Category: নির্বাচন কমিশন

১১ এপ্রিলের সব নির্বাচন স্থগিত

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ উদ্বেগজনকভাবে বেড়ে যাওয়ায় ১১ এপ্রিল নির্ধারিত সব নির্বাচন ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা ও সংসদের উপ নির্বাচনগুলো স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (পহেলা এপ্রিল) কমিশন সভা শেষে ইসির অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ এই সিদ্ধান্ত জানান।

সিইসি কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে ওই কমিশন সভা হয়।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ১৯ জেলার ৬৪ উপজেলার ৩৭১ ইউনিয়ন পরিষদ; পৌর নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপের ১১ পৌরসভা এবং লক্ষ্মীপুর-২ আসনের উপ নির্বাচনে ভোট হওয়ার কথা ছিলো ১১ এপ্রিল।

আক্কেলপুরে ভোটার দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; নূর ওয়ালূদ, আক্কেলপুর (জয়পুরহাট) : ‘বয়স যদি আঠারো হয়, ভোটার হতে দেরি নয়’ এই স্লোগানে জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে পালিত হয়েছে জাতীয় ভোটার দিবস।

দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার (২ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০টায় উপজেলা নির্বাচন অফিসের বর্ণাঢ্য আয়োজনে গোপীনাথপুর ইউপি কার্যালয়ে শান্তির প্রতীক পায়রা এবং বেলুন উড়িয়ে দিবসের কার্যক্রম শুরু হয়।

এ সময় গোপীনাথপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবু সাঈদ জোয়াদ্দারের সভাপতিত্বে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম হাবিবুল হাসান।

আলোচনা শেষে ইউনিয়নের ২০১৯ সালে নিবন্ধিত নতুন ভোটারদের স্মার্ট কার্ড বিতরণ করা হয়।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা সুদীপ কুমার রায়, আক্কেলপুর মুজিবুর রহমান সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোকছেদ আলী, উপজেলা মৎস্য কর্মকতা মহিদুল ইসলাম এবং মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মকবুল হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

ভোটার দিবসে সিইসি : ইসিকে হেয় করতে সবই করছেন মাহবুব তালুকদার

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : এবার রীতিমত বিস্ফোরিত হলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা; নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে সমালোচনা করে আসা নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারকে নিয়ে ক্ষোভ ঝারলেন প্রকাশ্যে, তাঁর সামনেই।

মঙ্গলবার (২ মার্চ) ‘জাতীয় ভোটার দিবসের’ অনুষ্ঠানে সিইসি বলেন, বর্তমান নির্বাচন কমিশনকে ‘হেয়, অপদস্ত ও নিচে নামানোর জন্য’ যা করা দরকার, নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সবই করে চলেছেন।

নূরুল হুদা অভিযোগ করলেন, ‘ব্যক্তিগত স্বার্থে ও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে’ ইসিকে ‘হেয়’ করে চলেছেন কমিশনের এই সদস্য।

নির্বাচন ভবনের অডিটরিয়ামে এ অনুষ্ঠানে সিইসি যখন বক্তব্য দিচ্ছিলেন, মাহবুব তালুকদারসহ ৪ নির্বাচন কমিশনার, ইসি সচিব, অতিরিক্ত সচিব, এনআইডি উইংয়ের মহাপরিচালক ও প্রকল্প পরিচালক তখন মঞ্চে বসা। আর নির্বাচন কমিশনের হাজারখানেক কর্মির সঙ্গে সাংবাদিকেরাও মিলনায়তনে উপস্থিত।

সবার শেষে বক্তব্য দিতে উঠে সিইসি যখন মাহবুব তালুকদারকে নিয়ে কথা বলছিলেন, তখন এই নির্বাচন কমিশনারও পড়েন অস্বস্তিতে। তবে তিনি মঞ্চ ছেড়ে যান নি।

সিইসির ঠিক আগেই অনুষ্ঠানে নিজের লিখিত বক্তব্য পড়ে শোনান মাহবুব তালুকদার। সেখানে তিনি বরাবরের মতই দেশের নির্বাচন পরিস্থিতি এবং কমিশনের ভূমিকা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

