Category: কর্মকর্তা-কর্মচারি

এস আলমের বিদ্যুৎকেন্দ্রে হতাহতের ঘটনা তদন্তে কমিটি

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; চট্টগ্রাম : বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের নির্মাণাধিন কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে ৫ জনের মৃত্যুসহ হতাহতের ঘটনা তদন্তে ৪ সদস্যের কমিটি করেছে জেলা প্রশাসন।

অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সুমনি আক্তারকে কমিটির প্রধান করা হয়েছে বলে বাংলাকাগজকে নিশ্চিত করেছেন বাঁশখালী উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) সাইদুজ্জামান চৌধুরী। তিনি বলেন, কমিটিকে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

কমিটিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার একজন, কলকারখানা পরিদর্শক বিভাগের একজন এবং বিদ্যুৎ বিভাগের একজন প্রতিনিধি রয়েছেন।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) শ্রমিকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনার পর বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভেতরে শ্রমিক প্রতিনিধি, পুলিশ, জেলা প্রশাসন এবং বিদ্যুৎকেন্দ্র ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়।

এতে চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি, জেলা প্রশাসক মমিনুর রহমান এবং জেলা পুলিশ সুপার রাশিদুল হকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় শ্রমিকদের দাবি মেনে নেওয়া হবে বলে বিদ্যুৎকেন্দ্র কর্তৃপক্ষ আশ্বাস দেয়।

উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা জানান, বৈঠকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ৩ লাখ টাকা করে এবং আহত প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে এস আলম গ্রুপের পক্ষ থেকে।

‘এ ছাড়া আহতদের চিকিৎসা ব্যয়ও এস আলমের পক্ষ থেকে দেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।’

লক্ষ্মীপুর : বাইসাইকেল পেলেন গ্রাম পুলিশের সদস্যরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; রবিউল ইসলাম খান, লক্ষ্মীপুর : জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ বা মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে গ্রাম পুলিশের সদস্যরা পেলেন বাইসাইকেল। লক্ষ্মীপুরে এসব বাইসাইকেল বিতরণ করা হয়েছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে এসব বাইসাইকেল বিতরণ অনুষ্ঠান হয়েছে ৭ এপ্রিল (বুধবার)।

সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ওই বাইসাইকেল প্রদান অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মাসুমের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) আনোয়ার হোছাইন আকন্দ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ সফিউজ্জামান ভৃঁইয়া, উপজেলা চেয়ারম্যান এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু, সহকারি কমিশনার (ভূমি) মামুনুর রশিদ এবং উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কাজী খালেদ আক্তার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে বাইসাইকেল গ্রাম পুলিশের সদস্যদের হাতে তুলে দেওয়ার আগে আলোচনাও সভা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সচিবেরাও উপস্থিত ছিলেন।

মামুনুলের নারিকাণ্ড : নারায়ণগঞ্জের ওসির পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বদলি

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে নারিসহ অবরুদ্ধের পর সহিংস ঘটনা সৃষ্টির কারণে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহারের পর একই ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টি এম মোশাররফ হোসেনকেও বদলি করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জের জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম এই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ ব্যাপারে জায়েদুল আলম বলেন, হেফাজতের মামুনুল হক ইস্যুতে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রবিবার (৪ এপ্রিল) রাতে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই ঘটনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) টি এম মোশাররফ হোসেনকে খুলনা রেঞ্জে বদলি করা হয়েছে।

৩ এপ্রিল বিকেলে সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টের ৫০১ নম্বর কক্ষে হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনও এক নারি নিয়ে অবস্থান করছেন, এমন খবরে এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়। পরে হোটেল কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে মামুনুল হকের কাছে বিষয়টি জানতে চান কিছু গণমাধ্যমকর্মি। এবং ওই সময় সাধারণ মানুষ অন্য নারির বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে তাকে অবরুদ্ধ করেন। এ ঘটনার পর পুলিশ মামুনুল হককে অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে উদ্ধার করেন এবং হেফাজতে ইসলাম কর্মি-সমর্থকদের কাছে তাকে হস্তান্তর করেন। কিন্তু এরপরও নারায়ণঞ্জের হেফাজতে ইসলামের কর্মি-সমর্থকরা এলাকায় ভাঙচুর চালায় এবং অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনাও ঘটায়। তবে কোনও স্থাপনায় অগ্নিসংযোগ না করলেও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নারায়ণগঞ্জের কার্যালয়ে ভাঙচুর চালান হেফাজতের সমর্থনকারিরা। এ সময় তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে এসে নানা উস্কানিমূলক স্লোগানও দেন। এ সময় হেফাজতের সমর্থনকারিরা সহিংস হয়ে উঠেছিলেন। আর এই ঘটনায় নারায়ণগঞ্জের ওসির পর অতিরিক্ত পুলিশ সুপারও বদলি হলেন।

