Category: বাংলা ভাষা

প্রধানমন্ত্রী : পরিবারের সঙ্গে ঘরে নববর্ষ উদ্‌যাপন করুন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : পরিবারের সঙ্গে ঘরে সিমিত পরিসরে নববর্ষ উদ্‌যাপন করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

বাংলা নববর্ষ শুরুর আগেরদিন মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে করোনাভাইরাসের কথাও উঠে আসে।

বক্তব্যের বিভিন্ন পর্যায়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ২টি এবং কাজী নজরুল ইসলামের ১টি কবিতার চরণ উদ্ধৃত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলা নববর্ষের নানানদিক তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে হালখাতার কথাও।

পাশাপাশি এ করোনাকালে এবং পবিত্র রমজান মাস শুরুর প্রাক্কালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশবাসিকে বলেন, ‘আগে নিজে বাঁচুন, তারপর আয়রোজগারের চিন্তা। কারণ নিজে বাঁচার পর আয়রোজগার করা যাবে।’

এক্ষেত্রে তিনি মাস্কসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ এবং ১৮ দফা নির্দেশনা প্রতিপালনের সঙ্গে বাইরে থেকে এলে গরম পানির ভাপ নেওয়ার কথাও বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর আগে তাঁর সরকারের নেওয়া অর্থনীতি সচল রাখতে ৪টি পদক্ষেপ এবারের লকডাউন বা করোনাকালেও বহাল থাকবে।

এক্ষেত্রে ৩ নম্বরে তিনি সামাজিক সুরক্ষার আওতায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠির পাশে দাঁড়ানোর কথা বলেছেন।

এ সময় তিনি আরও জানান, পরিস্থিতি তুলনামূলক স্বাভাবিক হলেই লকডাউনের মতো পরিস্থিতি তুলে নেওয়া হবে।

বাংলা নববর্ষের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বাংলা নববর্ষের প্রাক্কালে জাতির উদ্দেশে ভাষণ নিয়ে আসছেন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম মঙ্গলবার (১৩ এপ্রিল) বলেন, ‘১৪২৮ নববর্ষ উপলক্ষে আজ (মঙ্গলবার : ১৩ এপ্রিল) সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।’

স্বাধিনতার সুবর্ণ জয়ন্তির প্রাক্কালে গত ২৫ মার্চ সর্বশেষ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (১৪ এপ্রিল) বাংলা ১৪২৮ সালের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ।

তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ উর্ধ্বমুখী হওয়ায় বাংলা নতুন বছরের প্রথম দিন থেকে এক সপ্তাহের ‘কঠোর লকডাউন’ শুরু হচ্ছে দেশে। ফলে গতবারের মতো এবারও বর্ষবরণে মঙ্গল শোভাযাত্রা হচ্ছে না।

ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন আর নেই

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; রাজশাহী : ভাষা সৈনিক আবুল হোসেন আর নেই। বুধবার (৩১ মার্চ) বিকেল ৪টায় রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিলো ৮৭ বছর।

আবুল হোসেনের ছেলে আবুল হাসনাত বিদ্যুৎ বিষয়টি বাংলা কাগজকে নিশ্চিত করেছেন।

আবুল হাসনাত বিদ্যুৎ জানান, তাঁর বাবা কয়েক সপ্তাহ ধরে বার্ধক্যজনিত জটিলতায় ভুগছিলেন। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বুধবার (৩১ মার্চ) সকালে তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে বিকেলে তাঁকে রামেক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

ভাষা আন্দোলনের সময় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহীতে দেশের প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণকারিদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আবুল হোসেন।

আবুল হোসেন ১৯৩৪ সালের ৩ জুলাই ভারতের মালদায় জন্মগ্রহণ করেন। পঞ্চাশের দশকে তিনি পরিবারের সঙ্গে রাজশাহীতে এসে রাজশাহী কলেজে ভর্তি হন।

‘রাজশাহীতে ভাষা আন্দোলন’ বইয়ের লেখক ড. তসিকুল ইসলাম রাজা জানান, ভাষা আন্দোলনে সক্রিয়দের আবুল হোসেন অন্যতম ছিলেন।

তিনি জানান, ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি ঢাকায় হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদকারিদের মধ্যে আবুল হোসেন অন্যতম। সে রাতে রাজশাহীতে শহীদদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয় ভাষা আন্দোলনকারী ছাত্ররা। ঢাকার শহীদদের স্মরণে সেই রাতেই রাজশাহী কলেজের ছাত্রাবাসের মূল ফটকের কাছে ইট ও মাটি দিয়ে একটি স্তম্ভ নির্মাণ করা হয়।

রাজশাহীর স্থানীয়রা এটাকেই দেশের প্রথম শহীদ মিনার হিসেবে বিবেচনা করেন বলে জানান ড. তসিকুল। তবে, তৎকালীন পাকিস্তানি পুলিশদের সহায়তায় মুসলিম লীগ কর্মীরা সূর্যোদয়ের আগেই স্তম্ভটি গুঁড়িয়ে দিয়েছিলো।

ভাষা আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তিনি জেলও খেটেছেন।

ভাষা সৈনিক আবুল হোসেনের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, রাজশাহীর মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন, এমপি ফজলে হোসেন বাদশা, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন, প্রেসক্লাব শোক প্রকাশ করে বিবৃতি দিয়েছেন।

শ্রদ্ধা নিবেদনের পরে আবুল হোসেনকে রাতে টিকাপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।

বইমেলা : বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বইয়ের প্রচার যাঁদের লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস চর্চায় মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন-কর্ম ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই নিয়ে অমর একুশে বইমেলায় স্টল সাজিয়েছে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগসহ কয়েকটি সংগঠন।

উদ্যোক্তাদের আশা, এসব স্টলের বাছাই করা বই বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মিদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি সারাদেশে স্কুল-কলেজসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাঠাগারে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ তৈরি এবং তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে ভূমিকা রাখবে।

