Category: জীবনধারা

কাঁচা আম ভর্তার রেসিপি

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বাজারে ক’দিন বাদেই কাঁচা আম উঠতে শুরু করবে। কাঁচা আম দেখলেই সবার জিভে জল চলে আসে।

আর এই কাঁচা আমই লবণ ও মরিচের গুঁড়ো দিয়ে মাখিয়ে খাওয়ার স্বাদ অনন্য।

কাঁচা আমের অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা আছে। পাকা আম স্বাদে মিষ্টি হওয়ায় ডায়াবেটিসের রোগিসহ অনেকের ক্ষেত্রে খাওয়া নিষেধ।

তবে কাঁচা আমের বিভিন্ন পুষ্টিগুণ দীর্ঘমেয়াদি ব্যাধি থেকেও মুক্তি দেয়।

কাঁচা অনেকেই বিভিন্নভাবে খেয়ে থাকেন। কেউ আচার তৈরি করে খান, আবার কেউ কাঁচা আমের পাতুরি, তরকারিতে ব্যবহার করে খেয়ে থাকেন।

কাঁচা আমের জুসও কিন্তু শরীরের জন্য অনেক উপকারি।

তবে যা-ই হোক; কাঁচা আমের টক-ঝাল ভর্তা খেতে সবাই পছন্দ করে থাকেন। বিশেষ করে গরমের দুপুরে কাঁচা আমের ভর্তা খেলে মুহূর্তেই আপনার শরীর ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।

তবে চলুন জেনে নিই কীভাবে তৈরি হয় কাঁচা আমের ভর্তা :

উপকরণ :
১. আম ২টি
২. চিনি ২ চা চামচ
৩. লবণ পরিমাণমতো
৪. বিট লবণ আধা চা চামচ
৫. কাঁচা মরিচ কুচি ২ থেকে ৩টি
৬. কাসুন্দি ১ কাপের ৩ ভাগের ১ ভাগ

পদ্ধতি :
প্রথমে আম দুটো লম্বা ও কুচি করে কেটে নিন। বেশি মিহি করে কুচি করবেন না।

কারণ মাখানোর পর আম গলে যায় বেশি কুচি করে কাটলে। এরপর একে একে সব উপকরণ মিশিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিন। কাঁচা আমের এ ভর্তা খেতে অনেকটা টক-ঝাল-মিষ্টি লাগবে। একবার খেলে মুখে এর স্বাদ লেগে থাকবে।

খুবই কম সময়ে মাত্র ৬টি উপকরণ দিয়েই তৈরি করে নিতে পারেন কাঁচা আমের অসাধারণ এ ভর্তা।

পরিবারসহ উপভোগ করতে পারেন সকলে মিলে।

লিপস্টিকের গল্প

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : যে কোনও বয়সের নারীদের জন্য লিপস্টিক একটি আভিজাত্য। লিপস্টিক হলো ঠোঁট সাজানোর একটি অন্যতম প্রধান প্রসাধনি।

যার ব্যবহার বহুকাল আগে থেকে হয়ে আসছে। এরও নানা ধরন রয়েছে যেমন তরল আবার জমাট বাঁধা, এমনকি রঙেও রয়েছে বিভিন্নতা।

তবে সব থেকে বেশি ভালবাসা ও ভালো লাগার জায়গাজুড়ে বিরাজ করছে লাল রঙের লিপস্টিক। এটি সচরাচর একটি নলাকার স্টিকে থাকে।

কারও কারও জন্য লিপস্টিক ব্যক্তিগত আত্মবিশ্বাসের বৃদ্ধির প্রতীক। বর্তমান সময়ে অনেকের জন্যই মেকআপ হলো ব্যতিক্রম একটি রাস্তা। তবে এই লিপস্টিক কিন্তু এ সময়ের আবিষ্কার নয়, এর আবিষ্কারের পেছনেও রয়েছে ইতিহাস।

লাল লিপস্টিকের গল্প : ধারণা করা হয়, বিংশ শতাব্দীতে লাল লিপস্টিককে শক্তি এবং ক্ষমতার প্রতীক হিসেবে ধরা হতো। এই প্রতীক নারীদের ভোট দেওয়ার অধিকার আন্দোলনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে। আন্দোলনটি মূলত হয়েছিলো মধ্যবিত্ত নারীদের ভোট প্রদানের অধিকার ও নারীদের সম্পত্তির মালিকানার অধিকারের দাবি পূরণের লক্ষ্যে।

তাঁরা বিশ্বাসী ছিলেন, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে, যার সৌন্দর্যের সঙ্গে বরাবরই একটা সম্পর্ক ছিলো। যেহেতু এ নারীরা তাঁদের অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলনটি করছিলেন তাই, লাল লিপস্টিক তাঁদের ইউনিফর্মের একটি অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছিলো। তাই আন্দোলন চলাকালে যখন পুরুষ সমাজ তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছিলেন, তখন লাল রঙটি হয়ে দাঁড়িয়েছিলো তাদের শক্তির একমাত্র প্রতীক।

তবে আরও বেশকিছু গল্প হয়তো ইতিহাসের পাতায় এখনও লিপিবদ্ধ রয়েছে, সময়ের সঙ্গেসঙ্গে বেরিয়ে আসবে আরও অনেক হারিয়ে যাওয়া অভ্যুদয়ের গল্প।

প্রসূতির দুধ বাড়াতে ৩০ খাবার

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : শিশুর জন্মের পর অনেক শিশুই ঠিকমতো বুকের দুধ পান না। তাই বুকের দুধ বাড়ানো নিয়ে ডাক্তারের শরণাপন্ন হন অনেকেই।

