Category: গণমাধ্যম

কাগজের কর প্রত্যাহার চান সম্পাদকেরা : কৃষিতে সুবিধা দেবেন জানালেন অর্থমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : সংবাদপত্র ছাপানোর প্রধান কাঁচামাল নিউজপ্রিন্ট কাগজের ওপর কর প্রত্যাহার চেয়েছেন সম্পাদকেরা। একইসঙ্গে তাঁরা সংবাদপত্র শিল্পে করপোরেট কর কমানোর প্রস্তাব বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।

আগামি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রাক-বাজেট আলোচনায় বৃহস্পতিবার (‌১৫ এপ্রিল) অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সঙ্গে ভার্চুয়াল মাধ্যমে বৈঠকে এসব প্রস্তাব দেন বিভিন্ন সংবাদপত্র ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সম্পাদকেরা।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, বৈঠকে দ্য ডেইলি স্টারের সম্পাদক মাহফুজ আনাম, বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক নঈম নিজাম, বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক সোহরাব হোসেন, আমাদের নতুন সময়ের সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান ও চ্যানেল আইয়ের প্রতিনিধি জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক শাইখ সিরাজ সংযুক্ত ছিলেন।

অর্থমন্ত্রী ছাড়াও বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির, অর্থ সচিব আব্দুর রউফ তালুকদার, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব আসাদুল ইসলাম, ইআরডি সচিব ফাতিমা ইয়াসমিন, এনবিআর চেয়ারম্যান আবু হেনা রহমাতুল মুনিম সংযুক্ত ছিলেন।

বৈঠক শেষে অর্থমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, সম্পাদকরা ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতি নিয়েও বিভিন্ন প্রস্তাব ও পরামর্শ দিয়েছেন। তাঁরা নিউজপ্রিন্ট কাগজের ওপর কর প্রত্যাহার করা যায় কিনা, সে বিষয়েও প্রস্তাব দিয়েছেন।

বৈঠকের আলোচনার বিষয় সম্পর্কে মুস্তফা কামাল বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তার জন্য কৃষিতে ভর্তুকি আরও বাড়াতে বলেছেন চ্যানেল আই এর শাইখ সিরাজ। পোল্ট্রি শিল্পের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, এবং পরামর্শ দিয়েছেন।’

এ ছাড়া কৃষিতে কাজ করতে আসা শিক্ষিত তরুণদের আগ্রহি করে তুলতে প্রণোদনা চালুর প্রস্তাব করেছেন তিনি। শহর কেন্দ্রিক ছাদকৃষিতেও প্রণোদনার কথাও বলেছেন।

‘নিউজপ্রিন্ট পেপারের ওপর কর কমিয়ে দেওয়ার জন্য বলেছেন নঈম নিজাম। নাঈমুল ইসলাম খান সংবাদপত্র শিল্পে করপোরেট ট্যাক্স কমাতে বলার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার কথা বলেছেন।’

উন্নয়ন প্রকল্পে যেসব অপচয় হয়, তা বন্ধ করতে আরও সচেষ্ট হতে অর্থ মন্ত্রণালয়কে পরামর্শ দিয়েছেন কয়েকজন সম্পাদক, বলে উল্লেখ করেন তিনি।

এক প্রশ্নের উত্তরে ভবিষ্যতে খাদ্য সঙ্কটের আশঙ্কার বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যেখানে হস্তক্ষেপ করা প্রয়োজন, সরকার সেখানে হাতে দেবে, সহযোগিতা করবে। কৃষি আমাদের লাইফ লাইন। সব প্রকার কৃষিপণ্য উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। শিক্ষিত যাঁরা কৃষিতে আসতে চায়, তাঁদেরকে প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হবে। ম্যানুয়াল থেকে যাঁরা আধুনিক কৃষিতে আসতে চায়, তাঁদেরকে সহযোগিতা করবো। কৃষিকে শক্তিশালি করার জন্য যা যা প্রয়োজন সরকার সব করবে।’