এবারের বইমেলার মূল প্রতিপাদ্য ‘বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি’। জাতির পিতার জীবন ও কর্ম অধ্যয়ন এবং স্বাধীনতার মর্মবাণী জাতীয় জীবনে যাতে প্রতিফলিত হয়, তার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে এবারের মেলায়। বইমেলার সামগ্রিক সজ্জা, বিন্যাস ও প্রকাশনায় গুরুত্ব পেয়েছে মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তির আবহ।

অন্যান্য বছরের মত এবারও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নির্মাণ করেছে বইমেলার স্টল। দৃষ্টিনন্দন এই স্টলে শোভা পাচ্ছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নিজের লেখা বইসহ তার জীবন-কর্ম ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিভিন্ন প্রকাশনীর বাছাই করা বই এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিজের লেখা বই। এছাড়া যুবলীগের প্রতিষ্ঠাতা শেখ ফজলুল হক মণির লেখা বইও রয়েছে।

বাণিজ্যিক উদ্দেশে নয়, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বইয়ের প্রচার, সঠিক ইতিহাস মানুষকে জানার সুযোগ করে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য বলে জানান যুবলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদক বিপ্লব মুস্তাফিজ।

বাংলা কাগজকে তিনি বলেন, ‘গত ৬ বছর ধরে বইমেলায় যুবলীগের স্টল থাকছে। এ বছর আমরা যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ১৫২ জন নেতা-কর্মী প্রতিদিন পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করছি। বই বিক্রি আমাদের উদ্দেশ্য নয়, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বইয়ের প্রচার, সঠিক ইতিহাস মানুষকে জানার সুযোগ করে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য।’

‘বিশেষ করে বইমেলা উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে নেতা-কর্মীরা এসে বই কেনেন, মেলা থেকে বই নিয়ে স্কুল কলেজে বিতরণ করা হয়, এলাকায় পাঠাগার গড়ে তোলেন তারা। তাই নেতা-কর্মীদের মধ্যে বই পড়ার সংস্কৃতি গড়ে তোলা, বইয়ের প্রতি সম্পৃক্ততা এবং আমাদের বিভিন্ন জেলার ইউনিটগুলো যাতে বেশি বেশি বই বিতরণে উদ্যোগী হতে পারে, সে বিষয়টি আমরা গুরুত্ব দিয়ে থাকি।’

বিপ্লব মুস্তাফিজ বলেন, ‘আমাদের স্টলে রয়েছে প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শেখ ফজলুল হক মণির বই, যিনি একজন অসম্ভব মেধাবী সাংবাদিক ছিলেন। এসব বই পড়ে নেতা-কর্মীরা তার রাজনৈতিক ভাবনা, চিন্তা-চেতনা জানার সুযোগ পাচ্ছে।’

‘বইমেলা আমাদের একটা মিলনমেলাও বটে। প্রতিদিন আমাদের আড্ড হয়। এবার বইমেলা না হলে আমরা আক্ষেপের মধ্যে থাকতাম। যদিও কোভিডের মধ্যে এবার মেলা জমজমাট হচ্ছে না। প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের মধ্যেও মানুষ বইমেলায় আসেছে, এটা বইয়ের প্রতি মানুষের ভালোবাসা, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির প্রতি অগাধ টান।’

এবার বইমেলার বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে নৌকার উপর বই সাজিয়ে স্টল করেছে আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ। সেখানে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নচিত্রও তুলে ধরা হয়েছে।

স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল সায়েম বাংলা কাগজকে বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ, জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শনের বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে আমরা স্টলে বই সাজিয়েছি। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বৃদ্ধ জাতি গঠনে এ ধরনের বই ভূমিকা রাখবে।’

বাংলাদেশ ছাত্রলীগেরও স্টল রয়েছে বইমেলায়, নাম ‘মাতৃভূমি’। তরুণ প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ করতে সংগঠনটি নিজস্ব প্রকাশনা ছাড়াও বঙ্গবন্ধু, মুক্তিযুদ্ধ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বই দিয়ে স্টল সাজিয়েছে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু হাসনাত সরদার হিমেল বাংলা কাগজকে বলেন, ‘ছাত্রলীগ প্রতি বছরই মাতৃভূমি নামে বইমেলায় স্টল করে। আমরা মূলত জাতির পিতার লেখা বই, তার জীবন-কর্ম নিয়ে বাছাই করা বই, জননেত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই প্রচারে গুরুত্ব দিই। আমাদের স্টলে ছাত্রলীগের নিজস্ব প্রকাশনাও রয়েছে। মাতৃভূমি স্টলে সারাদেশ থেকে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা এসে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক বই কেনেন, তরুণ সমাজকে বই উপহার দেন।’

প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাঠাগারে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ তৈরি করতে বইমেলায় মানসম্মত বই বাছাইয়ে পরামর্শ দিচ্ছে বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশন।

বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট মশিউর মালেক বাংলা কাগজকে বলেন, ‘গত তিনবছর যাবৎ বইমেলায় আমরা বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু কর্নার প্রতিষ্ঠার জন্য উৎসাহিত করি, ভালো মানের বইয়ের পরামর্শ দিয়ে থাকি। সকল প্রকাশনার মানসম্মত বইগুলো বাছাই করে এনে আমাদের এখানে প্রদর্শন করি। বিক্রি আমাদের উদ্দেশ্য নয়, আমাদের মূল উদ্দেশ্য বই প্রদর্শন এবং প্রচার। আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি যে, কোন প্রতিষ্ঠানে কোন ধরনের বই রাখা উচিত।’

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অবলম্বনে রচিত গ্রাফিক নভেল ‘মুজিব’ এর প্রথম থেকে অষ্টম পর্ব নিয়ে বইমেলায় স্টল সাজিয়েছে সেন্টার ফর রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন (সিআরআই) ।

ভাষার আন্দোলনের শুরুর পর্ব ও তাতে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা নিয়ে ‘মুজিব’ ৮ এবার বইমেলায় পাঠকদের মধ্যে সাড়া ফেলেছে।