ওই সময় ডাক্তার কমপক্ষে ৩০ মিনিট ব্যায়াম করার সুপারিশ করেন। যা প্রসূতি মায়ের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। ভালো রাখতে সাহায্য করে রক্ত সঞ্চালনও।

সাধারণত ডাক্তারেরা সুপারিশ করেন, আপনি মেডিটেশন করুন এবং শান্ত থাকার ক্রিয়াকলাপগুলো খুঁজে বের করুন।

মানসিক চাপ বুকের দুধ কম উৎপাদনের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে একটি হতে পারে।

আপনার সঙ্গী, সেবা–প্রদানকারী এবং ডাক্তারদের মধ্যে যোগাযোগ থাকলে আপনার জীবন আরও সহজ হয়ে উঠবে।

বুকের দুধ বাড়াতে ৩০টি খাবার খেতে পারেন। খাবারগুলো হলো :

১. মেথির বীজ : সারা পৃথিবীতে স্তন্যদুগ্ধ বৃদ্ধির জন্য বহু প্রজন্ম ধরে মেথি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি ওমেগা-৩ ফ্যাট সমৃদ্ধ যা আপনার শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিটা–ক্যারোটিন, ভিটামিন বি, ক্যালসিয়াম এবং লৌহ সমৃদ্ধ খাদ্য হিসাবে আপনি মেথি পাতাও ব্যবহার করতে পারেন। চা বানানোর সময়ও মেথি বীজ ব্যবহার করা যেতে পারে বা সবজির তরকারিতে ব্যবহার করা যেতে পারে।

এ ছাড়াও মেথি দেওয়া হয় রুটি এবং পুরি বা কচুরিতে।

২. মৌরির বীজ বা মৌরি : বুকের দুধের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি, গ্যাস এবং পেটের ব্যাথা কমাতে মৌরি ব্যবহার করা হয়। ধারণা করা হয়, এইসকল বীজের গুণাগুণ বুকের দুধের মাধ্যমে শিশুর দেহে পৌঁছায়। আপনি রাতে এক গ্লাস জলে এক চা চামচ মৌরি ভিজিয়ে রাখতে পারেন এবং সকালে তা পান করতে পারেন অথবা চা–এর মধ্যে দিয়েও পান করতে পারেন।

৩. রসুন : রসুন রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা বৃদ্ধি, হৃদরোগ প্রতিরোধ, এবং প্রতিষেধক বৈশিষ্ট্য থাকার জন্য সুপরিচিত। রসুন বুকের দুধের স্বাদ এবং গন্ধকে প্রভাবিত করতে পারে তাই এটি সীমিত ও সতর্কভাবে ব্যবহার করতে হবে।

৪. সবুজ পাতাওয়ালা শাকসবজি : পালংশাক, পাতাকপি, মেথিপাতা, সরষে শাক জাতীয় সবুজ শাক–সবজি লৌহ, ক্যালসিয়াম এবং ফোলেটের মত খনিজগুলির বড় উৎস। এগুলিতে প্রচুর ভিটামিন থাকে এবং স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করে বলে মনে করা হয়। দৈনিকভিত্তিতে আপনার খাদ্যতালিকায় অন্তত এক প্রস্থ সবুজ শাক সবজি থাকা উচিত।

৫. জিরা : জিরা স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করার সঙ্গেসঙ্গে হজমে সহায়তা করে এবং এটি কোষ্ঠকাঠিন্য, পেটফাঁপা, অম্বলের উপশমকারি হিসেবেও পরিচিত। এটি ভিটামিন এবং ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ। উপকার পেতে এটি সালাদে ব্যবহার করুন অথবা রাতভর জলে ভিজিয়ে রাখুন এবং ওই জল পান করুন।

৬. তিল বীজ : বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য বহু লোক তিলের বীজ বা তিল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এই বীজ ক্যালসিয়ামের একটি অসাধারণ দুগ্ধ বর্জিত উৎস যা আপনার শিশুর বৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনকি প্রসবের পরে, মায়ের কর্মক্ষমতা ফিরে পেতে এবং স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারের জন্য ক্যালসিয়াম বিশেষ প্রয়োজনীয়। আপনি আপনার দৈনন্দিন রান্নার মধ্যে তিল ব্যবহার করতে পারেন বা এটি দিয়ে মিষ্টি খাবার তৈরি করতে পারেন যেমন লাড্ডু এবং প্রতিদিন একটি করে খেতে পারেন।

৭. পবিত্র তুলসী : পবিত্র বেসিল বা তুলসি মায়ের দুধ বৃদ্ধি করার জন্য বহু প্রজন্ম ধরে ব্যবহার করা হয়েছে। স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করার সঙ্গেসঙ্গে এটি মন শান্ত রাখার গুণের জন্যও পরিচিত এছাড়া এটি পাচনতন্ত্রের গতি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে এবং ক্ষুধা বাড়ায়। তুলসি চা–এর মাধ্যমে গ্রহণ করলে এটি আপনাকে আরাম এবং স্বস্তি দেবে।

৮. ওটমিল : এটি দেহে শক্তি যোগায় ও প্রসব পরের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের জন্য দুর্দান্ত। এটি আঁশযুক্ত বা তন্তু সমৃদ্ধ যা আপনার পাচনতন্ত্রের উপর ইতিবাচক প্রভাব ফেলে। আপনি ব্রেকফাস্টে ওটস্ খেতে পারেন বা ওটস্ কুকিজ তৈরি করতে পারেন। নিউট্রিশনিস্টরা বা পুষ্টিবিদরা স্তন্যদুগ্ধ বৃদ্ধি করতে যে কোনও খাদ্যতালিকাতেই ওটস্ যোগ করার সুপারিশ করে থাকেন।