চালের মূল্যবৃদ্ধি প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, ধান-চাল-গম এগুলো প্রকৃতির আচরণের ওপর নির্ভরশীল। আমরা দাবি করি আমরা স্বাবলম্বি। যে বছর প্রকৃতি স্বাভাবিক থাকে, সে বছর আমরা এই দাবি করতে পারি। প্রকৃতি বৈরি হয়ে উঠলে, প্রাকৃতিক কোনও দুর্যোগ আসলে সেটা আমরা মেইনটেন করতে পারি না। আমাদের এখানে যে পরিমাণ জমি আছে, দক্ষতা আছে, সেটা যদি পূর্ণাঙ্গ মাত্রায় ব্যবহার করতে পারি, তবেই আমরা সেবছর সাবলম্বি। কিন্তু গত বছর আমাদের অনেক বোরো ধান নষ্ট হয়েছে। সেই কারণে যেসব কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তাঁদের জন্য একটা প্যাকেজ নেওয়া হচ্ছে।’

জনকণ্ঠের সামনে আন্দোলনের মধ্যে সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : জনকণ্ঠের চাকরিচ্যুত সাংবাদিকদের আন্দোলনের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন।

তাঁদের মধ্যে ৩ জনকে মগবাজার কমিউনিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জনকণ্ঠ কর্মিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে।

তবে এ ঘটনা নিয়ে চাকরিচ্যুত এবং কর্মরত সাংবাদিক-কর্মচারিদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে।

চাকরিচ্যুত জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক গফ্ফার খান চৌধুরী বাংলা কাগজকে বলেন, তাঁদের ২৭ জনকে নিয়ম বহির্ভূতভাবে চাকরি থেকে ছাঁটাই করা হয়েছে।

‘ওয়েজবোর্ড অনুযায়ী কোনও পাওনাও পরিশোধও করা হয় নি। কয়েকদিন ধরে আমরা এসবের প্রতিবাদ করে অসছিলাম। সরকারের বিভিন্ন মহলের সঙ্গে যোগাযোগ করে আসছিলাম। তারাও আশ্বাস দিয়ে আসছিলেন।’

‘এরই ধারাবাহিকতায় আজ বেলা ১২টার দিকে আমরা জনকণ্ঠ ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছিলাম। তারমধ্যেই বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে মলিকপক্ষের লোকজন রড, লাঠি নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়।’

ওই হামলায় সাংবাদিক ওয়াজেদ হিরা, ফিরোজ পান্না এবং সহসম্পাদক আনোয়ার হোসেন সাজুসহ অন্তত ১০ জন আহত হন। তাঁদেরমধ্যে সাজুর অবস্থা গুরুতর বলে জানান গফ্ফার খান চৌধুরী।

অন্যদিকে জনকণ্ঠের ডেপুটি চিফ রিপোর্টার কাওসার রহমান বাংলা কাগজকে বলেন, ‘আন্দোলনের নামে তারা বাইরে থেকে ভবনে তালা দিয়েছে। ফলে অনেকে ভেতরে ঢুকতে পরছিলেন না। অন্যদিকে রাস্তায় অবস্থান নেওয়ায় ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়।’

‘এতে পথচারি, স্থানীয় লোকজন এবং আটকা পড়া বাসের শ্রমিকরা ক্ষুদ্ধ হয়ে তাঁদের উপর হামলা চালায়। তখন তাঁদের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ অবস্থায় বাইরে অপেক্ষায় থাকা আমাদের স্পোর্টস রিপোর্টার জাহিদুল আলম জয় এবং গোলাম মোস্তফা হামলায় আহত হন।’

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে গাফ্ফার খান দাবি করেন, তালা তারা লাগান নি। তার ভাষায়, ‘ভেতরের লোকজন’ তালা লাগিয়ে এখন অন্যর ওপর দোষ দিচ্ছে।

ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এ সংঘাতের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহালের দাবি জানিয়েছেন।

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী : নষ্ট এবং ভণ্ড নেতৃত্ব বর্জন করুন

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : নষ্ট এবং ভণ্ড নেতৃত্ব বর্জন করতে মাদরাসা শিক্ষক-শিক্ষার্থিদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ।

তিনি রবিবার (৪ এপ্রিল) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ক্যাবল অপারেটর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পূর্বে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এক প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন।

ড. হাছান বলেন, ‘মামুনুল হকসহ যে সমস্ত নেতৃবৃন্দ দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছে, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় তাণ্ডব চালিয়েছে এবং হেফাজতে ইসলামের যে নেতারা তাদের সমর্থন করেন, তাদের কেমন লাগছে জানি না, কিন্তু মামুনুল হককে নিয়ে গতকালের (শনিবার : ৩ এপ্রিল) ঘটনাপ্রবাহে আমার প্রচণ্ড লজ্জা লাগছে।’