‘আমার বক্তব্য’ শিরোনামে ওই লিখিত বক্তব্যে মাহবুব তালুকদার বলেন, ‘এককেন্দ্রিক স্থানীয় নির্বাচনের তেমন গুরুত্ব নেই। নির্বাচনে মনোনয়ন লাভই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। স্থানীয় নির্বাচনেও হানাহানি, মারামারি, কেন্দ্র দখল, ইভিএম ভাঙচুর ইত্যাদি মিলে এখন অনিয়মের মডেল তৈরি হয়েছে।’

‘নির্বাচন প্রক্রিয়ার সংস্কার না হলে এখন যে ধরনের নির্বাচন হচ্ছে, তার মান আরও নিম্নগামী হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।’

তার পরে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিতে এসে সিইসি কে এম নূরুল হুদা বলেন, ‘মাহবুব তালুকদার সাহেব অভ্যাসগতভাবে সারাজীবন আমাদের এ নির্বাচনে যোগ দেওয়ার পরদিন থেকে যা কিছু ইসির নেগেটিভ দিক, তা পকেট থেকে একটা কাগজ বের করে পাঠ করতেন। আজকে এর ব্যতিক্রম হয় নি।’

ভোটার দিবস উপলক্ষেও মাহবুব তালুকদার ‘একটি রাজনৈতিক বক্তব্য’ দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন সিইসি।

তিনি বলেন, ‘দেশের নির্বাচন কমিশনের স্বার্থে তিনি (মাহবুব তালুকদার) কাজ করেন না; ব্যক্তি স্বার্থে ও একটা উদ্দেশ্য সাধন করার জন্য এ কমিশনকে অপদস্ত করার জন্য যতটুকু যা করা দরকার, যখন যতটুকু করা দরকার, ততটুকু করেছেন উনি।’

ক্ষোভের সঙ্গে সিইসি বলেন, এ নির্বাচন কমিশনে যোগ দেওয়ার পর যতগুলো সভা হয়েছে, সব সময় মাহবুব তালুকদার ‘একই আচরণ’ করে আসছেন। এ কমিশনের আরও এক বছর মেয়াদ আছে, তিনি হয়তো তা চালিয়েই যাবেন।

‘ভেবেছিলাম ভোটার দিবস হিসেবে তিনি কিছু বলবেন; কিন্তু তিনি রাজনৈতিক বক্তব্য রাখলেন। ইসিকে কতখানি হেয় করা যায়, কতখানি নিচে নামানো যায়, অপদস্ত করা যায় তা তিনি করে চলেছেন।’

সিইসি হুদা বলেন, একজন নির্বাচন কমিশনার হিসেবে স্বাধীনভাবে মাহবুব তালুকদার কাজ করতে পারেন।

‘নির্বাচন কমিশনের ভুলত্রুটি, একটা পুরোনো কাগজপত্র বের করে একটা কিছু দাঁড় করানো সম্ভব। ইসির কার কী দায়িত্ব, কী পরামর্শ, কর্মকর্তারা কাজ কী করছেন- এগুলো করেন কিনা, এটা করলে ভালো হতো- এসব প্রশ্নও করা যায়।’

সিইসির অভিযোগ ও মন্তব্যের বিষয়ে অনুষ্ঠানের পর নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের প্রতিক্রিয়া তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায় নি।

সিইসি : ভোট উৎসবের মতোই টিকাদান উৎসব

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : করোনাভাইরাসের টিকা নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা বলেছেন, ভোটের মতই একটি উৎসব চলছে বলে তাঁর মনে হচ্ছে।

সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) গিয়ে টিকা নেন নূরুল হুদা।

পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘ভোট উৎসবের মতই টিকাদান উৎসব চলছে। আসলেই এটা একটা উৎসব। আমি অনুরোধ করব আমার ভোটারদেরকে, আপনারা প্রত্যেকে যার যার এলাকা থেকে এই টিকা গ্রহণ করুন। এটা কোভিড থেকে সুরক্ষার একটা অত্যন্ত ফলপ্রসূ উপায়।’

নির্বাচন কমিশন সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, প্রকল্প পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবুল কাশেম মো. ফজলুল কাদের এবং ইটিআই মহাপরিচালক ও ঢাকার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তাহ বেশ কয়েকজন এ সময় টিকা নেন।