৯. কাঁচা পেঁপে : বুকের দুধের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি কাঁচা পেঁপে মনে প্রশান্তি আনে এবং ভালো ঘুম আনে। আপনি সালাদের মধ্যে গ্রেট করে বা ঘষে নিয়ে কাঁচা পেঁপে খেতে পারেন। কাঁচা পেঁপে বুকের দুধ বাড়ানোর জন্য অন্যতম সেরা ফল বলে মনে করা হয়।

১০. গাজর : গাজর স্তন্যদুগ্ধ বৃদ্ধিতে একটি বড় ভূমিকা পালন করে এবং এটি ভিটামিন-এ সমৃদ্ধ; যা বুকের দুধের মান উন্নত করে। সালাদের আকারে কাঁচা গাজর খান অথবা সকালে এক কাপ রস করে প্রাতরাশের সঙ্গে পান করুন। গাজর বিশ্বের সর্বত্রই পাওয়া যায় এবং এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করার জন্য সেরা খাবারগুলির মধ্যে একটি।

১১. বার্লি : বার্লি স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে এবং আপনাকে হাইড্রেটেড রাখে বা শরীরের জলস্তরের ভারসাম্য বজায় রাখতে পারে। আপনি এটা সালাদের সঙ্গে নিতে পারেন অথবা রাতভর জলে ভিজিয়ে রেখে পরদিন সকালে পান করতে পারেন।

১২. শতমূলী : শতমূলী একটি উচ্চ তন্তুময় বা আঁশযুক্ত ভিটামিন-এ এবং কে সমৃদ্ধ খাদ্য। এটি স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সাহায্যকারী হরমোনকে উদ্দীপিত করে। একটি সুস্বাদু খাবার বা জলখাবার বানাতে এটি অন্য সবজির সঙ্গে মিলিতভাবে একটি প্যানে সিদ্ধ করে বা হালকা সাঁতলে নিন।

১৩. বাদামী চাল : কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে বাদামী চাল উপকারী। এটি স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য দায়ী হরমোনকে উদ্দীপিত করে বলে জানা যায়। এটা মায়ের জন্য শক্তিদায়ক এবং সুস্বাস্থ্যের পথনির্দেশকারী। একটি প্রেসারকুকার বা রাইসকুকারে এটি রান্না করুন এবং সবজি সহ খেতে থাকুন।

১৪. এপ্রিকট বা খুবানি : এপ্রিকট বা খুবানি হরমোন জনিত ভারসাম্য রক্ষায় সাহায্য করে থাকে এবং এটি প্রসবের আগে ও পরে উভয় সময়েই খাওয়া উচিত। এটি বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ ও তন্তুবহুল বা আঁশযুক্ত খাদ্য আপনার সকালের ওটমিল খাদ্যতালিকায় এটি যোগ করুন।

১৫. স্যালমন মাছ : আপনি যদি তাজা স্যালমন পান তবে আপনার ডায়েটে এটি যোগ করা উচিত। এটি ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অপরিহার্য ফ্যাটি অ্যাসিড বা ইএফএ সমৃদ্ধ যা একটি মহাখাদ্য বলে মনে করা হয় এবং বুকের দুধ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। এটা দুধকে আরও পুষ্টিকর করে তোলে। আপনি বিভিন্ন উপায়ে সালমন মাছ খেতে পারেন- সিদ্ধ করা, গ্রিল করা, বা প্যানে ভেজে।

১৬. করলা : এই সবজির উচ্চ মানের পুষ্টিগুণ আছে। এটিতে প্রচুর জল থাকে। যা মাকে হাইড্রেটেড রাখে। এটি সহজপাচ্য এবং স্তন্যদুগ্ধের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম। যদিও অনেকেই করলার স্বাদ পছন্দ করেন না তথাপি আপনি এর জন্য কোনো সুস্বাদু উপায় খুঁজে বের করতেই পারেন।

১৭. মিষ্টি আলু : মিষ্টি আলু কার্বোহাইড্রেট সমৃদ্ধ যা মাকে শক্তি সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এটি ভিটামিন–সি, বি–কমপ্লেক্স, এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ। আপনি মিষ্টি আলু বিভিন্ন উপায়ে রান্না করতে পারেন যেমন মশলাদার এবং মিষ্টি খাবার।

১৮. কাজুবাদাম : এই মহাখাদ্য ভিটামিন ই এবং ওমেগা-৩-তে সমৃদ্ধ। তারসঙ্গে কাজুবাদামের পুষ্টিগুণ; যাতে পলিস্যাচুরেটেড ফ্যাট উপস্থিত থাকে, এই বাদামগুলোকে মহাখাদ্যে পরিণত করে। দুধের সরবরাহ বাড়ানোর জন্য আপনি কাজুবাদাম কাঁচা খেতে পারেন বা এর পরিপূরকও খেতে পারেন। বিশ্বের অনেক অংশে, বাদামগুলোকে প্রচুর স্বাস্থ্যকর সুবিধার কারণে সবচেয়ে ভাল খাবার বলে মনে করা হয়, তাই মায়েদের পরিচর্যার জন্য ডাক্তারেরা কাজুবাদাম খাওয়ার পরামর্শ দেন।