বইমেলায় প্রথম ট্রান্সজেন্ডার নারি স্বেচ্ছাসেবক সিমরান

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বইমেলায় প্রথমবারের মতো ট্রান্সজেন্ডার নারি স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করছেন সিমরান। সুইচ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে ‘হুইল চেয়ার সেবা’র হয়ে কাজ করছেন তিনি। রোববার (২১ মার্চ) বইমেলার চতুর্থ দিনে তাঁকে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে দেখা গেছে।

এ সময় তিনি বাংলা কাগজকে বলেন, ‘যখন আমি জেনেছি সুইচ বাংলাদেশ মানুষের সেবায় এ উদ্যোগ নিয়েছে তখন আমি স্বেচ্ছায় কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছি। মানুষের পাশে থাকা আমাদের সবার কর্তব্য। আমি চাই মানুষের সেবা করতে। অক্ষম ব্যক্তিদের আমি মেলা পরিদর্শন করাবো।’

বইমেলায় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করতে পেরে কেমন লাগছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘খুবই ভালো লাগছে। মেলা যতোদিন আছে, কাজ করে যাওয়ার চেষ্টা করবো।’

ট্রান্সজেন্ডার নারিকে কাজে যুক্ত করার বিষয়ে সুইচ বাংলাদেশের প্রধান সমন্বয়ক মোস্তাফিজুর রহমান বাংলা কাগজকে বলেন, উনি (সিমরান) টাকা কালেকশন করছিলেন, তখন উনার সঙ্গে আলোচনা হলো। তিনি আমাদের জানান যে, এ পেশাটা ছেড়ে দিতে চান, স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে চান। উনার কথা আমাদের ভালো লাগলো। তারপর উনাকে অফিসে ডাকলাম। পরে বিস্তারিত কথা বলে আমাদের বর্তমান প্রজেক্ট হুইল চেয়ার সেবায় উনাকে যুক্ত করলাম।

প্রসঙ্গত, শারীরিক প্রতিবন্ধি ও হেঁটে চলাফেরা করতে অক্ষম ব্যক্তিদের জন্য রোববার (২১ মার্চ) হুইল চেয়ার সেবা উদ্বোধন করে সুইচ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন। এ সেবারঅংশ হিসেবে প্রতিদিন মেলার দুই প্রান্ত টিএসসি ও দোয়েল চত্বরে ২০টি হুইল চেয়ার থাকবে।

হাসপাতালে ভর্তি : পড়ে গিয়ে আহত ভাষা সংগ্রামি আহমদ রফিক

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : নিজের বাসায় পড়ে গিয়ে আহত হয়েছেন ভাষা সংগ্রামি, প্রাবন্ধিক-গবেষক আহমদ রফিক।

৯২ বছর বয়সি এ লেখককে রাজধানির গ্রিন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

আহমদ রফিকের ঘনিষ্ঠজন সাইফুজ্জামান সাকন বাংলা কাগজকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার (১৮ মার্চ) রাত সাড়ে তিনটার দিকে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি। বাসায় হাঁটতে গিয়ে কিংবা বিছানা থেকে পড়ে তার কোমরে হাড় নড়ে গেছে, মাথা সামান্য ফেটে গেছে। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।’

‘বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা পরের করণীয় বিষয়ে শিগগির জানাবেন,’ বলেন তিনি।

তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে চিকিৎসকদের বক্তব্য জানা যায় নি।

১৯২৯ সালের ১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে জন্ম নেন আহমদ রফিক।

তার কাব্যগ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে, ‘নির্বাসিত নায়ক’, ‘বাউল মাটিতে মন’, ‘রক্তের নিসর্গে’, ‘পড়ন্ত রোদ্দুরে’, ‘ভালোবাসা ভালো নেই’, ‘নির্বাচিত কবিতা’।

প্রবন্ধ-গবেষণাগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে, ‘শিল্প সংস্কৃতি জীবন’, ‘নজরুল কাব্যে জীবনসাধনা’ ‘আরেক কালান্তর’, ‘বুদ্ধিজীবীর সংস্কৃতি’, ‘রবীন্দ্রনাথের রাষ্ট্রচিন্তা ও বাংলাদেশ’, ‘একুশের ইতিহাস আমাদের ইতিহাস’, ‘ভাষা আন্দোলন: ইতিহাস ও তাৎপর্য’, ‘ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি ও কিছু জিজ্ঞাসা’। ১৯৬৩ থেকে ১৯৭০ সাল অবধি তিনি ত্রৈমাসিক সাহিত্যপত্রিকা ‘নাগরিক’ সম্পাদনা করেছেন।

স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৫ সালে একুশে পদক, ২০০১ সালে বাংলা একাডেমির ‘রবীন্দ্র পুরস্কার’, ১৯৭৯ সালে ‘বাংলা একাডেমি পুরস্কার’, ১৯৯৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের টেগোর রিসার্চ ইনস্টিটিউট থেকে তিনি ‘রবীন্দ্রত্ত্বাচার্য’ উপাধি পান।

১১ মার্চ : পূর্ব বাংলায় রাষ্ট্রভাষা দিবস পালিত হয়

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আজ বৃহস্পতিবার; ১১ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ; ২৬ ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)।

আজকের দিনটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের ৭০তম দিন। এ হিসাবে, বছর শেষ হতে আরও ২৯৫ দিন বাকি রয়েছে।

বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে পূর্ব বাংলায় রাষ্ট্রভাষা দিবস পালিত হয়।