আইজিপি : নাশকতার নির্দেশদাতাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : হরতালে নাশকতা ও হামলার মামলায় হেফাজতে ইসলামের ঊর্ধ্বতন নেতারা জড়িত থাকলে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা ও ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ। বুধবার (৩১ মার্চ) ঢাকার সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আহত পুলিশ সদস্যদের দেখতে গিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন।

মামলায় হেফাজতের ঊর্ধ্বতন নেতাদের নাম কেন আসে নি, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের উত্তরে আইজিপি বলেন, ‘নাম না থাকলে যে তদন্তে তাঁদের নাম আসবে না, এমন কোনও কথা নেই। আমরা কোনও কিছুকে প্রভাবিত করতে চাই না। আমাদের দেশে একটি কাজ করলে ১০ রকমের সমালোচনা শুরু হয়। আমরা মনে করি, যারা হামলা করেছে, তাদের মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যদি কেউ নির্দেশদাতা থাকে, ডেফিনেটলি তারাও আসবে। কাউকে বাদ দিচ্ছি, এমন কোনও কথা বলছি না। আমরা বলছি, যারা অনস্পট ছিলো, তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তদন্তের সময় যাঁরা নির্দেশ দিয়েছেন, তাঁরাও আসবেন আমরা মনে করি। তাঁরা স্বাধীনতাকে কলুষিত করার চেষ্টা করেছেন।’

‘স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তি উদ্‌যাপনের দিন হেফাজত সারাদেশে তাণ্ডব চালায়। মাদরাসার কোমলমতি শিক্ষার্থিদের ব্যবহার করে হাটহাজারী থানায় হামলা চালিয়েছে। এর আগেও এ থানায় তারা হামলা চালিয়েছে। ডাকবাংলোতে আক্রমণ করেছে। ভূমি অফিসে আক্রমণ করেছে। ভূমি অফিসের সব কাগজপত্র একত্র করে জ্বালিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনা হয়তো এখানেই শেষ হতো। কিন্তু এই ভূমি অফিস জ্বালিয়ে দেওয়ার ফলে ওই অঞ্চলের মানুষ বছরের পর বছর কষ্ট পাবেন। এমনকি বাংলাদেশের মানুষের জমিসংক্রান্ত একটি বিরাট সমস্যা। আমাদের ক্রাইমের একটি উৎস এই ভূমি সমস্যা।’

পুলিশের যোগসাজশ! : ৯৯৯ এ ফোন করার পরও হামলার শিকার!

নিজস্ব সংবাদদাতা, বাংলা কাগজ; কুষ্টিয়া : জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার পর কুষ্টিয়ায় এক ব্যক্তি সন্ত্রাসি হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

গত শুক্রবার (১২ মার্চ) কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার জুনিয়াদাহ এলাকায় এই হামলা হয় বলে আসাদুল হক নামের এই ব্যক্তির অভিযোগ।

আসাদুল হক জানান, এই ঘটনায় তিনি শনিবার (১৩ মার্চ) কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন।

আসাদুল জুনিয়াদাহ এলাকার ফয়জুল্লাপুর গ্রামের আবু বক্করের ছেলে।

অভিযোগে স্থানীয় কুচিয়ামোড়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি এসআই জাহাঙ্গীর হোসেন এবং আলমগীর, মামুন, মিলন, শাকিল, রুবেল, আসমান, রাবিকসহ অজ্ঞাত আরও কয়েকজনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এদের সবাই ভেড়ামারা উপজেলার বাহাদুরপুর এবং পাশের দৌলতপুর উপজেলার বাসিন্দা।

লিখিত অভিযোগ পাওয়ার কথা নিশ্চিত করে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপার খায়রুল আলম বলেন, ‘আসাদুল হক নামের এক ব্যক্তির অভিযোগ পেয়ে তাৎক্ষণিক ভেড়ামারা থানাকে নির্দেশ দিয়েছি মামলা করতে। ওটা মামলা হয়ে গেছে।’