৭২ বছর বয়সি নূরুল হুদা বলেন, ‘কোনও রকমের সমস্যা ফেইস করি নি। আধা ঘণ্টা অবজারভেশনে ছিলাম। আমার কোনও অসুবিধা হয় নি। আমি টিকা নেওয়ার পরে কোনও প্রতিক্রিয়া অনুভূত হয় নি। সবাইকে নিঃসংকোচে টিকা নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাই।’

একই কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী।

টিকা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ভ্যাকসিনটা নেওয়ার পর এই মুহুর্তে নিজেকে নিরাপদ মনে করছি। আমার মনে হয় এই যে বিশ্বব্যাপী করোনার ছোবল, সেখানে থেকে আমি পুরোপুরি মুক্ত, এইটুকু বিশ্বাস আমার মধ্যে জন্ম হয়ে গেছে।’

বাংলাদেশের সবকিছু নিয়ে গুজব ছড়ানো হয় মন্তব্য করে তাতে কান না দিতে সবার প্রতি আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।

সিইসি : পৌরসভা নির্বাচন ডিসেম্বরে শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আগামী ডিসেম্বর থেকে দেশে পর্যায়ক্রমে পৌরসভা নির্বাচন হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা।

সোমবার (২ নভেম্বর) রাজধানীর নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে এক বৈঠকের পর তিনি এ কথা জানান।

সিইসি বলেন, ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে এসব নির্বাচন হবে।

‘আমরা পাঁচ ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিষয়ে ভাবছি। আগামী বছর মে মাসের মধ্যে সব নির্বাচন শেষ হবে।’

যেসব পৌরসভার মেয়াদ জানুয়ারি থেকে ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে, প্রথম পর্যায়ে এ রকম ২০-২৫টি পৌরসভার নির্বাচন হবে বলে জানান সিইসি।

নির্বাচন আইন অনুসারে, পৌরসভার মেয়াদ শেষ হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে পৌরসভা নির্বাচন হওয়ার কথা।

নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন- পৌরসভার প্রথম সভা থেকে পৌরসভার মেয়াদ গণনা শুরু হয়।

তিনি বলেন- বিভিন্ন পৌরসভার প্রথম সভা বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়। তাই পৌরসভার মেয়াদ শেষ হয় বিভিন্ন সময়ে। এ কারণে একযোগে সব পৌরসভার নির্বাচন করা সম্ভব হবে না।

ইসি সূত্র জানায়- স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে মোট পৌরসভার সংখ্যা ৩২৯টি। এর মধ্যে ২৩৫টি পৌরসভার মেয়াদ ২০২০ সালের মার্চ মাসের মধ্যে শেষ হবে। আরও ৫৬টির মেয়াদ এপ্রিলে শেষ হবে।

এ বিষয়ক : দ্বিতীয় এনআইডি : সাবরীনার দুই দিনের রিমান্ড; প্রশ্নবিদ্ধ ইসি

মুখোমুখি হয়ে পড়ছে সাংসদ, স্থানীয় সরকার ও প্রশাসন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচিত কিছু সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকারের কিছু সদস্যের সঙ্গে প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তার মুখোমুখি অবস্থান তৈরি হয়েছে। অবশ্য তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের ব্যাপারেই আগে থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে সমালোচনা ছিল। এসবক্ষেত্রে উভয়পক্ষের ব্যাপারেই নানা ধরনের অভিযোগ উঠেছে।

সর্বশেষ এ ধরনের ঘটনার নজির ফরিদপুর-৪ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মুজিবর রহমান চৌধুরী ওরফে নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) মামলা। মামলাটি করা হয়েছে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে। যেখানে ডিসিকে (জেলা প্রশাসক) রাজাকার বলে এক সভায় গাল দেওয়ার পর মুঠোফোনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে গালাগাল দেওয়ার অভিযোগ উঠে নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে। যদিও নিক্সন চৌধুরী দাবি করেন- মুঠোফোনের ওই কথোপকথন ‘সুপার এডিটেড’। এরপরও জেলা সিনিয়র নির্বাচন অফিসার নোয়াবুল ইসলাম ১৫ অক্টোবর সকাল ১০টায় ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানায় নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেন। যা দেশে প্রথম ঘটনা বলেই জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