ঘটনাবলি :
১৩৯৯ : তৈমুর লঙ সিন্ধুনদ অতিক্রম করে ভারতে আসেন।
১৫০২ : পার্সিয়ার শাহ প্রথম ইসমাইলের অভিষেক হয়।
১৭০২ : প্রথম ইংরেজি দৈনিক পত্রিকা দ্য কোরান্ট প্রকাশিত হয়।
১৭৮৪ : মহিশুরে টিপু সুলতানের সঙ্গে ইংরেজদের শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৭৯৫ : কুর্দলার যুদ্ধে মারাঠাদের কাছে মোগল বাহিনি পরাজিত হয়।
১৮১২ : মার্শাম্যানের কলকাতার ছাপাখানা অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয়।
১৮২৩ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম সাধারণ স্কুল চালু হয়।
১৯১১ : রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন তাঁর পরলোকগত স্বামীর নামে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন।
১৯১৭ : ব্রিটিশ বাহিনি বাগদাদ দখল করে।
১৯১৮ : মস্কো রাশিয়ার রাজধানী হয়।
১৯৩৫ : ব্যাংক অব কানাডা চালু হয়।
১৯৩৮ : জার্মান বাহিনি অস্ট্রিয়ায় অনুপ্রবেশ করে।
১৯৪০ : যুদ্ধ পরিস্থিতিতে ব্রিটেনে মাংসের রেশন চালু হয়।
১৯৪৮ : পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলা ভাষাকে সরকারি ভাষার মর্যাদা না দেওয়ায় পূর্ব বাংলায় সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। পুলিশ ৬৯ জনকে গ্রেপ্তার করে।
১৯৪৯ : বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিতে পূর্ব বাংলায় রাষ্ট্রভাষা দিবস পালিত হয়।
১৯৪৯ : দৈনিক পাকিস্তান অবজারভার (পরে বাংলাদেশ অবজারভার) প্রকাশিত হয়।
১৯৬৬ : ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্নো সেনাবাহিনীর জেনারেল সুহার্তোর কাছে ব্যাপক ক্ষমতা অর্পণে বাধ্য হন। পরে সুকর্নোকে সরিয়ে সুহার্তো নিজেই প্রেসিডেন্ট হন।
১৯৭২ : বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় গ্রিস।
১৯৭৪ : সিসিলির এটনা গিরিশৃঙ্গে অগ্নুৎপাত ঘটে।
১৯৭৭ : মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিবেদনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের সমালোচনা করায় ব্রাজিল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে তাঁর ২৫ বছরের সামরিক চুক্তি বাতিল করে।
১৯৭৯ : সেন্ট্রাল ট্রিটি অরগানাইজেশন বা সেন্টো থেকে ইরান নিজের নাম প্রত্যাহার করে নেয়।
১৯৯০ : লিথুনিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে।
১৯৯২ : পাঞ্জাবে শিখ জঙ্গিদের হাতে ১৭ হিন্দু শ্রমিক নিহত হন।
১৯৯৪ : এদুয়ার্দো ফ্রেই চিলির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
১৯৯৯ : ‘ইনফোসিস’ প্রথম ভারতীয় তথ্য প্রযুক্তি কোম্পানি হিসাবে নাসডাক স্টক মার্কেট অন্তর্ভুক্ত হয়।
২০০০ : ইউক্রেনে কয়লা খনিতে বিস্ফোরণে ৮১ শ্রমিক নিহত হন।
২০০৪ : স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ৩টি স্টেশনে ১০টি বোমা বিস্ফোরণে ১৯১ জন নিহত এবং ২ হাজারেরও বেশি মানুষ আহত হন।
২০০৬ : হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের কারাগারে বলকানের কসাই হিসেবে খ্যাত ৬৩ বছর বয়সি স্লোবোদান মিলোসেভিচ পরলোকগমন করেন।
২০১৫ : মার্কিন-কিউবা সরাসরি টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়।

জন্ম :
১৭৮৭ : রুশ জেনারেল আইজাক নবোকভ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮০৭ : ফরাসি চিত্রশিল্পী লুই বুলাঝেঁ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৪০ : দার্শনিক, গণিতজ্ঞ ও বাংলা শর্টহ্যান্ড লিপির উদ্ভাবক দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৫ : বিজয় হাজারে, ভারতীয় ক্রিকেটার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯১৮ : শিশুসাহিত্যিক ও আকাশবাণীর ঘোষক ইন্দিরা দেবি জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯৯৫ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৩৯ : সাহিত‍্যিক বাণী বসু জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু :
১৭৫৯ : ইংরেজ জেনারেল জন ফোর্বস।
১৮০৯ : ইংরেজ নাট্যকার ও কবি হান্না কাউলি।
১৮৯৪ : রাজকৃষ্ণ রায়, বিশিষ্ট নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক (জন্ম : ২১/১০/১৮৪৯ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯১৯ : ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়, বিখ্যাত বাঙালি কৌতুক লেখক।
১৯৩১ : জার্মান চিত্রপরিচালক ফ্রিডখি সুর্নাউ।
১৯৫৫ : নোবেল বিজয়ি স্কটিশ অনুজীব বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (জন্ম : ১৮৮১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৯১ : ভাষা আন্দোলনের অন্যতম নেতা অধ্যক্ষ আবুল কাশেম।
২০০৬ : হেগে অবস্থিত জাতিসংঘের কারাগারে বলকানের কসাই হিসেবে খ্যাত স্লোবোদান মিলোসেভিচ।

৩ মার্চ : স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস, ‘আমার সোনার বাংলা’কে জাতীয় সঙ্গীত করা হয়

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আজ বুধবার; ৩ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ; ১৮ ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)।

আজকের দিনটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের ৬২তম দিন।

এ হিসাবে, বছর শেষ হতে আরও ৩০৩ দিন বাকি রয়েছে।

আজ স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস। এইদিনেই আমার সোনার বাংলাকে জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