১৯. শুলফা বীজ : আপনি যদি স্বাভাবিকভাবে বাড়িতেই দ্রুত বুকের দুধ বাড়ানোর কথা ভাবেন, তবে উত্তরটি হলো শুলফা বীজ। এই উপাদানটি ম্যাগনেসিয়াম, লোহা এবং ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ হয়, এটি যে কোনও খাবারের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য আদর্শ যেখানে বুকের দুধ উৎপাদনকে লক্ষ্য করা হয়।

২০. পানি : বুকের দুধ উৎপাদন বাড়ানোর জন্য কী খাওয়া উচিত তা বিবেচনা করার সময়, লোকেরা প্রায়ই পানিকে উপেক্ষা করে। দুধ উৎপাদন উন্নত করার জন্য সঠিকভাবে হাইড্রেটিং অপরিহার্য, তাই সারাদিনজুড়ে প্রচুর পরিমাণে পানি খাওয়ার কথা মনে রাখবেন।

২১. সজনে ডাটা : লৌহ এবং ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ উচ্চমানের সবজি, সজনে ডাটা গর্ভাবস্থায় দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য পরিচিত, দুপুরের খাবারের সময় বা প্রাতরাশের সময় এই উদ্ভিজ্জ যথেষ্ট পরিমাণে খেলে যথেষ্ট দুধ উৎপাদন নিশ্চিত করতে আপনাকে সহায়তা করতে পারে।

২২. দুধ : দুধ, বিশেষ করে গরুর দুধ ফোলিক এসিড, ক্যালসিয়াম এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট দিয়ে ভর্তি থাকে, এটি কেবল দুধের উৎপাদনেই সহায়তা করে তা নয়, এরসঙ্গে দুধকে আপনার শিশুর জন্য সুষমভাবে পুষ্টিকর করে তোলে। বুকের দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য আপনাকে দিনের মধ্যে দু’বার এক গ্লাস করে দুধ পান করা নিশ্চিত করতে হবে।

২৩. ছোলা : ছোলা প্রোটিন ও ফাইবারসমৃদ্ধ এবং নিজেই একটি দারুণ খাদ্য এবং এটি যেকারোর জন্যই স্বাস্থ্যকর বলে মনে করা হয়। তবে ছোলাতে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স এবং ক্যালসিয়াম থাকায় আপনার বুকের দুধের উৎপাদনকে বাড়িয়ে তোলে।

২৪. বীট : অন্যতম সেরা একটি পুষ্টিকর সবজি, বীট একটি রক্ত পরিশোধক, ফাইবার ও স্বাস্থ্যকর খনিজে সমৃদ্ধ যেগুলির মধ্যে সেইসব বৈশিষ্ট্য রয়েছে; যা দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করে, এছাড়াও বীট আপনার বুকের দুধে শিশুর রক্ত পরিশোধন বৈশিষ্ট্য থাকাও নিশ্চিত করে।

২৫. ডাল : প্রচুর পরিমাণে খনিজ, ভিটামিন এবং প্রোটিনের উপস্থিতির কারণে ডাল বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত একটি সাধারণ উপাদান, কিছু ডালে থাকা ডায়েটারি ফাইবার আপনার খাদ্যে যোগ করলে আপনি এমন একটি উপাদান পাবেন যা কেবলমাত্র স্বাস্থ্যকরই নয় সেটি বুকের দুধের উৎপাদন বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

২৬. টোফু : টোফু খনিজ, ভিটামিন, ক্যালসিয়াম এবং প্রচুর প্রোটিনযুক্ত একটি অসাধারণ খাদ্য। এটি সাধারণত বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে পূর্ব এশিয়ায় ব্যবহৃত হয়। টফু, ডাল এবং সবুজ পাতাযুক্ত সবজির সঙ্গে নাড়াচাড়া করে আপনি একটি সুষম এবং স্তন্যদুধ বৃদ্ধিকারী খাদ্য পাবেন যা আপনাকে সুস্থ রাখে এবং অত্যন্ত স্বাস্থবান করে তোলে।

২৭. তরমুজ : তরমুজ ফ্রুকটোজ, ফাইবার, এবং অবশ্যই জল দিয়ে সমৃদ্ধ হয়। এটি আপনাকে হাইড্রেটেড রাখে, অপরিহার্য খনিজগুলি দিয়ে আপনার শরীরকে ভর্তি করে এবং স্তন্যদুধের সরবরাহ বজায় রাখতে বা বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে। জলপান করে সঠিকভাবে হাইড্রেটেড থেকে এবং তরমুজের মতো খনিজ পদার্থ সমৃদ্ধ খাবার খেয়ে মায়েরা বুকের দুধ উৎপাদনের সমস্যাগুলির সঙ্গে লড়াই করতে পারবেন।

২৮. সবুজ চা : সবুজ চা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং খনিজগুলি দ্বারা পূর্ণ যা শরীরকে শিথিল করতে সাহায্য করে, প্রতিদিন এক গ্লাস সবুজ চা পান করলে আপনার সিস্টেমকে পরিশুদ্ধ করবে, এটি রক্ত সঞ্চালন এবং কোলেস্টেরল ঠিক রাখতেও সাহায্য করবে এবং কিছুদেশে মনে করা হয় যে এটি উল্লেখযোগ্যভাবে বুকের দুধ বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