তবে এক্ষেত্রে পুলিশের কোনও অবহেলা ছিল কিনা সেটাও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এসপি জানান।

অভিযোগে বলা হয়, গত শুক্রবার (১২ মার্চ) সকাল ৯টার দিকে জুনিয়াদাহ এলাকায় আসাদুলের বাড়ির পাশে পদ্মা নদীতে হঠাৎ গোলাগুলির শব্দ হয়। এতে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে ‘স্থানীয় পুলিশ ক্যাম্পে সাহায্য চেয়ে না পাওয়ায়’ পরে জাতীয় জরুরি সেবা সার্ভিস ৯৯৯ নম্বরে ফোন দিয়ে বিষয়টি অবহিত করেন আসাদুল।

এরপর সেখান থেকে তার সঙ্গে ভেড়ামারা থানার ডিউটি অফিসারের যোগাযোগ করিয়ে দেওয়া হয় বলে আসাদুল অভিযোগে উল্লেখ করেন।

তিনি অভিযোগে আরও বলেন, ভেড়ামারা থানার ডিউটি অফিসার তাঁর (আসাদুলের) নাম ও মোবাইল নম্বর তৎক্ষণাৎ কুচিয়ামোড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ জাহাঙ্গীরকে দেন।

‘আমার নম্বরে কল দেওয়ার আগেই কোনোভাবে ওই পুলিশ অফিসার সন্ত্রাসীদের সতর্ক করে দেন এবং আমার নাম-পরিচয় তাদের কাছে বলে দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরে যেতে বলেন।’

‘‘পরে আমার নম্বরে দারোগা জাহাঙ্গীর কল দিয়ে হুমকির সুরে বলেন- ‘তুই ফাজলামি করিস, আমি খবর নিয়ে দেখেছি এলাকায় কোনো ঘটনা ঘটে নি’। এ কথা বলেই তিনি ফোন কেটে দেন।”

অভিযোগে তিনি আরও বলেন, ‘এরপর কিছুক্ষণের মধ্যেই সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থলের পাশে আমাকে রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র দিয়ে কোপাতে থাকে। আশপাশের কৃষকরা ছুটে এসে লাঠি দিয়ে তাদের মারধর শুরু করলে তারা পালিয়ে যায়।’

পরে স্বজনেরা তাঁকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান বলে জানান।

বাসাইলে নতুন ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলা কাগজ; রবিন তালুকদার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের বাসাইল উপজেলায় উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে যোগদান করেছেন মনজুর হোসেন।

তাঁর বাড়ি রাজবাড়ি জেলার পাংশা উপজেলায়।

তিনি আবাসপুর ইউনিয়নের কাচারী পাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক এবং পাংশা সরকারি কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছেন।

তিনি ৩৩তম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেছিলেন।

বাসাইলের নবাগত ইউএনও মনজুর হোসেন বাংলা কাগজকে বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী গৃহিত উপজেলা পর্যায়ের সকল উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড অবশ্যই সফলভাবে সম্পন্ন করবো। একটি আধুনিক ও সমৃদ্ধ বাসাইল গড়ে তোলা আমার দায়িত্ব।’

‘এ ছাড়া বাসাইল উপজেলায় বাল্যবিবাহ, মাদক ও ইভটিজিংসহ বিভিন্ন প্রকারের অপরাধ কঠোরভাবে দমন করবো।’

‘এসব কাজে উপজেলার সচেতন নাগরিক, বিভিন্ন পেশাজীবী, রাজনৈতিক নেতাকর্মি এবং সাংবাদিকসহ সকলকে আমি পাশে চাই। আশা করি, তাঁদেরকে আমি পাশে পাবো।’

থানায় জিডি : বাংলা কাগজ সম্পাদক ও প্রকাশকের মোটরসাইকেলে ধাক্কা : নজর বিকাশ, জঙ্গিবাদ ও আল-জাজিরার দিকে

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বিকাশ নিয়ে প্রতিবেদনের পরদিনই বাংলা কাগজ সম্পাদক ও প্রকাশের মোটরসাইকেলে ধাক্কার ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনি নিজে মিরপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতি ও জাল-জালিয়াতির বিরুদ্ধে বিশেষ প্রতিবেদন করে আসারসঙ্গে বাংলা কাগজ ধারাবাহিকভাবে জঙ্গিবাদ ও আল-জাজিরার ইস্যুগুলোতে জোরালোভাবে বিরোধিতা করে আসছে।