ঘটনাবলি :
১৭০৭ : মুঘল সম্ৰাট আওরঙ্গজেবের মৃত্যু হয়। যুবরাজ মুয়াজ্জম আওরঙ্গজেবের উত্তরাধিকারির দায়িত্ব গ্রহণ করেন ও বাহাদুর শাহ (প্রথম) নাম ধারণ করেন।
১৮৬১ : রাশিয়ায় ভূমিদাস প্রথা বিলুপ্ত হয়।
১৮৭৮ : যুদ্ধ অবসানের পর রুশ-তুর্কি শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯০৬ : অনুশীলন সমিতির মুখপাত্র ‘যুগান্তর’ প্রকাশিত হয়।
১৯২৪ : তুরস্কের জাতীয় পরিষদ কর্তৃক খিলাফত বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়।
১৯৪৯ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারিদের ধর্মঘট হয়।
১৯৬৫ : শহীদ সোহরাওয়ার্দীর বড় ভাই বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ শিল্পকলা বিশারদ শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যু।
১৯৬৯ : ভারতে প্রথম দ্রুতগামি রাজধানি এক্সপ্রেস ট্রেন (হাওড়া ও নতুন দিল্লীর মধ্যে) চালু হয়।
১৯৭১ : ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালবাসি’ কবিগুরু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত এই গানটিকে ঢাকা শহরের পল্টন ময়দানে ঘোষিত ইশতেহারে বাংলাদেশের প্রস্তাবিত জাতীয় সঙ্গীত হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
১৯৭১ : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে অসহযোগ আন্দোলন শুরু হয়।
১৯৭২ : বাংলাদেশ রাইফেলস প্রতিষ্ঠিত হয় যা বর্তমানে বিজিবি বা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ হিসেবে পরিচিত।
১৯৭২ : বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় শ্রীলঙ্কা ও সোয়াজিল্যান্ড।
১৯৭৪ : তুর্কি ডিসি-১০ বিমান বিধ্বস্ত হয়ে ৩৪৬ জন নিহত হয়।
১৯৭৮ : জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা অনুমোদন দেওয়া হয়।
১৯৯১ : এস্তোনিয়া ও লাতভিয়া সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়।
২০০৫ : রাজধানীতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নসহ যানজট নিরসনের অংশ হিসেবে ২৯ কিলোমিটার দীর্ঘ সদরঘাট-আশুলিয়া নৌপথ উদ্বোধন করা হয়।

জন্ম :
১৮৩৯ : ভারতের মহান উদ্যোগপতি ও টাটা গ্রুপের সংস্থাপক জামশেদজী টাটা জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯০৪ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৪৫ : গেয়র্গ কান্টর, জার্মান গণিতবিদ ও দার্শনিক জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৪৭ : আলেকজান্ডার গ্রাহাম বেল, স্কটিশ বিজ্ঞানি ও উদ্ভাবক জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৯৩ : প্যারীমোহন সেনগুপ্ত, বাঙালি কবি প্রাবন্ধিক ও শিশুসাহিত্যিক জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৯৯ : বাংলা চলচ্চিত্রের স্বনামধন্য কমিক অভিনেতা তুলসী চক্রবর্তী জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯০৮ : শক্তিরঞ্জন বসু জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৫০ : শেখ সাদী খান, বাংলাদেশি সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক জন্মগ্রহণ করেন।

মৃত্যু :
১৫৮১ : চতুর্থ শিখ গুরু রামদাস।
১৭০৩ : রবার্ট হুক, প্রকৃতি দার্শনিক ,স্থপতি ও বহুশাস্ত্রবিদ।
১৭০৭ : আওরঙ্গজেব, মুঘল সম্ৰাট।
১৯৮৩ : এর্জে, বেলজীয় কমিক্স লেখক ও চিত্রকর।
১৯৯২ : সুকুমার সেন, শিক্ষাবিদ, ভাষাবিদ ও গবেষক (জন্ম : ১৬/০১/১৯০০ খ্রিস্টাব্দ)।
২০১৬ : মার্টিন ক্রো, নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটার, ধারাভাষ্যকার ও লেখক।
২০২০ : শুদ্ধানন্দ মহাথের, বাংলাদেশি বৌদ্ধ ভিক্ষু ও বৌদ্ধ ধর্মীয় পণ্ডিত।

দিবস :
স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ দিবস।
বিশ্ব জন্ম-ত্রুটি দিবস (২০১৫ সাল থেকে পালিত)।
বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস।
বিশ্ব শ্রবণ দিবস।

গারো বইমেলা শেষ হয়ে যাবে রাত ৯টায়

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ফেব্রুয়ারি মাসজুড়ে বইমেলা শেষে মাসের শেষদিন ২৮ ফেব্রুয়ারি (রোববার) রাত ৯টায় গারো বইমেলা হয়ে হয়ে যাচ্ছে।

সাধারণত যাঁরা গারো বলে পরিচিত, তাঁরা নিজেদের মান্দি জাতি হিসেবে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন।

বাংলাদেশে বসবাসরত মান্দি লেখকদের বই নিয়ে রাজধানীর গুলশানের কালাচাঁদপুর শিশু মালঞ্চ স্কুল প্রাঙ্গণে এ বইমেলার আয়োজন করে সাহিত্য পত্রিকা ও প্রকাশনা সংস্থা ‘থকবিরিম’।

মান্দিদের আচিক ভাষায় ‘থকবিরিম’ শব্দের বাংলা প্রতিশব্দ বর্ণমালা।

মেলার শেষদিন উপলক্ষে রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে থাকছে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

বাংলাদেশে আচিক ভাষায় কথা বলা জনসংখ্যা আনুমানিক ৪ থেকে ৫ লাখ।

দেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, শেরপুর, জামালপুর ও সুনামগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় এই জনগোষ্ঠীর বসবাস।

কবিতা, কথাসহিত্য ও প্রবন্ধ ছাড়াও আচিক ভাষার রয়েছে লোকসাহিত্যের বিপুল সম্ভার। এই খনিকে সবার কাছে উন্মুক্ত করতেই আয়োজিত হয়েছে গারো বইমেলা।

ভাষার মাসের প্রথম দিন এই বইমেলার উদ্বোধন করেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেন। লেখক রেভা ক্লেমেন রিছিলের প্রবন্ধ ‘গারো বিবাহ’ ও ‘গারো জাতিসত্তা’, সুমনা চিসিমের ‘গারো লোককাহিনি’সহ থকবিরিম এই বইমেলায় এনেছে নতুন ৮টি বই। শেষদিনে আসতে পারে আরও কয়েকটি বই।