২৯. আঙুর : পৃথিবীর কিছু অংশে আঙুরকে একটি মেগা ফল হিসাবে বিবেচনা করা হয়, এটি ভিটামিন সি এবং ভিটামিন এ, সিট্রিক এসিড, ফ্রুকটোজ এবং প্রয়োজনীয় খাদ্য ফাইবার সমৃদ্ধ। বুকের দুধ পান করাচ্ছেন, বিশেষত স্তন্যদুগ্ধ বৃদ্ধি করার প্রয়োজন আছে এমন মায়েদের খাদ্যতালিকায় এই ফলটি অন্তর্ভুক্ত করা খুবই স্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়।

৩০. কারি পাতা : ভারতীয় উপমহাদেশে কারি পাতা একটি খুব রুচিকর বলে মনে করা হয়, কারণ এই সুস্বাদু পাতাটি মেলানিনকে বাড়িয়ে তুলতে, রক্ত সঞ্চালনের উন্নতি ঘটাতে সহায়তা করে এবং আপনার শরীরে পুষ্টি আত্তীকরণের ক্ষমতা বাড়ায়, সেগুলিতে এমন খনিজও রয়েছে যেগুলি মায়েদের পরিচর্যায় তাঁদেরকে বুকের দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

এ বিষয়ক : সকালেই উঠুন ঘুম থেকে

নগর-বন্দরে বাইকে নারী

ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন আর সুন্দর থাকুন

সকালেই উঠুন ঘুম থেকে

জীবনধারা, বাংলা কাগজ : সকালে ঘুম থেকে ওঠা ও শরীরচর্চা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। সকালে উঠতে চাইলে অবশ্যই রাতে তাড়াতাড়ি ঘুমাতে যাওয়া উচিত।

এ বিষয়ে মেডিসিন ও ডায়াবেটিস রোগ বিশেষজ্ঞ কনসালট্যান্ট (সিটি স্কিন সেন্টার, শান্তিনগর, ঢাকা) ডা. ফাহিম আহমেদ রুপম বাংলা কাগজকে বলেন- সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ঘুম থেকে ওঠা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। তবে সকালে ঘুম থেকে উঠতে হলে রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে যাওয়া উচিত।

আর সকালে ঘুম থেকে ওঠলে সারাদিন ভালো কাটবে এবং পুরোটা দিন কাজে লাগাতে পারবেন।

আসুন জেনে নিই সকালে ঘুম থেকে কীভাবে উঠবেন।

১. সকাল ৬টা থেকে ৭টার মধ্যে ঘুম থেকে উঠুন। প্রতিদিন রাত ১২টায় ঘুমানোর পরিবর্তে ১০টা থেকে ১১টার সময় বেছে নিন।

২. প্রতিদিন রাতে ঘুমের জন্য ৮ ঘণ্টা সময় নেওয়া উচিত। যদি সম্ভব না হয়, তবে ৬ ঘণ্টা অবশ্যই ঘুমাতে হবে। তাই কেউ যদি ৬টায় ঘুম থেকে উঠতে চায়, তাকে অবশ্যই ১০টার ভেতর ঘুমিয়ে পড়া উচিত।

৩. রাতে বইপড়ার অভ্যাস করতে পারেন। রাতে বই পড়তে পড়তে ঘুমিয়ে যেতে পারেন। বই আপনার জ্ঞানকে বিকাশিত করবে। ঘুমানোর আগে টেলিভিশন ও ল্যাপটপ বন্ধ রাখুন।

৪. ঘুমাতে যাওয়ার আগে কিছু সময় হাঁটাহাঁটি ও ব্যায়াম করতে পারেন। ব্যায়াম করলে রাতে ভাল ঘুম হবে।

৫. সকালে যাঁরা ঘুম থেকে উঠতে চান, তাঁরা রাতের খাবার রাত ৯টার মধ্যে খেয়ে নিন।

এ বিষয়ক : ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন আর সুন্দর থাকুন

ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন আর সুন্দর থাকুন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : আমরা সকলেই কুশল বিনিময়ের সময় বলি ‘ভালো থাকবেন’। কিন্তু ব্যস্ত এই জীবনে হাজারও জটিলতার মাঝে ভালো থাকা আসলেই খুব একটা সহজ ব্যাপার না। কিন্তু তাই বলে হয়তো অসম্ভব কিছু না। একটু চাইলেই হয়তো আমরা ভালো থাকতে পারি। আর ভালো থাকার মাধ্যমেই নিজেকে রাখা যায় সুস্থ ও সবল। নিজেকে সুন্দর রাখতেও সুস্থ থাকাটা জরুরি।

(১) ভালো অনুভূতি : সবসময় ভালো অনুভব করার চেষ্টা করুন। ভালো অনুভূতি ও চিন্তা থেকে শক্তি আসে। আপনার শৈশবের কথাই চিন্তা করে দেখুন। শৈশবে আপনি কতো না খেয়ে না দেয়ে থেকেও কত শক্তি পেতেন খেলার। এর কারণ হলো- কোনও ধরনের খারাপ চিন্তা আপনার মনে বাসা বাঁধতো না তখন। তবে তার মানে এই না যে খাওয়া-দাওয়া অনিয়ম করবেন। খাওয়া-দাওয়া ঠিক রেখে বাকি সব করতে হবে।

(২) পরিকল্পনা : সবসময় পরিকল্পনামাফিক চলার চেষ্টা করুন। কখনো হুটহাট কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না কোনও বিষয়ে। আপনার একটা ভুল সিদ্ধান্ত আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে খারাপভাবে।

(৩) জ্ঞান বিতরণ : আপনি যা জানেন, তা অন্যদের মাঝে ছড়িয়ে দিন। এতে অন্যরাও উপকৃত হবে আর আপনার প্রতি তাঁদের সম্মান ও ভালোবাসাও বাড়বে।