এর আগে নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করা হবে জানিয়ে বক্তব্য দেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

করোনাকালে উভয় পক্ষ নিয়েই সমালোচনা : করোনাভাইরাসের সময় নানা ধরনের সাহায্য-সহযোগিতা ও ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে প্রশাসনের মাধ্যমেই। এক্ষেত্রে স্থানীয় সাংসদ ও স্থানীয় সরকার তথা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্যদের মাধ্যমে এ কাজ করা হয় নি। প্রাথমিকভাবে কিছু ত্রাণ সাংসদ ও স্থানীয় সরকারের মাধ্যমে বিতরণ করা হলেও পরে ‘দুর্নীতির অভিযোগ আসায়’, সেগুলো বিতরণ করা হয় প্রশাসনের মাধ্যমেই। এক্ষেত্রে ত্রাণ বিতরণে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তারাই (ইউএনও) মূলত সংশ্লিষ্ট এলাকায় মূল ভূমিকা পালন করেন। পরে ইউএনওদের বিরুদ্ধেও উঠে আসে নানান অভিযোগ।

সবমিলিয়ে কয়েকজন সাংসদ ও স্থানীয় সরকারের কয়েকজন সদস্য এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তথা প্রশাসন চলে আসে মুখোমুখি অবস্থানে।

ইউএনওদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ : ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বেশ কয়েকজন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মানববন্ধন ও বিক্ষোভের মতো কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

এর মধ্যে এ বছর জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল মিয়ার বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠে।

উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানেরা সুষ্ঠু তদন্তসাপেক্ষে তাঁর অপসারণ ও শাস্তি দাবি করে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর কাছে লিখিত আবেদন করেন।

ওই অনুলিপি সচিব, এনএসআই (ন্যাশনাল সিকিউরিটি ইন্টেলিজেন্স), দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) ও বিভাগীয় কমিশনারসহ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো হয়।

এর আগে গেল এপ্রিলে স্থানীয়রা ‘নানান অনিয়মের’ অভিযোগ তুলেন পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈকা সাহাদাতের বিরুদ্ধে।

মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তানভীর রহমানের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অনিয়ম, দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগে গত ২৪ জুন স্থানীয় কয়েকজন ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

গত ১২ আগস্ট নরসিংদীর শিবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে ‘দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের’ অভিযোগে নরসিংদী সার্কিট হাউজে দিনব্যাপী তদন্ত করেন ঢাকা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের পরিচালক এম ইদ্রিস সিদ্দিকী (যুগ্ম-সচিব, স্থানীয় সরকার)।

মুখোমুখি সাংসদ, স্থানীয় সরকার এবং প্রশাসন : মূলত করোনাভাইরাসের ত্রাণ প্রশাসনের মাধ্যমে বিতরণ করায় কিছু সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকারের সঙ্গে প্রশাসন বিশেষ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসে বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে এক্ষেত্রে কিছু ইউএনওর বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলেই জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

এ বিষয়ক : অবশেষে নিক্সন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা

নিক্সন চৌধুরীর ব্যাপারে ইসি : আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করায় ফরিদপুর চার আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মুজিবর রহমান চৌধুরীর (নিক্সন চৌধুরী) বিরুদ্ধে মামলাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদা।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

সিইসি নূরুল হুদা বলেন, সংসদ সদস্য যে আচরণবিধি ভঙ্গ করেছেন অবশ্যই তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মামলার প্রয়োজন হলে মামলাও করা হবে। আমরা তাই করবো। এমপি হিসেবে আলাদাভাবে কোনো সুবিধা পাওয়ার সুযোগ নেই।

তিনি বলেন- আমরা যশোর, পাবনাসহ অন্যান্য জায়গায় যে নির্বাচনগুলো করেছি সেখানে এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটেনি। এটি একটি ব্যতিক্রম ঘটনা ঘটেছে। আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে ব্যক্তি বিবেচ্য বিষয় নয়, তিনি আইন ভঙ্গ করেছেন বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির মধ্যে নির্বাচন পেছানো হবে কি না জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার বলেন- করোনার মধ্যে আর কোনো নির্বাচন পেছানো হবে না। সিডিউল অনুযায়ী নির্বাচন করে ফেলবো। স্থানীয় সরকার বিধান অনুযায়ী আমাদের তালিকা দিলে আমরা সেটি করে ফেলবো। করোনার জন্য আটকে থাকবে না।