মেলার আয়োজক ও ‘থকবিরিম’ সম্পাদক মিঠুন রাকসাম বাংলা কাগজকে বলেন, ‘এই বইমেলার উদ্দেশ আচিক সাহিত্যের প্রচার ও প্রসার। আমরা চাই নতুন পাঠক তৈরি হোক, বই পড়ার অভ্যাস তৈরি হোক। বিভিন্ন ভাষার লেখকদের সঙ্গে এই জাতিসত্ত্বার লেখকদের পরিচিতিকরণ ও ভাবনা বিনিময় করাও আমাদের অন্যতম উদ্দেশ্য। এমন বইমেলা আয়োজনের মধ্য দিয়েই আচিক ভাষাকে বৈশ্বিক মঞ্চে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

প্রতিদিন বিকেল ৪টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বইমেলাতে ৩৫ জন মান্দি লেখকের বই প্রদর্শন ও বিক্রি হচ্ছে, সন্ধ্যায় থাকছে সাংস্কৃতিক পর্ব।

শেষদিন বিকেলের আলোচনা অনুষ্ঠানে মান্দি লেখকদের পাশাপাশি বক্তব্য দেবেন অতিথি লেখকেরা।

আলোচনা পর্ব শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে আচিক ভাষার গান, কবিতা ও আবৃত্তি ছাড়াও থাকবে একক ও সমবেত নৃত্য।

২৬ ফেব্রুয়ারি : বাংলা ভাষা প্রচলন বিল পাস ও ইসরাইল-মিশরের কূটনৈতিক সম্পর্ক হয়

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আজ শুক্রবার; ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ; ১৩ ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)।

আজকের দিনটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জী অনুসারে বছরের ৫৭তম দিন।

এ হিসাবে, বছর শেষ হতে আরও ৩০৮ দিন বাকি রয়েছে।

আজকের দিনে জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষা প্রচলন বিল পাস হয় এবং ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।

ঘটনাবলি :
৩১৯ : চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য পাটলিপুত্রের (পাটনা) সম্রাট হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।
১৫৩১ : লিসবনে ভূমিকম্পে ২০ হাজার লোক নিহত।
১৭৯৭ : ব্যাংক অব ইংল্যান্ড প্রথম এক পাউন্ডের নোট প্রচলন করে।
১৮৪৮ : দ্বিতীয় ফরাসি প্রজাতন্ত্র স্থাপিত হয়।
১৮৬৩ : লিংকন জাতীয় মুদ্রানীতি স্বাক্ষর করেন।
১৮৭০ : নিউইয়র্কে প্রথম সাবওয়ে লাইন খুলে দেওয়া হয়।
১৮৭১ : ফ্রান্স-জার্মানির মধ্যে ভার্সাই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৮৮৪ : ব্রিটেন ও পর্তুগালের মধ্যে প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯০৭ : রয়েল অয়েল ও শেল একত্র হয়ে ব্রিটিশ পেট্রোলিয়ামের যাত্রা শুরু হয়।
১৯৩১ : কলকাতায় মুসলিম ইনস্টিটিউটের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়।
১৯২১ : ইরান ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে একটি মৈত্রী চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
১৯৩৭ : ব্রিটিশ বাংলার প্রায় সোয়া ২ লাখ চটকল শ্রমিকের ৭৪ দিনের সাধারণ ধর্মঘট শুরু।
১৯৫২ : ব্রিটেন পারমাণবিক বোমা তৈরির কথা ঘোষণা দেয়।
১৯৬৯ : রাওয়ালপিন্ডিতে সরকার ও বিরোধি দলের মধ্যে গোলটেবিল বেঠক হয়।
১৯৮০ : ইসরাইল ও মিশরের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়।
১৯৮৭ : জাতীয় সংসদে বাংলা ভাষা প্রচলন বিল পাস হয়।
১৯৯১ : উপসাগরীয় যুদ্ধের অবসান হয়।

জন্ম :
১৮০২ : ভিক্টর হুগো, ফরাসি সাহিত্যিক, রাজনীতিক এবং মানবাধিকার কর্মি (মৃত্যু : ২২/০৫/১৮৮৫ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৬১ : বুলগেরিয়ার জার প্রথম ফার্দিনান্দের জন্মগ্রহণ করে।
১৮৬৯ : রুশ বিপ্লবি ও লেনিনের জীবনসঙ্গিনি নাদেজদা ক্রুপস্কায়া জন্মগ্রহণ করেন।
১৯০০ : অনাথনাথ বসু, বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ (মৃত্যু : ২৬/১২/১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯০৮ : শিশু সাহিত্যিক লীলা মজুমদার জন্মগ্রহণ করেন (মৃত্যু : ২০০৭ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯০৯ : তালাল বিন আবদুল্লাহ, জর্ডান এর দ্বিতীয় বাদশাহ।
১৯৩৬ : নূর মোহাম্মদ শেখ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারি একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা৷
১৯৩৭ : মনমোহন দেশাই, প্রখ্যাত ভারতীয় চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক (মৃত্যু : ১/০৩/১৯৯৪ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৭৩ : ওলে গানার সলশেয়ার, একজন নরওয়েজীয় ফুটবলার।
১৯৮২ : লি না, চীন তথা এশিয়ার প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে যে কোনও গ্রান্ডস্লাম বিজয়ি।

মৃত্যু :
১৫৭৭ : সুইডেনের রাজা ষোড়শ এরিক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৬৬ : বিনায়ক দামোদর সাভারকর, ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামি ও হিন্দুত্ববাদি নেতা।
১৯৮০ : শ্যামমোহিনী দেবী, নিখিল ভারত নারীশিক্ষা পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা ও স্ত্রীশিক্ষা বিস্তারসহ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের এক অগ্রণী ব্যক্তিত্ব (জন্ম : ১০ ফেব্রুয়ারি, ১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৮৫ : সন্তোষকুমার ঘোষ ভারতের প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক (জন্ম : ০৯/০৯/১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৮৬ : ইরানের বিশিষ্ট সঙ্গীতজ্ঞ ও সঙ্গীত শিল্পী গোলাম মোহসিন বানান মৃত্যুবরণ করেন।
২০১৫ : অভিজিৎ রায়, বাংলাদেশি লেখক ও ব্লগার।