‘আমি দেশের নাগরিক এবং একজন মুসলমান হিসেবে মাদরাসার শিক্ষক-শিক্ষার্থিদের অনুরোধ জানাবো, নিজেকে আলেম হিসেবে পরিচয় দিয়ে ভণ্ড লেবাস ধরে যারা ইসলামকে নিজের স্বার্থে ব্যবহার করে, নানা ফতোয়া দেয়, গরম গরম বক্তৃতা দেয়, আর নিজের জীবন ইসলাম সম্মতভাবে পরিচালনা করে না, সেই সমস্ত নষ্ট এবং ভণ্ড নেতৃত্বকে বর্জন করার জন্য।’

ড. হাছান মাহ্‌মুদ বলেন, ‘যখন হেফাজতের ব্যানারে মানুষের ঘর-বাড়ি জ্বালানো হচ্ছে, ঢাকা-চট্টগ্রাম-নারায়ণগঞ্জে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা হচ্ছে, তখন নিপুন রায় যখন টেলিফোন করে তার কর্মিকে বাসে আগুন দিতে বলে আর গয়েশ্বর রায় সেটাকে সমর্থন দেন তখন বুঝতে হবে, এটা ইসলামকে রক্ষা বা হেফাজতের জন্য নয়, নরেন্দ্র মোদির আগমনের বিষয়েও নয়, বরং ধর্মকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক উদ্দেশ হাসিলের জন্য দেশে একটি বিশৃঙ্খলা তৈরির জন্যই এসব।’

তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ড. হাছান মাহ্‌মুদ এ সময় ক্যাবল নেটওয়ার্ক পরিচালনা প্রসঙ্গে বলেন, ‘দেশ ডিজিটাল হয়ে গেছে, ক্যাবল নেটওয়ার্ক সিস্টেমকেও ডিজিটাল হতে হবে। কারণ এটি না হলে, গ্রাহকরা ঠিক সেবা পাচ্ছে না, টেলিভিশন চ্যানেলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, সরকারও ঠিক রাজস্ব পাচ্ছে না।’

‘বিশেষ কিছু ব্যক্তিবর্গের হাতে এই নেটওয়ার্ক কুক্ষিগত থাকতে পারে না।’

‘দেখা গেছে একেকজন কেবল নেটওয়ার্ক লাইসেন্সধারি লাখ লাখ সংযোগ দিয়েছেন, কিন্তু হিসেবের খাতায় দু-দশ হাজার দেখাচ্ছেন। মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করবে, যিনি যে এলাকার জন্য লাইসেন্স পেয়েছেন, সেই এলাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেন, সেজন্য প্রয়োজনে আমরা কোর্ট পরিচালনা করবো।’

নবায়ন না করার ফলে ইতোমধ্যেই ১২শ’ লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ডিজিটাল পদ্ধতিতে আত্মপ্রকাশের শর্তে নতুন অপারেটররা লাইসেন্স পাবেন।’

অ্যাসোসিয়েশন অব টিভি চ্যানেল ওনার্স-এটকো’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মোজাম্মেল বাবু, ক্যাবল অপারেটর প্রতিনিধিদের মধ্যে এস এম আনোয়ার পারভেজ, এ বি এম সাইফুল হোসেন, মোহাম্মদ নাজমুদ্দোহা, মোস্তাফিজুর রহমান, কোয়াব প্রশাসক মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার এবং মন্ত্রণালয় ও বিটিভি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সভায় অংশ নেন।

করোনার বর্তমান পরিস্থিতিতে তথ্য মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম পরিচালনা সম্পর্কে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রথমবার সাধারণ ছুটিতেও আমাদের মন্ত্রণালয় কাজ করেছে। বাংলাদেশ বেতার, বাংলাদেশ টেলিভিশন, তথ্য অধিদপ্তর, গণযোগাযোগ অধিদপ্তর, এগুলো জরুরি সেবার আওতাভুক্ত।

তাদেরকে কাজ করতেই হয় এবং সেটি দেখভাল করার জন্য মন্ত্রণালয়ের সীমিত কাজ করতে হয়। আমরা ঠিক অতীতে যেভাবে করেছি, সেভাবেই করবো। করোনার শুরু থেকেই আমরা যেভাবে জনগণকে সচেতন করার জন্য যে প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করেছি, সেটি আরও জোরদার করার ব্যবস্থা নিয়েছি।