সবমিলে বাংলা কাগজ সম্পাদক ও প্রকাশক আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বলেছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখার সময় বিকাশ, জঙ্গিবাদ ও আল-জাজিরার যেসব অপশক্তি গণমাধ্যমের ওপর আঘাত হানতে চায়; বিশেষ করে বাংলা কাগজ যাদের টার্গেট, তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য।

১০/০৩/২০২১ খ্রিস্টাব্দে মিরপুর মডেল থানায় করা জিডিতে (নম্বর : ৭৭৮) বাংলা কাগজ সম্পাদক ও প্রকাশক উল্লেখ করেছেন, আমি আমার অফিস সহকারি রনি (রানা) কে নিয়ে ১০/০৩/২০২১ খ্রিস্টাব্দ তারিখে দুপুর ১টার দিকে মিরপুর মডেল থানাধীন থানার উত্তরপাশ দিয়ে যাওয়া সড়ক দিয়ে মিরপুর বিআরটিএতে যাচ্ছিলাম। এ সময় আমি প্রজাপতি পরিবহনকে পাশ কাটতে থাকাকালে আমার মোটরসাইকেল (নম্বর : ঢাকা মেট্রো হ : ৬৫-৮৭৮৭) এবং প্রজাপতি বাসের মাঝখান দিয়ে ঢাকা মেট্রো চ : ৫৬-৪৩৪৬ নম্বরের একটি মাইক্রোবাস যাওয়ার সময় আমার বাইককে কিছুটা ধাক্কা দেয়। এতে আমি ও আমার বাইক এবং আমার সহকর্মি অক্ষত থাকলেও আমি যেহেতু বাংলা কাগজ এর সম্পাদক ও প্রকাশ এবং দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতা করছি, এ অবস্থায় জঙ্গিবাদ বা বিষয়টি খতিয়ে দেখার অনুরোধ করছি।

সাধারণ ডায়েরিতে অভিযুক্ত ড্রাইভারের ঠিকানা উল্লেখ করা হয়েছে : মো. শামীম (৪৪), পিতা : মৃত আবুল হাসেম, গ্রাম : বড়ইগাঁও, থানা মতলব, জেলা : চাঁদপুর।

জিডিতে উল্লেখিত অভিযুক্ত ব্যক্তি ড্রাইভার মো. শামীমের বর্তমান ঠিকানা : বাসা নম্বর : ১৫, রোড নম্বর : ৯, সেক্টর নম্বর : ৯, উত্তরা ঢাকা।

‘এ ছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বর : ০১৭১২২৮৫৪৭২।’

উল্লেখ করা যেতে পারে, জঙ্গিবাদ এবং আল-জাজিরা ইস্যুতে বাংলা কাগজ বরাবরের মতোই কঠোর অবস্থানে থাকার পাশাপাশি অনিয়ম-দুর্নীতি ও জাল-জালিয়াতির বিরুদ্ধে সব সময়ই সোচ্চার। এরইঅংশ হিসেবে বিশেষ প্রতিবেদনের মধ্যে সর্বশেষ ৯ মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ তারিখে বাংলা কাগজ নির্দেশনা মানছে না বিকাশ, অবহেলা কেন্দ্রীয় ব্যাংকেরও! : কঠোরতার ‘হুঁশিয়ারি’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

নৌ পুলিশে স্পিডবোট প্রদান করলেন আইজিপি

নৌ পথের আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক শনিবার (৬ মার্চ) সকাল ১১টায় ঢাকা বোট ক্লাব, বিরুলিয়া ঢাকাতে নৌ পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আতিকুল ইসলামের (বিবিএম-বার, পিপিএম-বার) কাছে একটি স্পিডবোট প্রদান করেন।

বাংলাদেশ নদীমাতৃক হওয়ায় এ দেশের নদী পথের আইন শৃঙ্খলা আনয়ন, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও নদীপথের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদানের ক্ষেত্রে এ স্পিডবোট সহায়তা করবে।

তিনি নৌ পুলিশের সার্বিক কার্যক্রমের ভূয়সি প্রশংসা করেন। (বিজ্ঞপ্তি)।

আইজিপি : উন্নয়নশীল হওয়ায় ৬৬০ থানায় একযোগে আনন্দ উদযাপন ৭ মার্চ ৩টায়

নিজস্ব প্রতিবেদন, বাংলা কাগজ : বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে চূড়ান্ত সুপারিশ পাওয়ার আনন্দ দেশজুড়ে সব থানায় একযোগে উদ্‌যাপন করবে পুলিশ।