এ বিষয়ক : নগর-বন্দরে বাইকে নারী

নগর-বন্দরে বাইকে নারি

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : নগরে-বন্দরে এখন ঢের নারি বাইকারদের সংখ্যা। দেখতেও লাগছে বেশ। সবমিলে অর্থ উপার্জন ও সময় বাঁচাতে করোনাভাইরাসের এ সময়ে ব্যক্তিগত বাহন হিসেবে বাইকও বেঁছে নিচ্ছেন নারিরা।

বেশ কিছুদিন থেকে ফেসবুকে আলোচনা সমালোচনার ঝড় তুলছে এক কনের গায়ে হলুদের কিছু ছবি। ছবিতে কনে তাঁর বন্ধু-বান্ধব নিয়ে শহরজুড়ে মোটরসাইকেলের র‌্যালি করছেন। গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান ঘিরে এমন ব্যতিক্রমী আয়োজন করেন কনে ফারহানা।

জানা গেছে- ফারহানা আফরোজ ২০০৭ সাল থেকে তিনি বাইক চালান। এক সাক্ষাৎকারে ফারহানা জানান, ‘আমি যেহেতু বাইক চালাতে পারি; তাই বাইক চালিয়েই গায়ে হলুদ ও বিয়ের অনুষ্ঠানে এন্ট্রি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছি।’

নারিদের অফিসে যাওয়ার একমাত্র বাহন বাস। কিন্তু ভিড় ঠেলে সব বাসে উঠা সম্ভব হয় না অনেক সময়। বাসে চলাফেরা নানারকম নেতিবাচক ঘটনা ঘটছে প্রতিনিয়ত। তাই এক পর্যায়ে অনেক নারিই সিদ্ধান্ত নেন বাইক কেনার। পরিবারকে বুঝিয়ে রাজি করে মাস খানেক ট্রেনিং নিয়ে পুরোদস্তুর বাইকার হয়ে উঠেন কিছু নারি।

রাস্তায় নারি বাইকারদের সংখ্যা বেড়ে চলেছে। ঢাকার রাস্তায় কয়েকবছর আগেও নারি বাইকার দেখাটা ছিল বিরল। এখন দৃশ্যপট পরিবর্তন হয়েছে। এখন রাস্তায় তাকালেই চোখে পড়ে নারিরা বাইক চালাচ্ছেন। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ধীরে ধীরে বাড়ছে নারি বাইকারদের সংখ্যা।

ইলমা জেবরিন বাচ্চাকে স্কুলে নামিয়ে দেওয়া, বাজার-ঘাট করা, এমন কি অনলাইনে অর্ডার করা পণ্য কাস্টমারের হাতে পৌঁছে দেওয়া এসবই সামলান বাইক চালিয়ে । তিনি বলেন, এসব কাজে একটা বাইক অনেকখানি সময় বাঁচিয়ে দেয়। আমিও অনেক সাচ্ছন্দ্যবোধ করি বাইকে।

রোকসানা ইসলাম নামের আরেক বাইকার জানান- প্রথম দিকে মা রাজি হন নি, যদি এক্সিডেন্ট করি, তাহলে তো লাশও খোঁজে পাবে না – এমন সব কথা বলতেন। কিন্তু আমার অদম্য ইচ্ছেটাকে দমিয়ে রাখতে পারি নি। আসাদগেটে এক আপু আছেন পরিচিত, তার কাছ থেকে বাইকের প্রশিক্ষণ নিয়েছি, তারপর লিলিতে জয়েন করি। পরে লিলি ছেড়ে জয়েন করি ‘ও বোন’ এ। এমজিএইচ এর কোম্পানি হচ্ছে ও ভাই, এটার অংশ হচ্ছে ‌ওবোন’। এখানে আছি দু’বছর । ভালোই লাগছে। কেমন নিজেকে স্বাধীন স্বাধীন লাগে। কাজটাকে আমি এনজয় করছি আবার আয়ও করছি। আয় কিন্তু খারাপ না, মাস শেষে পঁচিশ হাজার টাকা, বেশ চলে যায় আমার। এখন মা-বাবাও খুব গর্ব করেন আমাকে নিয়ে। একটা সময় আশেপাশের মানুষের নানা কথার যন্ত্রণা সহ্য করেছি, এখন কিন্তু তারাই আমার প্রশংসা করেন। প্রয়োজনে আমি অনেককে সাহায্য করতে পারছি।

উল্লেখ করা যেতে পারে, নারিদের কথা মাথায় রেখে ‘ওবোন’ নামে একটি সেবা চালু হয়েছে। নারি যাত্রীদের জন্যই ‘ওভাই’-এর বিশেষায়িত সেবা ‘ওবোন’। ‘ওভাই’ অ্যাপের অন্তর্ভুক্ত ‘ওবোন’ অ্যাপ দিয়ে যেকোনও নারি যাত্রি আরেকজন নারি বাইকারের সেবা নিতে পারছেন।

বিআরটিএ থেকে প্রাপ্ত তথ্যমতে, ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মোটরসাইকেলের ড্রাইভিং লাইসেন্স পেয়েছে ২২ হাজার ৭৩৩ জন নারি। এতেই বোঝা যায় নগর-বন্দরের সড়কগুলোতে নারি বাইকারদের সংখ্যা বাড়ছে।