ড. হাছান মাহ্‌মুদ এদিন সদ্যপ্রয়াত সংসদ সদস্য আসলামুল হক এবং শনিবার (৩ এপ্রিল) প্রয়াত সাবেক প্রধান তথ্য অফিসার বীর মুক্তিযোদ্ধা হারুন-উর-রশীদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদ

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; ব্রাহ্মণবাড়িয়া : ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় প্রেসক্লাবে ও দায়িত্ব পালনকালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব থেকে মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এই বিক্ষোভ দেখান সাংবাদিকেরা।

এ সময় তারা হেফাজত ইসলাম ও তাদের সহযোগি সংগঠনের সংবাদ বয়কটের ঘোষণা দেন।

প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন বলেন, ‘সাংবাদিকদের ওপর হামলা করায় হেফাজত ইসলাম ও তাদের সহযোগী সংগঠনের সংবাদ বয়কট করা হবে।’

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের প্রতিবাদে শুক্রবার (২৬ মার্চ) দুপুরে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর বড় মাদ্রাসা হিসেবে পরিচিত দারুল উলুম মুঈনুল ইসলাম থেকে কয়েক হাজার হেফাজত কর্মী লাঠিসোটা নিয়ে থানা ও বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় হামলা চালায়। এই সময় আইনশৃঙ্খালা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে চারজন নিহত হন।

ওইদিন বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে তাণ্ডব শুরু করে একদল মাদ্রাসাছাত্র। তারা রেলওয়ে স্টেশনসহ বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগ করে, ভাংচুর চালায়। শনিবারও (২৭ মার্চ) তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরে তাণ্ডব চালায়, যেখানে অন্তত পাঁচজনের প্রাণহানি হয়।

পরদিন রোববার (২৮ মার্চ) তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, সাংবাদিক ও বিভিন্ন সরকারিসহ স্থাপনায় হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর হামলা করে। এদিন আরও দু’জন নিহত হন।

সাংবাদিকনেতা বিজন বলেন, গত ২৬ মার্চ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত মাদরাসা ছাত্র ও হেফাজত ইসলামের হামলায় প্রেসক্লাবের সভাপতি ও চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের স্টাফ রিপোর্টার রিয়াজ উদ্দিন জামি, আমাদের নতুন সময় ও আমাদের সময় ডটকমের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি আবুল হাসনাত মো. রাফি, ডেইলি স্টারের স্টাফ রিপোর্টার মাসুক হৃদয়, একুশে টিভির প্রতিনিধি মীর মোহাম্মদ শাহীন, এটিএন নিউজের ক্যামেরা পারসন সুমন রায়, লাখোকণ্ঠের প্রতিনিধি বাহাদুর আলম, ডেইলি ট্রাইব্যুনালের প্রতিনিধি ইফতেহার রিফাত এবং এনটিভির ক্যামেরা পারসন সাইফুল ইসলাম আহত হন।

‘এ ছাড়া প্রেসক্লাবে হামলা করে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। তাদের তাণ্ডবে প্রেসক্লাবে অবস্থান করা জেলার অর্ধশত সাংবাদিক অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। একাত্তর টিভির প্রতিনিধি জালাল উদ্দিন রুমি ও আজকালের খবর প্রতিনিধি মোজাম্মেল চৌধুরী কাজ করতে গিয়ে লাঞ্ছিত হন।’

প্রেসক্লাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি পীযূষ কান্তি আচার্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া টেলিভিশন জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মনজুরুল আলম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ইব্রাহিম খান শাদাত, সাবেক সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রেজা প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন।

তারা হামলাকারিদের অবিলম্বে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

নওগাঁয় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসায়ির মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; রহমতউল্লাহ, নওগাঁ : নওগাঁর মান্দায় সাংবাদিক শরিফ উদ্দিনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসি।

সোমবার (২৯ মার্চ) দুপরে খাঁজা শাহাবুদ্দিনের সভাপতিত্বে উপজেলার দেলুয়াবাড়ি বাজারের কালিগ্রাম রোডে ওই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে এলাকার নারি-পুরুষ ও স্থানীয় ব্যাবসায়ীরা অংশগ্রহণ করেন।

মানববন্ধনে দুই শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, সাংবাদিক শরীফ উদ্দিনকে পরিকল্পিতভাবে ব্যবসায়ি প্রতিষ্ঠান থেকে উঠিয়ে নিয়ে পুলিশ মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। মিথ্যা মামলার প্রতিবাদে দায়ি পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহারসহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিরও দাবি করেন এলাকাবাসি।