তিনি বলেন- চট্টগ্রাম নির্বাচন আমরা সময় মতো করে ফেলবো। ফরিদপুরের চার আসনের এমপি যেটি করেছে এটি আমরা মোকাবিলা করবো। আমি বিশ্বাস করি প্রশাসনের লোকেরাও স্বস্তি পাবে এবং তাঁরা নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করার জন্য নিজের অবস্থান থেকে দৃঢ় থাকবেন।

এ বিষয়ক : সাবরীনার দুটো এনআইডি কেন, ইসির কাছে জানতে চায় দুদক

দ্বিতীয় এনআইডি : সাবরীনার দুই দিনের রিমান্ড; প্রশ্নবিদ্ধ ইসি

আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলায় ২৬ সেপ্টেম্বর সাধারণ ছুটি

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের ৭১ পাবনা-৪ নির্বাচনী এলাকা আটঘরিয়া ও ঈশ্বরদী উপজেলায় শূন্য আসনে উপনির্বাচন উপলক্ষ্যে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার।

১৭ সেপ্টেম্বর জারি হওয়া জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়- নির্বাচনের দিন সকল সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও বেসরকারি অফিস, প্রতিষ্ঠান ও সংস্থায় কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারী এবং সরকারি, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ভোটাধিকার প্রয়োগ ও ভোট গ্রহণের সুবিধার্থে ওই ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

এ বিষয়ক : ইদের ছুটিতে নিরবচ্ছিন্ন এটিএম সেবা দেওয়ার নির্দেশ

দ্বিতীয় এনআইডি : সাবরীনার দুই দিনের রিমান্ড; প্রশ্নবিদ্ধ ইসি

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর দ্বিতীয় এনআইডি (জাতীয় পরিচয়পত্র) পাবার ঘটনায় করা মামলায় তাঁকে আরও দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। এদিকে সাবরীনার এনআইডিতে মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানের কার্ড থাকার বিষয়টি জানাজানি হবার পর বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কর্মকর্তারাও কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারেন না। কারণ আঙুলে ছাপের কারণে দ্বিতীয়বার কারও এনআইডি করা সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন : সাবরীনার দ্বিতীয় এনআইডি : জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে মিজানকে

সাবরীনার দুটো এনআইডি কেন, ইসির কাছে জানতে চায় দুদক

সাবরীনা ও আরিফসহ ৮ জনের জামিন নামঞ্জুর

সাবরীনা গেলেন তিনদিনের রিমান্ডে

আবার ইসির সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ আলমগীর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমের কাছে দাবি করেছেন- ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর দ্বিতীয় দফায় এনআইডি করার ক্ষেত্রে মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যানের চাপ থাকলে তিনিও আসামি হবেন।

এমন অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন- তাহলে কি চাপ প্রয়োগ করলেই ইসিতে অবৈধ কাজ করা সম্ভব হয়? নাকি তিনি না বুঝেই এ ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন, সেটিও আমাদের দেখতে হবে। তবে অপরাধী যে-ই হোক না কেন; তাঁকেই আইনের আওতায় আনতে হবে।

জানা গেছে- দ্বিতীয় দফায় এনআইডি করার মামলায় বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেন ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর জামিন নামঞ্জুর করে দু’দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত পহেলা সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক মমিনুল ইসলাম ডা. সাবরীনার উপস্থিততে তাঁর জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছিলেন।