আরও পড়ুন : সেই উহানের স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস

সুন্দরী নারী সেজে বোকা বানিয়ে প্রতারণা করত নাইজেরীয় চক্র

পড়তে পারেন সারা’র ৭২ শতাংশ পার্টিক্যাল ফিল্টারের মাস্ক

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : এবার ৭২ শতাংশ পার্টিক্যাল ফিল্টার সক্ষমসহ লেভেল ২ ব্রেদিবিলিটির ৩ লেয়ারের প্রটেকটিভ কাপড়ের ফেস মাস্ক (নন মেডিক্যাল) এনেছে সারা। করোনা মহামারিতে মানুষের প্রাত্যাহিক চলাচলের ক্ষেত্রে এখন ফেস মাস্ক এর ব্যবহার অপরিহার্য। সেক্ষেত্রে আরামদায়ক এবং কার্যকরী এই ফেস মাস্কটি সঙ্কট নিরাময়ে হতে পারে প্রতিদিনের ব্যবহার্য অংশ।

সারা লাইফস্টাইলের পক্ষ থেকে জানানো হয়- কাপড়ের তৈরি এই ফেস মাস্কটি শূন্য দশমিক তিন মাইক্রনের পার্টিক্যাল ৭২ শতাংশ পর্যন্ত রোধ করতে পারে যেখানে সার্জিক্যাল ফেস মাস্কও ৭০ থেকে ৯৫ শতাংশ পার্টিক্যাল রোধ করে। এছাড়াও মাস্কটি ব্রেদিবিলিটি অর্থাৎ শ্বাস-প্রশ্বাস এর ক্ষেত্রে ‘লেভেল-২’ এর মান পূরণ করে যা কেএন- ৯৫ ফেস মাস্ক এর সমতুল্য। পাশাপাশি ফেস মাস্কটিতে ব্যবহার করা হয়েছে এন্টিমাইক্রোবিয়াল ফিনিশ।

মাস্কটিতে আরও রয়েছে এডজাস্টেবল নোজ পিন এবং আরামদায়ক ইয়ার লুপ। সাধারণ দূষণ, ধুলাবালি প্রতিরোধেও ফেস মাস্কটি সম্পূর্ণরূপে সক্ষম, যা ভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকিও অনেকাংশে কমাতে সাহায্য করবে।

সারা’র এই ফেস মাস্কটির অন্যতম বিশেষত্ব হলো- এটি ওয়াশেবল এবং পুনর্ব্যবহারযোগ্য। অর্থাৎ বারবার ধুয়েও ব্যবহার করা যাবে এটি। তবে এন্টিমাইক্রোবিয়াল ফিনিশের কার্যকারিতা সাধারণ ডিটারজেন্টে ২০ বার ওয়াশ করা পর্যন্ত থাকবে।

প্রস্তুতের সময় থেকে সরবরাহ পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনেই ফেস মাস্কটি গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে সারা। মাস্কটির দাম পড়বে পঞ্চাশ টাকা।

আকর্ষণীয়, উপযোগী এবং আরামদায়ক এই ফেস মাস্কটি মিরপুর, বসুন্ধরা সিটি, মোহাম্মদপুর, উত্তরা এবং বারিধারায় সারার আউটলেট ছাড়াও অনলাইনে অর্ডার করেও বিনামূল্যে ঢাকার ভেতরে হোম ডেলিভারি পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে সারার ওয়েবসাইট (www.saralifestyle.com.bd), ফেসবুক পেজ (www.facebook.com/saralifestyle.bd) এবং ইনস্টাগ্রাম (saralifestyle.bd) থেকে ক্রেতারা অর্ডার করতে পারবেন। এছাড়াও অনলাইনে অর্ডার এর মাধ্যমে দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে কুরিয়ারের মাধ্যমে ফেসমাস্কটি পেতে পারেন।

বলিউডের প্রখ্যাত কোরিওগ্রাফার সরোজ খান মারা গেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বলিউডের প্রখ্যাত কোরিওগ্রাফার ও নৃত্য পরিচালক সরোজ খান মারা গিয়েছেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

বেশ কিছুদিন ধরেই অসুস্থ থাকা সরোজ খান মুম্বাইয়ের বান্দ্রার একটি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। ভারতের সংবাদ সংস্থা এএনআই’র তথ্য অনুযায়ী তেসরা জুলাই ভোররাতের দিকে তাঁর হার্ট অ্যাটাক হয়।

সম্প্রতি তার করোনাভাইরাস পরীক্ষা করা হয়েছিল, তবে তাঁর রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

১৯৪৮ সালে জন্ম নেয়া সরোজ খানের বলিউড ক্যারিয়ার শুরু হয় শিশু শিল্পী হিসেবে। পঞ্চাশের দশকে ব্যাক আপ নৃত্যশিল্পী হিসেবে বেশ কিছু সিনেমায় কাজ করেন।

এরপর ৭০’এর দশকে সহকারী নৃত্য পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করেন সরোজ খান। কোরিওগ্রাফার হিসেবে ২ হাজারের বেশি গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন তিনি।

১৯৮০’র দশকে শ্রীদেবী ও মাধুরি দিক্ষিতের মত বলিউড তারকাদের সাথে কাজ করা শুরু করার পর বলিউডে পরিচিত নাম হয়ে ওঠেন তিনি। শ্রীদেবী ও মাধুরি দু’জনই হিন্দি সিনেমার অত্যন্ত জনপ্রিয় কিছু গানে নৃত্যশিল্পী হিসেবে কাজ করেছেন।