জানা গেছে, উপজেলার কালিগ্রাম গ্রামের এনামুল হকের মেয়েকে পাশের কিত্তলী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে আরিফুল ইসলাম কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিলেন। কু-প্রস্তাবে ওই মেয়ে রাজী না হওয়ায় বখাটে যুবক তাঁকে রাস্তায় জাপটিয়ে ধরে শ্লীলতাহানি করে। এ ঘটনায় মেয়ের বাবা এনামুল হক বখাটে যুবক আরিফুলকে অভিযুক্ত করে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ দায়েরের পর মেয়ের বাবা বিষয়টি মীমাংসার জন্য সাংবাদিক শরীফ উদ্দিনের সহযোগিতা কামনা করেন। এর প্রেক্ষিতে সাংবাদিক শরীফ উদ্দিন ছেলের পক্ষের সহযোগি শরিফুল ইসলামের সহযোগিতা কামনা করলে গত শনিবার (২৭ মার্চ) দেলুয়াবাড়ী বাজারে বসার প্রস্তাব দেন।

সাংবাদিক শরীফ উদ্দিনকে তখন ছেলের পক্ষের সহযোগি শরিফুল দেলুয়াবাড়ী বাজারে এসে বসার কথা দেন।

তবে বিষয়টি মীমাংসা করতে এসে ছেলে পক্ষের সহযোগি মাদক ব্যবসায়ী শরীফুল নাটকীয় ঘটনা করে থানা পুলিশকে ফোন দিয়ে বলেন, সাংবাদিক শরীফ আমাকে অপহরণ করে আটকিয়ে রেখেছে। যার সঙ্গে বাস্তবতার কোনও মিল নেই।

এ ঘটনার প্রেক্ষিতে পুলিশ মাদক ব্যববসায়ি ও ছেলে পক্ষের সহযোগি শরীফুলের বিষয়টি আমলে নিয়ে সাংবাদিক শরীফ উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলহাজতে প্রেরণ করেন।

পুলিশ বলছে, অপহৃত মাদক ব্যবসায়ি শরীফুল ইসলামকে দেলুয়াবাড়ী বাজারের একটি গলি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

তবে শরীফকে মাদক ব্যবসায়ি বললেও তাকে গ্রেপ্তার বা তার বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। পাশাপাশি মেয়ের বাবার দায়েরকৃত অভিযোগের প্রেক্ষিতেও কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না। এতে ফুঁসছেন এলাকাবাসি।

বেনাপোলে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার তথ্য সংগ্রহ করায় সাংবাদিককে হত্যার হুমকি দিয়েছেন এক ব্যক্তি!

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; মহসিন মিলন, বেনাপোল : চাঞ্চল্যকর প্রিন্স হত্যা মামলার সংবাদের তথ্য সংগ্রহ করায় মোহনা টিভির বেনাপোল প্রতিনিধি শিশির কুমার সরকারকে বাড়িতে গিয়ে হত্যার হুমকি দিয়েছেন শার্শার মোটর মেকানিক মিজানুর রহমান।

নিরাপত্তা চেয়ে সাংবাদিক শিশিরকুমার সোমবার (২৯ মার্চ) শার্শা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন (যার নম্বর : ১২১৫)।

সাংবাদিক শিশির কুমার সরকার বাংলা কাগজকে বলেন, ২০০৪ সালের আগস্ট মাসে শার্শা উপজেলার নিজামপুর গ্রামের মাঠে বেনাপোলের প্রিন্স নামের এক মোটরসাইকেল চালককে হত্যা করা হয়। হত্যার ঘটনায় বখতিয়ার রহমান বাদি হয়ে শার্শা থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। ওই মামলায় এজাহারভুক্ত আসামিরা হলেন মোটর মেকানিক মিজানুর রহমান, ইকবাল হোসেন, আকরাম হোসেন ও সেকেন্দার আলী। বর্তমানে মামলাটি আদালতে বিচারাধীন।

হত্যা মামলার ঘটনা নিয়ে শনিবার (২৭ মার্চ) বিকেলে বেনাপোলের নারায়নপুর পোড়াবাড়ি গ্রামে তথ্য সংগ্রহ করতে যান সাংবাদিক শিশির কুমার।