একদিন পর সেই ঐতিহাসিক ৭ মার্চ বিকেল ৩টা থেকে দেশের ৬৬০টি থানায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ অর্জনটি উদযাপন করা হবে।

শুক্রবার (৫ মার্চ) বেলা সোয়া ১১টায় রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ড. বেনজীর আহমেদ।

‘ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান ও বাংলাদেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণে জাতিসংঘের চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্তিতে দেশব্যাপী আনন্দ উদ্‌যাপন’ উপলক্ষে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

‘গত ২৬ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছে। মাত্র ৫০ বছরে এ অর্জনের কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এবং দেশের সব জনগণের। এ অর্জনটিকে আমরা উদযাপন করবো, কারণ এটি ১৮ কোটি মানুষের অর্জন।’

এ ছাড়া ৭ মার্চ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ বাঙালি জাতির অন্যতম মাইলফলক। ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো ৭ মার্চের ভাষণকে ‘ডকুমেন্টারি হেরিটেজ’ (বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য) হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। এটি আমাদের জন্য একটি বড় অর্জন।

‘এ দুটো অর্জন উপলক্ষে ৭ মার্চ দেশের ৬৬০টি থানায় একযোগে আনন্দ উদযাপন করা হবে।’

‘এদিন পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, সাধারণ মানুষ অংশ নেবেন। সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

এদিন সব থানায় বিকেল ৩টায় একযোগে আনন্দ উদযাপন শুরু হবে।

নানা আয়োজনের মধ্যে থাকবে আলোচনা সভা, প্রীতিভোজ এবং সবার মধ্যে মিষ্টিবিতরণ।

আইজপি বলেন, ‘এক সময় মানুষ ভুলেই যাবে, দেশে দারিদ্র্য ছিলো। আর এখন দারিদ্র্য জাদুঘরে যাওয়ার উপক্রম। ২০০৮ সালের পর থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নে আমূল পরিবর্তন এসেছে। আমাদের এ উদযাপনে দেশবাসিকে শামিল হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

মেরিন গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী : দেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বলে কাজ করতে হবে

বাসস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সততা, দক্ষতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে মেরিন গ্র্যাজুয়েটদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের ক্যাডেটরা আজ নতুন জীবনে পদার্পণ করবেন, সততা, দক্ষতা ও কর্তব্যনিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে। যাতে বিদেশে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হয়।’

তিনি বলেন, ‘মনে রাখতে হবে লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে আমরা আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছি।’

শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশ মেরিন একডেমিতে ৫৫ ব্যাচের ক্যাডেটদের মুজিবর্ষ গ্রাজুয়েশন প্যারেডে প্রধান অতিথির ভাষণ দেন।

তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী পাসিং আউট ক্যাডেটদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, ‘সমুদ্রচারণ বিষয়টা বেশ চ্যালেঞ্জিং, খুব কঠিন একটা দায়িত্ব। কিন্তু দায়িত্বটা পালন করার মত প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে তোমরা কর্মক্ষেত্রে যোগ দেবে।’

তিনি বলেন, জাতির পিতা হাতেগড়া এই প্রতিষ্ঠানটি প্রায় মুমূর্ষু আবস্থায় তাঁর সরকার পেয়েছিলো। কাজেই, তা উন্নত করবার জন্য ব্যাপক কর্মসূচিও তাঁর সরকার বাস্তবায়ন করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি’-সরকারি ৫টি ও বেসরকারি ৬টিসহ সমুদ্র-বিশ্বের চাহিদা অনুযায়ী, আমরা আরও চারটি মেরিন একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেছি। যা এবছরেই চালু হচ্ছে। তিনি বলেন, তাঁর সরকার জাহাজ চলাচলে উচ্চতর শিক্ষার প্রবর্তনের জন্য ২০১৩ সালে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি’ প্রতিষ্ঠা করেছে। দায়িত্ব গ্রহনের পর ছেলে-মেয়েদের জন্য শিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এর আওতায়, তোমাদের বিদ্যমান তিন বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব মেরিটাইম সাইন্স পাস ডিগ্রি কোর্সকে, চার বছর মেয়াদী অনার্স কোর্সে উন্নীত করা হয়েছে। পাশাপাশি, প্রবর্তন করা হয়েছে ‘মাস্টার অব মেরিটাইম সায়েন্স’ ডিগ্রী কোর্স। শেখ হাসিনা বলেন, ‘প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে সর্বোচ্চ শিক্ষাটা গ্রহণ করা দরকার, সেভাবেই প্রশিক্ষিতও হবে হবে। তাই, সে সুযোগটা আমরা সৃষ্টি করে দিচ্ছি।’
বিগত ১০ বছরে এই একাডেমির শিক্ষাদান ট্র্যাডিশনাল থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাজ্য মার্চেন্ট নেভি ট্রেনিং বোর্ডের স্বীকৃতিসহ অর্জিত হয়েছে নানাবিধ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি।