দিবস :
স্বাধীনতা দিবস (কুয়েত)।

২৩ ফেব্রুয়ারি : শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু উপাধি প্রদান, বাংলার দাবি জানান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আজ মঙ্গলবার; ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ; ১০ ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ (বসন্তকাল)।

আজকের দিনটি গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি অনুসারে বছরের ৫৪তম দিন।

এ হিসাবে, বছর শেষ হতে আরও ৩১১ দিন বাকি রয়েছে।

এইদিনে ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের দাবি জানান। তাঁর দাবি অগ্রাহ্য হয়। এমনকি গণপরিষদের অনেক বাঙালি সদস্যও তাঁর বিরোধিতা করেন।

আর সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে।

ঘটনাবলি :
৫৩২ : বাইজেন্টাইন সম্রাট প্রথম জাস্টিনিয়ান কনস্টান্টিনোপলে নতুন অর্থোডক্স খ্রিস্টান ব্যাসিলিকা হিসেবে হাজিয়া সোফিয়া নির্মাণের নির্দেশ দেন।
৬২৪ : ঐতিহাসিক খন্দকের যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৭৬৮ : হায়দারাবাদের নিজামের সঙ্গে চুক্তি করে কর্নেল স্মিথে ব্রিটিশ আধিপত্য বিস্তার করেন।
১৭৭৮ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধ : কন্টিনেন্টাল আর্মিকে প্রশিক্ষণে সহায়তা করার জন্য ব্যারন ভন স্টুবেন পেনসিলভানিয়ার ভেলি ফোর্জ‌ে পৌঁছান।
১৭৯৯ : ফরাসি সেনা কমান্ডার নেপোলিয়ান বোনাপার্ট মিশর দখলের পর শ্যামে হামলা চালায়।
১৮৩১ : সাপ্তাহিক ‘সংবাদ সুধাকর’ প্রকাশিত হয়।
১৮৫৪ : অরেঞ্জ ফ্রি স্টেটের স্বাধীনতা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়।
১৮৭১ : লন্ডনে ইউরোপীয় সরকারগুলোর প্রতিনিধিদের একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
১৮৮৬ : বিশিষ্ট রসায়নবিদ চার্লস মার্টিন হল মূল্যবান অ্যালুমিনিয়াম উৎপাদনের সূত্র আবিষ্কার করেন।
১৮৮৭ : ফ্রেঞ্চ রিভিয়েরায় ভূমিকম্পের ফলে প্রায় ২ হাজার মানুষ নিহত হন।
১৮৯৮ : একটি খোলা চিঠি লেখার দায়ে ফ্রান্সে এমিল জোলাকে কারাবাস দেওয়া হয়।
১৯১৭ : রাশিয়ার পিটার্সবার্গে প্রথম আন্দোলনের মাধ্যমে ফেব্রুয়ারি বিদ্রোহের সূত্রপাত হয়।
১৯১৮ : সোভিয়েত লাল ফৌজ প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯১৩ : মেক্সিকোর পদচ্যুত রাষ্ট্রপতি ফ্রান্সিসকো মাদেরো গুলিতে নিহত হন।
১৯১৯ : বেনিতো মুসোলিনি ইতালিতে ফ্যাসিবাদি দল গঠন করেন।
১৯৪২ : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ : জাপানি সাবমেরিন ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা বারবারার নিকট উপকূলে গোলাবর্ষণ করে।
১৯৪৪ : সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক চেচেন ও ইংগুশদেরকে উত্তর ককেসাস থেকে মধ্য এশিয়ায় জোরপূর্বক স্থানান্তর শুরু হয়।
১৯৪৭ : দ্য ইন্টারন্যাশনাল অর্গানাইজেশন ফর স্ট্যান্ডারডাইজেশন (ISO) তথা আন্তর্জাতিক মান সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়।
১৯৪৮ : ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান গণপরিষদে উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলা ব্যবহারের দাবি জানান। তাঁর দাবি অগ্রাহ্য হয়। এমনকি গণপরিষদের অনেক বাঙালি সদস্যও তাঁর বিরোধিতা করেন।
১৯৫২ : ভাষা আন্দোলনের শহীদদের স্মরণে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন হয়।
১৯৬৬ : সিরিয়ায় বাথ পার্টির সদস্য সালাহ জাদিদ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেন। এরফলে জেনারেল আমিন আল-হাফিজের নেতৃত্বাধীন পূর্বের বাথপন্থি সরকার অপসারিত হয়।
১৯৬৯ : সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে।
১৯৬৯ : গণঅভ্যুত্থানের মুখে প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান পদত্যাগে বাধ্য হন।
১৯৯১ : উপসাগরীয় যুদ্ধ : স্থল সেনারা সৌদি আরবের সীমানা অতিক্রম করে ইরাকে প্রবেশ করে। ফলে যুদ্ধের স্থল পর্যায় শুরু হয়।
১৯৯৭ : স্কটল্যান্ডের ইডেনবার্গের রোর্সালন ইনস্টিটিউটের গবেষকেরা সর্বপ্রথম পূর্ণাঙ্গ ক্লোন ভেড়া ডলির জন্মের কথা প্রকাশ করেন।
১৯৯৯ : কুর্দি বিদ্রোহি নেতা আবদুল্লাহ ওজালান আঙ্কারায় রাষ্ট্রোদ্রোহিতার অভিযোগে অভিযুক্ত হন।

