন্ধন দেওয়ার জটিলতা কমে যাবে।

সেমিনারে ব্যাটারি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, ইজিবাইক নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান, আমদানিকারক ও সড়ক নিরাপত্তা সংক্রান্ত নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা বক্তব্য দেন।

বরফাচ্ছন্ন টেক্সাসের ২৭ লাখ বাড়িতে ৩ দিন ধরে বিদ্যুৎ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে রেকর্ড ভাঙা শীতের মধ্যে তৃতীয় দিনের মতো লাখ লাখ বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

এ পরিস্থিতিতে বুধবার ‘দুর্যোগের মধ্যে দুর্যোগের’ ব্যাপারে সতর্ক করেছেন রাজ্যটির কর্মকর্তারা, জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

আগামী শনিবারের (২০ ফেব্রুয়ারি) আগে বিদ্যুৎ নাও ফিরতে পারে জানিয়ে এর জন্য বাসিন্দাদের প্রস্তুতি নিতেও বলেছেন তারা।

কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, ২৭ লাখ বাড়ি বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় রয়েছে; প্রাকৃতিক গ্যাসের কূপ, পাইপলাইন ও উয়িন্ড টারবাইন ঠাণ্ডায় জমে বন্ধ হয়ে যাওয়ায় রাজ্যের বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ৪০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।

এ পরিস্থিতিতে টেক্সাসের একশটিরও বেশি কাউন্টির বাসিন্দাদের খাবার পানি ফুটিয়ে নিতে বলেছে কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যুৎ না থাকায় পানি শোধনাগারগুলো অচল হয়ে পড়ায় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করা যাচ্ছে না বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

টেক্সাসের প্রায় ২ কোটি ৯০ লাখ জনসংখ্যার মধ্যে ১ কোটি ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দার বাড়ির কলে পান করার মতো কোনও পানিই নেই অথবা কেবল মাঝে মাঝে পানি আসছে।

হিমশীতল তাপমাত্রা পুরো সপ্তাহজুড়েই বজায় থাকবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

রাজ্যের বৃহত্তম শহর হিউস্টন ও অন্যান্য শহরের হাসপাতালগুলোতে কোনও পানি নেই বলেই খবর এসেছে।

প্রবল শৈত্য প্রবাহে এ পর্যন্ত অন্তত ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

আরও অনেক লোকের মৃত্যু হলেও তাঁদের মৃতদেহ এখনও খুঁজে পাওয়া যায় নি বলে ধারণা কর্মকর্তাদের।

ঠাণ্ডার কারণে কিছু বাসিন্দা অন্ধকার, জমে যাওয়া বা ভেঙে যাওয়া পানির পাইপঅলা শীতল বাড়িতে অবস্থান করতে অথবা কোভিড-১৯ এর সম্ভাব্য ঝুঁকির মুখে স্থানীয় ত্রাণ কেন্দ্রগুলো আশ্রয় নিতে; এই দুই বিকল্পের একটিকে বেছে নেওয়ার পরিস্থিতিতে পড়েছেন।

হ্যারিস কাউন্টির শীর্ষ নির্বাচিত কর্মকর্তা বিচারক লিনা হিডালগো বাংলা কাগজকে বলেন, ‘বহুদিক থেকেই এটি দুর্যোগের মধ্যে আরও অনেক দুর্যোগ। অপ্রত্যাশিত এই প্রভাবগুলো এড়ানো যাবে না।’

এক সংবাদ সম্মেলনে টেক্সাসের গভর্নর গ্রেগ অ্যাবোট জানিয়েছেন, তিনি আশা করছেন বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতের মধ্যেই দক্ষিণ টেক্সাসের একটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র সরবরাহ শুরু করতে পারবে, এর সঙ্গে কয়লাচালিত বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে উৎপাদন শুরু হলে ৪ লাখ বাড়িতে সরবরাহ করার মতো পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে।

নসরুল হামিদ : বিদ্যুতের সুষম বণ্টন নিশ্চিতে আঞ্চলিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, বিদ্যুৎ সরবরাহের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে আঞ্চলিক সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।

প্রতিমন্ত্রী বৃহস্পতিবার (১১ ফেব্রুয়ারি) অনলাইনে যুক্তরাষ্ট্রের স্টেট ডিপার্টমেন্টের ব্যুরো অব এনার্জি রিসোর্স ও ডিলরেট এর যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্রস বর্ডার পাওয়ার ট্রেডিং’ শীর্ষক কর্মশালায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, আঞ্চলিক ও উপাঞ্চলিক বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সহযোগিতাকে বাংলাদেশ বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

‘ইতোমধ্যে ভারত থেকে ১ হাজার ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করতে হচ্ছে। নেপাল হয়ে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির প্রক্রিয়া প্রায় চূড়ান্ত। ভুটানের সঙ্গে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশের পাওয়ার সিস্টেম মাস্টার প্ল্যানেও ক্রস বর্ডার ট্রেডের মাধ্যমে শতকরা ১৫ ভাগ বিদ্যুৎ অর্থাৎ ২০৪১ সালের মধ্যে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির নির্দেশনা রয়েছে।’

‘বাংলাদেশ আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে এবং রাখবে। ক্রস বর্ডার পাওয়ার ট্রেড পরিবেশ সংরক্ষণ করবে এবং আর্থিকভাবেও সাশ্রয়ী।’

‘ভার্চুয়াল এই অনুষ্ঠানে অন্যদের সঙ্গে বিদ্যুৎ সচিব হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মিশন উপপ্রধান মিজ জুঅ্যান ওয়াগনার এবং পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক মোহাম্মদ হোসেন সংযুক্ত থেকে বক্তব্য দেন।