প্রসঙ্গত- ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর দ্বিতীয় দফায় করা এনআইডি’র বিষয়ে গত ৩০ আগস্ট রাতে বাড্ডা থানায় একটি মামলা দায়ের করেন গুলশান থানার নির্বাচন কর্মকর্তা মমিন মিয়া। জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন ২০১০-এর ১৪ ও ১৫ ধারা অনুযায়ী তথ্য গোপন ও জালিয়াতির অভিযোগে সাবরিনার বিরুদ্ধে ওই মামলা করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়- র্ব্তমানে ডা. সাবরীনার দুটো এনআইডি কার্ডই সক্রিয়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) বিষয়টি টের পাওয়ার পর বিস্তারিত জানতে ইসির কাছে তথ্য চেয়েছে। সাবরীনা ২০১৬ সালের ভোটার তালিকা হালনাগাদের সময় দ্বিতীয়বার ভোটার হন। তিনি প্রথমে ভোটার হন সাবরীনা শারমিন হোসেন নামে। একটিতে জন্ম তারিখ দেওয়া ১৯৭৮ সালের ২ ডিসেম্বর। অন্যটিতে ১৯৮৩ সালের ২ ডিসেম্বর। প্রথমটিতে স্বামীর নাম হিসেবে ব্যবহার করেছেন আর এইচ হক। আর দ্বিতীয়টিতে স্বামীর নাম লেখা হয়েছে আরিফুল চৌধুরী।

উল্লেখ করা যেতে পারে- তথ্য গোপন ও জালিয়াতির মাধ্যমে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নেওয়ার অভিযোগে ডা. সাবরীনার এনআইডিগুলো ইতোমধ্যে ‘ব্লক’ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ঘটনা তদন্তে ছয় সদস্যের কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

আরও উল্লেখ করা যেতে পারে- জাতীয় পরিচয়পত্রের মাধ্যমে নানান সুবিধা ভোগ করতে পারেন বাংলাদেশের নাগরিকরা।

সাবরীনার দ্বিতীয় এনআইডি : জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে মিজানকে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর দ্বিতীয় পরিচয়পত্র ইস্যুতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে মানবাধিকার কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান ড. মিজানুর রহমানকে। কারণ তাঁর তদবিরেই নাকি মিথ্যা তথ্য দিয়ে দ্বিতীয়বার জাতীয় পরিচয়পত্র করিয়ে নেন জেকেজির চেয়ারম্যান ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরী। সাবরীনার সঙ্গে ড. মিজান নিজেই গিয়েছিলেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) কার্যালয়ে। এ কথা জানিয়েছেন খোদ নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ড. মিজান।

আরও পড়ুন : সাবরীনার দুটো এনআইডি কেন, ইসির কাছে জানতে চায় দুদক

সাবরীনা-আরিফসহ ৮ জনের জামিন নামঞ্জুর

সাবরীনা গেলেন তিনদিনের রিমান্ডে

ইসির তথ্যভাণ্ডার বলছে- দ্বিতীয়বার ভোটার হওয়ার সময় সাবরীনার আবেদনপত্রে ছিল ড. মিজানুর রহমানের রেফারেন্স। এমনকি ড. মিজান নিজেই উপস্থিত হয়ে সাবরীনার জন্য তদবির করেন বলে জানান এনআইডির টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মো. শাহাবুদ্দিন।

তিনি বলেন, ফাইলটাতে দেখলাম মিজানুর রহমান স্যারের কার্ড আছে। মিজান স্যার ওনাকে নিয়ে এসেছিলেন।

এনআইডির টেকনিক্যাল এক্সপার্ট মিজানকে সাবরীনার সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দেখেছেন জানিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়, কেন তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। তবে বিষয়টি অস্বীকার করেছেন ড. মিজান। তার দাবি, তিনি নাকি কখনো নির্বাচন কমিশনেই যান নি। এমনকি চেনেনও না সাবরীনাকেও।

ড. মিজানুর রহমান বলেন, যে মানুষকে আমি চিনি না কোনদিন, সে কেন আমার নাম ব্যবহার করেছে।

এনআইডি মহাপরিচালক বলছেন, শুধু ইসি কর্মকর্তাই নয়, তদন্তের আওতায় নিয়ে আসা হবে তদবিরকারীকেও।

এনআইডি মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুল ইসলাম বলেন, যারা রেফারেন্স করেছিল, তারা কতটুকু দোষী, এগুলো দেখা হবে।

এনআইডি সার্ভারের সিকিউরিটি ফিচার অনুযায়ী, দ্বিতীয় ভোটার হতে আসলেই আঙুলের ছাপে ধরা পড়ে যায়।

সেক্ষেত্রে প্রশ্ন দাঁড়িয়েছে, কমিশনের কোনো কর্মকর্তার যোগসাজশ ছাড়া আদৌ দ্বৈত ভোটার হওয়া সম্ভব কিনা। তবে ইসির দুই দফা তদন্তে উঠে আসে নি কোনও কর্মকর্তার নাম।