তিনি বলেন, একাডেমির নটিক্যাল প্রশিক্ষণকে উন্নততর করার লক্ষ্যে, ২০১৯ সনে একাডেমিতে স্থাপন করা হয়েছে ‘নেভিগেশন সিমুলেটর’। পাশাপাশি, এবছরই উন্নততর মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং প্রশিক্ষণের স্বার্থে চলমান রয়েছে ‘ইঞ্জিন কন্ট্রোল সিমুলেটর’ স্থাপনের প্রক্রিয়া। অর্থাৎ এই একাডেমিকে পুর্ণাঙ্গ রূপ আমরা দিতে যাচ্ছি যাতে আমাদের ক্যাডেটরা দেশে এবং বিদেশে আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ নিয়ে তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী ৫৫ ব্যাচের ক্যাডেটদের মনমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করেন। অনুষ্ঠান থেকে তাঁকে রাষ্ট্রীয় সালাম জানানো হয়।

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব মেসবাহ উদ্দিন চৌধুরী অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানে পাসিং আউট ক্যাডেটদের মাঝে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণ পদক এবং বাংলাদেশ শিপিং করের্পারেশন পদক প্রদান করেন।

চিফ ক্যাডেট ক্যাপ্টেন আবির মোহাম্মদ সালমান নূর সার্বিক বিবেচনায় সফল চৌকষ ক্যাডেট হিসবে রাষ্ট্রপতি স্বর্ণপদক লাভ করেন।
অনুষ্ঠানে ক্যাডেটদের শপথ বাক্য পাঠ করান প্রতিষ্ঠানের কমান্ড্যান্ট মেরিন ইঞ্জিনিয়ার ড. সাজ্জাদ হুসেইন।

এবারের ৫৫ ব্যাচে ১৯২জনসহ এই মেরিন একাডেমি থেকে এ পর্যন্ত পাসিং আউট ক্যাডেটের সংখ্যা প্রায় সাড়ে ৪ হাজারে দাঁড়িয়েছে।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মেরিন একাডেমির লেকে দু’টি প্রশিক্ষণ বোটের কমিশনিং এবং পোস্ট-সি ক্যাডেট বন্টকের (১২০ জন ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন) নবায়ন করেন।

নওগাঁয় জেলা প্রশাসন, বিচার বিভাগ ও পুলিশ খেলবে মুজিব শতবর্ষের ক্রিকেট

নিজস্ব প্রতিবদেক, বাংলা কাগজ; এ কে এম কামাল উদ্দিন টগর, নওগাঁ : জেলা প্রশাসন; বিচার বিভাগ; জেলা পুলিশ; বাংলাদেশ ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট, নওগাঁ উপকেন্দ্র; কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর; নওগাঁ সরকারি কলেজ ও বিএমসি মহিলা কলেজ সমন্বিত; জেলা শিক্ষা ও প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ সমন্বিত এবং জেলার অন্যান্য বিভাগ/দপ্তরের সমন্বিত অংশ মিলে এ ৮ দলের প্রতিযোগিতায় নওগাঁয় শুরু হয়েছে মুজিব শতবর্ষের ক্রিকেট।

‘মুজিব শতবর্ষের শতবল’ প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় শুক্রবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টায় স্থানীয় স্টেডিয়ামে ওই ক্রিকেট টুর্নামেন্ট শুরু হয়।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সচিব শেখ ইউসুফ হারুন এতে প্রধান অতিথি ছিলেন।

নওগাঁর জেলা প্রশাসক হারুন অর রশিদের সভাপতিত্বে আয়োজিত উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার খলিলুর রহমান, রাজশাহী বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. হুমায়ূন কবির, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি আব্দুল বাতেন, নওগাঁর পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়া বিপিএম বিশেষ অতিথি ছিলেন।