পরদিন রোববার (২৮ মার্চ) রাতে মিজানুর রহমান দলবল নিয়ে সাংবাদিকের নাভারনের ভাড়া বাড়িতে গিয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হত্যার হুমকি দেয়।

মোটর মেকানিক মিজানুর রহমানের কাছে অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বাংলা কাগজকে বলেন, প্রিন্স হত্যা মামলাটি শেষের পথে। শিশির কেন এই মামলাটি নিয়ে নিউজ করতে চায়, ওকে জবাব দিতে হবে। ওকে হত্যা করা হবে।

‘শিশির আমার ছেলে সম্রাট ও মামলার বাদি বখতিয়ারের বক্তব্য ভিডিও করেছে টিভিতে প্রচার করবে বলে। আমি ঘটনাটি ওসিকে বলেছি। এসপি, ডিসিকে বলব। সব প্রশাসন আমাকে চেনে।’

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে বেনাপোল প্রেসক্লাব, টিভি জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন এবং রিপোর্টার্স ক্লাব।

মেকানিক মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্থক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

ঝিনাইদহের কোটচাঁদপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের ত্রি-বার্ষিক কমিটি : প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক কাজলা দিদি

নিজস্ব প্রতিবেদক, কাজলা দিদি, কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) : কোটচাঁদপুরে রিপোটার্স ক্লাবের ত্রি-বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কমিটিতে অশোক দেকে সভাপতি ও সুব্রত কুমারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।

আব্দুল খালেককে সহসভাপতি করে যুগ্ম সম্পাদক করা হয়েছে মনোজ মালাকারকে।

আর প্রচার ও দপ্তর সম্পাদক করা হয়েছে বাংলা কাগজ’র কোটচাঁদপুর (ঝিনাইদহ) প্রতিনিধি কাজলা দিদিকে (রাম জোয়াদ্দার)।

এতে সদস্য করা হয়েছে আজিজুল হক, আব্দুর রউফ, নাসির উদ্দিন রাজু ও আকিমুল ইসলামকে।

এর আগে শুক্রবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ক্লাবের অস্থায়ি কার্যালয়ে আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পরে ক্লাবের ত্রি-বার্ষিক কমিটি গঠন করা হয়।

রিপোর্টার্স ক্লাবটি পা রাখলো ১৯ বছরে।

ঝিনাইদহে বাংলা ৭১ পত্রিকার অষ্টম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; কেয়া প্রামাণিক, ঝিনাইদহ : ঝিনাইদহে নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধ ধারার দৈনিক বাংলা ৭১ পত্রিকার প্রতিষ্ঠা বার্ষিকি পালন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে রবিবার (২১ মার্চ) বিকেলে ঝিনাইদহ প্রেসক্লাবে আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় প্রেসক্লাবের সভাপতি এম এ রায়হানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কনক কান্তি দাস।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন সদর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) আবুল বাশার, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান এবং বাংলাদেশ প্রতিদিনের জেলা প্রতিনিধি রুহুল আমিন।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন একাত্তর টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি রাজীব হাসান।

এতে স্বাগত বক্তব্য দেন বাংলা ৭১ পত্রিকার জেলা প্রতিনিধি অরিত্র কুণ্ডু।

আলোচনাসভা শেষে অতিথিরা পত্রিকাটির নবম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষে কেক কাটেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সদর সার্কেলের সহকারি পুলিশ সুপার (এএসপি) আবুল বাশার বলেন, জাতি গঠনে সংবাদপত্রের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। দেশ ও জনগণের উন্নয়নে সাংবাদিকেরা বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করে থাকেন।

‘বাংলা ৭১ পত্রিকা বস্তুনিষ্ট সংবাদ প্রকাশের মাধ্যমে পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সমর্থ হয়েছে।’

এ সময় তিনি বাংলা ৭১ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশকসহ পত্রিকার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান।

পোল্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড পেলেন ১৯ সাংবাদিক

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : ৬টি ক্যাটাগরিতে ১৯ জন সাংবাদিককে দেওয়া হলো পোল্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড- ২০১৯। পোল্ট্রি খাতের বিভিন্ন বিষয়ে প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিশেষ অবদান রাখায় স্বীকৃতিস্বরূপ এ পুরস্কার দেয় বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)।