জন্ম :
১৪১৭ : পোপ দ্বিতীয় পল (মৃত্যু : ১৪৭১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৪৪৩ : ম্যাথিয়াস কোরভিনাস, হাঙ্গেরীয় রাজা (মৃত্যু : ১৪৯০ খ্রিস্টাব্দ)।
১৬৩৩ : ইংরেজ সৈনিক ও রাজনীতিক স্যামুয়েল পেপয়স জন্মগ্রহণ করেন।
১৬৮৫ : জার্মান বংশোদ্ভূত ইংরেজ অর্গানবাদক ও সুরকার জর্জ ফ্রিডেরিক হান্ডেল জন্মগ্রহণ করেন।
১৭২৩ : রিচার্ড‌ প্রাইস, ওয়েলশ-ইংরেজ মন্ত্রী ও দার্শনিক (মৃত্যু : ১৭৯১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৪০ : কালীপ্রসন্ন সিংহ, বাঙালি সাহিত্যিক ও মহাকাব্য মহাভারতের বাংলায় অনুবাদক (মৃত্যু : ১৮৭০ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৪০ : কার্ল মেনগের, অস্ট্রীয় অর্থনীতিবিদ ও শিক্ষাবিদ (মৃত্যু : ১৯২১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৫০ : সিজার রিটজ, সুইস ব্যবসায়ি (মৃত্যু : ১৯১৮ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৬৮ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমাজবিজ্ঞানি, ইতিহাসবিদ ও সমাজসেবি ডব্লিউ ই বি ডু বইস জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৩ : জার্মানি সুইস মনোবিজ্ঞানি ও দার্শনিক কার্ল জাস্পেরস জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৯ : ভিক্টর ফ্লেমিং, মার্কিন পরিচালক (মৃত্যু : ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৯৭ : রাধারমণ মিত্র, মিরাট ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের এক বিপ্লবি এবং সাহিত্য একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত বাঙালি সাহিত্যিক (মৃত্যু : ০৭/০২/১৯৯২ খ্রিস্টাব্দ)।
১৮৯৯ : এরিক কাস্টনার, জার্মান লেখক ও কবি (মৃত্যু : ১৯৭৪ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯১৩ : প্রতুল চন্দ্র সরকার (পি সি সরকার নামে সুপরিচিত), ভারতের প্রখ্যাত জাদুকর (মৃত্যু : ০৬/০১/১৯৭১ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯২৪ : নোবেল পুরস্কার বিজয়ি দক্ষিণ আফ্রিকান বংশোদ্ভূত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পদার্থবিদ অ্যালান ম্যাকলিয়ড করমাক জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪০ : পিটার ফন্ডা, মার্কিন অভিনেতা (মৃত্যু : ২০১৯ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৪৮ : ইংরেজ পরিচালক ও প্রযোজক বিল আলেকজান্ডার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৪ : ইউক্রেনীয় রাজনীতিবিদ ও ৩য় প্রেসিডেন্ট ভিক্টর য়ুশ্চেনকো জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৫৯ : ক্লেটন এন্ডারসন, মার্কিন প্রকৌশলী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানি।
১৯৬০ : অ্যালেন গ্রিফিন, অস্ট্রেলীয় রাজনীতিক।
১৯৬৫ : মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ি ও ডেল প্রতিষ্ঠাতা মাইকেল সল ডেল জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৭৪ : দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটার হার্শেল গিবস জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮১ : ইংরেজ ফুটবলার গ্যারেথ ব্যারি জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮৩ : এমিলি ব্লান্ট, মার্কিন ইংরেজ অভিনেত্রী ও গায়িকা।
১৯৯২ : ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার সাসেমিরো জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৯৪ : ডাকোটা ফ্যানিং, মার্কিন অভিনেত্রী।

মৃত্যু :
১৪৪৭ : পোপ চতুর্থ ইউজেন (জন্ম : ১৩৮৩ খ্রিস্টাব্দ)।
১৭৬৬ : পোলিশ রাজা স্টানিস্লাও লেসযচয্য়ন্সকি মৃত্যুবরণ করেন।
১৭৯২ : ইংরেজ চিত্রশিল্পী জশুয়া রেনল্ডস মৃত্যুবরণ করেন।
১৮২১ : ইংরেজ কবি জন কিটস মৃত্যুবরণ করেন।
১৮৪৮ : জন কুইন্সি এডাম্‌স, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ষষ্ঠ রাষ্ট্রপতি।
১৮৫৫ : কার্ল ফ্রিড্‌রিশ গাউস, জার্মান গণিতবিদ এবং বিজ্ঞানি।
১৯০৪ : মহেন্দ্রলাল সরকার ভারতীয় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক সমাজ সংস্কারক ও ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অব কাল্টিভেশন অব সায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা (জন্ম : ২/১১/১৮৩৩ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৩৪ : এডওয়ার্ড ইলগার, ইংরেজ সুরকার ও শিক্ষাবিদ।
১৯৪৫ : আলেক্সেই‌ নিকলাইয়েভিচ তল্‌স্তোয়, সোভিয়েত রুশ লেখক।
১৯৪৭ : হাকিম হাবিবুর রহমান, বাংলার বিশিষ্ট চিকিৎসক, লেখক ও রাজনীতিক।
১৯৫৫ : ফরাসি কবি, লেখক ও নাট্যকার পল ক্লাউডেল মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৬২ : সুনয়নী দেবী,স্বশিক্ষিত খ্যাতিমান ভারতীয় চিত্রশিল্পী (জন্ম : ১৮/০৬/১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৬৫ : ইংরেজ কমিক অভিনেতা, লেখক ও চলচ্চিত্র পরিচালক স্ট্যান লরেল মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৬৯ : মধুবালা, ভারতীয় অভিনেত্রী (জন্ম : ১৯৩৩ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৭৩ : নোবেল পুরস্কার বিজয়ি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডাক্তার ডিকিনসন ডাব্লিউ রিচার্ডস মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৭৬ : নোবেলশান্তি পুরস্কার বিজয়ি রানে কাস্যাঁ মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৯৬ : পল সাগপাক, এস্তোনীয় ভাষাবিদ (জন্ম : ১৯১০ খ্রিস্টাব্দ)।
১৯৯৮ : রমন লাম্বা, ভারতীয় ক্রিকেট খেলোয়াড়।
২০০১ : রবার্ট এনরিকো, ফরাসি পরিচালক ও চিত্রনাট্য লেখক (জন্ম : ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ)।
২০১৯ : ক্যাথরিন হেলমন্ড, মার্কিন অভিনেত্রী ও পরিচালক (জন্ম : ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দ) ওপারে পাড়ি জমান।