প্রসঙ্গত- জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন আইন, ২০১০ অনুযায়ী, মিথ্যা তথ্য প্রদান এবং একাধিকবার ভোটার হওয়া, এ দুটি অপরাধের যে কোনও একটির জন্য এক বছর কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। একইসঙ্গে একই শাস্তির কথা বলা হয়েছে নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের ব্যাপারেও।

আরও উল্লেখ করা যেতে পারে- ডা. সাবরীনা আরিফ চৌধুরীর দুটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিষয়ে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজনে বুয়েট এবং কম্পিউটার কাউন্সিলের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ৬ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

এক আসনেই আ. লীগের প্রার্থী হতে চান ৫৬ জন!

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সংসদ সদস্যদের মৃত্যুতে শূন্য হয়ে যাওয়া পাঁচটি সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে ১৪১ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে শুধু একটি আসনেই ক্ষমতাসীন এই দলটির প্রার্থী হতে আগ্রহী ৫৬ জন।

সূত্র জানায়- সবচেয়ে বেশি মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন ঢাকা-১৮ আসনের আগ্রহী প্রার্থীরা। আসনটিতে মোট ৫৬ জন মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। এরপরই রয়েছে নওগাঁ-৬ আসন। সেখানে ৩৪ জন, পাবনা-৪ আসনে ২৮ জন, ঢাকা-৫ আসনে ২০ জন এবং সর্বনিম্ন ৩ জন সিরাজগঞ্জ-১ আসনে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন।

প্রতিটি ফরমের মূল্য রাখা হয় ৩০ হাজার টাকা করে। ফলে শুধু মনোনয়ন ফরম বিক্রিতেই দলটির ফান্ডে জমা হয়েছে ৪২ লাখ ৩০ হাজার টাকা।

এর আগে সম্প্রতি আগ্রহী প্রার্থীদের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করার আহ্বান জানায় আওয়ামী লীগ। ২৩ আগস্ট মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ ও জমা দেয়ার শেষ তারিখ ছিল। এখন পর্যন্ত ১৪১ জন আগ্রহী প্রার্থী মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে মনোনয়ন বোর্ডের বৈঠকে প্রার্থী চূড়ান্ত করা হবে।

প্রসঙ্গত, গত ১৩ জুন মৃত্যুবরণ করেন সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মোহাম্মদ নাসিম। ৯ জুলাই মারা যান ঢাকা-১৮ আসনের সংসদ সদস্য ও সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সাহারা খাতুন। ৬ মে মারা যান ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান মোল্লা। পাবনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামসুর রহমান শরীফ ডিলু মারা যান ২ এপ্রিল। এ ছাড়া সর্বশেষ গত ২৭ জুলাই না ফেরার দেশে চলে যান নওগাঁ-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইসরাফিল আলম।

তিন সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ঢাকা-৫, নওগাঁ-৬ ও পাবনা-৪ সংসদীয় আসনে উপনির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পাবনা-৪ আসনে ভোট হবে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর। অন্য দুটি আসনে ভোট গ্রহণ করা হবে ১৭ অক্টোবর।

তবে করোনার প্রকোপ ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে ঢাকা-১৮ ও সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপনির্বাচন আসন দুটি শূন্য হওয়ার পরের ৯০ দিনে অনুষ্ঠানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইসি। রোববার (২৩ আগস্ট) বিকেলে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে ইসির বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত হয়।

বৈঠক শেষে ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর সাংবাদিকদের সভার সিদ্ধান্ত জানান। তিনি জানান, স্থগিত থাকা স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো অক্টোবরের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় সপ্তাহে অনুষ্ঠিত হবে।

তিনটি উপনির্বাচনের ভোটের তারিখ নির্ধারিত হলেও তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে শুধু পাবনা-৪ আসনের। বাকী দুটি আসনের তফসিল যথাসময়ে ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছে ইসি।

তফসিল অনুযায়ী- পাবনা-৪ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় ২ সেপ্টেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ৩ সেপ্টেম্বর। প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ সময় ৮ সেপ্টেম্বর। আর ভোট নেওয়া হবে ২৬ সেপ্টেম্বর।