ক্যাটাগরিগুলোর মধ্যে দৈনিক সংবাদপত্রের ভিত্তিতে পুরস্কার দেওয়া হয় দৈনিক ভোরের কাগজের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মরিয়ম সেঁজুতি, দৈনিক দেশ রূপান্তরের নিজস্ব প্রতিবেদক আব্দুল্লাহ আল মামুন এবং দি নিউজ টুডের জ্যেষ্ঠ নিজস্ব প্রতিবেদক মাজহারুল ইসলাম মিচেলকে।

ঢাকার বাইরের সংবাদপত্র ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন সাপ্তাহিক চৌদ্দগ্রামের নির্বাহি সম্পাদক এমদাদ উল্লাহ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী প্রদান করলেন পোল্ট্রি মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড

টেলিভিশন ও রেডিও ক্যাটাগরিতে পুরস্কার পেয়েছেন যমুনা টেলিভিশনের স্পেশাল করেসপনডেন্ট সুশান্ত সিনহা, চ্যানেল ২৪ এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক কৃষিবিদ ফয়জুল সিদ্দিকী, মোহনা টেলিভিশনের নিজস্ব প্রতিবেদক তানজিলা খানম সাথী।

বার্তা সংস্থা ও অনলাইন ক্যাটাগরিতে বৈশাখী টেলিভিশনের নিজস্ব প্রতিবেদক তাসলিমুল আলম তৌহিদ, ম্যাগাজিন ক্যাটাগরিতে এগ্রিনিউজ২৪.কম এর প্রধান নির্বাহি খোরশেদ আলম জুয়েল পুরস্কার পেয়েছেন।

আর প্রমিজিং ক্যাটাগরিতে এ পুরস্কার পেয়েছেন ১০ জন সাংবাদিক।

এনটিভির জ্যেষ্ঠ সংবাদদাতা মাকসুদুল হাসান, দৈনিক জনকণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক রহিম শেখ, সময় টিভির প্রতিবেদক কাজল আব্দুল্লাহ, দৈনিক যুগান্তরের জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মিজানুর রহমান চৌধুরী, ইন্ডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের ব্রডকাস্ট জার্নালিস্ট শাহীদ আহমেদ, জাগোনিউজ২৪.কম-এর বিশেষ সংবাদদাতা মনিরুজ্জামান উজ্জল, দৈনিক সুপ্রভাত বাংলার ভূঁইয়া নজরুল, এগ্রিকেয়ার২৪.কম এর জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক আবু খালিদ, দৈনিক ইত্তেফাক’র জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মো. নিজামুল হক ও নিজস্ব প্রতিবেদক মুন্না রায়হান।

জুরিবোর্ডে বিচারক হিসেবে প্রতিবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করেছেন দৈনিক প্রথম আলোর সহযোগি সম্পাদক আব্দুল কাইয়ুম, দৈনিক ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত, টিভি টুডের এডিটর ইন চিফ মনজুরুল আহসান বুলবুল, যমুনা টেলিভিশনের বিজনেস এডিটর সাজ্জাদ আলম খান তপু ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম।

অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

তিনি বলেন, পোল্ট্রি খাতের জন্য বিদেশ থেকে আমদানি করা পণ্যের বিপরীতে উৎসে কর বাতিল করা হয়েছে। এ খাতের উন্নয়নে যে কোনও সমস্যা সমাধানে সরকার কাজ করবে। সরকারের সঙ্গে বসে সমাধান করে এগিয়ে যাবে এ সেক্টর। একইসঙ্গে এ খাতে কর রেয়াত সুবিধার বিষয়েও কথা বলেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিপিআইসিসি সভাপতি মসিউর রহমান, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আব্দুল জব্বার শিকদার।

জনকণ্ঠের সম্পাদক আতিকউল্লাহ খান মাসুদ আর নেই

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : দৈনিক জনকণ্ঠের সম্পাদক আতিকউল্লাহ খান মাসুদ আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সোমবার (২২ মার্চ) ভোরে রাজধানির একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

জনকণ্ঠের নিজস্ব প্রতিবেদক মনোয়ার হোসেন বাংলা কাগজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তথ্য মন্ত্রণালয় এখন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : তথ্য মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। এখন থেকে এই মন্ত্রণালয়ের নতুন নাম হবে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৫ মার্চ) এ ব্যাপারে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

সংবিধানের প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ রুলস অব বিজনেসের আওতায় এই সংশোধনি আনলেন।

এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় করা হয়েছিলো।