৭০’এর দশকে সহকারী নৃত্য পরিচালক হিসেবে কাজ শুরু করা সরোজ খান কোরিওগ্রাফার হিসেবে ২ হাজারের বেশি গানের কোরিওগ্রাফি করেছেন

দেবদাস সিনেমার ‘দোলা রে দোলা’, তেজাব সিনেমার ‘এক, দো, তিন’ গানগুলোর কোরিওগ্রাফি করে তিনি বিপুল খ্যাতি অর্জন করেন।

সেরা কোরিওগ্রাফির জন্য তিনবার তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরষ্কারও পান।

ছয় কাজেই সুস্বাস্থ্য

বাংলা কাগজ প্রতিবেদন : সুখী হতে হলে সুস্বাস্থ্যের বিকল্প নেই। কিন্তু সুস্বাস্থ্য অর্জন করতে পারেন সহজেই।

সুস্বাস্থ্য অর্জন করার ছয়টি উপায় বাংলা কাগজের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

এক. ঘুম থেকে উঠেই নাশতা নয় : একেক জনের সকাল একেক সময়ে হয়। কেউ ঘুম থেকে ওঠেন সাতটায়, কেউ ওঠেন নয়টায়, কেউ আবার এগারটায়। যে যখন ওঠেন, তার জন্য সেটাই সকাল। তবে সুন্দর ও নীরোগ শরীর চাইলে অবশ্যই সকাল সকাল ওঠার অভ্যাস করতে হবে। ঘুম থেকে উঠেই নাশতার টেবিলে বসে গেলে চলবে না। শরীরকে জেগে ওঠার সময় দিতে হবে। ঘুম ভাঙার কমপক্ষে আধা ঘণ্টা পর নাশতা করুন।

দুই. হালকা ব্যায়াম : মেদহীন ঝরঝরে শরীর চাইলে অবশ্যই সকালের নাশতার আগে অন্তত হালকা ব্যায়াম করবেন। সকালের ব্যায়াম অনেক বেশী ফলপ্রসূ। সম্ভব হলে বাইরের কোথাও মর্নিং ওয়াক করতে যাবেন। এতে শরীর ও মন দুটোই ভালো থাকবে।

তিন. ঘুমোতে যাবার আগে ও সকালে নাশতার পরে ব্রাশ : কেউ কেউ ব্রাশে ভুল করে থাকেন। সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করেন। যা ঠিক নয়। ব্রাশ করার সঠিক নিয়ম হলো খাবারের পর ব্রাশ করা। অর্থাৎ আপনি রাতে খাবারের পর ব্রাশ করলে আবার সকালে নাশতা করার পর ব্রাশ করবেন। এতে আপনার শরীর ভালো থাকবে।

চার. এক গ্লাস পানি : সকালে নাশতার আগে মনে করে এক গ্লাস পানি পান করুন। এই পানি ঘুম থেকে ওঠার পরপরই পান করা ভালো। কারণ সারারাত আপনি কিছু খান নি। তাই শরীরের রক্ত চলাচল কিছুটা কমে গেছে। তাই সকালের নাশতা খুবই জরুরি। আর সকালে নাশতার পূর্বে এক গ্লাস পানি পান করা ভালো। কারণ পানি ত্বক ও চুল ভালো রাখে।

পাঁচ. মেটাবলিজম বাড়ান : যাঁদের ওজনের সমস্যা রয়েছে বা হজমের সমস্যা আছে, তাঁরা মেটাবলিজম বাড়াতে নাশতার আগে হালকা গরম পানিতে মধু মিশিয়ে পান করুন। যাঁদের লেবুতে গ্যাসের সমস্যা হয় না, তাঁরা পাকা লেবুর রস সামান্য চিপে দিতে পারেন। এই পানীয়টি মেটাবোলিজম বাড়ায় ও ওজন কমাতে সহায়তা করে।

ছয়. লিভারের সমস্যা : মানুষের শারীরিক সমস্যা থাকতেই পারে। এমন ক্ষেত্রে কারও যদি লিভারের সমস্যা থাকে, তবে নাশতার আগে খালি পেটে এক কোয়া করে রসুন খেতে পারেন। চাইলে খেতে পারেন চিবিয়ে কিংবা পানির মাধ্যমে। খালি পেটে রসুন খেলে আরও অনেক কিছুর কাজ হয়। যেমন এটি আপনার হাইপারটেনশন ও স্ট্রেস কমাতেও সহায়তা করবে। রোধ করবে হজমের অস্বাভাবিকতা।

বিশ্বে ধনী বাড়ার হারে শীর্ষে বাংলাদেশ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : গত এক দশকে বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ১৪ দশমিক তিন শতাংশ হারে ধনাঢ্য ব্যক্তির সংখ্যা বেড়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা সংস্থা। এক্ষেত্রে বিশ্ব তালিকায় বাংলাদেশ শীর্ষে অবস্থান করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের গবেষণা সংস্থা ‘ওয়েলথ এক্স’ গত ১৪ মে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে গত এক দশকে ধনী ব্যক্তির সংখ্যা বৃদ্ধির হারে শীর্ষে থাকা দশটি দেশের একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় সবার ওপরে স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের নাম।

প্রতিবেদন বলছে, আলোচিত সময়ে বাংলাদেশে প্রতিবছর গড়ে ১৪ দশমিক তিন শতাংশ হারে ধনাঢ্য ব্যক্তির সংখ্যা বেড়েছে। যাঁদের সম্পদের পরিমাণ ৫০ লাখ ডলারের বেশি তাঁদের তথ্যই এই তালিকায় স্থান পেয়েছে।